খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

রামেক হাসপাতাল: পোড়া এক্স-রে মেশিন পকেট কাটছে সিন্ডিকেট

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রামেক হাসপাতাল: পোড়া এক্স-রে মেশিন পকেট কাটছে সিন্ডিকেট

রামেক হাসপাতাল: পোড়া এক্স-রে মেশিন পকেট কাটছে সিন্ডিকেট

অপরাধ ডেস্ক: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি পোর্টেবল এক্স-রে মেশিন পুড়ে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে সেটি মেরামত বা নতুন মেশিন স্থাপন করা হয়নি। এর ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়া রোগীদের জিম্মি করে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট অতিরিক্ত অর্থে বাইরে থেকে মেশিন এনে বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত জানুয়ারির শেষ দিকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সামনে রাখা সচল পোর্টেবল এক্স-রে মেশিনটিতে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে মুহূর্তেই মূল্যবান মেশিনটি সম্পূর্ণ পুড়ে অকার্যকর হয়ে পড়ে এবং ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রাজপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

ঘটনার পরপরই হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের একজন অধ্যাপককে প্রধান করে ৯ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং তারা নির্দিষ্ট সময়েই প্রতিবেদন জমা দেন। তবে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে মুখে মাস্ক পরা এক ব্যক্তিকে আগুন দিয়ে পালিয়ে যেতে দেখা গেলেও পুলিশ এখনো পর্যন্ত তাকে শনাক্ত করতে পারেনি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, কাউকে চিহ্নিত করতে না পারায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। এদিকে মেশিন পুড়িয়ে দেওয়ার নেপথ্যে কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের হাত রয়েছে কি না, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ মানুষের মনে।

জরুরি প্রয়োজনে ওয়ার্ডের ভেতরে এক্স-রে করার সুবিধা বন্ধ থাকায় রোগীদের এখন অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে বাইরের সিন্ডিকেটের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। হাসপাতালের নিজস্ব রেডিওলজি বিভাগে নামমাত্র খরচে এই পরীক্ষা করা গেলেও বাইরে থেকে আনা মেশিনে রোগীদের গুনতে হচ্ছে এক থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডের দেয়ালে গোপনে এই সেবার প্রচারপত্রও সাঁটানো হয়েছে এবং ছুটির দিনেও চড়া মূল্যে এক্স-রে করার অফার দেওয়া হচ্ছে। এতে দরিদ্র রোগীরা আর্থিক দিক থেকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, পুড়ে যাওয়া মেশিনটি মেরামতের জন্য জাতীয় ইলেকট্রো-মেডিকেল ইকুইপমেন্ট রক্ষণাবেক্ষণ কর্মশালায় একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নতুন মেশিন ক্রয়ের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে এবং তারা দ্রুত সংকট সমাধানের আশা প্রকাশ করছেন। ইতিমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে হাসপাতালের পরিচালকের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাকে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ফিরিয়ে নেওয়া হলেও প্রশাসনিক পালাবদলের এই সময়ে সাধারণ রোগীদের ভোগান্তি এখনো কমাতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

advertisement
advertisement

দেশে জ্বালানি তেলের দাম নভেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেশে জ্বালানি তেলের দাম নভেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে

দেশে জ্বালানি তেলের দাম নভেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আগামী নভেম্বর মাসেও অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জারি করা একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ ভোক্তা ও পরিবহন খাতের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা চলতি অক্টোবর মাসের নির্ধারিত মূল্যেই পরবর্তী মাসজুড়ে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারবেন। বিশ্ববাজারের সার্বিক পরিস্থিতি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্ত আগামী বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ নভেম্বর থেকে পুরো দেশের জন্য কার্যকর হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যের ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি মাসেই নতুন মূল্য নির্ধারণ করার কথা থাকলেও, এই দফায় দাম বাড়ানোর কোনো প্রয়োজন দেখেনি কর্তৃপক্ষ। ফলে ডিজেল, পেট্রল, অকটেলসহ সব ধরনের জ্বালানি তেল পূর্বনির্ধারিত দামেই বিক্রি অব্যাহত থাকবে।

এর আগে গত মাসগুলোতেও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণের প্রক্রিয়া অব্যাহত ছিল। তবে সম্প্রতি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও মূল্যে কিছুটা স্থিতিশীলতা বিরাজ করায় সরকার দেশের বাজারেও স্বস্তি বজায় রাখার নীতি গ্রহণ করেছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর এই পদক্ষেপ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

নতুন এই দাম কার্যকর হওয়ার পর দেশের কোথাও নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রির সুযোগ নেই। সরকারের পক্ষ থেকে দেশের সব ডিলার, বিপণন কোম্পানি এবং ফিলিং স্টেশনগুলোকে সরকারি নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথাও অনিয়ম বা বেশি দাম নেওয়ার প্রমাণ পেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

তিন মাসে রাজস্ব ঘাটতি ৪২ হাজার কোটি টাকা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তিন মাসে রাজস্ব ঘাটতি ৪২ হাজার কোটি টাকা

তিন মাসে রাজস্ব ঘাটতি ৪২ হাজার কোটি টাকা

অর্থনীতি ডেস্ক: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কর আদায় না হওয়ায় প্রায় আটচল্লিশ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্য এবং প্রকৃত অর্জনের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকায় সামগ্রিক অর্থনীতিতে এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আদায় কমে যাওয়ার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে এসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক লাখ ৩৪ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা। এর বিপরীতে কাসেম বা অন্য মাধ্যমে আদায় হয়েছে মাত্র ৯২ হাজার ৫১৭ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় একত্রিশ শতাংশ কম। প্রধান তিনটি খাত অর্থাৎ মূল্য সংযোজন কর, আয়কর এবং আমদানি-রপ্তানি শুল্ক—কোনোটিতেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘাটতি দেখা গেছে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট খাতে, যা মোট ঘাটতির প্রায় অর্ধেক।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর এই তিন মাসে ভ্যাট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ কম পাওয়া গেছে। ব্যবসায়িক কার্যক্রমে শ্লথগতি এবং ভ্যাট রিটার্ন জমাদানের নিয়মে পরিবর্তনের কারণে এই খাতের আদায়ে বড় ধস নামে। একই অবস্থা তৈরি হয়েছে আয়কর ও ভ্রমণ কর খাতেও, যেখানে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় সাড়ে নয় হাজার কোটি টাকা কম আদায় হয়েছে। এছাড়া আমদানি-রপ্তানি শুল্ক থেকেও পর্যাপ্ত রাজস্ব আসেনি, যা সামগ্রিক ঘাটতিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আহসান হাবিব সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে কর আদায় কার্যক্রম আরও জোরদার করার জন্য কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অর্থনীতির শ্লথগতি, অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং প্রশাসনিক কিছু জটিলতার কারণেই এই ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তবে নিয়মিত ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার নতুন বিধান চালুর ফলে সামনের দিনগুলোতে রাজস্ব আদায় কিছুটা বাড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকায় শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ককে বহিষ্কার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকায় শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ককে বহিষ্কার

দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকায় শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ককে বহিষ্কার

রাজনীতি ডেস্ক: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন ঝাড়ুকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাঁর নিষ্ক্রিয়তা এবং বারবার সতর্ক করার পরও নির্দেশনা অমান্য করার বিষয়টি কেন্দ্রীয় কমিটির নজরে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গত ২৯ অক্টোবর রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই বহিষ্কারাদেশের কথা জানানো হয়। দলীয় সূত্রে জানা যায়, যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করেছেন। সংগঠনের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইতিপূর্বে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দলীয় কর্মসূচিতে ধারাবাহিকভাবে অনুপস্থিত ছিলেন মহিউদ্দিন ঝাড়ু। এই ধরনের আচরণ সংগঠনের আদর্শ ও গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী হওয়ায় তাঁকে এর আগেও সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা উপেক্ষা করে দলীয় কার্যক্রমে অনুপস্থিতি অব্যাহত রাখেন, যা দলীয় শৃঙ্খলার মারাত্মক লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

বহিষ্কৃত নেতার কোনো ধরনের অপকর্ম বা অনৈতিক কার্যক্রমের দায় দল নেবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় যুবদল। একই সঙ্গে সংগঠনের নীতি ও আদর্শ রক্ষার্থে শ্রীমঙ্গল উপজেলাসহ সব স্তরের নেতাকর্মীকে তাঁর সঙ্গে সব ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক অবিলম্বে ছিন্ন করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলের শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না বলেও কেন্দ্রীয় নেতাদের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে।