জমির নিবন্ধনে ‘মান্ধাতা-প্রীতি’ আর কতদিন, এতে কার লাভ?
জমির নিবন্ধনে ‘মান্ধাতা-প্রীতি’ আর কতদিন, এতে কার লাভ?
জাতীয় ডেস্ক: দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় নামজারি প্রক্রিয়া এখনো বেশ জটিল ও সময়সাপেক্ষ রয়ে গেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একজন সাধারণ নাগরিক জমি কেনার পর দলিল নিবন্ধন সম্পন্ন করলেই আইনগতভাবে মালিকানা লাভ করেন। তবে সরকারি রেকর্ডপত্রে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হলে তাকে আলাদাভাবে নামজারির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। এই দীর্ঘসূত্রতার কারণে সাধারণ মানুষকে প্রায়ই নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়।
নিয়ম অনুযায়ী, নামজারির জন্য আবেদন করার পর সেই নথি চলে যায় সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার বা ভূমি কার্যালয়ে। সেখান থেকে আবেদনটি মাঠপর্যায়ের যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়। এই স্তরগুলো পার হতে বেশ কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হয়, যা সেবাগ্রহীতাদের জন্য নানা ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ডিজিটাল যুগের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা আসার পরও ভূমি খাতের অনেক প্রক্রিয়ায় পুরনো পদ্ধতি বজায় থাকায় জনদুর্ভোগ পুরোপুরি কমছে না। ভূমি মালিকদের রেকর্ড হালনাগাদ করার এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ ও জনবান্ধব করার তাগিদ দীর্ঘদিন ধরে অনুভব করছেন বিশেষজ্ঞরা। দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা দূর করার বিকল্প নেই।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে পুরো নামজারি প্রক্রিয়াটি আরও বেশি প্রযুক্তিনির্ভর করা প্রয়োজন। এতে একদিকে যেমন মানুষের সময় বাঁচবে, অন্যদিকে অহেতুক ভোগান্তি ও দুর্নীতিও অনেকাংশে কমে আসবে। সরকারের নীতিনির্ধারকদের এ বিষয়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে মনে করেন তারা।





আপনার মতামত লিখুন