খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

খুবির ৩৭ দফা দাবির দুই বছর, বাস্তবায়ন হয়নি অধিকাংশই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খুবির ৩৭ দফা দাবির দুই বছর, বাস্তবায়ন হয়নি অধিকাংশই

খুবির ৩৭ দফা দাবির দুই বছর, বাস্তবায়ন হয়নি অধিকাংশই

শিক্ষা ডেস্ক: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কার ও শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিতের উদ্দেশ্যে উত্থাপিত ৩৭ দফা দাবির বেশিরভাগই দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, প্রধান ফটকের নামকরণ এবং পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কিছু পরিবর্তন আসলেও আবাসন সংকট, জমি অধিগ্রহণ, লাইব্রেরি ও চিকিৎসাসেবার মতো মৌলিক দাবিগুলো ঝুলে রয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের এই দাবিগুলো নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো সুনির্দিষ্ট রূপরেখা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাসের সামগ্রিক পরিবেশ উন্নত করতে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে এসব দাবি পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বেশ কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ৩৭ দফা দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে প্রধান ফটকের নাম পরিবর্তন করে শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ রাখা এবং পরীক্ষার খাতায় কোডিং পদ্ধতি চালুর দাবি আংশিকভাবে রক্ষা করা হলেও বাকিগুলো উপেক্ষিত থেকে যায়। এর মধ্যে শহীদদের স্মরণে কোনো স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়নি এবং ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের জন্য নতুন জমি অধিগ্রহণের কাজও স্থবির হয়ে আছে। এছাড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও সেই অনুপাতে আবাসিক হলের আসনসংখ্যা না বাড়ায় শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করার বিষয়টি এখনো অধরা রয়ে গেছে। চারুকলা স্কুলের জন্য স্বতন্ত্র ভবন নির্মাণ এবং কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সংস্কারের দাবিগুলোও দীর্ঘ সময় ধরে ফাইলবন্দি হয়ে আছে।

প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যকার দূরত্ব কমাতে এবং পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে অন্যান্য দাবিগুলোর অবস্থাও বেশ হতাশাজনক। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিটি চব্বিশ ঘণ্টা খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হয়নি এবং হলভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে কোনো ফোরাম গঠিত হয়নি। এমনকি চিকিৎসাসেবার আধুনিকায়ন, বিনাসুদে শিক্ষাঋণ প্রদান, ক্যারিয়ার প্লেসমেন্ট সেন্টার এবং একটি স্বতন্ত্র অভিযোগ সেল গঠনের দাবিগুলো এখনো আলোর মুখ দেখেনি। পরীক্ষার নম্বর বিন্যাসে শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবিত রূপরেখা পুরোপুরি না মেনে আংশিক পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এসব কারণে শিক্ষার্থীরা মনে করছেন প্রশাসন তাদের মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানে যথেষ্ট আন্তরিকতার পরিচয় দিচ্ছে না।

শিক্ষার্থীদের বড় অভিযোগ হলো, প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি বাস্তবায়নের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমাভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হচ্ছে না। কোন কোন দাবি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, কোনগুলো প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে এবং নীতিগত বা আর্থিক কী ধরনের জটিলতার কারণে বাকিগুলো আটকে আছে—তা স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তারা। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম জানিয়েছেন যে শিক্ষার্থীদের প্রতিটি যৌক্তিক দাবি প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গেই বিবেচনা করছে। যেসব বিষয় দ্রুত সমাধানযোগ্য ছিল তা ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং অবকাঠামোগত ও অর্থায়নসংশ্লিষ্ট জটিল দাবিগুলো ধাপে ধাপে সমাধানের প্রক্রিয়া চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

advertisement
advertisement

দুনিয়ার মোহে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান হায়াত: সালাহউদ্দীন নানুপুরী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দুনিয়ার মোহে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান হায়াত: সালাহউদ্দীন নানুপুরী

দুনিয়ার মোহে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান হায়াত: সালাহউদ্দীন নানুপুরী

ধর্ম ডেস্ক: আল্লাহ তাআলাকে সঠিকভাবে চেনার জন্য এবং অন্তরে তাঁর ভয় বা তাকওয়া অর্জনের জন্য প্রকৃত আল্লাহওয়ালাদের সাহচর্য অত্যন্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জামিয়া ওবাইদিয়া নানুপুর মাদরাসার মহাপরিচালক আল্লামা সালাহউদ্দীন নানুপুরী। তিনি বলেন, মানুষ যদি নিজের নফসের পরিশুদ্ধি ঘটাতে না পারে, তবে সে অবধারিতভাবে দুনিয়ার মোহগ্রস্ততায় নিমজ্জিত হবে। পার্থিব এই মোহের কারণে মানুষের অমূল্য জীবন ও যৌবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং ফুরিয়ে আসছে হায়াতের নির্ধারিত সময়।

সম্প্রতি হাটহাজারী পার্বতী মডেল ঐতিহাসিক সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আল-আমিন সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী তাফসীর মাহফিলের দ্বিতীয় দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মূল্যবান কথাগুলো বলেন। আয়োজিত এই ধর্মীয় সমাবেশে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, হৃদয়ের ভেতরের অন্ধকার দূর করতে এবং আত্মশুদ্ধি অর্জনে বুজুর্গদের সান্নিধ্য গ্রহণ করা জরুরি, কারণ তাঁরা আধ্যাত্মিক চিকিৎসকের ভূমিকা পালন করেন।

মাওলানা রিজওয়ান আরমান ও মাওলানা আইয়ুব জাহাঙ্গীরের যৌথ সঞ্চালনায় মাহফিলের কার্যক্রম শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে, যা পরিবেশন করেন কারী আহমদ গণী। তাফসীর মাহফিলের বিভিন্ন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মুফতী হাবিবুর রহমান কাসেমী, মুফতী ওসমান সাঈদী, মাওলানা নাছির উদ্দীন এবং মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়েজী।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল হাসান এবং বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওলিউল্লাহকে আল-আমিন সংস্থার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। তিন দিনব্যাপী এই মাহফিলের দ্বিতীয় দিনে আরও তাফসীর পেশ করেন মুফতী মুস্তাকুন্নবী কাসেমী, সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল হাসান ও মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওলিউল্লাহ, মাওলানা আনিসুর রহমান আশরাফী, মুফতী হারুন ইজহার, ড. নুরুল আবছার আজহারী, মুফতী রাশেদ, মুফতী সিরাজুল্লাহ মাদানী এবং মাওলানা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ ইয়াহইয়া।

পেট্রাপোলে পণ্যবাহী ট্রাকের জট, বেনাপোলে প্রবেশে বিলম্বের অভিযোগ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পেট্রাপোলে পণ্যবাহী ট্রাকের জট, বেনাপোলে প্রবেশে বিলম্বের অভিযোগ

পেট্রাপোলে পণ্যবাহী ট্রাকের জট, বেনাপোলে প্রবেশে বিলম্বের অভিযোগ

অর্থনীতি ডেস্ক: ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দরে শিল্পকারখানার কাঁচামাল এবং বিভিন্ন পণ্যবোঝাই শত শত ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকে রয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বিভিন্ন ধরনের জটিলতার কারণে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে বেনাপোল স্থলবন্দরে পৌঁছাতে তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত সময় লেগে যাচ্ছে। এর ফলে আমদানিকারকদের অতিরিক্ত মাশুল গুনতে হচ্ছে এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

সম্প্রতি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ছয় দিনের ছুটি শেষে দুই দেশের এই স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়। কিন্তু সাইবার হামলার ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সার্ভার দুই দিন বন্ধ রাখা হয়। এর ওপর আবার বেনাপোল বন্দরের ওয়েট স্কেলে পণ্যের ওজন মাপার সার্ভারও অকার্যকর হয়ে পড়ায় ট্রাকের জট আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে।

ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, পূজার ছুটির ওই সময়ে পেট্রাপোল বন্দরে বাংলাদেশমুখী প্রায় এক হাজার চারশ পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছিল। পরবর্তী সময়ে বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কিছু পচনশীল পণ্য খালাস করা হলেও এখনো উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ট্রাক ওপারে আটকা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাণিজ্য সচল রাখতে বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট গেট খুলে দেওয়া এবং উভয় দেশের সংশ্লিষ্টদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির তাগিদ দিয়েছেন তারা।

এদিকে ব্যবসায়ীদের করা এই অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন মত পোষণ করেছে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, পূজার ছুটির কারণে সৃষ্ট জট ইতোমধ্যে অনেকটাই কমে এসেছে এবং বর্তমানে সেখানে তিন শ থেকে সাড়ে তিন শ ট্রাক আটকে আছে। জট দ্রুত নিরসনের জন্য কাস্টমস কর্মকর্তারা নির্ধারিত সময়ের চেয়েও বেশি সময় ধরে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলের নির্বাচনে বাইরের হস্তক্ষেপের তদন্ত হচ্ছে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইসরায়েলের নির্বাচনে বাইরের হস্তক্ষেপের তদন্ত হচ্ছে

ইসরায়েলের নির্বাচনে বাইরের হস্তক্ষেপের তদন্ত হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে বিদেশি শক্তির কোনো ধরনের অবৈধ প্রভাব বা হস্তক্ষেপ ছিল কি না, তা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত শুরু হয়েছে। দেশটির নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সুরক্ষিত রাখতে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে জোরালো দাবি ওঠার পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।

তদন্তকারী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা খতিয়ে দেখছেন যে, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া বা জনমত গঠনে সাইবার হামলা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো কিংবা অননুমোদিত অর্থায়নের মতো কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না। বিশেষ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করার গোপন কোনো অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল কি না, তা সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এ ধরনের বিদেশি প্রভাবের অভিযোগ এর আগেও বিভিন্ন সময় আলোচিত হয়েছিল। তবে এবারের তদন্তের পরিধি বেশ বিস্তৃত বলে ধারণা করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কোনো ষড়যন্ত্র বা রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সাইবার দলের সম্পৃক্ততা আছে কি না তা স্পষ্ট হবে। তদন্তের ফলাফল হাতে পাওয়ার পর দেশের নির্বাচনী আইনে প্রয়োজনীয় সংস্কার বা কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এই তদন্তের অগ্রগতির দিকে দেশটির রাজনীতিবিদ ও সাধারণ নাগরিকরা গভীরভাবে নজর রাখছেন। আগামী দিনে নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সামগ্রিক এই পরিস্থিতি ইসরায়েলের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বেশ কৌতূহল ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।