খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

চোখের যত্ন: ডিজিটাল যুগে দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার সহজ ও কার্যকর উপায় | Complete Eye Care Guide

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চোখের যত্ন: ডিজিটাল যুগে দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার সহজ ও কার্যকর উপায় | Complete Eye Care Guide
সারাদিন স্মার্টফোন, ল্যাপটপ বা টিভির স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা, ধুলাবালি আর অনিয়মিত ঘুমের কারণে চোখ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। দীর্ঘমেয়াদে চোখের উজ্জ্বলতা ও প্রখর দৃষ্টিশক্তি ধরে রাখতে মেনে চলুন এই সহজ ও কার্যকর টিপসগুলো:১. ডিজিটাল স্ক্রিনের জন্য '২০-২০-২০' নিয়মটানা স্ক্রিনে কাজ করার সময় প্রতি ২০ মিনিট পর পর, ২০ ফুট দূরের কোনো জিনিসের দিকে ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকুন। আর সচেতনভাবে ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলুন,...
advertisement
advertisement

পায়রা বন্দরে বিদেশি জাহাজ আসা কমছে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পায়রা বন্দরে বিদেশি জাহাজ আসা কমছে

পায়রা বন্দরে বিদেশি জাহাজ আসা কমছে

অর্থনীতি ডেস্ক: পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরে গত কিছুদিন ধরে বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের আগমন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও পণ্য খালাস প্রক্রিয়া মন্থর হয়ে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বন্দর সচল রাখতে এবং জাহাজ ভেড়ানোর হার বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি হয়ে পড়েছে।

বন্দর ব্যবহারের সাথে জড়িত সংশ্নিষ্টদের মতে, কেবল বন্দর কর্তৃপক্ষের একাকার প্রচেষ্টায় এই পরিস্থিতি উত্তরণ সম্ভব নয়। পণ্য খালাস ও শুল্কায়নের পুরো প্রক্রিয়াটি একটি জটিল ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল, যার সাথে কাস্টম হাউস, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এবং বিভিন্ন শিপিং লাইন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই পক্ষগুলোর কাজের মধ্যে সমন্বয়হীনতা বা দীর্ঘসূত্রতা ঘটলে পুরো কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

ব্যবসায়ী ও বন্দর ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন দাপ্তরিক জটিলতা এবং অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে অনেক শিপিং কোম্পানি এই বন্দর ব্যবহারে আগ্রহ হারাচ্ছে। সঠিক সময়ে পণ্য ছাড়করণ না হওয়ায় জাহাজের অলস সময় বৃদ্ধি পায়, যা জাহাজ মালিকদের জন্য আর্থিকভাবে লোকসানের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা না হলে ভবিষ্যতে বন্দরটির কার্যকারিতা আরও ব্যাহত হতে পারে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য অংশীজনদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের সেবার মান উন্নত করার পাশাপাশি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। বন্দরের গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভারতের মধ্যে প্রথম কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হবে ম্যাজিক ইনস্টিটিউট

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারতের মধ্যে প্রথম কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হবে ম্যাজিক ইনস্টিটিউট

ভারতের মধ্যে প্রথম কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হবে ম্যাজিক ইনস্টিটিউট

ডেস্ক রিপোর্ট: ঐতিহ্যবাহী জাদুশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে এবং এর সঠিক চর্চা নিশ্চিত করতে ভারতে প্রথমবারের মতো একটি সরকারি ম্যাজিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। কলকাতার বুকে গড়ে উঠতে চলা এই বিশেষ প্রতিষ্ঠানটি এই প্রাচীন ও আকর্ষণীয় শিল্পকলার প্রসারে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সম্প্রতি রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই মহৎ পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে, যা দেশজুড়ে জাদুকর ও শিল্পানুরাদীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।

প্রখ্যাত জাদুকর পি সি সরকারের স্মৃতি এবং অমর অবদানকে সম্মান জানাতে নতুন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি তাঁর নামানুসারে নামকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলা তথা ভারতের জাদুশিল্পকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে এই বিদ্যার সঠিক কৌশল পৌঁছে দিতে এই প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের জাদুকরেরা একটি সরকারি স্বীকৃতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে আসছিলেন, যার বাস্তবরূপ দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই ইনস্টিটিউটে শুধু জাদু প্রদর্শনের কৌশলই শেখানো হবে না, বরং এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, ইতিহাস ও মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলো নিয়েও গভীর গবেষণা ও পঠনপাঠন চলবে। অভিজ্ঞ ও প্রবীণ জাদুকরদের পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষাবিদেরাও এই প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যক্রম প্রণয়ন ও প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মেধাবী শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট অর্জনের সুযোগ পাবে, যা তাদের পেশাদার জীবনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

রাজ্য সরকারের এই সাহসী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও জাদুকরেরা। তাঁরা মনে করছেন, উপযুক্ত পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে হারিয়ে যেতে বসা এই শিল্পটি এখন নতুন প্রাণ ফিরে পাবে এবং বিশ্বমঞ্চে ভারতের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে। খুব শীঘ্রই এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা কলকাতার সাংস্কৃতিক মানচিত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির আগে সম্ভাব্যতা যাচাই হয়েছে কি না, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির আগে সম্ভাব্যতা যাচাই হয়েছে কি না, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির আগে সম্ভাব্যতা যাচাই হয়েছে কি না, সংসদীয় কমিটিতে প্রশ্ন

জাতীয় ডেস্ক: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সাম্প্রতিক বৈঠকে বিমান বহরে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠক চলাকালে বিগত সময়ে নেওয়া বিভিন্ন বড় ধরনের ক্রয় চুক্তি এবং সেগুলোর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কমিটির সদস্যরা। বিশেষ করে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট ও নিরপেক্ষ সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডি ছাড়া এ ধরনের বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

কমিটির একাধিক সদস্যের মতে, রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থার আর্থিক সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার কথা বিবেচনা না করে উড়োজাহাজ কেনা হলে তা দীর্ঘমেয়াদে সংস্থার ওপর আর্থিক চাপ তৈরি করতে পারে। এ কারণে প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে যথাযথ বৈজ্ঞানিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ থাকা আবশ্যক বলে তারা মন্তব্য করেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিমানের সেবার মানোন্নয়ন এবং লোকসানি রুটগুলো লাভজনক করার পাশাপাশি নতুন সম্পদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের তাগিদ দেওয়া হয়।

বৈঠকে উপস্থিত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সংসদীয় কমিটির বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরেন। কর্মকর্তারা জানান, দেশের বিমান খাতের আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার লক্ষ্যেই নতুন উড়োজাহাজ সংযোজনের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। তবে কমিটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, ভবিষ্যতে যেকোনো বড় চুক্তি সম্পাদনের পূর্বে অবশ্যই পুঙ্খানুপুঙ্খ সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন করতে হবে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।

সংসদীয় কমিটি মনে করে, সঠিক পরিকল্পনা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে বিমান খাতের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন অর্জন করা সম্ভব হবে না। তাই ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকলের মতামত ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে দেশের সার্বিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং যাত্রীসেবা আরও উন্নত করার জন্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করে সংসদীয় কমিটি।