খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকায় শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ককে বহিষ্কার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকায় শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ককে বহিষ্কার

দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকায় শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ককে বহিষ্কার

রাজনীতি ডেস্ক: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন ঝাড়ুকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাঁর নিষ্ক্রিয়তা এবং বারবার সতর্ক করার পরও নির্দেশনা অমান্য করার বিষয়টি কেন্দ্রীয় কমিটির নজরে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত ২৯ অক্টোবর রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই বহিষ্কারাদেশের কথা জানানো হয়। দলীয় সূত্রে জানা যায়, যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করেছেন। সংগঠনের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইতিপূর্বে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দলীয় কর্মসূচিতে ধারাবাহিকভাবে অনুপস্থিত ছিলেন মহিউদ্দিন ঝাড়ু। এই ধরনের আচরণ সংগঠনের আদর্শ ও গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী হওয়ায় তাঁকে এর আগেও সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা উপেক্ষা করে দলীয় কার্যক্রমে অনুপস্থিতি অব্যাহত রাখেন, যা দলীয় শৃঙ্খলার মারাত্মক লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

বহিষ্কৃত নেতার কোনো ধরনের অপকর্ম বা অনৈতিক কার্যক্রমের দায় দল নেবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় যুবদল। একই সঙ্গে সংগঠনের নীতি ও আদর্শ রক্ষার্থে শ্রীমঙ্গল উপজেলাসহ সব স্তরের নেতাকর্মীকে তাঁর সঙ্গে সব ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক অবিলম্বে ছিন্ন করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলের শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না বলেও কেন্দ্রীয় নেতাদের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে।

advertisement
advertisement

সব ছাত্র সংগঠনকে ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান রাহুলের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সব ছাত্র সংগঠনকে ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান রাহুলের

সব ছাত্র সংগঠনকে ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান রাহুলের

রাজনীতি ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে সম্প্রতি বিশেষ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিরোধী দলগুলোর জোট ইন্ডিয়া। রাজধানী দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই আন্দোলনকে কেবল কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি হিসেবে না দেখে দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের সব ছাত্র সংগঠনকে দলীয় সীমানা পেরিয়ে এই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।

সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওবার্তার মাধ্যমে এই আহ্বান জানান প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা। ভিডিওবার্তায় তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, এই কর্মসূচি মূলত দেশের ভোটাধিকার রক্ষা, গণতন্ত্র সুসংহত করা এবং সংবিধান বাঁচানোর একটি ঐতিহাসিক প্রয়াস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কর্মকাণ্ডে যারা ক্ষুব্ধ এবং যারা রাষ্ট্রীয় নীতিতে পরিবর্তন আনতে চান, তাদের সবাইকে এই কর্মসূচিতে সামিল হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

আন্দোলন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্ভাব্য বাধা কিংবা বলপ্রয়োগ নিয়ে যুবসমাজকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। তিনি দাবি করেন যে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রশাসনের এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার সাহস আর থাকবে না। তাই সব ধরনের ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ছাত্রসমাজকে রাজপথে নেমে আসার তাগিদ দেন তিনি। সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই সংবিধান ও দেশ রক্ষা করা সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই রাজনৈতিক নেতা।

এর আগে এই অভিন্ন দাবিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন পৃথকভাবে আন্দোলন পরিচালনা করে আসছিল। ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে পরিচালিত আগের কিছু কর্মসূচিতে বিরোধী শিবিরের একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা অংশ নিলেও শুরুর দিকে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখেছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি ও দাবির ন্যায্যতা বিবেচনা করে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য আরও সুদৃঢ় হয়েছে এবং সব পক্ষ মিলে এখন যৌথভাবে এই আন্দোলনে রূপ দেওয়া হয়েছে।

বাজারে এলপিজির বাড়তি দর, আবার দাম বাড়াতে তাড়াহুড়া

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাজারে এলপিজির বাড়তি দর, আবার দাম বাড়াতে তাড়াহুড়া

বাজারে এলপিজির বাড়তি দর, আবার দাম বাড়াতে তাড়াহুড়া

অর্থনীতি ডেস্ক: তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে সম্প্রতি দিনভর একটি গুরুত্বপূর্ণ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি এই গণশুনানির আয়োজন করে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের অংশগ্রহণে এই শুনানিতে গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়।

বাজারে বর্তমানে এলপিজি সিলিন্ডারের উচ্চমূল্য সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে। এর মধ্যেই গ্যাস বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে দাম আরও বাড়ানোর নতুন প্রস্তাব আনা হয়েছে। এ নিয়ে গ্রাহক ও ভোক্তা অধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

ভোক্তাদের অভিযোগ, এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চড়া দামে সাধারণ মানুষ হিমশিম খাচ্ছে, তার ওপর জ্বালানির দাম বাড়লে সার্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে ব্যবসায়ীদের যুক্তি, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি এবং ডলারের বিনিময় হারের পার্থক্যের কারণে তাদের পরিচালন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে।

সব পক্ষের যুক্তি শুনে বিইআরসি এখন চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সবদিক বিবেচনা করে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই এলপিজির নতুন দামের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।

গ্রামবাসীর চাঁদায় কেনা হলো খেলার মাঠের জমি, গ্রামজুড়ে উৎসব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গ্রামবাসীর চাঁদায় কেনা হলো খেলার মাঠের জমি, গ্রামজুড়ে উৎসব

গ্রামবাসীর চাঁদায় কেনা হলো খেলার মাঠের জমি, গ্রামজুড়ে উৎসব

জাতীয় ডেস্ক: টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের বাবুপুর গ্রামে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার পর নিজস্ব উদ্যোগে একটি খেলার মাঠের জমি কেনা হয়েছে। সাত শতাধিক পরিবারে সাড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষের বসবাস হলেও এই জনপদে শিশুদের খেলাধুলার কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা ছিল না। প্রতিবছর ধান কাটার পর ফাঁকা জমিতে সাময়িকভাবে খেলাধুলা চললেও ফসলের আবাস শুরু হলে তা বন্ধ হয়ে যেত। এই দুর্ভোগ লাঘব করতে গ্রামের ধনী ও গরিব নির্বিশেষে সবাই মিলে অর্থ সংগ্রহ করে একটি স্থায়ী মাঠ গড়ার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেন।

এই মহৎ উদ্যোগের পেছনে স্থানীয় ক্রীড়াব্যক্তিত্ব খোরশেদ আলম ও উদ্যোক্তা এস এম ইকবাল মাহমুদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা গ্রামের বিত্তবান ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে তহবিল গঠনের কাজ শুরু করেন এবং পরবর্তীতে গ্রামবাসীর অংশগ্রহণে একটি মতবিনিময় সভা করেন। সেই সভায় গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পরবর্তীতে ইকবাল হোসেন সুজনের কাছ থেকে প্রতি শতাংশ বায়ান্ন হাজার টাকা মূল্যে মোট ষাট শতাংশ জমি কিনে নেওয়া হয়, যার মধ্যে এক শতাংশ জমি মালিক পক্ষ দান করেন।

নির্ধারিত জমি আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে পাওয়ার দিনটিতে পুরো বাবুপুর গ্রামে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। গ্রামের মানুষ বাদ্য বাজিয়ে ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে নতুন এই মাঠটি গ্রহণ করেন এবং দিনভর নানা আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠেন। যুবকেরা অর্থদাতা ও প্রবীণ ব্যক্তিদের ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন। কিশোর ও তরুণদের দীর্ঘদিনের এই স্বপ্ন পূরণের ফলে এখন থেকে তারা সারা বছরই নিয়মিত খেলাধুলা চালিয়ে যেতে পারবে বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছে।

স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা গ্রামবাসীর এই স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং একে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁদের মতে, এই খেলার মাঠ প্রতিষ্ঠার ফলে কিশোর ও যুবসমাজ সুস্থ ক্রীড়াচর্চার সুযোগ পাবে এবং মাদক কিংবা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকবে। সরকারি বা বেসরকারি কোনো সহযোগিতা ছাড়াই সাধারণ মানুষের এমন যৌথ প্রয়াস দেশের অন্যান্য এলাকার মানুষের মধ্যেও ক্রীড়ার প্রসারে নতুন প্রেরণা জোগাবে বলে সচেতন মহল মনে করছে।