খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সব ছাত্র সংগঠনকে ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান রাহুলের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সব ছাত্র সংগঠনকে ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান রাহুলের

সব ছাত্র সংগঠনকে ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান রাহুলের

রাজনীতি ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে সম্প্রতি বিশেষ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিরোধী দলগুলোর জোট ইন্ডিয়া। রাজধানী দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই আন্দোলনকে কেবল কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি হিসেবে না দেখে দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের সব ছাত্র সংগঠনকে দলীয় সীমানা পেরিয়ে এই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।

সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওবার্তার মাধ্যমে এই আহ্বান জানান প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা। ভিডিওবার্তায় তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, এই কর্মসূচি মূলত দেশের ভোটাধিকার রক্ষা, গণতন্ত্র সুসংহত করা এবং সংবিধান বাঁচানোর একটি ঐতিহাসিক প্রয়াস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কর্মকাণ্ডে যারা ক্ষুব্ধ এবং যারা রাষ্ট্রীয় নীতিতে পরিবর্তন আনতে চান, তাদের সবাইকে এই কর্মসূচিতে সামিল হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

আন্দোলন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্ভাব্য বাধা কিংবা বলপ্রয়োগ নিয়ে যুবসমাজকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তিনি দাবি করেন যে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রশাসনের এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার সাহস আর থাকবে না। তাই সব ধরনের ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ছাত্রসমাজকে রাজপথে নেমে আসার তাগিদ দেন তিনি। সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই সংবিধান ও দেশ রক্ষা করা সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই রাজনৈতিক নেতা।

এর আগে এই অভিন্ন দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন পৃথকভাবে আন্দোলন পরিচালনা করে আসছিল। ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে পরিচালিত আগের কিছু কর্মসূচিতে বিরোধী শিবিরের একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা অংশ নিলেও শুরুর দিকে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখেছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি ও দাবির ন্যায্যতা বিবেচনা করে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য আরও সুদৃঢ় হয়েছে এবং সব পক্ষ মিলে এখন যৌথভাবে এই আন্দোলনে রূপ দেওয়া হয়েছে।

advertisement
advertisement

টাইপ বি ব্যক্তিত্ব: কম চাপ, স্বস্তির জীবন নাকি অলসতার তকমা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টাইপ বি ব্যক্তিত্ব: কম চাপ, স্বস্তির জীবন নাকি অলসতার তকমা

টাইপ বি ব্যক্তিত্ব: কম চাপ, স্বস্তির জীবন নাকি অলসতার তকমা

লাইফস্টাইল ডেস্ক: জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে অতিরিক্ত মানসিক চাপ এড়িয়ে যারা সবসময় স্বাচ্ছন্দ্যময় ও সহজ জীবনযাপন করতে পছন্দ করেন, মনোবিজ্ঞানের ভাষায় তাদের টাইপ বি ব্যক্তিত্বের অধিকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। উচ্চাভিলাষী ও নিখুঁত কাজের তাগিদ অনুভবকারী টাইপ এ ব্যক্তিত্বের মানুষের ঠিক বিপরীত অবস্থানে রয়েছে এই শান্ত স্বভাবের মানুষগুলো। গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকে হৃদরোগের সঙ্গে মানুষের ব্যক্তিত্বের কোনো সংযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেছিলেন দুই মার্কিন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মেয়র ফ্রিডম্যান এবং রে রোজেনম্যান। তাদের হাত ধরেই মূলত এই দুই ধরনের ব্যক্তিত্বের ধারণাটি প্রথমবারের মতো সামনে আসে এবং পরবর্তী সময়ে তা মনোবিজ্ঞানে ব্যাপক স্বীকৃতি লাভ করে।

এই প্রকৃতির মানুষেরা সাধারণত যেকোনো ধরনের চরম প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ এবং ইঁদুর দৌড় এড়িয়ে চলতে ভালোবাসেন। তাদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে যেকোনো পরিবর্তনের সঙ্গে সহজে মানিয়ে নেওয়ার চমৎকার ক্ষমতা এবং তীব্র মানসিক চাপহীন জীবন কাটানোর প্রবণতা। তাড়াহুড়ো করে কোনো কাজ করার মানসিকতা তাদের মধ্যে সচরাচর দেখা যায় না এবং অত্যন্ত সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতেও তারা মাথা ঠান্ডা রেখে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেন। এছাড়া গতানুগতিক কাজের চেয়ে সৃজনশীল চিন্তাভাবনা ও নতুন উপায়ে কাজ করার ঝোঁক তাদের মধ্যে বেশি থাকে। তবে এই চরিত্রের একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো কাজ শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জমিয়ে রাখা বা প্রোকাস্টিনেশনের অভ্যাস।

