খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

হকি মাঠের অপূর্ণ স্বপ্ন আর ক্রিকেটের বিশ্বজয়ী সাম্রাজ্য: অন্য এক শাহরুখ খানের গল্প

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হকি মাঠের অপূর্ণ স্বপ্ন আর ক্রিকেটের বিশ্বজয়ী সাম্রাজ্য: অন্য এক শাহরুখ খানের গল্প

হকি মাঠের অপূর্ণ স্বপ্ন আর ক্রিকেটের বিশ্বজয়ী সাম্রাজ্য: অন্য এক শাহরুখ খানের গল্প

বিনোদন ডেস্ক: বলিউডের জনপ্রিয় সুপারস্টার শাহরুখ খানের জন্মদিন মানেই বিশ্বজুড়ে ভক্তদের উন্মাদনা ও বর্ণিল উৎসবের আমেজ। রূপালি পর্দার গণ্ডি পেরিয়ে বাস্তবের নানা ভুবনেও তার সফল পদচারণা রয়েছে, যা বিনোদন জগতের সীমানা ছাড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে খেলাধুলার ময়দানে তার ব্যবসায়িক ও অভিভাবকসুলভ উপস্থিতি ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝে এক আলাদা আকর্ষণের জন্ম দিয়েছে। পর্দার রোমান্টিক নায়কের এই ভিন্ন রূপটি অনেকের কাছেই বেশ অনুপ্রেরণাদায়ক ও কৌতূহলোদ্দীপক।

চলচ্চিত্র জগতের এই মহাতারকার কৈশোর ও তারুণ্যের দিনগুলোতে হকির প্রতি ছিল গভীর ও অপ্রতিরোধ্য অনুরাগ। তিনি অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে হকি খেলতেন এবং এই খেলায় নিজেকে পুরোপুরি বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু জীবনের নানা বাস্তব প্রতিকূলতা এবং চোট-আঘাতের কারণে মাঠে খেলোয়াড় হিসেবে নিজের পেশাদার ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্নটি অপূর্ণই থেকে যায়। তারুণ্যের সেই না পাওয়ার বেদনা এবং খেলার প্রতি আজন্ম ভালোবাসা পরবর্তীতে তার ক্রীড়া উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার নেপথ্যে বড় ভূমিকা রেখেছে।

খেলাধুলার প্রতি সেই সুপ্ত টান থেকেই তিনি পরবর্তী সময়ে ক্রিকেট সাম্রাজ্য গড়ে তোলার বিশাল উদ্যোগে সম্পৃক্ত হন। বিশ্বখ্যাত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ বা আইপিএল-এর ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের প্রধান কর্ণধার হিসেবে তিনি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন। শুধু আইপিএল নয়, বরং ক্রিকেট দুনিয়ায় নিজের গণ্ডি আরও প্রসারিত করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে টি-টোয়েন্টি লিগের দল কিনে তিনি এক শক্তিশালী বৈশ্বিক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের পাশে থেকে উৎসাহ জোগানো এবং প্রতিটি জয়ে তাদের সঙ্গে উল্লাস করার কারণে তিনি দলের অত্যন্ত প্রিয় একজন অভিভাবকে পরিণত হয়েছেন।

সিনেমা জগতের শীর্ষস্থান দখল করার পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনে এমন এক সফল সাম্রাজ্য তৈরি করার এই যাত্রাটি একেবারেই সহজ ছিল না। বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি আজ চলচ্চিত্র ও খেলাধুলা—উভয় জগতেই এক অবিসংবাদিত সফল ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। তার এই বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মজীবন প্রমাণ করে যে, হৃদয়ে যদি দৃঢ় জেদ আর স্বপ্ন থাকে, তবে অপূর্ণতাকেও সাফল্যের আলোয় রাঙানো সম্ভব। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি ভক্ত আজ এই ক্ষণজন্মা তারকার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে তার জন্মদিন উদ্‌যাপন করছেন।

advertisement
advertisement

৫৫ বছরেও কনসার্টের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নেই, এটা লজ্জার: হামিন আহমেদ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৫৫ বছরেও কনসার্টের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নেই, এটা লজ্জার: হামিন আহমেদ

৫৫ বছরেও কনসার্টের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নেই, এটা লজ্জার: হামিন আহমেদ

বিনোদন ডেস্ক: দেশের সংগীতাঙ্গনের দীর্ঘ পথচলায় ব্যান্ড সংগীতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও গত সাড়ে পাঁচ দশকেও কোনো স্থায়ী কনসার্ট ভেন্যু গড়ে ওঠেনি। বিষয়টি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় ব্যান্ড দল মাইলসের অন্যতম মুখ হামিন আহমেদ। তার মতে, একটি জাতির সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য পর্যাপ্ত অবকাঠামো অত্যন্ত জরুরি হলেও কনসার্টের মতো জনবহুল আয়োজনের জন্য এখনো নির্দিষ্ট কোনো স্থান নির্ধারণ করা হয়নি।

তিনি মনে করেন, স্থায়ী ভেন্যু না থাকায় দেশের তরুণ শিল্পীরা নিয়মিত বড় পরিসরে নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বারবার বিভিন্ন স্থান পরিবর্তন করে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে গিয়ে আয়োজকদের নানা ধরনের জটিলতা ও প্রশাসনিক ঝামেলার মুখে পড়তে হয়। এতে অনেক সময় আন্তর্জাতিক মানের কনসার্ট আয়োজন করাও অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

জনাকীর্ণ এসব কনসার্টে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার ওপর জোর দিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী। তার মতে, প্রতিটি অনুষ্ঠানে ঠিক কতজন নিরাপত্তাকর্মী নিয়োজিত থাকবেন, দর্শক কীভাবে প্রবেশ ও প্রস্থান করবেন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা আগে থেকেই পরিষ্কার হওয়া দরকার।

সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসারের স্বার্থে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে দ্রুত একটি স্থায়ী কনসার্ট ভেন্যু তৈরির দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা আশা প্রকাশ করেন, যথাযথ নীতিমালা এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় দেশের সংগীতশিল্প আরও সুসংহত রূপ লাভ করবে।

এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট অর্থাৎ এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল দেশজুড়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। ২২ বছরের মধ্যে এত বড় অবনতি এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়া গোটা শিক্ষাব্যবস্থার ভঙ্গুর অবস্থাকেই স্পষ্ট করে তুলেছে। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় প্রায় সাড়ে ১০ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। একই সঙ্গে শূন্য পাসের হারের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি এবং শতভাগ পাসের হার কমার মতো নেতিবাচক চিত্রও সামনে এসেছে।

শিক্ষার্থীদের এমন বিপর্যয়ের পেছনে একাধিক কাঠামোগত ত্রুটি ও সামাজিক কারণ দায়ী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন আন্দোলন এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে দূরে সরে গেছে। পাশাপাশি অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের হাতে মুঠোফোনের অবাধ ব্যবহার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত আসক্তি তাদের মনোযোগ পুরোপুরি বিঘ্নিত করেছে। অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকদের উদাসীনতা এবং অতিরিক্ত প্রশ্রয় কিশোর সমাজকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিক্ষা কার্যক্রমে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসালয় পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায় যে, অনেক অভিভাবক সন্তানদের অনিয়মিত উপস্থিতি বা অমনোযোগিতার বিষয়ে চরম উদাসীনতা প্রদর্শন করেন। শিক্ষক-শিক্ষিকারা যোগাযোগ করলেও অনেক সময় অভিভাবকেরা সঠিক দায়িত্ব পালন করেন না, যা তরুণ প্রজন্মকে আরও বেপরোয়া করে তুলছে। এমনকি বিদ্যালয়স্তরের মেধাবী শিক্ষার্থীরাও পরবর্তী সময়ে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল ধরে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে, যা সামগ্রিক শিক্ষাসংকটকে আরও ঘনীভূত করছে।

এই ভয়াবহ ফল বিপর্যয়কে কেবল একটি সাময়িক ব্যর্থতা হিসেবে উড়িয়ে দেওয়ার কোনো অবকাশ নেই। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বড় অশনিসংকেত এবং জাতিকে পিছিয়ে দেওয়ার উপক্রম তৈরি করেছে। সুশিক্ষিত ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের পাশাপাশি পারিবারিক নজরদারি ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা

নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা

অর্থনীতি ডেস্ক: নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত নতুন একটি গ্যাসকূপে জ্বালানির সন্ধান পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, এই কূপ থেকে দেশের জ্বালানি খাতের চাহিদা পূরণে সহায়ক হতে পারে এমন একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাসের মজুত রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাসের নতুন উৎস অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এই খননকার্য চালানো হয়েছিল।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে পরিচালিত এই অনুসন্ধান কার্যক্রমে গ্যাসের এই নতুন ভান্ডার উন্মোচিত হয়েছে। কূপটির প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করার পরই এই আশাব্যঞ্জক তথ্য সামনে আসে। দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট উত্তরণে এবং দীর্ঘমেয়াদি শক্তির জোগান নিশ্চিত করতে এই আবিষ্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পেট্রোবাংলা এবং সংশ্লিষ্ট জ্বালানি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর তত্ত্বাবধানে এই কূপ খননের কাজ পরিচালিত হয়। কূপের প্রকৃত ধারণক্ষমতা এবং সেখান থেকে দৈনিক কী পরিমাণ গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে, তা নির্ধারণ করতে বর্তমানে আরও কিছু প্রযুক্তিগত পরীক্ষা চলছে। খুব দ্রুতই এ বিষয়ে বিস্তারিত সুসংবাদ জাতির সামনে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে নিজস্ব উৎস থেকে গ্যাস আহরণের ওপর বরাবরই জোর দিয়ে আসছে নীতিনির্ধারকেরা। নোয়াখালীর এই নতুন গ্যাসকূপ থেকে সফলভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু হলে তা দেশের শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের উৎপাদনে গতি আনবে। একই সঙ্গে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে এই আবিষ্কার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।