খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

থার্ড টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানের চার শর্তে সম্মতি বাংলাদেশের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
থার্ড টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানের চার শর্তে সম্মতি বাংলাদেশের

থার্ড টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানের চার শর্তে সম্মতি বাংলাদেশের

জাতীয় ডেস্ক: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আধুনিক তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনার চুক্তি নিয়ে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চলমান আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পর বাংলাদেশ সরকার এই কনসোর্টিয়ামের পক্ষ থেকে উত্থাপিত চারটি বিতর্কিত শর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি জানিয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের আপত্তি সত্ত্বেও দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নমনীয় অবস্থান নিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। মূলত বিমানবন্দরটির আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এবং দ্রুত কার্যক্রম চালুর উদ্দেশ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

চুক্তি প্রক্রিয়ার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় জাপানি পক্ষের সেই বিরোধপূর্ণ চারটি শর্তের অনুমোদন দিয়েছে, যেগুলোকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে রাজস্ব ভাগাভাগি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ আইন পরিবর্তনের ফলে চুক্তির বিধান প্রয়োগের বিষয়টি নিয়ে নানা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সব পক্ষের স্বার্থের ভারসাম্য বজায় রেখে শর্তগুলো চূড়ান্ত করার পথে হাঁটছে প্রশাসন।

জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে হওয়া এই নতুন সমঝোতার আওতায় আরও কিছু জটিল বিষয়ের নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে টার্মিনালের নির্মাণকাজে কোনো ত্রুটি দেখা দিলে তার দায় বহনের নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে চুক্তির শর্তাবলির প্রয়োগ। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই শর্তগুলো বাস্তবায়িত হলে টার্মিনাল পরিচালনার কার্যক্রমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের একক প্রভাব কিছুটা বাড়তে পারে, যা নিয়ে দেশীয় মহলে নানা আলোচনা চলছে।

বর্তমানে জাপানি পক্ষের সঙ্গে আলোচনার আনুষ্ঠানিক পর্ব সমাপ্ত হয়েছে এবং সংশোধিত কনসেশন চুক্তিটির প্রতিটি ধারা চূড়ান্ত পর্যালোচনার জন্য তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। জাপানি পক্ষের মতামত পাওয়ার পর চুক্তিটি অনুমোদনের জন্য আইন মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হবে। যদিও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করা বেশ সময়সাপেক্ষ ও কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা, তবুও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চলতি মাসের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।

advertisement
advertisement

রাজধানীতে ৭ কোম্পানির অধীনে চালু হলো ৮৬১ বাস, চলবে সাত রুটে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজধানীতে ৭ কোম্পানির অধীনে চালু হলো ৮৬১ বাস, চলবে সাত রুটে

রাজধানীতে ৭ কোম্পানির অধীনে চালু হলো ৮৬১ বাস, চলবে সাত রুটে

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে বাস রুট র‍্যাশনালাইজেশন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নতুন করে সাতটি রুটে কোম্পানিভিত্তিক বাস চলাচল শুরু হয়েছে। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে সাতটি পরিবহন কোম্পানির অধীনে মোট আটশ একষট্টিটি বাস পরিচালনার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রায় দুইশ কিলোমিটার দীর্ঘ এসব রুটে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও সাধারণ উভয় ধরনের বাস চলাচল করবে, যা নগরবাসীর যাতায়াতকে আরও সহজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং পরিবহন খাতের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এই সাতটি রুটের মধ্যে গাজীপুরের শিববাড়ী থেকে আজিমপুর, টঙ্গী থেকে আজিমপুর এবং মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া রুট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া মোহাম্মদপুরের ঘাটারচর থেকে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, ঘাটারচর থেকে চিটাগাং রোড-কাঁচপুর, ঘাটারচর থেকে আব্দুল্লাহপুরের ধউর এবং মিরপুর-১ থেকে কাকলী-বনানী সার্কুলার রুটেও বাসগুলো চলাচল করবে। বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানির অধীনে যেমন ভিআইপি সিটি পরিবহন, ঢাকা সিটি পরিবহন, চিড়িয়াখানা সিটি পরিবহন এবং রমজান আলী সিটি পরিবহনসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এই বহরে বাস পরিচালনা করবে। প্রতিটি রুটের জন্য সুনির্দিষ্ট সংখ্যক বাস বরাদ্দ করা হয়েছে যাতে যাত্রীদের চাহিদা সঠিকভাবে পূরণ করা সম্ভব হয়।

নতুন এই নিয়মের আওতায় বাস পরিচালনার জন্য ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বেশ কিছু কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বাস সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং গাড়ির সামনে ও পেছনে ডিজিটাল বোর্ডে রুট নম্বর, গন্তব্য ও ক্রমিক নম্বর প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাসের ভেতরে যাত্রাপথের স্টপেজের তালিকা টাঙিয়ে রাখতে হবে এবং চালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মীদের পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট স্টপেজ ছাড়া কোথাও যাত্রী ওঠানামা করানো যাবে না এবং অতিরিক্ত সময়ের জন্য কোথাও দাঁড়িয়ে থাকা যাবে না। এছাড়া রাস্তায় যত্রতত্র ওভারটেকিং ও অন্য গাড়ির চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা পরিবহন খাতের অব্যবস্থাপনা দূর করতে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন। অতীতে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের কারণে এই খাতের সংস্কার কাজ বাধাগ্রস্ত হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তা দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে বলে মন্তব্য করা হয়। পর্যায়ক্রমে ঢাকার বত্রিশটি রুটে এই শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা বিস্তার লাভ করবে এবং প্রতিটি রুটের বাসগুলোর জন্য আলাদা রঙের মাধ্যমে পৃথকীকরণ নিশ্চিত করা হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এআই-স্মার্ট স্পিকার কি সবই শোনে?

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এআই-স্মার্ট স্পিকার কি সবই শোনে?

এআই-স্মার্ট স্পিকার কি সবই শোনে?

প্রযুক্তি ডেস্ক: আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ ও গতিশীল করতে বাজারে এসেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন স্মার্ট স্পিকার। ঘরের কোণে বা টেবিলে বসে থাকা এই ডিভাইসগুলো সারাক্ষণ আমাদের কথপোকথন ও আশপাশের শব্দ শুনতে থাকে। ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন কাজ করার সুবিধা দিলেও এর পেছনে রয়েছে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা হারানোর বড় ধরনের ঝুঁকি। এসব ডিভাইসের সংবেদনশীল মাইক্রোফোন ঘরের সব ধরনের গোপনীয় আলাপও ধারণ করতে পারে কি না, তা নিয়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্মার্ট স্পিকারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সঠিকভাবে কাজ করার জন্য ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর ও নির্দেশ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। তবে এই প্রক্রিয়ার আড়ালে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য এবং ঘরোয়া কথোপকথন রেকর্ড হয়ে যাওয়ার শঙ্কা থেকেই যায়। প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তথ্য সুরক্ষার দাবি করলেও অনেকেই মনে করেন যে এই ধরনের প্রযুক্তি মানুষের ব্যক্তিগত পরিসরে একধরনের অনধিকার প্রবেশ। বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা প্রায়ই এই বিষয়গুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন।

শুধু গোপনীয়তার প্রশ্নই নয়, আধুনিক এআই স্পিকারগুলোর উন্নত ও আকর্ষণীয় ফিচারগুলো ব্যবহারের জন্য এখন মাসিক বা বার্ষিক সাবস্ক্রিপশন ফি গুণতে হয়। সাধারণ সেবার বাইরে বিশেষ সুবিধা পেতে ব্যবহারকারীদের নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করতে বাধ্য করা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে বাড়তি খরচের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ফলে প্রযুক্তিপ্রেমীরা সুবিধা এবং খরচের ভারসাম্য রক্ষা করতে গিয়ে নানা দ্বিধাদ্বন্দ্বের মুখোমুখি হচ্ছেন।

প্রযুক্তির এই আধুনিক উৎকর্ষ একদিকে যেমন আমাদের জীবনযাত্রাকে আরামদায়ক করে তুলেছে, অন্যদিকে তেমনি তৈরি করছে নতুন সব চ্যালেঞ্জ। তাই এই ধরনের ডিভাইস ব্যবহারের আগে এর গোপনীয়তা নীতি এবং অতিরিক্ত খরচ সম্পর্কে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি। ব্যবহারকারীদের নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থেই প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্ক ও বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন।

ত্বককে আরও তরুণ দেখাতে কী খাবেন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ত্বককে আরও তরুণ দেখাতে কী খাবেন

ত্বককে আরও তরুণ দেখাতে কী খাবেন

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ত্বকের তারুণ্য বজায় রাখতে এবং বলিরেখা দূর করতে খাবারের তালিকায় বিশেষ কিছু পরিবর্তন আনা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস কেবল শরীরের ভেতর থেকেই পুষ্টি জোগায় না, বরং ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত সঠিক পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করলে ত্বকের গঠন উন্নত হয় এবং বয়স বাড়ার ছাপ সহজে পড়তে পারে না।

আমাদের ত্বকের প্রধান প্রোটিন হলো কোলাজেন, যা ত্বককে টানটান ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরে কোলাজেনের মাত্রা কমতে শুরু করে, যার ফলে ত্বক কুঁচকে যায়। তবে উদ্ভিদভিত্তিক খাবার নিয়মিত খাওয়ার মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াকে ধীর করা সম্ভব। তাজা শাকসবজি, ফলমূল এবং নানা ধরনের বাদাম ও বীজ কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে বিশেষভাবে কার্যকরী।

খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর চর্বি বা ফ্যাট অন্তর্ভুক্ত করাও ত্বকের সুরক্ষার জন্য সমানভাবে প্রয়োজন। এ ছাড়া দই বা কিমচির মতো গাঁজানো খাবার পরিপাকতন্ত্রের পাশাপাশি ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে দারুণ কাজ করে। এসব খাবার অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি করে, যা পরোক্ষভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা ও সতেজতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

সামগ্রিকভাবে, ত্বককে দীর্ঘকাল তরুণ ও বলিরেখা মুক্ত রাখতে প্রসেসড খাবারের পরিবর্তে প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর উপাদানের ওপর জোর দেওয়া উচিত। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পানের পাশাপাশি উদ্ভিজ্জ খাবার, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং গাঁজানো খাবারের সঠিক সমন্বয়ে তৈরি ডায়েট আপনার ত্বককে রাখবে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত।