খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

জাহাজভাড়া বাড়ল ৭০০ টাকা, দিতে হবে ‘পরিবেশ ফি’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাহাজভাড়া বাড়ল ৭০০ টাকা, দিতে হবে ‘পরিবেশ ফি’

জাহাজভাড়া বাড়ল ৭০০ টাকা, দিতে হবে ‘পরিবেশ ফি’

জাতীয় ডেস্ক: দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্টমার্টিনে যাতায়াতকারী পর্যটকবাহী জাহাজের ভাড়া বৃদ্ধি এবং নতুন করে পরিবেশ ফি আরোপকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি পর্যটকদের জন্য এই নৌরুটে জাহাজভাড়া সর্বোচ্চ সাতশো টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে চার হাজার দুইশো টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দ্বীপে যাতায়াতের ক্ষেত্রে জনপ্রতি একশো টাকা করে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি আদায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সাধারণ পর্যটক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অতিরিক্ত এই খরচের কারণে দ্বীপটিতে ভ্রমণের সামগ্রিক ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে এই ভাড়া বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে নানা প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে এবং কেউ কেউ এর পেছনে কোনো সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য রয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন। ছাত্রদল নেতা সাহাব উদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন সমালোচক গত বছরের ভাড়ার সঙ্গে বর্তমান ভাড়ার তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে এর তীব্র সমালোচনা করেছেন। এছাড়া পরিবেশ ফি আদায়ের আইনি ভিত্তি এবং সংগৃহীত অর্থের সঠিক ব্যবহার নিয়ে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে বলে দাবি করেছেন গণমাধ্যমকর্মী শামসুল আলম শ্রাবণসহ অনেকে। পর্যটকদের ওপর এই অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা চাপানো কতটুকু যৌক্তিক তা নিয়ে জনমনে নানা ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে পর্যটন ব্যবসায়ীদের একাংশ এবং সংশ্লিষ্ট নেতারা সমালোচনার জবাব দিয়ে জানিয়েছেন যে জাহাজ পরিচালনার উচ্চ ব্যয় বিবেচনা না করে কেবল ভাড়ার অঙ্ক নিয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়। পর্যটন ব্যবসায়ী আকতার নুর দাবি করেছেন যে জাহাজের ডকিং, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, রক্ষণাবেক্ষণ, লাইসেন্স এবং বিভিন্ন দপ্তরের অনুমতি নিতে কোটি কোটি টাকা খরচ হয়। তার মতে, সার্বিক পরিচালনা ব্যয় এতই বেশি যে সাধারণ পর্যটকরা অনেক সময় সেই হিসাব বুঝতে পারেন না। তবে ব্যবসায়ীদের এই দাবির সপক্ষে বিস্তারিত আর্থিক নথি প্রকাশ করা হলে ভাড়ার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হতো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপ পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক অনুমোদন ও ছাড়পত্র পেতে বিলম্ব হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে সেখানে যাতায়াত শুরু করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক সভায় নৌরুটের সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর অনুমোদন মিললে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই এই রুটে নিয়মিত পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

advertisement
advertisement

ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না

ঢাকা শহরে লাইসেন্সবিহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানী ঢাকা শহরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং যানজট নিরসনে একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি প্রকাশিত এই নীতিমালা অনুযায়ী, কোনোভাবেই লাইসেন্স ছাড়া ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করতে পারবে না। দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে এই যানগুলোর অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের ফলে সৃষ্ট নানা বিশৃঙ্খলা ও দুর্ঘটনা এড়াতে এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নতুন এই নীতিমালায় ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধনের জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত ও প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। কেবল যেসব রিকশা কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করবে এবং বৈধ লাইসেন্স সংগ্রহ করবে, কেবল তারাই রাজপথে নামার অনুমতি পাবে। এর ফলে শহরের সড়কে অবৈধ ও ত্রুটিপূর্ণ যানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে রিকশার গতি নিয়ন্ত্রণ, ব্রেকিং সিস্টেম এবং ব্যাটারির মান গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। অনুমোদনহীন কোনো যান যাতে সড়কে নেমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশ যৌথভাবে নজরদারি বাড়াবে। নীতিমালা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

পরিবহন বিশেষজ্ঞরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন যে, সঠিক নিয়মনীতি ও লাইসেন্সের আওতায় এনে ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোকে চলাচল করতে দিলে একদিকে যেমন বিশৃঙ্খলা কমবে, অন্যদিকে সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত অনেক বেশি নিরাপদ হবে। তবে এই নীতিমালা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর নিয়মিত তদারকি এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে তারা মন্তব্য করেছেন।

পর্যটন মেলায় ভ্রমণে নানা ছাড়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পর্যটন মেলায় ভ্রমণে নানা ছাড়

পর্যটন মেলায় ভ্রমণে নানা ছাড়

ডেস্ক রিপোর্ট: ভ্রমণপিপাসুদের জন্য নানা ধরনের লোভনীয় ছাড় ও বিশেষ সুবিধা নিয়ে রাজধানী ঢাকায় শুরু হয়েছে তিন দিনের পর্যটন মেলা। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই জমকালো প্রদর্শনীতে বিমান টিকিট থেকে শুরু করে হোটেল বুকিং এবং ভিসা প্রক্রিয়াকরণে মিলছে আকর্ষণীয় মূল্যছাড়। দেশের পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে এবং ভ্রমণপ্রেমীদের উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। দর্শনার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মেলা প্রাঙ্গণে এসে তাদের পছন্দের ভ্রমণ প্যাকেজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে পারছেন।

চলatমান এই আয়োজনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের সেবায় ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে যার মধ্যে রয়েছে বিমানের টিকিটে পনেরো শতাংশ এবং ক্রুজ ভ্রমণে পঁচিশ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড়। এছাড়া হোটেল খাতে এক রাত বুকিং দিলে অতিরিক্ত আরও দুই রাত বিনামূল্যে থাকার চমৎকার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ভ্রমণকারীদের আর্থিক স্বস্তি দিতে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ খরচেও পঞ্চাশ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের পর্যটন সংস্থা ও ভ্রমণসেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সেরা অফারগুলো নিয়ে এই প্রদর্শনীতে স্টল সাজিয়েছে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আয়োজিত এই মেলায় দেশি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশি পর্যটন সংস্থা, বিমান পরিবহন প্রতিষ্ঠান এবং হোটেল গ্রুপ অংশ নিয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে দর্শনার্থীরা বিভিন্ন দেশের দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার পাশাপাশি সাশ্রয়ী খরচে ভ্রমণের পরিকল্পনা করার সুযোগ পাচ্ছেন। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে ঘুরতে যাওয়ার জন্য যারা নানা প্যাকেজ খুঁজছেন, তাদের জন্য এই আয়োজনটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। মেলাটি নির্দিষ্ট তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন সকাল এগারোটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য মেলা প্রাঙ্গণ খোলা থাকছে। ছুটির দিনে ভ্রমণের নানা পরিকল্পনা ও বাজেট নিয়ে দর্শনার্থীরা বিভিন্ন স্টলে ভিড় করছেন এবং প্রতিনিধিদর সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে নিচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই তিন দিনের মেলা দেশীয় পর্যটন খাতের প্রসারে এবং ভ্রমণপিপাসুদের নতুন গন্তব্য খুঁজে পেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

টাইপ বি ব্যক্তিত্ব: কম চাপ, স্বস্তির জীবন নাকি অলসতার তকমা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
টাইপ বি ব্যক্তিত্ব: কম চাপ, স্বস্তির জীবন নাকি অলসতার তকমা

টাইপ বি ব্যক্তিত্ব: কম চাপ, স্বস্তির জীবন নাকি অলসতার তকমা

লাইফস্টাইল ডেস্ক: জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে অতিরিক্ত মানসিক চাপ এড়িয়ে যারা সবসময় স্বাচ্ছন্দ্যময় ও সহজ জীবনযাপন করতে পছন্দ করেন, মনোবিজ্ঞানের ভাষায় তাদের টাইপ বি ব্যক্তিত্বের অধিকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। উচ্চাভিলাষী ও নিখুঁত কাজের তাগিদ অনুভবকারী টাইপ এ ব্যক্তিত্বের মানুষের ঠিক বিপরীত অবস্থানে রয়েছে এই শান্ত স্বভাবের মানুষগুলো। গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকে হৃদরোগের সঙ্গে মানুষের ব্যক্তিত্বের কোনো সংযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেছিলেন দুই মার্কিন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মেয়র ফ্রিডম্যান এবং রে রোজেনম্যান। তাদের হাত ধরেই মূলত এই দুই ধরনের ব্যক্তিত্বের ধারণাটি প্রথমবারের মতো সামনে আসে এবং পরবর্তী সময়ে তা মনোবিজ্ঞানে ব্যাপক স্বীকৃতি লাভ করে।

এই প্রকৃতির মানুষেরা সাধারণত যেকোনো ধরনের চরম প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ এবং ইঁদুর দৌড় এড়িয়ে চলতে ভালোবাসেন। তাদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে যেকোনো পরিবর্তনের সঙ্গে সহজে মানিয়ে নেওয়ার চমৎকার ক্ষমতা এবং তীব্র মানসিক চাপহীন জীবন কাটানোর প্রবণতা। তাড়াহুড়ো করে কোনো কাজ করার মানসিকতা তাদের মধ্যে সচরাচর দেখা যায় না এবং অত্যন্ত সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতেও তারা মাথা ঠান্ডা রেখে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেন। এছাড়া গতানুগতিক কাজের চেয়ে সৃজনশীল চিন্তাভাবনা ও নতুন উপায়ে কাজ করার ঝোঁক তাদের মধ্যে বেশি থাকে। তবে এই চরিত্রের একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো কাজ শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জমিয়ে রাখা বা প্রোকাস্টিনেশনের অভ্যাস।

টাইপ বি ব্যক্তিত্বের মানুষের সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হলো তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য তুলনামূলকভাবে ভালো থাকে। কম মানসিক চাপের কারণে তাদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত ওজন এবং হৃদরোগের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেকটাই কম দেখা যায়। তবে মুদ্রার উল্টো পিঠে তাদের অতিরিক্ত ঢিলেঢালা স্বভাবের কারণে স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাবও লক্ষ্য করা যায়, যার ফলে অনেক সময় তারা নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে উদাসীন থাকেন। স্বভাবগতভাবে এরা ভীষণ অমায়িক, ধৈর্যশীল ও ভালো শ্রোতা হয়ে থাকেন এবং ছোটখাটো বিষয় নিয়ে অযথা ঝামেলা এড়াতে পছন্দ করেন। অতিরিক্ত নমনীয়তার কারণে অনেক সময় তারা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পিছপা হন এবং সহজেই অন্যের সুযোগ নেওয়ার শিকার হন।

শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে এই ধরনের মানুষেরা বেশ ভালো ফলাফল করলেও তাদের শান্ত স্বভাবের জন্য অনেক সময় ভুল বোঝাবুঝির শিকার হতে হয়। অনেক সময় সহকর্মী বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের কাজের ধীরগতি দেখে অলস বা অকর্মণ্য হিসেবে ভুল মূল্যায়ন করেন। আধুনিক প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে এই মানুষেরা আমাদের মনে করিয়ে দেন যে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে সর্বোচ্চ গতিতে ছোটার কোনো প্রয়োজন নেই, বরং একটু থেমে স্বস্তির নিঃশ্বাস নেওয়াও সমানভাবে জরুরি। তবে সফলভাবে জীবন পরিচালনা করতে হলে তাদের কিছু সুনির্দিষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়।

কর্মক্ষেত্রে বা ব্যক্তিগত জীবনে সফল হতে হলে এই ব্যক্তিত্বের মানুষদের সময় ব্যবস্থাপনার প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। কাজ শেষ মুহূর্তের জন্য জমিয়ে না রেখে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বা ছোট ছোট শিডিউল তৈরি করে তা বাস্তবায়ন করা উচিত। এছাড়া জীবনের লাগাম একদম আলগা না ছেড়ে সুনির্দিষ্ট দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য স্থির করা এবং কর্মক্ষেত্রে নিজেদের কঠোর পরিশ্রম ও অবদান অন্যদের সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা জরুরি, যাতে কেউ তাদের ভুল বুঝতে না পারে।