খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

জাপানের উইক ও গ্রামীণ গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে ‘গ্রামীণ-উইক’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাপানের উইক ও গ্রামীণ গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে ‘গ্রামীণ-উইক’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা

জাপানের উইক ও গ্রামীণ গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে ‘গ্রামীণ-উইক’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা

অর্থনীতি ডেস্ক: জাপানভিত্তিক প্রযুক্তি ও প্ল্যাটফর্ম প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান উইক করপোরেশন এবং বাংলাদেশের গ্রামীণ গ্রুপ যৌথভাবে নতুন একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালুর ঘোষণা দিয়েছে। করপোরেট বিজ্ঞাপন, প্রয়োজনীয় সেবা এবং অর্থনৈতিক খাতের বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির উদ্দেশ্যে এই যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি টোকিওতে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ অর্থনৈতিক ফোরামে এই গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়া হয়। জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন এবং জাপান-বাংলাদেশ কমিটি ফর কমার্শিয়াল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের যৌথ উদ্যোগে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।

এর আগে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যার ধারাবাহিকতায় এখন এই যৌথ উদ্যোগের পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। এই নতুন প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা পর্ষদে যুক্ত হয়েছেন নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং হিরোশি ওসাকি। পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হওয়ার পর এখন প্ল্যাটফর্মটির পূর্ণাঙ্গ সেবা উন্নয়ন এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম চালুর কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন এই উদ্যোগটি মূলত একটি সামাজিক ব্যবসা হিসেবে পরিচালিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং ইতিবাচক বিজ্ঞাপন কৌশলের মাধ্যমে এটি করপোরেট প্রচারণার সঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধানের প্রচেষ্টাকে যুক্ত করবে। এর মাধ্যমে ব্যবসায়িক লাভের পাশাপাশি সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণে দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সেবা খাতে বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা ও বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে অংশীদারত্বের সম্ভাবনা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিস্তৃত পরিসরে অংশীদারত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতের উন্নয়নে একটি নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

advertisement
advertisement

জনবলসংকটে ৫ বছরেও চালু হয়নি ভোলা জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জনবলসংকটে ৫ বছরেও চালু হয়নি ভোলা জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউ

জনবলসংকটে ৫ বছরেও চালু হয়নি ভোলা জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউ

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ভোলার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে দীর্ঘ পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ ইউনিটটি চালু করা সম্ভব হয়নি। মুমূর্ষু রোগীদের আধুনিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলায় ছয় শয্যার আইসিইউ ইউনিটটি স্থাপন করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় চিকিৎসা সরঞ্জামাগার থেকে ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন কনসেনট্রেটরসহ কোটি টাকার মূল্যবান চিকিৎসাসামগ্রী সরবরাহ করা হলেও প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে তা তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বছরের পর বছর এই সেবা বন্ধ থাকায় মূল্যবান যন্ত্রপাতিগুলো অব্যবহৃত থেকে অকেজো হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং সাধারণ রোগীরা এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এই ইউনিটে নিয়মিত সেবা পরিচালনার জন্য ন্যূনতম যে ধরনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, প্রশিক্ষিত নার্স এবং সহায়ক জনবল প্রয়োজন, তার তীব্র সংকট রয়েছে। ফলে ২০২১ সালের জুলাই মাসে সরঞ্জাম এসে পৌঁছানোর পরও এখন পর্যন্ত ইউনিটটি চালু করা যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, হাসপাতালে আইসিইউ সেবা না থাকায় ভোলা জেলার মুমূর্ষু রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বাধ্য হয়ে ঢাকা কিংবা বরিশালের হাসপাতালে ছুটতে হয়। প্রায়ই বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনা, স্ট্রোক, হৃদ্‌রোগ, শ্বাসকষ্ট ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত গুরুতর রোগীদের সঠিক সময়ে আইসিইউ সেবা না পেয়ে পথেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হয়, যা স্থানীয়দের চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সম্প্রতি হাসপাতালের এই দুর্দশার প্রতিবাদে এবং দ্রুত আইসিইউ ও সিসিইউ চালুর দাবিতে সাধারণ মানুষ ও রোগীর স্বজনেরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। স্থানীয় এক ভুক্তভোগী জানান, সময়মতো আইসিইউ সেবা না পাওয়ার কারণে তাঁর অসুস্থ বাবাকে হারাতে হয়েছে এবং এমন মর্মান্তিক পরিস্থিতির শিকার যেন আর কাউকে হতে না হয়। আরেকটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে অন্য এক স্বজন জানান, হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত তাঁর এক আত্মীয়কে ভোলা থেকে বরিশালে নেওয়ার পথেই অ্যাম্বুলেন্সে মৃত্যু হয়েছিল। সাধারণ মানুষের এমন অসংখ্য অভিযোগ ও আকুতি সত্ত্বেও জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের এই প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আইসিইউ ইউনিটের প্রধান কাচের দরজায় বড় দুটি তালা ঝুলছে এবং ভেতরে থাকা আধুনিক শয্যাগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে ধুলাবালুর আস্তরণ জমেছে। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মোড় আরাফাতুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, আইসিইউ সেবা না থাকায় প্রায়ই গুরুতর রোগীদের অন্য জেলায় রেফার করতে হচ্ছে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক তৈয়বুর রহমান জানিয়েছেন, জনবল সংকটের বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করে আইসিইউ ইউনিটটি চালু করা না হলে সরকারের কোটি টাকার এই চিকিৎসাসামগ্রী পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি, কমেছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি, কমেছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি

সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি, কমেছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বাজারে বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের দাম কিছুটা কমায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। বিশেষ করে শাকসবজির দাম তুলনামূলক নিয়ন্ত্রণে থাকায় এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে সার্বিক মূল্যস্ফীতিতে। বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যা অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত 'বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতির ধরন: জুলাই–সেপ্টেম্বর ২০২৬' শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়কালে দেশের গড় খাদ্য মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৭ দশমিক ১৩ শতাংশে নেমে এসেছে। এর আগের প্রান্তিকে খাদ্য মূল্যস্ফীতির এই হার ছিল তুলনামূলকভাবে বেশি, যা প্রায় ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছিল।

খাদ্য মূল্যস্ফীতির এই নিম্নমুখী প্রবণতা অর্থনীতির জন্য একটি স্বস্তিদায়ক চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। দীর্ঘদিন ধরে চলা চড়া বাজারদরের কারণে সাধারণ ভোক্তা শ্রেণি যে চাপের মুখে ছিল, এই হ্রাসের ফলে সেই চাপ কিছুটা হলেও লাঘব হয়েছে। সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকা এবং কৃষিপণ্যের উৎপাদন ভালো হওয়ায় বাজারে এর সুফল পাওয়া যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার থাকলে এবং সরবরাহ বিঘ্নিত না হলে আগামী দিনগুলোতেও মূল্যস্ফীতির এই সহনীয় গতিধারা বজায় রাখা সম্ভব হবে। সরকারের বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পদক্ষেপ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যথাযথ তদারকির ফলেই মূলত খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এই ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন, বার কাউন্সিলের ‘না’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন, বার কাউন্সিলের ‘না’

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন, বার কাউন্সিলের ‘না’

আইন-আদালত ডেস্ক: জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দেশের প্রচলিত আইনি বিধান অনুযায়ী কোনো বিদেশি আইনজীবী দিয়ে আদালতে মামলা পরিচালনা করতে হলে এই নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার সুনির্দিষ্ট অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের করা আবেদনটি পর্যালোচনার পর তা সরাসরি নাকচ করে দেয় বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সভাপতিত্বে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কাউন্সিলের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন এবং বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অতীতেও অনুরূপ ঘটনায় একই ধরনের অবস্থান গ্রহণ করেছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের বিচারকার্য চলার সময়ও বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের জন্য অনুরূপ আবেদন করা হয়েছিল, যা সে সময়ও নাকচ করা হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে বিচারাধীন বিভিন্ন মামলার একাধিক হাইপ্রোফাইল আসামি এই বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন। এই তালিকায় রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক প্রভাবশালী সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান এবং পরিচিত গণমাধ্যমকর্মী ফারজানা রূপাসহ বেশ কয়েকজন আসামি। ট্রাইব্যুনালে তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর সব মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আইনজীবীদের শীর্ষ নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই সিদ্ধান্তের ফলে অভিযুক্তরা নিজেদের পক্ষে বিদেশি আইনি পরামর্শক বা আইনজীবী নিয়োগের আইনি সুযোগ হারাচ্ছেন। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিদেশি আইনজীবীদের আদালতে সওয়াল করার অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার একমাত্র বার কাউন্সিলের হাতেই ন্যস্ত রয়েছে। সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কাউন্সিল তাদের পূর্বের ধারাবাহিকতাই বজায় রাখল, যা দেশের বিচার অঙ্গনে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।