খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এনসিপির স্পোর্টস উইংয়ের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে ফাহিম-নাজমুল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এনসিপির স্পোর্টস উইংয়ের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে ফাহিম-নাজমুল

এনসিপির স্পোর্টস উইংয়ের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে ফাহিম-নাজমুল

খেলা ডেস্ক: দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতাসক্ষম করে তোলার লক্ষ্যে নতুন একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। সম্প্রতি রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স। জাতীয় নাগরিক পার্টির এই নতুন ক্রীড়া উইং গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের খেলাধুলাকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রেখে একটি স্বাধীন ও কার্যকর পরিবেশ তৈরি করা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্রীড়া ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা ও নানা অনিয়মের অবসান ঘটিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

নয়া গঠিত এই সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বে আনা হয়েছে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের পরিচিত মুখ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বদের। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক পরিচালক ও প্রখ্যাত ক্রিকেট বিশ্লেষক নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে এই সংগঠনের আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আরেক সাবেক পরিচালক এম. নাজমুল ইসলাম সংগঠনের সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ মোট পাঁচজনকে এই নবগঠিত সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক দেশের বিভিন্ন খাতের মতো ক্রীড়াঙ্গনেও দলীয়করণের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি জানান যে ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স কোনো দলীয় অঙ্গসংগঠন হিসেবে কাজ করবে না, বরং এটি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। রাজনৈতিক দল হিসেবে তারা কেবল এই প্ল্যাটফর্মের ভালো কাজের ক্ষেত্রে আদর্শিক ও নীতিগত সহযোগিতা প্রদান করবে। সংগঠনের কাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বা প্রেসক্রিপশন দেওয়া হবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের বর্তমান ক্রীড়া ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ত্রুটি ও দুর্বলতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। জনসংখ্যার অনুপাতে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন নেতারা। ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের দীর্ঘদিনের হতাশা কাটিয়ে দেশের খেলাধুলাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। এই আংশিক কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি আগামী ছয় মাস দেশের ক্রীড়া উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করতে কাজ করবে এবং মাঠপর্যায়ের নানা সমস্যা দূর করতে জোরালো ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

advertisement
advertisement

ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজ ভাড়া বেশি কেন, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজ ভাড়া বেশি কেন, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

ঢাকা থেকে আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজ ভাড়া বেশি কেন, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

জাতীয় ডেস্ক: জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির বৈঠকে ঢাকা থেকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে উড়োজাহাজের টিকিটের বাড়তি মূল্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পরিচালন কার্যক্রম এবং বিভিন্ন নিরীক্ষা প্রতিবেদন বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে মূলত তুলনামূলক কম দূরত্বের অন্যান্য আন্তর্জাতিক রুটের তুলনায় ঢাকার রুটে ভাড়ার পরিমাণ কেন এত বেশি, সেই বিষয়টি স্পষ্ট করার তাগিদ দেওয়া হয়।

আলোচনাকালে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কুয়ালালামপুর থেকে ম্যানিলার দূরত্বের সঙ্গে ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের দূরত্বের প্রায় মিল থাকলেও টিকিটের মূল্যে আকাশপাতাল ব্যবধান দেখা যায়। অন্যান্য গন্তব্যের তুলনায় ঢাকার যাত্রীদের বহু গুণ বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে। এর সুনির্দিষ্ট কারণ কী এবং বিমানভাড়া নিয়ন্ত্রণে কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কমিটির সদস্যরা। জবাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায় যে আন্তর্জাতিক রুটের ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা নেই, বরং সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলোই নিজেদের মতো করে এই ভাড়া নির্ধারণ করে থাকে।

ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে একটি কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখার জন্য বৈঠকে সুনির্দিষ্ট পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিভিন্ন নিরীক্ষা আপত্তি এবং নানা অনিয়মের বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় উঠে আসে। বিশেষ করে ঢাকা–গুয়াংজু–ঢাকা রুটে চার্টার্ড কার্গো পরিচালনা এবং রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে শত শত কোটি টাকার অনিয়মের বিষয়টি নিয়ে কঠোর অবস্থান নেয় কমিটি। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজে বারবার যান্ত্রিক ত্রুটির নেপথ্য কারণ, ত্রুটিপূর্ণ উড়োজাহাজ ও অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ক্রয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তারও জবাব তলব করা হয়।

বৈঠকে বিমানের টিকিট বুকিং ও ফাঁকা আসনের অসঙ্গতি ছাড়াও হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জের সেবার মান এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে সদস্যরা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। বিমান পরিচালনার ক্ষেত্রে চেক-ইন কাউন্টারের স্বল্পতা, বোর্ডিং ব্রিজের ঘাটতি এবং ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে প্রায়ই ফ্লাইট বিলম্বিত হওয়ার ব্যাখ্যা দেয় বিমান কর্তৃপক্ষ। সংসদ সচিবালয়ের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে প্রতিটি নিরীক্ষা আপত্তির বিপরীতে আদায় করা অর্থের পরিমাণ, অনাদায়ি অর্থ এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ পরবর্তী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সংসদের বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট সদস্য অংশ নেন।

