খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ জামায়াতের ৫ নেতাকে ফাঁসি দিয়েছে, বিএনপির অফিস তো বন্ধ করেনি’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ জামায়াতের ৫ নেতাকে ফাঁসি দিয়েছে, বিএনপির অফিস তো বন্ধ করেনি’

‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ জামায়াতের ৫ নেতাকে ফাঁসি দিয়েছে, বিএনপির অফিস তো বন্ধ করেনি’

রাজনীতি ডেস্ক: ক্ষমতাচ্যুত দলের সঙ্গে সমঝোতা বা আঁতাতের অভিযোগ সম্পূর্ণ অবান্তর এবং রাজনৈতিক অসততা হিসেবে অভিহিত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ এই কঠোর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। মূলত গত দেড় দশকে রাজনৈতিক ময়দানে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপট টেনে তিনি এই বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট জানান যে, যে দলটির চরম দমনপীড়নের শিকার হয়েছে জামায়াত, তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের গোপন সমঝোতার প্রশ্নই ওঠে না।

হামিদুর রহমান আযাদ তাঁর বক্তব্যে বিগত সরকারের আমলের দলীয় ক্ষতির চিত্র তুলে ধরে জানান যে, তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় পাঁচ নেতাকে ফাঁসি দিয়েছে। পাশাপাশি দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা ও গুম করা হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সিলগালা করে রাখা হয়েছিল। এই চরম বৈরী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন রাখেন যে, এতকিছুর পরও কীভাবে একটি সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ জামায়াতের সঙ্গে ওই দলের আঁতাতের কল্পকাহিনি বিশ্বাস করতে পারে।

অন্যদিকে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে এই জামায়াত নেতা পাল্টা অভিযোগ করেন যে, বিগত সময়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি তুলনামূলক সুগম পরিবেশে রাজনীতি করেছে। তিনি দাবি করেন যে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় কখনো স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হয়নি এবং তারা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে সভা-সমাবেশ পরিচালনা করতে পেরেছে। উল্টো গত পনেরো বছর ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে তারা নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি দেশের একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে আসা কিছু মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এই আলোচনা নতুন করে সামনে এসেছে। রাজশাহীর একটি জনসভায় এবং পরবর্তী সময়ে দলীয় জ্যেষ্ঠ নেতাদের বক্তব্যে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে কিছু প্রশ্ন তোলা হয়। এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর হিসেবে আখ্যায়িত করে জামায়াত নেতারা বলছেন, মূলত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গণভোট এবং সাংবিধানিক সংস্কারের মতো জরুরি ও মৌলিক জাতীয় দাবিগুলো থেকে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে সরাতেই এই অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে।

advertisement
advertisement

তৃণমূল পর্যায়ে নারী স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তৃণমূল পর্যায়ে নারী স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

তৃণমূল পর্যায়ে নারী স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ডেস্ক: জটিল নারী স্বাস্থ্যসমস্যা মোকাবিলায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছেন নীতিনির্ধারকরা। বর্তমান প্রশাসন নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী স্বাস্থ্য খাতের কাঠামোগত উন্নয়ন, রোগ প্রতিরোধ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত এক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দেশের লাখ লাখ নারী এন্ডোমেট্রিওসিসের মতো দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল রোগে ভুগে থাকেন, যা প্রায়শই অগোচরে থেকে যায়।

সামাজিক বাধা ও জনসচেতনতার অভাবের কারণে এই ধরনের রোগের শিকার নারীরা সময়মতো সঠিক চিকিৎসা পান না। এই সংকট উত্তরণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে, যার একটি বড় অংশে থাকবেন নারী কর্মীরা। মাঠপর্যায়ে নারীদের সঙ্গে এসব কর্মীর সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হলে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়েই রোগ নির্ণয় সহজ হবে। এছাড়া দক্ষ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে একটি সুনির্দিষ্ট রেফারেল ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

