খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বাজে ব্যাটিংয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাজে ব্যাটিংয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

বাজে ব্যাটিংয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

খেলা ডেস্ক: মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতার কারণে দ্রুত উইকেট হারাতে হয়েছে দলকে। ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে বৃষ্টি ও আলো স্বল্পতার কারণে খেলা ব্যাহত হলেও উইন্ডিজদের বিপক্ষে লিড পেলেও বড় সংগ্রহের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯ ওভার ব্যাট করে ৬ উইকেট হারিয়ে ৭৯ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা। উইকেটে টিকে থেকে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন ১৮ রান করে অপরাজিত থাকা নাঈম হাসান ও জাকের আলী অনিক।

ম্যাচের এই পর্যায়ে এসে শেরেবাংলার উইকেট ক্রমশ স্পিনবান্ধব হয়ে উঠছে এবং বল নিচু হয়ে যাওয়ায় ব্যাটারদের জন্য কাজটা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত এই টেস্টে পতন হওয়া ২৬ উইকেটের মধ্যে কুড়িটিই দখল করেছেন দুই দলের স্পিনাররা, যা উইকেটের চরিত্র স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে। এর আগে দিন শুরু করে ক্যারিবীয় ব্যাটাররা প্রথম ইনিংসে ২৪৫ রান পর্যন্ত সংগ্রহ করে, ফলে বাংলাদেশ মাত্র ২৭ রানের স্বল্প লিড পায়। বল হাতে বাংলাদেশের পক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে নাঈম হাসান গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারীদের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে দিতে বড় ভূমিকা পালন করেন।

স্বল্প লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ দল। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই কোনো রান না করে জেইডেন সিলসের বলে আউট হন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। এর কিছু সময় পর সাদমান ইসলাম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও থিতু হতে পারেননি। দলীয় স্কোরে রান যোগ করার আগেই একে একে সাজঘরে ফেরেন সাদমান ও তৌহিদ হৃদয়। ফিল্ডিংয়ের সময় চোট পেয়ে মুমিনুল হক ছিটকে যাওয়ায় কনকাশন সাব হিসেবে নামা জাকের আলী এবং নাজমুল হোসেন শান্তর ওপর দলের ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব পড়ে।

মাত্র ৩৩ রানে চার উইকেট হারিয়ে দল যখন চরম বিপদে, তখন বৃষ্টি ও আলো স্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই চা পানের বিরতি দেওয়া হয়। বিরতির পর খেলা শুরু হলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো অব্যাহত থাকে বাংলাদেশের। বিশেষ করে স্পিন আক্রমণের সামনে বাংলাদেশি ব্যাটারদের টেকনিক্যাল দুর্বলতা আরও একবার প্রকট হয়ে উঠেছে। উইকেটের ফায়দা নিয়ে ক্যারিবীয় বোলাররা চাপ বজায় রাখায় স্বাগতিক দলের লিড বড় করা বেশ দুরূহ হয়ে পড়েছে। শেষ পর্যন্ত নাঈম ও জাকরের ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে কোনোমতে একশ রানের কোটা পার করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ দল।

ম্যাচের বর্তমান পরিস্থিতিতে চতুর্থ দিনে বাংলাদেশ দল কেমন প্রতিরোধ গড়তে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। উইকেটের যে আচরণ তাতে বড় লক্ষ্য দেওয়া সম্ভব না হলেও দুই শ রানের কাছাকাছি বা তার বেশি সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারলে ম্যাচের ফল নিজেদের পক্ষে আনা সম্ভব হতে পারে। তবে লো স্কোরিং এই টেস্টে জয়ের জন্য ক্যারিবীয় বোলারদের মোকাবিলা করতে ব্যাটারদের অত্যন্ত বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে। শেরেবাংলার ঐতিহাসিক উইকেটে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং করা সব সময়ই কঠিন চ্যালেঞ্জ, আর তাই এই টেস্টের ভাগ্য নির্ধারণে শেষ দুই দিনের খেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

advertisement
advertisement

মালয়েশিয়ার কাছেও হারল বাংলাদেশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মালয়েশিয়ার কাছেও হারল বাংলাদেশ

মালয়েশিয়ার কাছেও হারল বাংলাদেশ

খেলা ডেস্ক: ভারতের জলন্ধরে অনুষ্ঠিত এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি হকি টুর্নামেন্টে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে বড় পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ দল। শক্তিশালী মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৬-১ গোলের ব্যবধানে হেরেছে পিটার গেরহার্ডের শিষ্যরা। পুরো ম্যাচে মালয়েশিয়ার ফরোয়ার্ড লাইনের সামনে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ একেবারেই অসহায় ছিল এবং তারা একের পর এক আক্রমণ সামলাতে হিমশিম খেয়েছে। এর আগে উদ্বোধনী ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে বিশাল ব্যবধানে পরাজয় এবং জাপানের কাছে নীতিনির্ধারক গোল হজম করার পর এই ম্যাচটিতেও দলের পারফরম্যান্সের দুর্বলতা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের খেলায় শক্তির বড় ফারাক দেখা যায়, যা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়েও স্পষ্ট। আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশনের র‍্যাঙ্কিংয়ে মালয়েশিয়া ১৩তম অবস্থানে থাকলেও বাংলাদেশ রয়েছে ২৭ নম্বরে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী দুই দলের শেষ পাঁচটি লড়াইয়ের কোনোটিতেই জয়ের স্বাদ পায়নি বাংলাদেশ। এই ম্যাচেও সেই ধারা অব্যাহত থাকে এবং মালয়েশিয়া শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয়। বিশ্বমঞ্চে টিকে থাকতে হলে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের যে রক্ষণ ও আক্রমণ উভয় বিভাগেই আরও অনেক উন্নতি করতে হবে, তা এই ম্যাচগুলো থেকে আবারও প্রমাণিত হলো।