টাইপ বি ব্যক্তিত্বের মানুষের সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হলো তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য তুলনামূলকভাবে ভালো থাকে। কম মানসিক চাপের কারণে তাদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত ওজন এবং হৃদরোগের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেকটাই কম দেখা যায়। তবে মুদ্রার উল্টো পিঠে তাদের অতিরিক্ত ঢিলেঢালা স্বভাবের কারণে স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবও লক্ষ্য করা যায়, যার ফলে অনেক সময় তারা নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে উদাসীন থাকেন। স্বভাবগতভাবে এরা ভীষণ অমায়িক, ধৈর্যশীল ও ভালো শ্রোতা হয়ে থাকেন এবং ছোটখাটো বিষয় নিয়ে অযথা ঝামেলা এড়াতে পছন্দ করেন। অতিরিক্ত নমনীয়তার কারণে অনেক সময় তারা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পিছপা হন এবং সহজেই অন্যের সুযোগ নেওয়ার শিকার হন।

শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে এই ধরনের মানুষেরা বেশ ভালো ফলাফল করলেও তাদের শান্ত স্বভাবের জন্য অনেক সময় ভুল বোঝাবুঝির শিকার হতে হয়। অনেক সময় সহকর্মী বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের কাজের ধীরগতি দেখে অলস বা অকর্মণ্য হিসেবে ভুল মূল্যায়ন করেন। আধুনিক প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে এই মানুষেরা আমাদের মনে করিয়ে দেন যে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে সর্বোচ্চ গতিতে ছোটার কোনো প্রয়োজন নেই, বরং একটু থেমে স্বস্তির নিঃশ্বাস নেওয়াও সমানভাবে জরুরি। তবে সফলভাবে জীবন পরিচালনা করতে হলে তাদের কিছু সুনির্দিষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়।

কর্মক্ষেত্রে বা ব্যক্তিগত জীবনে সফল হতে হলে এই ব্যক্তিত্বের মানুষদের সময় ব্যবস্থাপনার প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। কাজ শেষ মুহূর্তের জন্য জমিয়ে না রেখে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বা ছোট ছোট শিডিউল তৈরি করে তা বাস্তবায়ন করা উচিত। এছাড়া জীবনের লাগাম একদম আলগা না ছেড়ে সুনির্দিষ্ট দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য স্থির করা এবং কর্মক্ষেত্রে নিজেদের কঠোর পরিশ্রম ও অবদান অন্যদের সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা জরুরি, যাতে কেউ তাদের ভুল বুঝতে না পারে।

ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধে প্রস্তুত রাশিয়া, তবে আমরা যুদ্ধ চাই না: পুতিন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধে প্রস্তুত রাশিয়া, তবে আমরা যুদ্ধ চাই না: পুতিন

ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধে প্রস্তুত রাশিয়া, তবে আমরা যুদ্ধ চাই না: পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়ানোর কোনো ইচ্ছে রাশিয়ার নেই বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নরওয়ে ও ফিনল্যান্ডের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপের পর তিনি এই অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তবে ইউরোপীয় ভূখণ্ডে কোনো ধরনের আগ্রাসন বা যুদ্ধ শুরু হলে তার কঠোর জবাব দিতে মস্কো সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমা বিশ্বের পক্ষ থেকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, তার জবাবে এই মন্তব্য করেন রুশ এই নেতা।

এর আগে ব্রিটিশ গণমাধ্যম টেলিগ্রাফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুতিন একই ধরনের মনোভাব প্রকাশ করে জানিয়েছিলেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে লড়াই করার কোনো পরিকল্পনা তাঁদের নেই। তবে ইউরোপের কোনো দেশ যদি নিজ থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পাল্টা জবাব দিতে ক্রেমলিন প্রস্তুত রয়েছে। রুশ নেতার মতে, রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হলে তা উভয় পক্ষের জন্যই মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে এবং এই যুদ্ধে কোনো পক্ষই জয়ী হতে পারবে না। তিনি ইউরোপীয় নেতাদের এই বিষয়টি সবসময় স্মরণে রাখার আহ্বান জানান।

কয়েকদিন আগে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার স্টাব এবং নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্তোরের সঙ্গে রুশ রাষ্ট্রপতির ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। ইউরোপীয় নেতাদের আমন্ত্রণে এই আলাপটি সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে পুতিন জানান যে এই আলোচনা দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। ইউরোপের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের স্বার্থে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার প্রতিও নিজের জোরালো সমর্থনের কথা জানান তিনি।

এদিকে পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর কার্যক্রম নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে মস্কো। পুতিন বরাবরই ন্যাটোর পূর্বমুখী সম্প্রসারণকে বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলো থেকে পশ্চিমা সামরিক উপস্থিতি কমানোর দাবি জানিয়ে আসছেন। এর পাশাপাশি, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে ন্যাটোর সামরিক সক্ষমতা যাচাই করতে সীমান্তবর্তী দেশগুলোতে নানা ধরনের তৎপরতা চালাতে পারে রাশিয়া। তবে সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে রুশ প্রশাসন।

হ্যাটট্রিকে ১০০০ গোলের আরও কাছে রোনালদো, দিলেন বার্তাও

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হ্যাটট্রিকে ১০০০ গোলের আরও কাছে রোনালদো, দিলেন বার্তাও

হ্যাটট্রিকে ১০০০ গোলের আরও কাছে রোনালদো, দিলেন বার্তাও

খেলা ডেস্ক: ক্যারিয়ারের এক হাজার গোলের রোমাঞ্চকর মাইলফলক ছোঁয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সৌদি প্রো লিগে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক ম্যাচে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে নিজের লক্ষ্য পূরণের পথকে আরও সুগম করেছেন এই পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড। রিয়াদের আল আওয়াল পার্কে আয়োজিত ওই ম্যাচে তার দল আল নাসর পাঁচ-তিন গোলের ব্যবধানে জয় তুলে নেয় আল খুলুদ দলের বিপক্ষে। দলের এই জয়ে বড় ভূমিকা রেখে রোনালদো বুঝিয়ে দিলেন বয়সের ভার তাকে থামাতে পারেনি, বরং গোল করার ক্ষুধা আগের মতোই অটুট রয়েছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণের লড়াই দেখতে পান দর্শকরা। খেলার ষোলো মিনিটের মাথায় গোল হজম করে পিছিয়ে পড়েছিল আল নাসর। তবে খুব দ্রুতই খেলায় ফিরে আসে তারা এবং ২৪ মিনিটে আনহেলো গ্যাবরিয়েলের গোলে সমতা আনে। এরপর প্রথমার্ধের খেলা শেষের দিকে যাওয়ার আগেই সাদিও মানের গোলে এগিয়ে যায় আল নাসর। যদিও বিরতিতে যাওয়ার আগেই আল খুলুদ আবারও সমতা ফিরিয়ে খেলায় উত্তেজনা বজায় রাখে। প্রথমার্ধের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর দ্বিতীয়ার্ধে পুরোপুরি নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে খেলে আল নাসরের ফুটবলাররা।

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের পুরো সময় জুড়েই ছিল শুধু ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দারুণ সব কীর্তি। ৬৬ মিনিটে প্রথম গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করার পথে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন এই তারকা। এরপর ৭২ ও ৮২ মিনিটে আরও দুটি গোল করে নিজের ক্যারিয়ারের সাতষট্টিতম হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি। এর মধ্যে দুটি গোলেই দারুণ সহায়তা করেছিলেন সতীর্থ জোয়াও ফেলিক্স এবং অপর গোলটিতে সহায়তা করেন সাদিও মানে। এই তিন গোলের সুবাদে পেশাদার ফুটবলে তার মোট গোলসংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল নয়শ পঁচাশিটিতে, যা কাঙ্ক্ষিত এক হাজার গোলের রেকর্ড থেকে তাকে মাত্র পনেরো গোল দূরে নিয়ে গেছে।

ম্যাচ শেষের নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও লড়াইয়ের উত্তাপ কমেনি, অতিরিক্ত সময়ে আল খুলুদ আরও একটি গোল করে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করে। তবে শেষ পর্যন্ত পাঁচ-তিন গোলের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আল নাসর। এই জয়ের সুবাদে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থানের বেশ কাছাকাছি চলে এসেছে রোনালদোর দল। ম্যাচ শেষে নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সতীর্থদের সঙ্গে উল্লাসের ছবি প্রকাশ করে দলের দারুণ পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন এই কিংবদন্তি ফুটবলার।