খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি, কমেছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি, কমেছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি

সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি, কমেছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বাজারে বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের দাম কিছুটা কমায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। বিশেষ করে শাকসবজির দাম তুলনামূলক নিয়ন্ত্রণে থাকায় এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে সার্বিক মূল্যস্ফীতিতে। বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যা অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত 'বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতির ধরন: জুলাই–সেপ্টেম্বর ২০২৬' শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়কালে দেশের গড় খাদ্য মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৭ দশমিক ১৩ শতাংশে নেমে এসেছে। এর আগের প্রান্তিকে খাদ্য মূল্যস্ফীতির এই হার ছিল তুলনামূলকভাবে বেশি, যা প্রায় ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছিল।

খাদ্য মূল্যস্ফীতির এই নিম্নমুখী প্রবণতা অর্থনীতির জন্য একটি স্বস্তিদায়ক চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। দীর্ঘদিন ধরে চলা চড়া বাজারদরের কারণে সাধারণ ভোক্তা শ্রেণি যে চাপের মুখে ছিল, এই হ্রাসের ফলে সেই চাপ কিছুটা হলেও লাঘব হয়েছে। সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকা এবং কৃষিপণ্যের উৎপাদন ভালো হওয়ায় বাজারে এর সুফল পাওয়া যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার থাকলে এবং সরবরাহ বিঘ্নিত না হলে আগামী দিনগুলোতেও মূল্যস্ফীতির এই সহনীয় গতিধারা বজায় রাখা সম্ভব হবে। সরকারের বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পদক্ষেপ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যথাযথ তদারকির ফলেই মূলত খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এই ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।

advertisement
advertisement

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সিলেটে ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর নিবন্ধন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সিলেটে ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর নিবন্ধন

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সিলেটে ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর নিবন্ধন

খেলা ডেস্ক: দেশজুড়ে শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও বিকাশের লক্ষ্যে আয়োজিত নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬ কার্যক্রমে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য সিলেট জেলা ও মহানগরী এলাকা মিলিয়ে ইতোমধ্যে প্রায় তেতাল্লিশ হাজার শিক্ষার্থী তাদের নাম নিবন্ধন করেছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়াবিদ তুলে আনার এই বিশাল কর্মযজ্ঞে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আয়োজকদের উৎসাহিত করেছে।

আসন্ন এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় মোট দশটি ভিন্ন ডিসিপ্লিনে লড়াই করবে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীরা। ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে জনপ্রিয় খেলা ফুটবল ও ক্রিকেট ছাড়াও কাবাডি, অ্যাথলেটিকস, ব্যাডমিন্টন, দাবা, মার্শাল আর্ট, সাঁতার, ভলিবল এবং টেবিল টেনিস। মূলত উপজেলা পর্যায় থেকে প্রতিযোগিতার সূচনা হয়ে পরবর্তীতে তা ধাপে ধাপে জেলা, আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে উন্নীত হবে, যা খুদে খেলোয়াড়দের মেধা প্রদর্শনের বড় সুযোগ তৈরি করবে।

সম্প্রতি নগর ভবনের সভাকক্ষে এই বিশাল আয়োজন সফল করার লক্ষ্যে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান যে, এই উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী এই ক্রীড়া কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন এবং সিলেট জেলা স্টেডিয়ামেও এর অংশ হিসেবে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

সভায় নগর এলাকায় খেলার মাঠের সংকট দূর করার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রশাসক জানান যে, প্রতিটি তিনটি ওয়ার্ডের জন্য একটি করে খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং এলাকার পরিত্যক্ত স্থানগুলোকে মাঠ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি জেলা ক্রীড়া সংস্থার অধীনস্থ মাঠগুলোও সংস্কার করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খুবির ৩৭ দফা দাবির দুই বছর, বাস্তবায়ন হয়নি অধিকাংশই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খুবির ৩৭ দফা দাবির দুই বছর, বাস্তবায়ন হয়নি অধিকাংশই

খুবির ৩৭ দফা দাবির দুই বছর, বাস্তবায়ন হয়নি অধিকাংশই

শিক্ষা ডেস্ক: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কার ও শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিতের উদ্দেশ্যে উত্থাপিত ৩৭ দফা দাবির বেশিরভাগই দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, প্রধান ফটকের নামকরণ এবং পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কিছু পরিবর্তন আসলেও আবাসন সংকট, জমি অধিগ্রহণ, লাইব্রেরি ও চিকিৎসাসেবার মতো মৌলিক দাবিগুলো ঝুলে রয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের এই দাবিগুলো নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো সুনির্দিষ্ট রূপরেখা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাসের সামগ্রিক পরিবেশ উন্নত করতে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে এসব দাবি পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বেশ কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ৩৭ দফা দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে প্রধান ফটকের নাম পরিবর্তন করে শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ রাখা এবং পরীক্ষার খাতায় কোডিং পদ্ধতি চালুর দাবি আংশিকভাবে রক্ষা করা হলেও বাকিগুলো উপেক্ষিত থেকে যায়। এর মধ্যে শহীদদের স্মরণে কোনো স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়নি এবং ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের জন্য নতুন জমি অধিগ্রহণের কাজও স্থবির হয়ে আছে। এছাড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও সেই অনুপাতে আবাসিক হলের আসনসংখ্যা না বাড়ায় শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করার বিষয়টি এখনো অধরা রয়ে গেছে। চারুকলা স্কুলের জন্য স্বতন্ত্র ভবন নির্মাণ এবং কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সংস্কারের দাবিগুলোও দীর্ঘ সময় ধরে ফাইলবন্দি হয়ে আছে।

প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যকার দূরত্ব কমাতে এবং পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে অন্যান্য দাবিগুলোর অবস্থাও বেশ হতাশাজনক। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিটি চব্বিশ ঘণ্টা খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হয়নি এবং হলভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে কোনো ফোরাম গঠিত হয়নি। এমনকি চিকিৎসাসেবার আধুনিকায়ন, বিনাসুদে শিক্ষাঋণ প্রদান, ক্যারিয়ার প্লেসমেন্ট সেন্টার এবং একটি স্বতন্ত্র অভিযোগ সেল গঠনের দাবিগুলো এখনো আলোর মুখ দেখেনি। পরীক্ষার নম্বর বিন্যাসে শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবিত রূপরেখা পুরোপুরি না মেনে আংশিক পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এসব কারণে শিক্ষার্থীরা মনে করছেন প্রশাসন তাদের মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানে যথেষ্ট আন্তরিকতার পরিচয় দিচ্ছে না।

শিক্ষার্থীদের বড় অভিযোগ হলো, প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি বাস্তবায়নের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমাভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হচ্ছে না। কোন কোন দাবি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, কোনগুলো প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে এবং নীতিগত বা আর্থিক কী ধরনের জটিলতার কারণে বাকিগুলো আটকে আছে—তা স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তারা। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম জানিয়েছেন যে শিক্ষার্থীদের প্রতিটি যৌক্তিক দাবি প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গেই বিবেচনা করছে। যেসব বিষয় দ্রুত সমাধানযোগ্য ছিল তা ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং অবকাঠামোগত ও অর্থায়নসংশ্লিষ্ট জটিল দাবিগুলো ধাপে ধাপে সমাধানের প্রক্রিয়া চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

মেসিকে পেছনে ফেলে ‘ব্যালন ডি'অর অব অলটাইম’ জয় রোনালদোর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মেসিকে পেছনে ফেলে ‘ব্যালন ডি'অর অব অলটাইম’ জয় রোনালদোর

মেসিকে পেছনে ফেলে ‘ব্যালন ডি'অর অব অলটাইম’ জয় রোনালদোর

খেলা ডেস্ক: ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুই তারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর চিরন্তন লড়াইয়ে যুক্ত হলো নতুন এক অধ্যায়। বিশ্ব ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ব্যালন ডি অরের সত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সম্প্রতি একটি বিশেষ অনলাইন ভোটাভুটির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রখ্যাত ফরাসি সাময়িকী ফ্রান্স ফুটবল এবং ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা উয়েফা যৌথভাবে এই অভিনব প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ফুটবলপ্রেমীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই ভোটাভুটিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসিকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করেছেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

গত মাসের শুরুর দিকে শুরু হওয়া এই অনলাইন ভোটে অংশগ্রহণের জন্য বিশেষ কিছু নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছিল। ভক্তদের প্রতিটি ভোটের জন্য এক ইউরো করে খরচ করতে হয়েছিল এবং প্রতিযোগিতায় তাদের একাধিকবার ভোট দেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছিল। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে জানা যায় যে, ২০০৭ থেকে ২০০৮ সালের মৌসুমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সিতে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সই সেরা নির্বাচিত হয়েছে। ক্যারিয়ারের প্রথম ব্যালন ডি অর জয় করা সেই স্মরণীয় মৌসুমটিই ভক্তদের রায়ে সর্বকালের সেরা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

অন্যদিকে, এই ভোটাভুটিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন আর্জেন্টিনার জাদুকর লিওনেল মেসি। ২০১২ সালে এক পঞ্জিকাবর্ষে বিশ্বরেকর্ড গড়ে ৯১ গোল করার অনন্য ঐতিহাসিক মৌসুমটির সুবাদে তিনি তালিকার দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন। আয়োজকদের প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকা পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, শীর্ষ বারোটি মৌসুমের প্রতিটিই কেবল লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দখলে রয়েছে। এই পরিসংখ্যান আধুনিক ফুটবলে দীর্ঘ দেড় দশক ধরে এই দুই কিংবদন্তির নিরঙ্কুশ আধিপত্যের সত্যতা আবারও জোরালোভাবে প্রমাণ করে।

এদিকে শীর্ষস্থানগুলোতে এই দুই তারকার রাজত্ব থাকলেও তালিকার একটু নিচেই জায়গা করে নিয়েছেন অন্য এক কিংবদন্তি। ব্রাজিলীয় ফুটবল জাদুকর রোনালদো নাজারিওর ২০০২ সালের ব্যালন ডি অর জয়ী মৌসুমটি এই বিশেষ তালিকায় ত্রয়োদশ অবস্থানে রয়েছে। ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা ও আনন্দ সৃষ্টি করলেও আয়োজক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই বিশেষ খেতাবের জন্য কোনো নতুন বা আলাদা ট্রফি প্রদান করা হবে না। মূলত ফুটবলের দীর্ঘ ইতিহাসে সেরা মুহূর্তগুলোকে স্মরণীয় করে রাখতেই এই প্রতীকী ভোটাভুটির আয়োজন করা হয়েছিল।