খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

জেলে-কন্যা লিকার হাতে জাতীয় ব্যাডমিন্টনের শিরোপা, কাঁদলেন মা-মেয়ে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জেলে-কন্যা লিকার হাতে জাতীয় ব্যাডমিন্টনের শিরোপা, কাঁদলেন মা-মেয়ে

জেলে-কন্যা লিকার হাতে জাতীয় ব্যাডমিন্টনের শিরোপা, কাঁদলেন মা-মেয়ে

খেলা ডেস্ক: জাতীয় ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের নারী এককের ফাইনালে এক দুর্দান্ত ও রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন লিকা পোদ্দার। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তিনি পরাজিত করেন প্রতিযোগিতার সাবেক চ্যাম্পিয়ন উর্মি আক্তারকে। শুরু থেকেই ম্যাচটিতে দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে পয়েন্ট অর্জনের জন্য কঠোর লড়াই চলতে থাকে, যা দর্শকদের দীর্ঘক্ষণ উৎকণ্ঠায় রাখে। শেষ পর্যন্ত নিজের স্নায়ুচাপ ধরে রেখে এবং অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করে জয় ছিনিয়ে নেন লিকা।

এই অভাবনীয় জয়ের পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নতুন চ্যাম্পিয়ন লিকা পোদ্দার এবং তার পরিবার। জয়ের মুহূর্তেই আনন্দে কেঁদে ফেলেন তার মা এবং লিকা নিজেও। একজন সাধারণ জেলের কন্যা হিসেবে তার এই সুদীর্ঘ ও সংগ্রামমুখর ক্রীড়াজীবন এতটা সহজ ছিল না। নানান প্রতিকূলতা, আর্থিক সংকট এবং সরঞ্জামের ঘাটতি মোকাবিলা করে তাকে খেলায় টিকে থাকতে হয়েছে। আজকের এই জয়ের মাধ্যমে তার সেই দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং না বলা কষ্টের এক সার্থক রূপায়ণ ঘটেছে।

ম্যাচটি শেষে বিজয়ী ট্রফি হাতে পাওয়ার পর লিকার কণ্ঠে ফুটে ওঠে কৃতজ্ঞতা ও আত্মবিশ্বাসের সুর। তিনি তার এই সাফল্যের পুরো কৃতিত্ব দেন নিজের পরিবার ও কোচকে, যারা চরম বিপদের দিনেও তার পাশে থেকেছেন এবং তাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। অন্যদিকে সাবেক চ্যাম্পিয়ন উর্মি আক্তারও লিকাকে তার এই জয়ের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই ফাইনাল ম্যাচটি দেশের ব্যাডমিন্টনঙ্গনে নতুন এক রোমাঞ্চকর অধ্যায়ের সূচনা করল এবং তরুণ প্রজন্মের খেলোয়াড়দের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।

দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এই অভাবনীয় সাফল্য নতুন এক ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে জাতীয় পর্যায়ে এমন গৌরব অর্জন প্রমাণ করে যে, ইচ্ছা শক্তি ও প্রতিভা থাকলে যেকোনো প্রতিকূলতা পেরিয়ে চূড়ায় পৌঁছানো সম্ভব। লিকা পোদ্দারের এই ঐতিহাসিক বিজয় দেশের উদীয়মান তরুণ অ্যাথলেটদের জন্য বিশেষ করে নারী ক্রীড়াবিদদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন প্রেরণা জোগাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

advertisement
advertisement

বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী পাকিস্তান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী পাকিস্তান

বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটনে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশের সঙ্গে চিকিৎসা পর্যটন ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান। দক্ষিণ এশিয়ার এই দুটি বন্ধুভাবাপন্ন দেশের মধ্যে পর্যটন অংশীদারত্ব জোরদার করার পাশাপাশি জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী পর্যটন মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার জানান যে প্রচলিত পর্যটনের বাইরে চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রিক ভ্রমণ দুই দেশের জন্যই একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হতে পারে।

রাজধানীর ওই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে পাকিস্তানের চিকিৎসা খাতের প্রতিনিধিত্বকারী দুটি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে। এর মাধ্যমে বিশেষায়িত এই পর্যটন খাতে নতুন সুযোগ অনুসন্ধানে পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়। পাকিস্তানি কূটনীতিক আশা প্রকাশ করেন যে এই ধরনের অংশগ্রহণের ফলে দুই দেশের ব্যবসায়িক মহলের মধ্যে যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতে চিকিৎসা পর্যটনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে তিনি মনে করেন।

ঐতিহ্যগত অবকাশযাপনকেন্দ্রিক ভ্রমণের সীমানা পেরিয়ে বিশেষায়িত পর্যটনসেবার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বই সবসময় জনগণের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং একে অপরের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কে জানার মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও গভীর করা সম্ভব। এছাড়া দুই দেশেই তুলনামূলক সাশ্রয়ী ব্যয়ে বৈচিত্র্যময় পর্যটন আকর্ষণগুলো উপভোগ করা যায়, যা দ্বিপক্ষীয় পর্যটন বিনিময়ের সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

জনগণের মধ্যকার যোগাযোগভিত্তিক কূটনীতির মাধ্যম হিসেবে পর্যটন খাতকে কাজে লাগানোর ওপর বিশেষ জোর দেন পাকিস্তানি হাইকমিশনার। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক এই মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ায় তিনি আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই বর্ণিল প্রদর্শনী দুই দেশের ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক জোরদার এবং সহযোগিতার পরিধি বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদী। উল্লেখ্য, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবের উদ্বোধন করা এই মেলায় বাংলাদেশসহ ষোলটি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

বিদেশে কর্মসংস্থানের নামে যুবসমাজ যেন প্রতারণার শিকার না হয়: প্রতিমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিদেশে কর্মসংস্থানের নামে যুবসমাজ যেন প্রতারণার শিকার না হয়: প্রতিমন্ত্রী

বিদেশে কর্মসংস্থানের নামে যুবসমাজ যেন প্রতারণার শিকার না হয়: প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: দেশের তরুণ সমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বিদেশে কাজের সুযোগ তৈরি করা বর্তমান সময়ের অত্যন্ত জরুরি একটি কাজ। তবে প্রবাসে কর্মসংস্থানের নামে দেশের যুবসমাজ যেন কোনোভাবেই প্রতারণার শিকার না হয় কিংবা আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বদাই সতর্ক থাকতে হবে। সম্প্রতি নাটোরের লালপুর উপজেলায় আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই গুরুত্বপূর্ণ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। দেশের তরুণ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রেখে তাদের জন্য নিরাপদ কর্মসংস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

নাটোরের লালপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে স্টাডি অ্যাব্রড কনসালটেন্সি জিটি গ্রুপ এই দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সম্ভাবনা বিষয়ক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশগুলোতে বাংলাদেশের তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হলে তা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এবং বেকারত্ব দূর করতে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এই সুযোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং ভাষাগত দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত আবশ্যক।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন যে, বিদেশে পাড়ি জমানোর পূর্বে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, কর্মসংস্থানের চুক্তিপত্র, নির্ধারিত বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে তরুণদের সম্পূর্ণ স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল প্রবাসে নিজেদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব। যুবসমাজ হলো দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ এবং তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রেখেই মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করতে হবে। কর্মসংস্থানের এই মহৎ উদ্যোগ যেন কোনোভাবেই তরুণ প্রজন্মের জন্য কোনো ধরনের ঝুঁকি বা অপ্রয়োজনীয় দুর্ভোগের কারণ হয়ে না দাঁড়ায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে জিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান পার্ক জি ইয়ং এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মামুন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজি মেশকাতুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ভূমি আবির হোসেন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও এই আলোচনায় অংশ নেন। সভায় দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের বিভিন্ন সম্ভাবনা, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার কৌশল এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয় যে, এই ধরনের উদ্যোগের ফলে কর্মপ্রত্যাশী তরুণদের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং দক্ষ কর্মী তৈরির পথ সুগম হবে।

উচ্ছেদ হওয়া হকারদের যে জায়গায় পুনর্বাসনের পরিকল্পনা ডিএনসিসির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
উচ্ছেদ হওয়া হকারদের যে জায়গায় পুনর্বাসনের পরিকল্পনা ডিএনসিসির

উচ্ছেদ হওয়া হকারদের যে জায়গায় পুনর্বাসনের পরিকল্পনা ডিএনসিসির

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুর ও উত্তরা এলাকায় সম্প্রতি উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনের জন্য বিকল্প জায়গার সন্ধান শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখার পাশাপাশি এই পেশার সঙ্গে জড়িত মানুষের জীবিকার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে সিটি করপোরেশন। উপযুক্ত স্থান পাওয়া গেলে নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে হকারদের নিয়মিত ব্যবসার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানান, হকারদের পুনর্বাসনের জন্য সংস্থার নিজস্ব জমি কিংবা প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে জরুরি ভিত্তিতে জায়গা নির্ধারণ করা হবে। মিরপুরের হকারদের জন্য শাহ আলী কাঁচাবাজারের আড়ত কমপ্লেক্সের আশপাশের একটি ফাঁকা জায়গা এবং উত্তরার রাজলক্ষ্মী এলাকার জন্য দিয়াবাড়ির সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন করা হবে। তবে কোনো অবস্থাতেই মূল সড়ক বা ফুটপাত দখল করে আর ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

পুনর্বাসিত এলাকায় হকারদের কাছ থেকে বাইরের কোনো প্রভাবশালী গোষ্ঠী যাতে অবৈধভাবে চাঁদা তুলতে না পারে, সেজন্য পুরো বিষয়টি সিটি করপোরেশনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। নির্দিষ্ট নিয়মের আওতায় হকারদের কাছ থেকে সামান্য ফি নেওয়া হতে পারে এবং এর বিনিময়ে ওই এলাকার বর্জ্য অপসারণের দায়িত্ব নেবে সিটি করপোরেশন। এছাড়া হকারদের পূর্বের তালিকা যাচাই-বাছাই করে বর্তমান বাস্তবতার আলোকে নতুন করে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হবে।

এর আগে মিরপুর ও উত্তরা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সাঁড়াশি অভিযান চালায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। উচ্ছেদের পর এসব এলাকার সড়ক ও ফুটপাত ফাঁকা হওয়ায় সাধারণ পথচারীদের যাতায়াতে স্বস্তি ফিরেছে। এখন হকারদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং একই সঙ্গে সড়ক শৃঙ্খলা বজায় রাখা—উভয় বিষয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই ডিএনসিসির সামনে মূল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।