খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

পৃথিবীর ৮টি বিখ্যাত ভুতুড়ে প্রাসাদ, যেখানে আজও ঘুরে বেড়ায় অশরীরীর গল্প

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পৃথিবীর ৮টি বিখ্যাত ভুতুড়ে প্রাসাদ, যেখানে আজও ঘুরে বেড়ায় অশরীরীর গল্প

পৃথিবীর ৮টি বিখ্যাত ভুতুড়ে প্রাসাদ, যেখানে আজও ঘুরে বেড়ায় অশরীরীর গল্প

ফিচার ডেস্ক: পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রাচীন রাজপ্রাসাদ, ঐতিহাসিক দুর্গ ও সুউচ্চ টাওয়ারগুলো বরাবরই সাধারণ মানুষের মধ্যে এক অন্যরকম রহস্যের জন্ম দিয়ে আসছে। রূপকথার বই কিংবা রুপালি পর্দার সিনেমায় আমরা যে ধরনের ভৌতিক কাহিনি দেখে থাকি, তার অনেকগুলোর বাস্তব রূপ লুকিয়ে রয়েছে এসব সুপ্রাচীন স্থাপত্যের অন্দরে। শত শত বছর ধরে টিকে থাকা এই রাজকীয় ভবনগুলোর একেকটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নানা ধরনের রোমাঞ্চকর ও লোমহর্ষক ইতিহাস। যুগের পর যুগ পেরিয়ে গেলেও এসব স্থানের গায়ে লেগে থাকা অতীতে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনার দাগগুলো আজও ফিকে হয়ে যায়নি।

ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে এসব দুর্গে সংঘটিত ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, প্রাসাদ ষড়যন্ত্র এবং নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা এই স্থানগুলোকে কালক্রমে ভৌতিক আস্তানায় পরিণত করেছে। অনেক রাজা, রানি, সেনাপতি কিংবা সাধারণ প্রজা তাদের জীবনের শেষ সময়গুলো কাটিয়েছেন অত্যন্ত বেদনাদায়ক পরিস্থিতিতে, যার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব আজও যেন ওই পরিবেশের মধ্যে রয়ে গেছে। ঐতিহাসিক এসব ভবনের একেকটি অন্ধকার কক্ষ, দীর্ঘ করিডোর কিংবা গোপন সুরঙ্গ যেন অতীত জীবনের সেই দুঃখজনক অধ্যায়গুলোর নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক এবং গবেষক এসব স্থানে ঘুরে বেড়ানোর সময় প্রায়ই নানা ধরনের অদ্ভুত ও অস্বাভাবিক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়ার কথা জানান। কেউ গভীর রাতে করিডোরে পায়ের আওয়াজ শোনার দাবি করেন, তো কেউ আবার ফাঁকা কামরায় হঠাৎ করে তাপমাত্রা কমে যাওয়ার মতো ভৌতিক ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। মাঝেমধ্যে রাতের অন্ধকারে এসব প্রাসাদের জানালা দিয়ে রহস্যময় আলো জ্বলতে দেখা যায় কিংবা শূন্যে মিলিয়ে যাওয়া কোনো ছায়ার অবয়ব চোখে পড়ে। এসব অশরীরী উপস্থিতির গল্পগুলো স্থানগুলোকে আরও বেশি রহস্যময় ও আকর্ষণীয় করে তুলেছে ভ্রমণপিপাসী মানুষের কাছে।

বিজ্ঞান ও যুক্তির আলোয় এসব ঘটনার পুরোপুরি ব্যাখ্যা মেলেনি আজও, যা এসব প্রাসাদের রহস্যকে টিকিয়ে রেখেছে আরও জোরালোভাবে। ইতিহাসের অমীমাংসিত অধ্যায় আর মানুষের অন্তহীন কৌতূহলের মিশ্রণে এই প্রাচীন প্রাসাদগুলো আজও দাঁড়িয়ে রয়েছে ভিন্‌জাগতিক এক ঘেরাটোপে। দিনবদলের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে অগণিত সাহসী পর্যটক এই রহস্যময় স্থানগুলো ঘুরে দেখতে ছুটে আসেন, যার ফলে এই ভৌতিক কাহিনিগুলো আজও বিশ্বজুড়ে সমানভাবে জীবন্ত ও জনপ্রিয় হয়ে রয়েছে।

advertisement
advertisement

খোলাবাজারে ডলারের দাম বেড়ে ১২৮ টাকা ৫০ পয়সা, বেড়েছে ব্যাংকেও

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খোলাবাজারে ডলারের দাম বেড়ে ১২৮ টাকা ৫০ পয়সা, বেড়েছে ব্যাংকেও

খোলাবাজারে ডলারের দাম বেড়ে ১২৮ টাকা ৫০ পয়সা, বেড়েছে ব্যাংকেও

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের মুদ্রা বাজারে হঠাৎ করেই মার্কিন ডলারের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে। মূলত বিভিন্ন ছুটির দিন এবং সার্বিক পরিস্থিতির কারণে নগদ ডলারের পাশাপাশি ব্যাংকিং চ্যানেলেও এর দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার এই দাম বাড়ার ফলে শেষ পর্যন্ত সামগ্রিক আমদানি খরচও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর প্রভাবে অন্যান্য প্রধান বৈদেশিক মুদ্রাগুলোর বিনিময় মূল্যও দেশীয় মুদ্রার বিপরীতে কিছুটা চড়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের কাছে নগদ ডলার বিক্রি করছে তুলনামূলক বেশি দামে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রকাশিত বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার পর্যালোচনা করলে এই চিত্র স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিভিন্ন ব্যাংক বিদেশফেরত যাত্রীদের কাছ থেকে ডলার কেনার চেয়ে বিক্রির ক্ষেত্রে অনেক বেশি দর রাখছে। ব্যাংকভেদে নগদ ডলারের বিক্রয়মূল্য ১২৪ টাকা থেকে শুরু করে ১২৬ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত ওঠানামা করছে। একই সঙ্গে আমদানির কাজে ব্যবহারের জন্য ব্যাংকগুলোর নিজেদের মধ্যে লেনদেন হওয়া ডলারের দামও ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকগুলোর আন্তঃব্যাংক লেনদেনে ডলারের সর্বোচ্চ দর প্রতি ডলারে প্রায় ১২৪ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে।

ব্যাংকিং খাতের তুলনায় খুচরা ও খোলাবাজারে ডলারের দাম আরও বেশ কিছুটা চড়া রয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকার খোলাবাজারে প্রতি মার্কিন ডলারের সর্বোচ্চ ১২৮ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত দাম উঠেছে। মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের কাছ থেকে ডলার ক্রয়ের সময় কিছুটা কম দাম দিলেও বিক্রির ক্ষেত্রে চড়া মূল্য নিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় দেশটিতে বিদেশ থেকে যাতায়াতকারী যাত্রীর সংখ্যা কমে গেছে।

যাত্রী আসা-যাওয়া কমে যাওয়ার ফলে খোলাবাজারে নগদ ডলারের একধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। কিছুদিন আগেও খোলাবাজারে প্রতি ডলারের দাম অপেক্ষাকৃত কম থাকলেও স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাংকিং খাতেও ঠিক একই সময়ের ব্যবধানে ডলারের দামে সমপরিমাণ উল্লম্ফন লক্ষ্য করা গেছে। বাজারে ডলারের এই অব্যাহত দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বিদেশগামী যাত্রী এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

ব্যাংকের ৩৭ বছরের কর্মজীবনে প্রথম মন্দা দেখছি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্যাংকের ৩৭ বছরের কর্মজীবনে প্রথম মন্দা দেখছি

ব্যাংকের ৩৭ বছরের কর্মজীবনে প্রথম মন্দা দেখছি

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের আর্থিক খাতের দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবে সৃষ্ট সংকটের কারণে অর্থনীতি এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেছেন। তাঁর মতে, বিগত বছরগুলোতে ব্যাংক খাত থেকে লাগামহীনভাবে অর্থ বের করে নেওয়ার কারণে বর্তমানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। রাজনৈতিক প্রভাবে গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠানকে বড় অঙ্কের ঋণ দেওয়া হলেও সেগুলোর পর্যাপ্ত জামানত না থাকায় পুরো ব্যাংকিং ব্যবস্থায় বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে নানা সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের নেতৃত্বে ডলারের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরলেও ব্যাংকিং খাতের ক্ষত সারাতে আরও বেশ কিছুটা সময় প্রয়োজন। শুধু ব্যাংকিং সংস্কার করলেই পুরো অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে না, বরং এর জন্য রাজস্ব খাতের দুর্বলতা কাটানো অত্যন্ত জরুরি। কর ও জিডিপির অনুপাত আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় সরকারের পরিচালন ব্যয় মেটাতে গিয়ে হিমশিম খাওয়ার দশা হয়েছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে স্থানীয় বিনিয়োগ বাড়ানো এবং গ্যাস অনুসন্ধানসহ প্রধান প্রধান খাতগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এই শীর্ষ ব্যাংকার। তিনি জানান, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে বর্তমানে আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে, যা দোষীদের জন্য একটি কঠোর বার্তা বয়ে আনবে। একই সঙ্গে বড় করপোরেট গ্রুপগুলোর কারখানা ও ব্যবসা স্থবির হয়ে পড়ায় ব্যাংকগুলোও চাপে রয়েছে। তবে ভালো ব্যাংকগুলো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণপত্র খুলে দিয়ে উৎপাদন স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

দীর্ঘ ৩৭ বছরের ব্যাংকিং জীবনে তিনি এবারই প্রথম দেশের অর্থনীতিতে প্রকৃত মন্দা পরিস্থিতি দেখছেন বলে জানান। মূল্যস্ফীতির চাপ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় মধ্যবিত্ত সমাজের একটি অংশ বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। ভবিষ্যতের কথা বলতে গিয়ে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, আগামী দিনে ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের একত্রীকরণ অনিবার্য হয়ে উঠবে এবং বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সামাল দিতে সুশাসন ও শক্ত নীতিমালার বিকল্প নেই।

‘জনগণের কাছে একটা কার্ড আছে, সেটি হলো লাল কার্ড’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘জনগণের কাছে একটা কার্ড আছে, সেটি হলো লাল কার্ড’

‘জনগণের কাছে একটা কার্ড আছে, সেটি হলো লাল কার্ড’

রাজনীতি ডেস্ক: বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক লংমার্চের পথসভায় বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, দেশের সাধারণ মানুষের হাতে একটি বিশেষ কার্ড রয়েছে এবং সেটি হলো লাল কার্ড। উপযুক্ত সময়ে জনতা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে সেই কার্ড কার্যকর করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

যশোরের মুড়লী মোড়ে অনুষ্ঠিত ওই পথসভায় বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরা হয়। মূলত সাত দফা দাবি আদায়ের অংশ হিসেবে এই লংমার্চ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছিল। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সরকারের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করেন এবং দ্রুত দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান।

বক্তব্যে জামায়াত নেতা আরও বলেন যে, জনগণের কণ্ঠস্বর চেপে রাখা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। সাধারণ মানুষ তাদের অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে নেমে এসেছে এবং তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সংকল্প ব্যক্ত করেন তিনি। সরকারের দমনপীড়ন উপেক্ষা করে জনস্রোত তৈরি হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

স্থানীয় পর্যায়ে এই পথসভাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করার কথা থাকলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে এই ধরনের কঠোর হুঁশিয়ারি নতুন করে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন দিনগুলোতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার বাকবিতণ্ডা আরও বাড়তে পারে।