৫৫ বছরেও কনসার্টের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নেই, এটা লজ্জার: হামিন আহমেদ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৫৫ বছরেও কনসার্টের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নেই, এটা লজ্জার: হামিন আহমেদ

৫৫ বছরেও কনসার্টের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নেই, এটা লজ্জার: হামিন আহমেদ

বিনোদন ডেস্ক: দেশের সংগীতাঙ্গনের দীর্ঘ পথচলায় ব্যান্ড সংগীতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও গত সাড়ে পাঁচ দশকেও কোনো স্থায়ী কনসার্ট ভেন্যু গড়ে ওঠেনি। বিষয়টি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় ব্যান্ড দল মাইলসের অন্যতম মুখ হামিন আহমেদ। তার মতে, একটি জাতির সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামো অত্যন্ত জরুরি হলেও কনসার্টের মতো জনবহুল আয়োজনের জন্য এখনো নির্দিষ্ট কোনো স্থান নির্ধারণ করা হয়নি।

তিনি মনে করেন, স্থায়ী ভেন্যু না থাকায় দেশের তরুণ শিল্পীরা নিয়মিত বড় পরিসরে নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বারবার বিভিন্ন স্থান পরিবর্তন করে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে গিয়ে আয়োজকদের নানা ধরনের জটিলতা ও প্রশাসনিক ঝামেলার মুখে পড়তে হয়। এতে অনেক সময় আন্তর্জাতিক মানের কনসার্ট আয়োজন করাও অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

জনাকীর্ণ এসব কনসার্টে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার ওপর জোর দিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী। তার মতে, প্রতিটি অনুষ্ঠানে ঠিক কতজন নিরাপত্তাকর্মী নিয়োজিত থাকবেন, দর্শক কীভাবে প্রবেশ ও প্রস্থান করবেন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা আগে থেকেই পরিষ্কার হওয়া দরকার।

সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসারের স্বার্থে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে দ্রুত একটি স্থায়ী কনসার্ট ভেন্যু তৈরির দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা আশা প্রকাশ করেন, যথাযথ নীতিমালা এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় দেশের সংগীতশিল্প আরও সুসংহত রূপ লাভ করবে।

এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট অর্থাৎ এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল দেশজুড়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। ২২ বছরের মধ্যে এত বড় অবনতি এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়া গোটা শিক্ষাব্যবস্থার ভঙ্গুর অবস্থাকেই স্পষ্ট করে তুলেছে। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় প্রায় সাড়ে ১০ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। একই সঙ্গে শূন্য পাসের হারের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি এবং শতভাগ পাসের হার কমার মতো নেতিবাচক চিত্রও সামনে এসেছে।

শিক্ষার্থীদের এমন বিপর্যয়ের পেছনে একাধিক কাঠামোগত ত্রুটি ও সামাজিক কারণ দায়ী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন আন্দোলন এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে দূরে সরে গেছে। পাশাপাশি অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের হাতে মুঠোফোনের অবাধ ব্যবহার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত আসক্তি তাদের মনোযোগ পুরোপুরি বিঘ্নিত করেছে। অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকদের উদাসীনতা এবং অতিরিক্ত প্রশ্রয় কিশোর সমাজকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিক্ষা কার্যক্রমে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসালয় পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায় যে, অনেক অভিভাবক সন্তানদের অনিয়মিত উপস্থিতি বা অমনোযোগিতার বিষয়ে চরম উদাসীনতা প্রদর্শন করেন। শিক্ষক-শিক্ষিকারা যোগাযোগ করলেও অনেক সময় অভিভাবকেরা সঠিক দায়িত্ব পালন করেন না, যা তরুণ প্রজন্মকে আরও বেপরোয়া করে তুলছে। এমনকি বিদ্যালয়স্তরের মেধাবী শিক্ষার্থীরাও পরবর্তী সময়ে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল ধরে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে, যা সামগ্রিক শিক্ষাসংকটকে আরও ঘনীভূত করছে।

এই ভয়াবহ ফল বিপর্যয়কে কেবল একটি সাময়িক ব্যর্থতা হিসেবে উড়িয়ে দেওয়ার কোনো অবকাশ নেই। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বড় অশনিসংকেত এবং জাতিকে পিছিয়ে দেওয়ার উপক্রম তৈরি করেছে। সুশিক্ষিত ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের পাশাপাশি পারিবারিক নজরদারি ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।