ম্যাচের ২৬ মিনিটে বাংলাদেশের পক্ষে একমাত্র সান্ত্বনার গোলটি করেন আমিরুল ইসলাম। দলটির আক্রমণভাগের খেলোয়াড়েরা ম্যাচে মোট ছয়টি পেনাল্টি কর্নার আদায় করলেও সেখান থেকে মাত্র একটি গোল করতে সক্ষম হয়। এর আগেই মালয়েশিয়া দুটি গোল করে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে নিয়েছিল এবং এই একটি গোল শোধ হওয়ার পর বাংলাদেশ ম্যাচে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। পরবর্তীতে মালয়েশিয়ার আক্রমণ আরও তীব্র হয়ে ওঠে এবং প্রতিপক্ষের জালে তারা আরও চারবার বল জড়িয়ে বড় জয় নিশ্চিত করে। মালয়েশিয়ার হয়ে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে আবু কামাল একাই দুটি গোল করেন।

টানা তিন ম্যাচে পরাজিত হয়ে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতেই পড়ে রয়েছে বাংলাদেশ দল। টুর্নামেন্টের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত কোনো পয়েন্ট সংগ্রহ করতে না পারায় দলটির টুর্নামেন্টে টিকে থাকার সম্ভাবনা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। এই প্রতিযোগিতায় নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ দল। টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়াতে হলে কোচিং স্টাফদের কৌশলগত ত্রুটিগুলো দ্রুত সংশোধন করতে হবে এবং খেলোয়াড়দের মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতে হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে: পরওয়ার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে: পরওয়ার

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে: পরওয়ার

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। সম্প্রতি রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন। ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে তৃতীয় দফার লংমার্চ কর্মসূচির প্রস্তুতি তুলে ধরার জন্যই মূলত ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতা বলেন, দেশজুড়ে হত্যা, সহিংসতা, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য এবং রাজনৈতিক সংঘাত উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলেছে। সরকারি দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেও বিভিন্ন স্থানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে বলে তিনি দাবি করেন। এ ছাড়া দেশের সর্বত্র দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, অবৈধ নিয়োগ, ডিলারশিপ বাণিজ্য এবং দখলদারিত্বের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও উল্লেখ করেন যে, হাট-বাজার, ঘাট, বালুমহাল, পরিবহন খাত এবং বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি চলছে। চাঁদাবাজির ধরন বা প্রক্রিয়া আগের মতোই রয়ে গেছে, কেবল চাঁদাবাজদের রাজনৈতিক পরিচয় ও দলের নাম পরিবর্তিত হয়েছে মাত্র। সরকার আন্তরিক উদ্যোগ নিলে বিরোধী দলের সহযোগিতায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য এই দীর্ঘ লংমার্চ কর্মসূচি পালন করবে। ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত প্রায় চারশ দশ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথসভায় ১৯টি জেলার নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা অংশ নেবেন বলে জানানো হয়। লংমার্চটি সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের সঙ্গে যথাযথ সমন্বয় ও যোগাযোগ করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

আরো ১ লাখ এতিম-দুস্থ শিশুকে সহায়তা দেবে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আরো ১ লাখ এতিম-দুস্থ শিশুকে সহায়তা দেবে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

আরো ১ লাখ এতিম-দুস্থ শিশুকে সহায়তা দেবে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: সমাজের অবহেলিত এতিম ও দুস্থ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, সমাজের এই সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দায়িত্ব পুরোপুরি রাষ্ট্রের এবং সেই দায়িত্ব পালনে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও সচেষ্ট ভূমিকা পালন করে আসছে। এতিম ও দুস্থদের কল্যাণে ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্নমুখী ও বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে সম্প্রতি নতুন করে আরও এক লাখ এতিম ও দুস্থ শিশুকে সরকারি সহায়তার আওতায় আনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অনাথ ও এতিম শিশুদের কল্যাণে পরিচালিত সরকারি কার্যক্রমের পরিধি ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি করা হবে। তবে কেবল সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে দেশের বিত্তবান ও ধনী ব্যক্তিদেরও এসব দুস্থ মানুষের কল্যাণে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার আল জামেয়াতুল আরাবিয়াতুল ইসলামিয়া জিরি মাদ্রাসার উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলন ও দস্তারবন্দী অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কওমি মাদ্রাসাশিক্ষার ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই ধারায় শিক্ষা শেষ করে শিক্ষার্থীরা দেশের ধর্মীয় অঙ্গনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক অবদান রেখে চলেছেন। সমাজে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রসারে মাদ্রাসাশিক্ষার ভূমিকা অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও অপরিসীম।

মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক মাওলানা মো. খোবাইবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মাওলানা মহিবুল্লাহ বাবুনগরীসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। দুই দিনব্যাপী এই মহাসম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার সাবেক শিক্ষার্থী ও ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন। জুমার নামাজের পর দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি এবং সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।