খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বাংলাদেশে রাজনীতির মাঠ যেন একটা বক্সিং রিং

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশে রাজনীতির মাঠ যেন একটা বক্সিং রিং

বাংলাদেশে রাজনীতির মাঠ যেন একটা বক্সিং রিং

রাজনীতি ডেস্ক: যে দেশের সাধারণ মানুষ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান শুনতে ভালোবাসে এবং কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতার ধানসিঁড়ি নদীর রূপকল্প খুঁজে বেড়ায়, সেই একই জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে কেন এত নির্মমতা ও কঠোরতার প্রকাশ ঘটে, তা নিয়ে দীর্ঘকাল ধরেই আলোচনা চলছে। সাধারণ মানুষের শিল্পিত ও সংস্কৃতিমনস্ক মানসিকতার সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার তীব্র ও আক্রমণাত্মক ভাষার এক অদ্ভুত বৈপরীত্য লক্ষ্য করা যায়। এই অমিলের উত্তর খুঁজতে হলে মূলত দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসের দীর্ঘ পথপরিক্রমা এবং ক্ষমতার পালাবদলের পেছনের নানা ঘটনার দিকে গভীর দৃষ্টিপাত করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের রাজনীতির মাঠকে পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকরা প্রায়শই একটি বক্সিং রিংয়ের সঙ্গে তুলনা করে থাকেন, যেখানে নীতিগত বিতর্ক বা আদর্শের লড়াইয়ের চেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীকে ঘায়েল করার মানসিকতাই বেশি প্রবল থাকে। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের বক্তৃতায় প্রতিনিয়ত যে ধরনের কর্কশ ভাষা, কটূক্তি এবং চরম হুংকার শোনা যায়, তা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করেন সমাজবিজ্ঞানীরা। এই আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক আচরণ কেবল নেতাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা অতি দ্রুত তৃণমূল স্তরের নেতাকর্মী এবং সাধারণ সমর্থকদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে।

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এ দেশের রাজনীতি কখনোই সম্পূর্ণ মসৃণ ছিল না বরং বারবার ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, সামরিক শাসন এবং সাংবিধানিক সংকটের মধ্য দিয়ে এটি বর্তমান অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতিটি রাজনৈতিক দল নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা এবং আধিপত্য বজায় রাখতে গিয়ে এক ধরনের সংঘাতময় পথ বেছে নিয়েছে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে রাজনীতির স্বাভাবিক সংস্কৃতি হিসেবে শিকড় গেড়েছে। প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিক প্রতিযোগী হিসেবে না দেখে শত্রু হিসেবে গণ্য করার এই প্রবণতাই রাজনীতির ময়দানকে প্রতিনিয়ত উত্তপ্ত ও সংঘাতপূর্ণ করে রাখছে।

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহনশীলতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা এবং সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিকাশ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন বিশিষ্টজনেরা। কেবল ক্ষমতার পালাবদল বা নির্বাচনকেন্দ্রিক প্রতিযোগিতা নয়, বরং রাজনীতির ভাষাকে মার্জিত ও জনকল্যাণমুখী করতে না পারলে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বারবার ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা থেকেই যায়। সাধারণ মানুষ বরাবরই একটি শান্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ প্রত্যাশা করলেও রাজনৈতিক দলগুলোর মাঠের এই মারমুখী অবস্থান তাদের সেই কাঙ্ক্ষিত শান্তির পরিবেশ থেকে দূরে সরিয়ে রাখছে।

advertisement
advertisement

কালকের মধ্যেই সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে না সরালে বরাদ্দ বাতিল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কালকের মধ্যেই সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে না সরালে বরাদ্দ বাতিল

কালকের মধ্যেই সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে না সরালে বরাদ্দ বাতিল

জাতীয় ডেস্ক: সরকারি আবাসন ব্যবস্থার নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে যেসব বরাদ্দপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিজেদের বাসা বা ফ্ল্যাট অন্যের কাছে ভাড়া দিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। সম্প্রতি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর এ বিষয়ে একটি জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। পরিদপ্তরের পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ ভাড়াটেদের সরিয়ে ফেলতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সম্প্রতি পরিদর্শনের সময় কিছু বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তির বাসায় সাবলেট বা অবৈধ ভাড়াটে রাখার বিষয়টি ধরা পড়ে। বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২ অনুযায়ী সরকারি ফ্ল্যাট বা এর কোনো অংশ অন্য কারো কাছে ভাড়া দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু কিছু অসাধু বরাদ্দপ্রাপক এই নিয়ম অমান্য করে অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধার জন্য বাসাগুলো অন্যদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। এর ফলে সরকারি আবাসন বরাদ্দের মূল উদ্দেশ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রকৃত চাহিদাবান ব্যক্তিরা সরকারি সুবিধা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

জারি করা নির্দেশনায় আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সরকারি বাসস্থান থেকে সমস্ত অবৈধ ভাড়াটে বা সাবলেট বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট এই তারিখের পর যদি কোনো সরকারি ফ্ল্যাটে ভাড়াটে পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট বরাদ্দপ্রাপকের আবাসন বরাদ্দ তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করা হবে। শুধু বরাদ্দ বাতিল করেই ক্ষান্ত হওয়া হবে না, বরং বিধিমোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এমনকি অভিযুক্ত কর্মচারীর অফিসপ্রধান ও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে বিভাগীয় শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হবে।

এই নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদেরও ইতিমধ্যেই বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। গণবিজ্ঞপ্তির অনুলিপি প্রধান প্রকৌশলী, সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামের উপপরিচালকদের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। আবাসন পরিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারি সম্পদের অপব্যবহার রোধ এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই ধরনের তদারকি ও অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

শনিবার খুলনা বিভাগে ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, অংশ নেবে ১৯ জেলার নেতাকর্মী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শনিবার খুলনা বিভাগে ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, অংশ নেবে ১৯ জেলার নেতাকর্মী

শনিবার খুলনা বিভাগে ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, অংশ নেবে ১৯ জেলার নেতাকর্মী

রাজনীতি ডেস্ক: গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণের মতো সাত দফা দাবিতে বড় ধরনের লংমার্চ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে দেশের সমমনা কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত ১১ দলীয় ঐক্য। সম্প্রতি রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, প্রায় চারশো কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথপরিক্রমা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারের বর্তমান বিভিন্ন নীতি এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রতিবাদ জানাতে এই লংমার্চ আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান জোটের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। আগের বিভিন্ন কর্মসূচির তুলনায় এই লংমার্চের পরিসর অনেক বড় এবং এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উত্থাপন করে বলেন যে, জনগণের প্রকৃত প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসন সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জুলাই মাসের গণআন্দোলনে হাজারো মানুষ হতাহত হলেও এখনো অনেক দোষী ব্যক্তি আইনের আওতার বাইরে রয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এছাড়া দেশে ক্রমবর্ধমান দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তোলা মূল্যবৃদ্ধি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি গ্যাস ও জ্বালানি সংকটের দ্রুত সমাধানের দাবি জানান এই রাজনৈতিক নেতা। রাজনৈতিক সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য জনগণের মতামতকে সম্মান জানানোর ওপরও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে শুরু হয়ে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ পেরিয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত এই লংমার্চে প্রায় ১৯ জেলার রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থকেরা অংশ নেবেন। বিশাল এই বহরে দেড় হাজারের বেশি গাড়ি যুক্ত হওয়ার আশা প্রকাশ করা হয়েছে। কর্মসূচিটি সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসন, জেলা প্রশাসকসহ অন্যান্য দপ্তরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় সম্পন্ন করা হয়েছে। দীর্ঘ এই যাত্রার কারণে মহাসড়কে চলাফেরা করা সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য জোটের পক্ষ থেকে আগে থেকেই দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। যাত্রাপথে সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ কমাতে গাড়ির বহর সুশৃঙ্খলভাবে চলাচল করবে এবং মহাসড়কের নির্দিষ্ট অংশ ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে একটি সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনী সমাবেশের মাধ্যমে এই লংমার্চের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। এরপর রাজধানী থেকে শুরু হওয়া গাড়ির বহরটি বিভিন্ন জেলা ও জনপদ অতিক্রম করে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে গিয়ে সমাপনী জনসভার মধ্য দিয়ে শেষ হবে। যাত্রাপথে শরীয়তপুর, বাগেরহাট, খুলনা, ফুলতলা, যশোর ও ঝিনাইদহসহ মোট ছয়টি স্থানে পথসভার আয়োজন করা হয়েছে যেখানে জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন। লংমার্চে অংশ নেওয়া সব নেতাকর্মীকে সর্বোচ্চ শৃঙ্খলা, ধৈর্য ও সংযম বজায় রাখার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, যাত্রাপথে কোনো ধরনের উসকানিমূলক স্লোগান বা প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে এমন কোনো আচরণ বরদাস্ত করা হবে না।

ই–রিকশা কোথায় চলবে, কোথায় নিষেধ, কত গতিতে চলতে পারবে—নতুন বিধিমালা কী বলছে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ই–রিকশা কোথায় চলবে, কোথায় নিষেধ, কত গতিতে চলতে পারবে—নতুন বিধিমালা কী বলছে

ই–রিকশা কোথায় চলবে, কোথায় নিষেধ, কত গতিতে চলতে পারবে—নতুন বিধিমালা কী বলছে

জাতীয় ডেস্ক: দেশের সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা চলাচলের জন্য একটি নতুন ও সময়োপযোগী বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে এই বাহনগুলো কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি ছাড়াই যত্রতত্র চলাচল করায় সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে সরকারের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন এই বিধিমালার মাধ্যমে ই-রিকশা খাতের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রণীত নতুন নিয়মে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ই-রিকশাগুলো ঠিক কোন কোন সড়কে চলাচল করতে পারবে এবং কোথায় সেগুলোর প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ থাকবে। এছাড়া এসব যানের সর্বোচ্চ গতিসীমা কত হবে, তা নিয়েও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে যত্রতত্র ধীরগতির এই বাহন মূল সড়কে উঠে তীব্র যানজট তৈরি করতে পারবে না এবং দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে বলে নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন।

শুধু রুট আর গতি নয়, ই-রিকশার ক্ষেত্রে যাত্রী বহনের সুনির্দিষ্ট সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত গাড়ি সড়কে নামানো রোধে কঠোর ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ই-রিকশার বাধ্যতামূলক নিবন্ধন এবং নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষার বিষয়টিও এই নতুন কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। এতে গাড়ির যান্ত্রিক মান যেমন নিশ্চিত হবে, তেমনি সরকারের রাজস্ব আহরণের পরিধিও কিছুটা বাড়.

পরিবেশ ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রেও সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে এই পদক্ষেপ বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই বিধিমালা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শৃঙ্খলাপূর্ণ, নিরাপদ এবং পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠবে।