খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

মেসিকে পেছনে ফেলে ‘ব্যালন ডি'অর অব অলটাইম’ জয় রোনালদোর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মেসিকে পেছনে ফেলে ‘ব্যালন ডি'অর অব অলটাইম’ জয় রোনালদোর

মেসিকে পেছনে ফেলে ‘ব্যালন ডি'অর অব অলটাইম’ জয় রোনালদোর

খেলা ডেস্ক: ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুই তারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর চিরন্তন লড়াইয়ে যুক্ত হলো নতুন এক অধ্যায়। বিশ্ব ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ব্যালন ডি অরের সত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সম্প্রতি একটি বিশেষ অনলাইন ভোটাভুটির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রখ্যাত ফরাসি সাময়িকী ফ্রান্স ফুটবল এবং ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা উয়েফা যৌথভাবে এই অভিনব প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ফুটবলপ্রেমীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই ভোটাভুটিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসিকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করেছেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

গত মাসের শুরুর দিকে শুরু হওয়া এই অনলাইন ভোটে অংশগ্রহণের জন্য বিশেষ কিছু নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছিল। ভক্তদের প্রতিটি ভোটের জন্য এক ইউরো করে খরচ করতে হয়েছিল এবং প্রতিযোগিতায় তাদের একাধিকবার ভোট দেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে জানা যায় যে, ২০০৭ থেকে ২০০৮ সালের মৌসুমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সিতে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সই সেরা নির্বাচিত হয়েছে। ক্যারিয়ারের প্রথম ব্যালন ডি অর জয় করা সেই স্মরণীয় মৌসুমটিই ভক্তদের রায়ে সর্বকালের সেরা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

অন্যদিকে, এই ভোটাভুটিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন আর্জেন্টিনার জাদুকর লিওনেল মেসি। ২০১২ সালে এক পঞ্জিকাবর্ষে বিশ্বরেকর্ড গড়ে ৯১ গোল করার অনন্য ঐতিহাসিক মৌসুমটির সুবাদে তিনি তালিকার দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন। আয়োজকদের প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকা পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, শীর্ষ বারোটি মৌসুমের প্রতিটিই কেবল লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দখলে রয়েছে। এই পরিসংখ্যান আধুনিক ফুটবলে দীর্ঘ দেড় দশক ধরে এই দুই কিংবদন্তির নিরঙ্কুশ আধিপত্যের সত্যতা আবারও জোরালোভাবে প্রমাণ করে।

এদিকে শীর্ষস্থানগুলোতে এই দুই তারকার রাজত্ব থাকলেও তালিকার একটু নিচেই জায়গা করে নিয়েছেন অন্য এক কিংবদন্তি। ব্রাজিলীয় ফুটবল জাদুকর রোনালদো নাজারিওর ২০০২ সালের ব্যালন ডি অর জয়ী মৌসুমটি এই বিশেষ তালিকায় ত্রয়োদশ অবস্থানে রয়েছে। ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা ও আনন্দ সৃষ্টি করলেও আয়োজক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই বিশেষ খেতাবের জন্য কোনো নতুন বা আলাদা ট্রফি প্রদান করা হবে না। মূলত ফুটবলের দীর্ঘ ইতিহাসে সেরা মুহূর্তগুলোকে স্মরণীয় করে রাখতেই এই প্রতীকী ভোটাভুটির আয়োজন করা হয়েছিল।

advertisement
advertisement

ইসরায়েলের নির্বাচনে বাইরের হস্তক্ষেপের তদন্ত হচ্ছে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইসরায়েলের নির্বাচনে বাইরের হস্তক্ষেপের তদন্ত হচ্ছে

ইসরায়েলের নির্বাচনে বাইরের হস্তক্ষেপের তদন্ত হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে বিদেশি শক্তির কোনো ধরনের অবৈধ প্রভাব বা হস্তক্ষেপ ছিল কি না, তা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত শুরু হয়েছে। দেশটির নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সুরক্ষিত রাখতে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে জোরালো দাবি ওঠার পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।

তদন্তকারী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা খতিয়ে দেখছেন যে, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া বা জনমত গঠনে সাইবার হামলা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো কিংবা অননুমোদিত অর্থায়নের মতো কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না। বিশেষ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করার গোপন কোনো অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল কি না, তা সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এ ধরনের বিদেশি প্রভাবের অভিযোগ এর আগেও বিভিন্ন সময় আলোচিত হয়েছিল। তবে এবারের তদন্তের পরিধি বেশ বিস্তৃত বলে ধারণা করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কোনো ষড়যন্ত্র বা রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সাইবার দলের সম্পৃক্ততা আছে কি না তা স্পষ্ট হবে। তদন্তের ফলাফল হাতে পাওয়ার পর দেশের নির্বাচনী আইনে প্রয়োজনীয় সংস্কার বা কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এই তদন্তের অগ্রগতির দিকে দেশটির রাজনীতিবিদ ও সাধারণ নাগরিকরা গভীরভাবে নজর রাখছেন। আগামী দিনে নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সামগ্রিক এই পরিস্থিতি ইসরায়েলের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বেশ কৌতূহল ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

পাকিস্তান থেকে আনা ১৫০ টন তামাক ঘিরে সন্দেহ, ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে কি না, পরীক্ষা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাকিস্তান থেকে আনা ১৫০ টন তামাক ঘিরে সন্দেহ, ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে কি না, পরীক্ষা

পাকিস্তান থেকে আনা ১৫০ টন তামাক ঘিরে সন্দেহ, ক্ষতিকর রাসায়নিক আছে কি না, পরীক্ষা

অর্থনীতি ডেস্ক: পাকিস্তান থেকে আমদানি করা প্রায় ১৫০ টন কাঁচা তামাকের একটি বড় চালান চট্টগ্রাম বন্দরে আটকা পড়েছে। তামাকপাতার গুণগত মান এবং এতে কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত আছে কি না, তা নিয়ে তীব্র সন্দেহ প্রকাশ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তর। সম্প্রতি এই চালানটি পরীক্ষা করার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষাগারে নমুনা পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষার সময় তামাকপাতায় সহজে আগুন না ধরায় গোয়েন্দাদের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।

চট্টগ্রামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহমেদ এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান যে প্রাথমিক পরীক্ষার অংশ হিসেবে টেবিল টেস্ট করার সময় তামাকপাতায় সাধারণ নিয়মে আগুন ধরেনি। খালি চোখে বিষয়টি শনাক্ত করা অসম্ভব হওয়ায় প্রতিটি কনটেইনার থেকে পর্যাপ্ত নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে এসব নমুনা বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

বন্ড সুবিধার আওতায় কুষ্টিয়ার গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেড এই ১০ কনটেইনার কাঁচা তামাক আমদানি করেছে। বাণিজ্যিক নথিপত্র অনুযায়ী এর সঙ্গে দুবাই ও পাকিস্তানের দুটি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা রয়েছে। কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান যে গত অক্টোবরে চালানটি বন্দরে পৌঁছানোর পর শুল্কায়ন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এর খালাস স্থগিত করা হয়। এছাড়া আমদানি মূল্যে গরমিল থাকায় প্রায় ২১ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি এবং এর নেপথ্যে অর্থ পাচারের কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কাস্টমস গোয়েন্দার হিসাব অনুযায়ী, বন্দরে আটকে থাকা এই বিপুল পরিমাণ তামাক দিয়ে প্রায় ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা প্রিমিয়াম সিগারেট তৈরি করা সম্ভব হতো। যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ৪৯৪ কোটি টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই অনিয়মের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বন্ড লাইসেন্স ইতিমধ্যে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে এবং তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া ও চূড়ান্ত তদন্তের প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত এই চালানের খালাস বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানির পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, কাঁচা তামাকের আর্দ্রতা বেশি থাকার কারণেই সহজে আগুন ধরায় সমস্যা হতে পারে এবং তারা যেকোনো ধরনের তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে যে তারা শতভাগ রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান এবং বৈধ প্রক্রিয়ায় কাঁচামাল আমদানি করে বিদেশে তামাক রপ্তানি করে আসছে। তবে সার্বিক বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষাগারগুলোর চূড়ান্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সিলেটে ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর নিবন্ধন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সিলেটে ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর নিবন্ধন

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সিলেটে ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর নিবন্ধন

খেলা ডেস্ক: দেশজুড়ে শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও বিকাশের লক্ষ্যে আয়োজিত নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬ কার্যক্রমে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য সিলেট জেলা ও মহানগরী এলাকা মিলিয়ে ইতোমধ্যে প্রায় তেতাল্লিশ হাজার শিক্ষার্থী তাদের নাম নিবন্ধন করেছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়াবিদ তুলে আনার এই বিশাল কর্মযজ্ঞে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আয়োজকদের উৎসাহিত করেছে।

আসন্ন এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় মোট দশটি ভিন্ন ডিসিপ্লিনে লড়াই করবে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীরা। ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে জনপ্রিয় খেলা ফুটবল ও ক্রিকেট ছাড়াও কাবাডি, অ্যাথলেটিকস, ব্যাডমিন্টন, দাবা, মার্শাল আর্ট, সাঁতার, ভলিবল এবং টেবিল টেনিস। মূলত উপজেলা পর্যায় থেকে প্রতিযোগিতার সূচনা হয়ে পরবর্তীতে তা ধাপে ধাপে জেলা, আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে উন্নীত হবে, যা খুদে খেলোয়াড়দের মেধা প্রদর্শনের বড় সুযোগ তৈরি করবে।

সম্প্রতি নগর ভবনের সভাকক্ষে এই বিশাল আয়োজন সফল করার লক্ষ্যে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান যে, এই উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী এই ক্রীড়া কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন এবং সিলেট জেলা স্টেডিয়ামেও এর অংশ হিসেবে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

সভায় নগর এলাকায় খেলার মাঠের সংকট দূর করার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রশাসক জানান যে, প্রতিটি তিনটি ওয়ার্ডের জন্য একটি করে খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং এলাকার পরিত্যক্ত স্থানগুলোকে মাঠ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি জেলা ক্রীড়া সংস্থার অধীনস্থ মাঠগুলোও সংস্কার করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।