রাজধানীর বড় হাসপাতালগুলোতে অতিরিক্ত রোগীর চাপ এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি বহুদিনের পুরোনো সমস্যা। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের চিকিৎসালয়গুলোকে পর্যাপ্ত জনবল, প্রশিক্ষিত চিকিৎসক এবং আধুনিক যন্ত্রপাতিতে সমৃদ্ধ করতে পারলে একটি কার্যকর নেটওয়ার্ক তৈরি সম্ভব। এর ফলে সিংহভাগ মানুষ নিজ এলাকাতেই কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবেন এবং বড় শহরমুখী হওয়ার প্রবণতা কমবে। মূলত স্থানীয় হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াতেই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

চিকিৎসক সমাজের দক্ষতার কথা তুলে ধরে গবেষণার ক্ষেত্রে আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। কাজের অতিরিক্ত চাপ এবং সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় আন্তর্জাতিক মানের প্রকাশনায় পিছিয়ে পড়তে হয় তরুণ চিকিৎসকদের। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে মানসম্মত গবেষণা প্রস্তাবে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জরায়ুমুখের ক্যানসারের মতো মারাত্মক রোগের বিস্তার রোধে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাজে ব্যাটিংয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাজে ব্যাটিংয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

বাজে ব্যাটিংয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

খেলা ডেস্ক: মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতার কারণে দ্রুত উইকেট হারাতে হয়েছে দলকে। ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে বৃষ্টি ও আলো স্বল্পতার কারণে খেলা ব্যাহত হলেও উইন্ডিজদের বিপক্ষে লিড পেলেও বড় সংগ্রহের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯ ওভার ব্যাট করে ৬ উইকেট হারিয়ে ৭৯ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা। উইকেটে টিকে থেকে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন ১৮ রান করে অপরাজিত থাকা নাঈম হাসান ও জাকের আলী অনিক।

ম্যাচের এই পর্যায়ে এসে শেরেবাংলার উইকেট ক্রমশ স্পিনবান্ধব হয়ে উঠছে এবং বল নিচু হয়ে যাওয়ায় ব্যাটারদের জন্য কাজটা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত এই টেস্টে পতন হওয়া ২৬ উইকেটের মধ্যে কুড়িটিই দখল করেছেন দুই দলের স্পিনাররা, যা উইকেটের চরিত্র স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে। এর আগে দিন শুরু করে ক্যারিবীয় ব্যাটাররা প্রথম ইনিংসে ২৪৫ রান পর্যন্ত সংগ্রহ করে, ফলে বাংলাদেশ মাত্র ২৭ রানের স্বল্প লিড পায়। বল হাতে বাংলাদেশের পক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে নাঈম হাসান গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারীদের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে দিতে বড় ভূমিকা পালন করেন।

স্বল্প লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ দল। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই কোনো রান না করে জেইডেন সিলসের বলে আউট হন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। এর কিছু সময় পর সাদমান ইসলাম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও থিতু হতে পারেননি। দলীয় স্কোরে রান যোগ করার আগেই একে একে সাজঘরে ফেরেন সাদমান ও তৌহিদ হৃদয়। ফিল্ডিংয়ের সময় চোট পেয়ে মুমিনুল হক ছিটকে যাওয়ায় কনকাশন সাব হিসেবে নামা জাকের আলী এবং নাজমুল হোসেন শান্তর ওপর দলের ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব পড়ে।

মাত্র ৩৩ রানে চার উইকেট হারিয়ে দল যখন চরম বিপদে, তখন বৃষ্টি ও আলো স্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই চা পানের বিরতি দেওয়া হয়। বিরতির পর খেলা শুরু হলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো অব্যাহত থাকে বাংলাদেশের। বিশেষ করে স্পিন আক্রমণের সামনে বাংলাদেশি ব্যাটারদের টেকনিক্যাল দুর্বলতা আরও একবার প্রকট হয়ে উঠেছে। উইকেটের ফায়দা নিয়ে ক্যারিবীয় বোলাররা চাপ বজায় রাখায় স্বাগতিক দলের লিড বড় করা বেশ দুরূহ হয়ে পড়েছে। শেষ পর্যন্ত নাঈম ও জাকরের ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে কোনোমতে একশ রানের কোটা পার করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ দল।

ম্যাচের বর্তমান পরিস্থিতিতে চতুর্থ দিনে বাংলাদেশ দল কেমন প্রতিরোধ গড়তে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। উইকেটের যে আচরণ তাতে বড় লক্ষ্য দেওয়া সম্ভব না হলেও দুই শ রানের কাছাকাছি বা তার বেশি সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারলে ম্যাচের ফল নিজেদের পক্ষে আনা সম্ভব হতে পারে। তবে লো স্কোরিং এই টেস্টে জয়ের জন্য ক্যারিবীয় বোলারদের মোকাবিলা করতে ব্যাটারদের অত্যন্ত বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে। শেরেবাংলার ঐতিহাসিক উইকেটে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং করা সব সময়ই কঠিন চ্যালেঞ্জ, আর তাই এই টেস্টের ভাগ্য নির্ধারণে শেষ দুই দিনের খেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাতের কথা কেন বলে বিএনপি, জানালেন রিজভী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাতের কথা কেন বলে বিএনপি, জানালেন রিজভী

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাতের কথা কেন বলে বিএনপি, জানালেন রিজভী

রাজনীতি ডেস্ক: কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও ক্ষমতাচ্যুত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কথিত রাজনৈতিক আঁতাত নিয়ে কেন বিএনপি বারবার প্রশ্ন তুলছে, সম্প্রতি তার নেপথ্য কারণ ও যুক্তি ব্যাখ্যা করেছেন বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা। দলের এই অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জানানো হয় যে গণতান্ত্রিক ও জাতীয়তাবাদী শক্তিকে বিভাজিত করার যেকোনো অপচেষ্টা শেষ পর্যন্ত পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তিকেই পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ করে দেবে। মূলত রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান নানা সমীকরণ এবং সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যের পর এই ব্যাখ্যা সামনে আসে।

গণমাধ্যমকে দেওয়া বিশেষ এক সাক্ষাৎকারে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয় যে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরপরই জামায়াত শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে সাবেক শাসক দলকে ক্ষমা করে দেওয়ার মতো সুর শোনা গিয়েছিল। এই ধরনের নমনীয় মনোভাব এবং তাদের পরবর্তী রাজনৈতিক অবস্থান দেশের সাধারণ মানুষের মনে বড় ধরনের সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা রাজনৈতিক নিপীড়ন ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ, তখন এমন অবস্থান গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

বিএনপির নীতিনির্ধারক মহলের মতে, একটি রাজনৈতিক দল যখন ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান না নিয়ে উল্টো বিভাজনের রাজনীতি করে, তখন তা প্রকারান্তরে পলাতক শক্তিকে পুনর্বাসিত হওয়ার পথ সুগম করে। দেশের পুরো জাতি যখন দীর্ঘ দুঃশাসনের শিকার হয়েছিল, তখন সেই শক্তির বিষয়ে যেকোনো ধরনের আপসকামী মনোভাব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এই রাজনৈতিক মতপার্থক্যের জেরে সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে কথার লড়াই ও পাল্টাপাল্টি মন্তব্য লক্ষ্য করা গেছে।

গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে বিএনপি নেতা আরও জানান যে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির পাঁয়তারা চালাচ্ছে পলাতক চক্র। এমন একটি জটিল পরিস্থিতিতে কোনো রাজনৈতিক দল যদি মূল ধারা থেকে সরে গিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ওঠা অত্যন্ত স্বাভাবিক। সাম্প্রতিক এক জনসভায় দলের শীর্ষ পর্যায় থেকেও এই বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।