খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

৯৩০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং: পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৯৩০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং: পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

৯৩০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং: পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

অপরাধ ডেস্ক: বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার ও দুর্নীতির অভিযোগে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের প্রতিষ্ঠিত সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের করা একটি পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এই আদেশ দেন। একই আদেশে বরগুনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর আয়কর নথি জব্দেরও নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষের আইনজীবীদের শুনানি শেষে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সূচনা ফাউন্ডেশন বিগত বেশ কয়েকটি করবর্ষে প্রায় এক কোটি টাকার মতো কর পরিশোধ না করে প্রতারণার আশ্রয় নেয়। ভুয়া কর জমাসংক্রান্ত রেকর্ডপত্র তৈরি এবং অডিট প্রতিবেদনে আয়কর খরচ দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে বিপুল অঙ্কের টাকার লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৯৩০ কোটি টাকার বেশি লেনদেনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে একটি মামলা চলমান রয়েছে।

তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, সূচনা ফাউন্ডেশনের আর্থিক অনিয়মের পেছনের প্রকৃত চিত্র উন্মোচন করতে এই নথিপত্র অত্যন্ত জরুরি। ফাউন্ডেশনটির কার্যক্রম শুরুর পর থেকে সাম্প্রতিক করবর্ষ পর্যন্ত যাবতীয় আয়কর নথির স্থায়ী ও বিবিধ অংশ পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এসব রেকর্ডপত্র ও তথ্যাদি দ্রুত জব্দ করা একান্ত আবশ্যক বলে আদালতে যুক্তি তুলে ধরেন দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবীরা।

অন্যদিকে, সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর বিরুদ্ধেও দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এবং তার কোনো গোপন সম্পদ রয়েছে কি না তা যাচাই করতে আয়কর নথি জব্দের আবেদন করা হয়েছিল। আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদন দুটি মঞ্জুর করে প্রয়োজনীয় নথি জব্দের এই আদেশ দেন।

advertisement
advertisement

ইনানী সৈকতে গোসলে নেমে প্রাণ হারালেন মাদ্রাসাছাত্র, জীবিত ফিরল সহপাঠী ১৫ জন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানী সৈকতে গোসলে নেমে প্রাণ হারালেন মাদ্রাসাছাত্র, জীবিত ফিরল সহপাঠী ১৫ জন

ঝুঁকি নিয়েই সমুদ্রে গোসল করছেন পর্যটকেরা। সম্প্রতি কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টে

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী সমুদ্রসৈকতে স্নান করতে নেমে ঢাকার কেরানীগঞ্জের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার কাছাকাছি সময়ে সৈকতের দক্ষিণ প্রান্তে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ওই সময় সাগরের ঢেউয়ের কবলে পড়ে ডুবে যাওয়া অপর ১৫ শিক্ষার্থীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন সৈকতকর্মীরা। পানিতে ডুবে প্রাণ হারানো ওই কিশোরের নাম মো. শান্ত (১৫)। তার বাড়ি কেরানীগঞ্জ এলাকায় জানা গেলেও বিস্তারিত পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের নিয়োজিত বিচ কর্মীদের দলনেতা মাহবুবুর রহমান ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান, কেরানীগঞ্জের একটি মাদ্রাসার ১৬ জন শিক্ষার্থী দুপুর ১২টার দিকে ইনানী সৈকতে বেড়াতে আসে। কিছু সময় সৈকতের প্রবাল ও চুনাপাথরের ওপর বসে থাকার পর তারা দক্ষিণ অংশের সাগরে গা ভাসায়। ঠিক তখনই বিশাল এক ঢেউ এসে সবাইকে তলিয়ে নেয়। বিচ কর্মীরা দ্রুত অভিযান চালিয়ে একে একে ১৫ জনকে নিরাপদে তুলে আনতে পারলেও শান্ত গভীর সাগরে তলিয়ে যায় এবং পরে সেখান থেকেই তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন ইনানী সৈকতটি কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। প্রাকৃতিক পাথুরে বৈশিষ্ট্যের কারণে এ সৈকতে পর্যটকদের নামার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এর আগে গত ২১ অক্টোবর বিকেলেও নিকটবর্তী হিমছড়ি সৈকতে গোসল করতে নেমে ঢাকার বাসিন্দা পাঁচ পর্যটকের মৃত্যু হয়, যাদের মধ্যে তিনজন ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

এদিকে সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বেসরকারি সংস্থা ‘সি-সেফ লাইফগার্ড’-এর মাত্র ২৭ জন কর্মী দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের তৎপরতা কেবল শহরের কলাতলী থেকে সুগন্ধা হয়ে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এর বাইরে কলাতলী থেকে শুরু করে দরিয়ানগর, হিমছড়ি, ইনানী, পাটুয়ারটেক, বাহারছড়া ও টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত প্রায় ১১৫ কিলোমিটার সৈকত এলাকায় কোনো লাইফগার্ড কিংবা প্রশিক্ষিত ডুবুরি নেই। সংস্থার প্রকল্প ব্যবস্থাপক ইমতিয়াজ আহমেদ পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে জানান, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগর বর্তমানে উত্তাল রয়েছে। সম্প্রতি অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের তোড়ে সৈকতের বিভিন্ন অংশ ভেঙে লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলীসহ নানা পয়েন্টে অন্তত কুড়িটিরও বেশি বিপজ্জনক গুপ্তখাল ও গভীর খাদের সৃষ্টি হয়েছে, যা জোয়ারের পানিতে ঢেকে থাকায় পর্যটকদের দৃষ্টিগোচর হয় না। তিনি আরও সতর্ক করেন, ইনানী ও পাটুয়ারটেকে পাথরের আধিক্যের কারণে পানিতে নামা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কেউ পাথরে বা গুপ্তখালে আটকে পড়লে উদ্ধার করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে; কারণ ভেসে যাওয়া পর্যটককে লাইফগার্ড কর্মীরা টেনে তুলতে পারলেও পানির নিচে আটকা পড়া কাউকে উদ্ধারে ডুবুরি অপরিহার্য, অথচ কক্সবাজারে কোনো ডুবুরি দল নেই।

৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই সরবরাহের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই সরবরাহের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই সরবরাহের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন শিক্ষাবর্ষের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে সময়মতো নতুন বই পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী পাঁচই নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক স্তরের সব পাঠ্যবই মুদ্রণ ও সরবরাহ কাজ সম্পূর্ণ করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সম্প্রতি রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকায় অবস্থিত বেশ কয়েকটি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান আকস্মিক পরিদর্শনকালে তিনি এই নির্দেশ প্রদান করেন। সংশ্লিষ্টরা যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কার্যক্রম সম্পন্ন করেন, সে বিষয়ে তাদের প্রতি কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম, ব্যবহার করা যন্ত্রপাতি, কাগজের মান এবং বইয়ের ছাপার গুণগত মান অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বা এনসিটিবি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বইয়ের পাতার মান থেকে শুরু করে বাঁধাইয়ের কাজ পর্যন্ত সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী হচ্ছে কি না, তা তিনি সরাসরি খতিয়ে দেখেন।

পাঠ্যবই মুদ্রণের ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট করে দেওয়া মান ও স্পেসিফিকেশন কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে আগামী বছর থেকে পুরোনো ও ত্রুটিপূর্ণ মেশিন ব্যবহার করে কোনো মুদ্রণকাজ করা যাবে না। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান এই নির্দেশ অমান্য করে, তবে তাদের ভবিষ্যতে আর কোনো কাজের দায়িত্ব দেওয়া হবে না বলে তিনি সতর্ক করেন। বইয়ের মুদ্রণের দায়িত্ব নেওয়ার অর্থই হলো নির্ধারিত সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে কাজটি সফলভাবে শেষ করা।

মুদ্রণযন্ত্রের যান্ত্রিক সক্ষমতা বা কারিগরি সীমাবদ্ধতার অজুহাত দেখিয়ে কখনোই বইয়ের মানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন প্রতিমন্ত্রী। সরকার যে মানের বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে, তা নিশ্চিত করার প্রাথমিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোরই। পরিদর্শনের সময় কয়েকটি বইয়ের পাতার রঙের বিন্যাস এবং অ্যালাইনমেন্টে কিছু অসংগতি বা ত্রুটি দেখতে পান তিনি। এই ধরনের ছোট ভুল যেন উৎপাদিত বইয়ের বড় অংশে ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে তিনি মুদ্রণ কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে সতর্ক করে দেন।

ভোটের দিন লিফলেট বিতরণ, জামায়াত নেতাকে দণ্ড

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভোটের দিন লিফলেট বিতরণ, জামায়াত নেতাকে দণ্ড

ভোটের দিন লিফলেট বিতরণ, জামায়াত নেতাকে দণ্ড

আইন-আদালত ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালীন নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে এক জামায়াত নেতাকে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির পক্ষ থেকে এই দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সময়ের পর প্রচারণার নিয়ম না থাকলেও মাঠে লিফলেট বিতরণ করায় এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

ঘটনার দিন দুপুরে সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের একটি এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আব্দুল করিম স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর একটি ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির বিচারক ও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ সাদিয়া আফসানা রিমা এই বিচারকাজ পরিচালনা করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ভোটগ্রহণ শুরুর আগের নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ার পরও প্রার্থীর পক্ষে লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছিল। এছাড়া সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টের কার্যালয়ের ভেতর থেকেও বেশ কিছু লিফলেট উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ প্রচারপত্র বা লিফলেট জব্দ করে নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ।

আইন অমান্য করার অপরাধে মো. আব্দুল করিমকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে বিচারক স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পথে আরও দুই নারী সমর্থকের কাছে লিফলেট পাওয়া গেলে তাদের কেবল মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়।