খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এক কলেজে সবাই জিপিএ-৫, আরেক কলেজে চারজনের তিনজনই ফেল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এক কলেজে সবাই জিপিএ-৫, আরেক কলেজে চারজনের তিনজনই ফেল

এক কলেজে সবাই জিপিএ-৫, আরেক কলেজে চারজনের তিনজনই ফেল

শিক্ষা ডেস্ক: একই উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। একই প্রশাসনিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও কিছু প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে, আবার কোথাও কোথাও অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী কৃতকার্য হতে পারেনি। সাম্প্রতিক প্রকাশিত এই পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর স্থানীয় অভিভাবক এবং শিক্ষামহলজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছোট দারোগারহাট তাহের-মনজুর কলেজে পাসের হার অত্যন্ত শোচনীয় পর্যায়ে নেমে এসেছে, যেখানে প্রায় পঁচাত্তর শতাংশ শিক্ষার্থীই ফেল করেছে। এছাড়া বিজয় স্মরণী কলেজ, লতিফা সিদ্দীকী ডিগ্রি কলেজ এবং সীতাকুণ্ড ডিগ্রি কলেজেও পাসের হার সন্তোষজনক নয়। এমনকি সীতাকুণ্ড কামিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার ফলাফলও জাতীয় গড়ের তুলনায় বেশ খানিকটা পিছিয়ে রয়েছে।

অন্যদিকে এর সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র দেখা গেছে উপজেলার হাতে গোনা কয়েকটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে। বারবকুণ্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের সকল পরীক্ষার্থী পাস করার গৌরব অর্জন করেছে এবং ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের প্রতিটি শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ার অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে। সীতাকুণ্ড সরকারি মহিলা কলেজ এবং কুমিরা রেসিডেনশিয়াল গার্লস স্কুল অ্যান্ড হাসপাতালেও তুলনামূলক ভালো ফলাফল বজায় রয়েছে।

উপজেলার প্রতিষ্ঠানগুলোর এমন বৈষম্যমূলক ফলাফলের জন্য শিক্ষক সংকট, ক্লাসে নিয়মিত পাঠদানের অনুপস্থিতি এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর না থাকাকে দায়ী করেছেন অভিভাবকরা। যেসব প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ত্রিশ শতাংশের নিচে নেমে গেছে, তাদের একাডেমিক কার্যক্রম দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

advertisement
advertisement

সাত দফা না মানলে এক দফা অনিবার্য হয়ে উঠবে: কুষ্টিয়ায় শফিকুর রহমান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাত দফা না মানলে এক দফা অনিবার্য হয়ে উঠবে: কুষ্টিয়ায় শফিকুর রহমান

সাত দফা না মানলে এক দফা অনিবার্য হয়ে উঠবে: কুষ্টিয়ায় শফিকুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক: কুষ্টিয়ায় শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত ১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চের সমাপনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সেখানে আয়োজিত এই জনসভায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেন রাজনৈতিক নেতারা। সরকারের পক্ষ থেকে এই দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা না হলে ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান বলেন যে জনগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে পেশকৃত সাত দফা দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। এই দাবিগুলো দ্রুত মেনে নেওয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যথায় দেশের সাধারণ মানুষ অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে চূড়ান্ত ও কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো অত্যন্ত জরুরি। অতীতে যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে এবং দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের ওপরও তিনি বিশেষ জোর দেন। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনৈতিক সংস্কারের বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন।

সমাপনী এই জনসভায় বিভিন্ন দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। লংমার্চ ও জনসভার মাধ্যমে ১১-দলীয় ঐক্য তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি আরও জোরদার করার বার্তা দিয়েছে। আগামী দিনগুলোতে নিজেদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য তারা দেশব্যাপী গণসংযোগ ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা হলে একদফা দাবি রূপান্তর করা হবে: জামায়াত আমির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা হলে একদফা দাবি রূপান্তর করা হবে: জামায়াত আমির

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা হলে একদফা দাবি রূপান্তর করা হবে: জামায়াত আমির

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন যে, গণভোটের রায় পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা না হলে তাদের রাজনৈতিক আন্দোলন একদফা দাবিতে রূপ নেবে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, তাদের দল দেশে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায় না, তবে জনগণের রায়ের বাস্তবায়ন ব্যাহত হলে তারা চুপ করে বসে থাকবে না। সম্প্রতি ঝিনাইদহ শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত এক বিশাল পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেন।

১১ দলীয় ঐক্যের সাত দফা দাবি আদায়ের অংশ হিসেবে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত আয়োজিত লংমার্চের ঝিনাইদহ অংশে এই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। ডা. শফিকুর রহমান তাঁর বক্তব্যে জানান যে, তাদের এই সাত দফা দাবি কেবল কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির নয়, বরং এটি দেশের ১৮ কোটি মানুষের মৌলিক অধিকারের বিষয়। জনগণের এই ন্যায্য দাবিকে পাশ কাটিয়ে তাদের একপ্রকার অপমান করা হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন এবং সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

এ সময় বিগত নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন যে, অতীতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক মানুষ ইতিবাচক রায় দিলেও সেই রায়কে সম্মান জানানো হয়নি। যদি গণভোটকে অবৈধ বলে গণ্য করা হয়, তবে একই প্রক্রিয়ায় গঠিত সংসদ নির্বাচনও বৈধতা হারায় বলে তিনি দাবি করেন। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো রকম সংঘাত এড়াতে সমঝোতার পথেই এই রাজনৈতিক সংকটের সমাধান করতে হবে এবং জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।

ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমির ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবুবকরের সভাপতিত্বে এই জনসভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হকসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। সভায় বক্তারা অবিলম্বে জনগণের দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শতভাগ উৎসব ভাতা ও নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন চান এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শতভাগ উৎসব ভাতা ও নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন চান এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

শতভাগ উৎসব ভাতা ও নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন চান এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

শিক্ষা ডেস্ক: নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট প্রকাশ, দ্রুত বদলি ব্যবস্থা চালু এবং শতভাগ উৎসব ভাতার দাবিতে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার গোয়ালাবাজারে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা একত্রিত হয়ে এই কর্মসূচি পালন করেন। দীর্ঘদিন ধরে নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকার কথা জানিয়ে তারা এই আন্দোলনে নামেন এবং অবিলম্বে তাদের ন্যায়সংগত দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান।

সমাবেশে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন যে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা তাদের মৌলিক অধিকার থেকে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত রয়েছেন। তারা আসন্ন ঈদুল ফিতর থেকেই সম্পূর্ণ উৎসব ভাতা প্রদান এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বদলি প্রক্রিয়া দ্রুত চালুর জোর দাবি জানান। এছাড়া শিক্ষা খাতের সার্বিক উন্নয়নে নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে প্রকাশের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন তারা।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা এ সময় এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজীর বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটি অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান। তারা অভিযোগ করেন যে শিক্ষক নেতাদের অযৌক্তিকভাবে হেনস্তা করার চেষ্টা চলছে, যা শিক্ষক সমাজের মধ্যে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি করেছে। এই ধরনের হয়রানিমূলক কার্যক্রম বন্ধ না হলে আন্দোলন আরও কঠোর রূপ ধারণ করবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।

দেশের ছয় লাখের বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর অধিকার রক্ষার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয় সমাবেশ থেকে। তিন দফা দাবি আদায় নিশ্চিত করতে আগামী চার নভেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মহাসমাবেশে সর্বাত্মক অংশগ্রহণের ঘোষণা দেন শিক্ষক নেতারা। সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত সাড়া না মিললে শিক্ষকরা আরও বড় ধরনের কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন বলে সমাবেশে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।