খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. তাহের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. তাহের

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. তাহের

রাজনীতি ডেস্ক: বিদেশি একটি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সম্পন্ন করে অবশেষে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা এবং জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিমানযোগে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। দীর্ঘদিন বাইরে থেকে চিকিৎসা নেওয়ার পর তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নেতাকর্মীদের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট ওই ফ্লাইটে ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের সঙ্গে তার সহধর্মিণী প্রফেসর ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইটও সফরসঙ্গী হিসেবে দেশে ফিরেছেন। দীর্ঘ চিকিৎসা প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ করার পর তারা দুজনেই সুস্থ অবস্থায় বিমানবন্দর টার্মিনালে এসে পৌঁছান। ভ্রমণ ক্লান্তি সত্ত্বেও বিমানবন্দরে উপস্থিত শুভানুধ্যায়ী ও দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় করেন।

বিমানবন্দর এলাকায় তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতা। দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা বিমানবন্দরে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে বিমানবন্দর চত্বর।

উল্লেখ্য, ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং উন্নত চিকিৎসার স্বার্থে তাকে দেশের বাইরে অবস্থান করতে হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে তিনি আবারও দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবেন বলে দলীয় সূত্রে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি নিজ বাসভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

advertisement
advertisement

ক্ষমতা হারানোর ভয়েই কি আরব দলগুলোর ওপর আক্রমণ বাড়িয়েছেন নেতানিয়াহু

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ক্ষমতা হারানোর ভয়েই কি আরব দলগুলোর ওপর আক্রমণ বাড়িয়েছেন নেতানিয়াহু

ক্ষমতা হারানোর ভয়েই কি আরব দলগুলোর ওপর আক্রমণ বাড়িয়েছেন নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন করে নানা বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশের মতে, নিজ দেশের বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে দুর্বল করা এবং নিজের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করাই তার মূল উদ্দেশ্য। বিশেষ করে দেশটির রাজনীতিতে আরব দলগুলোর প্রভাব এবং তাদের সম্ভাব্য জোট গঠনের প্রচেষ্টায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন তিনি। নিজের শাসনকাল টিকিয়ে রাখতে তিনি যেকোনো কৌশল গ্রহণ করতে দ্বিধাবোধ করছেন না বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্লেষকদের এই ধারণার পেছনে মূল যুক্তি হলো গাদি আইজেনকটকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করা। নেতানিয়াহু এমন এক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছেন যেখানে আইজেনকট চাইলেও আরব দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে কোনো বিকল্প সরকার গঠনের কথা চিন্তা করতে পারবেন না। এই কৌশলের অংশ হিসেবেই আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে আক্রমণ ও রাজনৈতিক চাপ ক্রমাগত বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে তিনি নিজের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের মাঠ থেকে হটিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

ইসরায়েলি রাজনীতিতে আরব দলগুলোর সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন বা অনাস্থা প্রস্তাবের মতো বড় রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ইতিহাস রয়েছে। অতীতে এই দলগুলোর সহযোগিতায় বিরোধীরা সরকারের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতেও যদি আরব দলগুলো কোনো প্রভাবশালী বিরোধী নেতার সঙ্গে হাত মেলায়, তবে নেতানিয়াহুর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতা হুমকির মুখে পড়তে পারে। সেই সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলা করতেই তিনি আক্রমণাত্মক কৌশল বেছে নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে নেতানিয়াহুর এই রাজনৈতিক কৌশল শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশারদ। আরব দলগুলোর ওপর ধারাবাহিক আক্রমণ ও চাপ প্রয়োগের ফলে সমাজে বিভাজন আরও তীব্র হতে পারে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। তাছাড়া এই ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলেও সমালোচনার মুখে পড়ছে। ফলে সব মিলিয়ে ইসরায়েলি রাজনীতিতে আগামী দিনগুলোতে বড় ধরনের রাজনৈতিক টানাপোড়েন অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তুরস্কের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তুরস্কের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা

তুরস্কের জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্কের ১০৩তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রমিস সেন সম্প্রতি গুলশানের হোটেল গ্র্যান্ড বলরুমে এই কূটনৈতিক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা এবং সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এই জমকালো আয়োজনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল অংশ নেয় এবং দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিনিধি দলে জামায়াতের অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন যারা তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জামায়াতের শীর্ষ নেতা ডা. শফিকুর রহমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ানের উদ্দেশে একটি বিশেষ শুভেচ্ছাবাণী রাষ্ট্রদূত রমিস সেনের হাতে তুলে দেন। ওই শুভেচ্ছাবাণীতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তুরস্কের সরকার ও ভ্রাতৃত্বপ্রতীম জনগণকে প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়। রাষ্ট্রদূত আন্তরিকতার সঙ্গে এই শুভেচ্ছা বার্তা গ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশের অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে জামায়াত নেতারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই ধরনের কূটনৈতিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে আরও বেশি সম্প্রসারিত হবে বলে তারা গভীর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এই উপস্থিতি দুই দেশের কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি করেছে।

নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অস্তিত্ব ঝুঁকির মুখে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অস্তিত্ব ঝুঁকির মুখে

নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অস্তিত্ব ঝুঁকির মুখে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি সবচেয়ে বড় দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও তাঁর ডানপন্থী জোট প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করে আসা এই নেতার রাজনৈতিক অস্তিত্ব এখন এক গভীর সঙ্কটের মুখে পড়েছে। তবে বিরোধী দলগুলোও এখনো সরকার গঠনের মতো একক বা সম্মিলিত ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি, যা ইসরায়েলি রাজনীতিতে এক দীর্ঘস্থায়ী জটিলতা ও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে। নির্বাচনে নেতানিয়াহু তাৎক্ষণিকভাবে জয়ী হতে পারেননি বটে, তবে তাঁকেও পুরোপুরি পরাজিত হিসেবে গণ্য করার সুযোগ নেই।

নির্বাচনের সিংহভাগ ভোট গণনার পর দেখা গেছে, ইসরায়েলের ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি প্রায় ২৬টি আসন পেতে চলেছে এবং তাঁর পুরো ডানপন্থী জোটের আসনসংখ্যা ৫৩টিতে গিয়ে ঠেকতে পারে। অথচ সরকার গঠন করতে হলে কমপক্ষে ৬১টি আসনের ম্যাজিক ফিগার প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটের দল ২১টি আসন অর্জন করতে পারে বলে প্রাথমিক তথ্যে আভাস মিলেছে। এছাড়া বিরোধী জোটের দলগুলোর সম্মিলিত আসনসংখ্যা প্রায় ৪৮টিতে পৌঁছালেও সরকার গঠনের জন্য তাদের শেষ পর্যন্ত আরব দলগুলোর সমর্থন ও সহযোগিতার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

ইসরায়েলের রাজনীতিতে এবার আরব ও ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত নাগরিকদের ভোটার উপস্থিতি নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির নির্বাচনী সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে গেছে। গাজায় চলমান যুদ্ধের প্রভাব, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ এবং সামগ্রিক অপরাধ পরিস্থিতি ও বর্ণবাদী আচরণের কারণে আরব ভোটাররা এবার অধিক মাত্রায় কেন্দ্রে এসেছিলেন। এর ফলে রা’আম ও জয়েন্ট লিস্ট নামক দুটি আরব দল সম্মিলিতভাবে প্রায় রেকর্ড ১৯টি আসন পেতে পারে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। তবে আরব দলগুলোর এই সম্ভাব্য রাজনৈতিক উত্থান ও তাদের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করা নিয়ে বিরোধী শিবিরের মধ্যেও অভ্যন্তরীণ তীব্র মতপার্থক্য ও বিভেদ রয়েছে।

সেনাসদস্য, কূটনীতিক, বন্দী ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের প্রায় সাড়ে চার লাখ দ্বৈত খামের ব্যালট গণনা বাকি থাকায় চূড়ান্ত নির্বাচনী ফলাফলে শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এই বিপুলসংখ্যক ভোট দশটির বেশি আসনের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে সক্ষম। প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ সব দলের সঙ্গে আলোচনা করে এমন একজনকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন যাঁর সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকার গঠন করা সম্ভব না হলে ইসরায়েলকে শেষ পর্যন্ত আরেকটি নতুন নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হতে পারে।