খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

খোলাবাজারে ডলারের দাম বেড়ে ১২৮ টাকা ৫০ পয়সা, বেড়েছে ব্যাংকেও

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খোলাবাজারে ডলারের দাম বেড়ে ১২৮ টাকা ৫০ পয়সা, বেড়েছে ব্যাংকেও

খোলাবাজারে ডলারের দাম বেড়ে ১২৮ টাকা ৫০ পয়সা, বেড়েছে ব্যাংকেও

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের মুদ্রা বাজারে হঠাৎ করেই মার্কিন ডলারের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে। মূলত বিভিন্ন ছুটির দিন এবং সার্বিক পরিস্থিতির কারণে নগদ ডলারের পাশাপাশি ব্যাংকিং চ্যানেলেও এর দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার এই দাম বাড়ার ফলে শেষ পর্যন্ত সামগ্রিক আমদানি খরচও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর প্রভাবে অন্যান্য প্রধান বৈদেশিক মুদ্রাগুলোর বিনিময় মূল্যও দেশীয় মুদ্রার বিপরীতে কিছুটা চড়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের কাছে নগদ ডলার বিক্রি করছে তুলনামূলক বেশি দামে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রকাশিত বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার পর্যালোচনা করলে এই চিত্র স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিভিন্ন ব্যাংক বিদেশফেরত যাত্রীদের কাছ থেকে ডলার কেনার চেয়ে বিক্রির ক্ষেত্রে অনেক বেশি দর রাখছে। ব্যাংকভেদে নগদ ডলারের বিক্রয়মূল্য ১২৪ টাকা থেকে শুরু করে ১২৬ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত ওঠানামা করছে। একই সঙ্গে আমদানির কাজে ব্যবহারের জন্য ব্যাংকগুলোর নিজেদের মধ্যে লেনদেন হওয়া ডলারের দামও ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকগুলোর আন্তঃব্যাংক লেনদেনে ডলারের সর্বোচ্চ দর প্রতি ডলারে প্রায় ১২৪ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে।

ব্যাংকিং খাতের তুলনায় খুচরা ও খোলাবাজারে ডলারের দাম আরও বেশ কিছুটা চড়া রয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকার খোলাবাজারে প্রতি মার্কিন ডলারের সর্বোচ্চ ১২৮ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত দাম উঠেছে। মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের কাছ থেকে ডলার ক্রয়ের সময় কিছুটা কম দাম দিলেও বিক্রির ক্ষেত্রে চড়া মূল্য নিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় দেশটিতে বিদেশ থেকে যাতায়াতকারী যাত্রীর সংখ্যা কমে গেছে।

যাত্রী আসা-যাওয়া কমে যাওয়ার ফলে খোলাবাজারে নগদ ডলারের একধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। কিছুদিন আগেও খোলাবাজারে প্রতি ডলারের দাম অপেক্ষাকৃত কম থাকলেও স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাংকিং খাতেও ঠিক একই সময়ের ব্যবধানে ডলারের দামে সমপরিমাণ উল্লম্ফন লক্ষ্য করা গেছে। বাজারে ডলারের এই অব্যাহত দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বিদেশগামী যাত্রী এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

advertisement
advertisement

গুম হওয়া নেতাকর্মীদের সন্ধান ও নির্যাতনকারীদের বিচার দাবি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গুম হওয়া নেতাকর্মীদের সন্ধান ও নির্যাতনকারীদের বিচার দাবি

গুম হওয়া নেতাকর্মীদের সন্ধান ও নির্যাতনকারীদের বিচার দাবি

রাজনীতি ডেস্ক: বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে গুম ও নিখোঁজ হওয়া যুবদলের নেতাকর্মীদের দ্রুত সন্ধান এবং তাদের ওপর চালানো অবর্ণনীয় নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের কঠোর বিচারের দাবি জানানো হয়েছে। সম্প্রতি নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার অজিফা খাতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই জোরালো দাবি উত্থাপন করা হয়। স্থানীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নেতারাও এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বিগত সরকারের নানা দমনপীড়নের তীব্র নিন্দা জানান এবং দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ও নোয়াখালী জেলা সভাপতি মনজুরুল আজিম সুমন উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘ সতেরো বছর ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলন, জেল-জুলুম ও মিথ্যা মামলা মোকাবিলা করে বিএনপি দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করেছে। অতীতে স্বৈরাচারী সরকারের আমলে তাদের বহু নেতাকর্মী গুম, খুন ও পঙ্গুত্বের শিকার হয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। যারা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের সন্ধান পাওয়ার আকুল আবেদন জানিয়ে তিনি এই পৈশাচিক ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান তার বক্তব্যে বলেন যে, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী যুবদল সর্বদা ঐক্যবদ্ধ ও সজাগ রয়েছে। সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী যেকোনো দখলদারি ও চাঁদাবাজির মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে তিনি ঘোষণা দেন। বর্তমান গণতান্ত্রিক পরিবেশে সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে ও শান্তিতে বসবাস করতে পারে, সে বিষয়ে যুবদল সবসময় অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেন সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। আলোচনা সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয় যা স্থানীয় প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালিতে হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নিয়ে গুম হওয়া ভাইদের ফিরিয়ে আনা এবং নির্যাতনকারীদের বিচারের দাবিতে স্লোগান দেন।

বেতন বাড়ানোর দাবিতে মিরপুরে শ্রমিকদের ৬ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বেতন বাড়ানোর দাবিতে মিরপুরে শ্রমিকদের ৬ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ

বেতন বাড়ানোর দাবিতে মিরপুরে শ্রমিকদের ৬ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ

জাতীয় ডেস্ক: ন্যূনতম মজুরি ত্রিশ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় প্রায় ছয় ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। এদিন সকালে মিরপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে শ্রমিকরা অবস্থান নিলে প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। একই সঙ্গে গাজীপুরেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন শ্রমিকরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে দশটার দিকে কারখানা থেকে বেরিয়ে এসে মিরপুর দশ নম্বর চত্বর, পল্লবী এবং মিরপুর এগারো নম্বর এলাকার প্রধান সড়কগুলোতে অবস্থান নেন আন্দোলনরত শ্রমিকরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরোধ প্রত্যাহারের জন্য আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। এ সময় কারখানা মালিকপক্ষ শ্রমিকদের কাজে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন যে, বিদেশি ক্রেতা, বিজিএমইএ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে আলোচনার মাধ্যমে কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত শ্রমিকরা কর্মস্থলে ফিরতে রাজি হননি।

আন্দোলনরত সাব্বির নামের এক পোশাক শ্রমিক জানান, ওভারটাইমসহ প্রতিদিন দীর্ঘ সময় কাজ করেও মাত্র আষাটো হাজার টাকা বেতন পান তিনি। বেতনের সিংহভাগ অংশই বাড়িভাড়া বাবদ চলে যাওয়ায় বর্তমান বাজারে পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই তাদের দাবি, হয় অবিলম্বে ন্যূনতম বেতন বাড়াতে হবে, নতুবা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনশীল পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে। মিরপুর অঞ্চলের পুলিশের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার জানান, যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল এবং শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেওয়ার পর যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

এদিকে রাজধানীর পাশাপাশি গাজীপুরেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক তিন ঘণ্টা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। মহাসড়কের প্রায় সাত কিলোমিটারজুড়ে যান চলাচল বন্ধ থাকায় শত শত যাত্রী ও চালক চরম ভোগান্তিতে পড়েন। শ্রমিকদের ভাষ্যমতে, বর্তমান আয়ে সংসার চালানো কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না, তার ওপর আগের মতো অতিরিক্ত কাজের সুযোগও কমে গেছে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে শিল্পাঞ্চলটিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কিছু কারখানায় ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। পুলিশ ও শিল্প পুলিশের হস্তক্ষেপে এবং দফায় দফায় আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

এক কলেজে সবাই জিপিএ-৫, আরেক কলেজে চারজনের তিনজনই ফেল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এক কলেজে সবাই জিপিএ-৫, আরেক কলেজে চারজনের তিনজনই ফেল

এক কলেজে সবাই জিপিএ-৫, আরেক কলেজে চারজনের তিনজনই ফেল

শিক্ষা ডেস্ক: একই উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। একই প্রশাসনিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও কিছু প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে, আবার কোথাও কোথাও অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী কৃতকার্য হতে পারেনি। সাম্প্রতিক প্রকাশিত এই পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর স্থানীয় অভিভাবক এবং শিক্ষামহলজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছোট দারোগারহাট তাহের-মনজুর কলেজে পাসের হার অত্যন্ত শোচনীয় পর্যায়ে নেমে এসেছে, যেখানে প্রায় পঁচাত্তর শতাংশ শিক্ষার্থীই ফেল করেছে। এছাড়া বিজয় স্মরণী কলেজ, লতিফা সিদ্দীকী ডিগ্রি কলেজ এবং সীতাকুণ্ড ডিগ্রি কলেজেও পাসের হার সন্তোষজনক নয়। এমনকি সীতাকুণ্ড কামিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার ফলাফলও জাতীয় গড়ের তুলনায় বেশ খানিকটা পিছিয়ে রয়েছে।

অন্যদিকে এর সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র দেখা গেছে উপজেলার হাতে গোনা কয়েকটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে। বারবকুণ্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের সকল পরীক্ষার্থী পাস করার গৌরব অর্জন করেছে এবং ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের প্রতিটি শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ার অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে। সীতাকুণ্ড সরকারি মহিলা কলেজ এবং কুমিরা রেসিডেনশিয়াল গার্লস স্কুল অ্যান্ড হাসপাতালেও তুলনামূলক ভালো ফলাফল বজায় রয়েছে।

উপজেলার প্রতিষ্ঠানগুলোর এমন বৈষম্যমূলক ফলাফলের জন্য শিক্ষক সংকট, ক্লাসে নিয়মিত পাঠদানের অনুপস্থিতি এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর না থাকাকে দায়ী করেছেন অভিভাবকরা। যেসব প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ত্রিশ শতাংশের নিচে নেমে গেছে, তাদের একাডেমিক কার্যক্রম দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।