খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এআই-স্মার্ট স্পিকার কি সবই শোনে?

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:২১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এআই-স্মার্ট স্পিকার কি সবই শোনে?

এআই-স্মার্ট স্পিকার কি সবই শোনে?

প্রযুক্তি ডেস্ক: আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ ও গতিশীল করতে বাজারে এসেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন স্মার্ট স্পিকার। ঘরের কোণে বা টেবিলে বসে থাকা এই ডিভাইসগুলো সারাক্ষণ আমাদের কথপোকথন ও আশপাশের শব্দ শুনতে থাকে। ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন কাজ করার সুবিধা দিলেও এর পেছনে রয়েছে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা হারানোর বড় ধরনের ঝুঁকি। এসব ডিভাইসের সংবেদনশীল মাইক্রোফোন ঘরের সব ধরনের গোপনীয় আলাপও ধারণ করতে পারে কি না, তা নিয়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্মার্ট স্পিকারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সঠিকভাবে কাজ করার জন্য ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর ও নির্দেশ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। তবে এই প্রক্রিয়ার আড়ালে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য এবং ঘরোয়া কথোপকথন রেকর্ড হয়ে যাওয়ার শঙ্কা থেকেই যায়। প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তথ্য সুরক্ষার দাবি করলেও অনেকেই মনে করেন যে এই ধরনের প্রযুক্তি মানুষের ব্যক্তিগত পরিসরে একধরনের অনধিকার প্রবেশ। বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা প্রায়ই এই বিষয়গুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন।

শুধু গোপনীয়তার প্রশ্নই নয়, আধুনিক এআই স্পিকারগুলোর উন্নত ও আকর্ষণীয় ফিচারগুলো ব্যবহারের জন্য এখন মাসিক বা বার্ষিক সাবস্ক্রিপশন ফি গুণতে হয়। সাধারণ সেবার বাইরে বিশেষ সুবিধা পেতে ব্যবহারকারীদের নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করতে বাধ্য করা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে বাড়তি খরচের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ফলে প্রযুক্তিপ্রেমীরা সুবিধা এবং খরচের ভারসাম্য রক্ষা করতে গিয়ে নানা দ্বিধাদ্বন্দ্বের মুখোমুখি হচ্ছেন।

প্রযুক্তির এই আধুনিক উৎকর্ষ একদিকে যেমন আমাদের জীবনযাত্রাকে আরামদায়ক করে তুলেছে, অন্যদিকে তেমনি তৈরি করছে নতুন সব চ্যালেঞ্জ। তাই এই ধরনের ডিভাইস ব্যবহারের আগে এর গোপনীয়তা নীতি এবং অতিরিক্ত খরচ সম্পর্কে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি। ব্যবহারকারীদের নিজেদের সুরক্ষার স্বার্থেই প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্ক ও বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন।

advertisement
advertisement

ঢাকায় আট অঞ্চলে চলবে আট রঙের ই-রিকশা, চালকদের লাইসেন্স আপাতত নয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকায় আট অঞ্চলে চলবে আট রঙের ই-রিকশা, চালকদের লাইসেন্স আপাতত নয়

ঢাকায় আট অঞ্চলে চলবে আট রঙের ই-রিকশা, চালকদের লাইসেন্স আপাতত নয়

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল সুশৃঙ্খল করতে এবং যানজট নিরসনে একটি নতুন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পুরো ঢাকাকে মোট আটটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে ভাগ করা হবে। প্রতিটি অঞ্চলের জন্য আলাদা রঙের রিকশা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে, যাতে এক অঞ্চলের যান অন্য অঞ্চলে অবাধে চলাচল করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বিশেষ ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো অটোরিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। বিভিন্ন রঙের মাধ্যমে সহজেই চিহ্নিত করা যাবে কোন রিকশাটি কোন নির্দিষ্ট এলাকায় চলাচলের অনুমতি পেয়েছে। এর ফলে যত্রতত্র ব্যাটারিচালিত যানের উপদ্রব কমবে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কাজও অনেক সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে চালকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে আপাতত ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। এই খাতের সঙ্গে জড়িত চালকদের পেশাগত জীবনকে হঠাৎ করে জটিল না করে তাদের একটি নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসতেই এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বিবেচনা করে চালকদের নিবন্ধনের আওতায় আনার বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা পরিকল্পনা করতে পারেন।

নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়ন নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ইতিবাচক আলোচনা চলছে এবং খুব শীঘ্রই মাঠপর্যায়ে এর কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির মুখে এই ধরনের উদ্যোগ রাজধানীর যাতায়াত ব্যবস্থাকে আরও কিছুটা স্বস্তিদায়ক করে তুলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আসছে শীত, প্লেটে থাকুক সব রঙের সবজি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আসছে শীত, প্লেটে থাকুক সব রঙের সবজি

আসছে শীত, প্লেটে থাকুক সব রঙের সবজি

স্বাস্থ্য ডেস্ক: প্রকৃতিতে এখন শীতের আমেজ শুরু হয়েছে এবং কিছুদিনের মধ্যেই বাজারের থলে ভরে উঠবে হরেক রকমের রঙিন শাকসবজি ও ফলে। শীতকালীন এই খাবারগুলো শুধু খাবারের টেবিলের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, বরং শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদাও সফলভাবে পূরণ করে। আমাদের দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা মেটাতে কোনো একক খাবারের ওপর নির্ভর না করে বিভিন্ন ধরনের খাবার খাওয়া প্রয়োজন। কারণ প্রতিটি রঙের শাকসবজি এবং ফলে ভিন্ন ভিন্ন পুষ্টিগুণ ও প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন রঙের খাবার রাখা সুস্থ জীবনের জন্য অত্যন্ত কার্যকর একটি উপায়।

খাবারের পাতে লাল এবং কমলা বা হলুদ রঙের শাকসবজি রাখা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ সাহায্য করে। লাল রঙের খাবারে থাকা লাইকোপেন নামক উপাদান হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে এবং শরীরের প্রদাহ কমাতে বিশেষভাবে কাজ করে, যার ভালো উৎস হতে পারে টমেটো ও লাল ক্যাপসিকাম। অন্যদিকে, গাজর ও মিষ্টি আলুর মতো কমলা বা হলুদ রঙের খাবারে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন থাকে যা শরীরে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়। এই উপাদানটি চোখের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে, ত্বক উজ্জ্বল রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

সবুজ, নীল ও বেগুনি রঙের শাকসবজি শরীরের কোষ সুরক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। পালং শাক ও ব্রকলির মতো সবুজ সবজিতে থাকা ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং গ্লুকোসিনোলেটস কোষের সুরক্ষায় কাজ করে। পাশাপাশি, বেগুনি বাঁধাকপি ও বেগুনের মতো নীল বা বেগুনি রঙের খাবারে থাকা অ্যান্থোসায়ানিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এমনকি সাদা রঙের রসুন ও পেঁয়াজে থাকা সালফারযুক্ত উপাদান ক্ষতিকর জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

প্রতিদিন সব রঙের খাবার খাওয়া সম্ভব না হলেও প্রতিটি বেলার খাবারে অন্তত তিনটি ভিন্ন রঙের সবজি বা ফল রাখার চেষ্টা করা উচিত। পুষ্টি উপাদান ও ফাইবার বেশি পাওয়ার জন্য আপেল বা শসার মতো ফল ও সবজি খোসাসহ খাওয়া বেশি উপকারী। এছাড়া, কিছু ভিটামিন কাঁচা অবস্থায় এবং কিছু পুষ্টি উপাদান হালকা সেদ্ধ করলে সহজে শোষিত হয়, তাই কাঁচা ও সেদ্ধ উভয় উপায়েই খাবার গ্রহণ করা শ্রেয়। তাজা খাবার পাওয়া না গেলে হিমায়িত সবজি বা ফলও বেছে নেওয়া যেতে পারে, কারণ এগুলোতেও তাজা খাবারের সমান পুষ্টিগুণ বজায় থাকে।

রাজধানীতে ৭ কোম্পানির অধীনে চালু হলো ৮৬১ বাস, চলবে সাত রুটে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজধানীতে ৭ কোম্পানির অধীনে চালু হলো ৮৬১ বাস, চলবে সাত রুটে

রাজধানীতে ৭ কোম্পানির অধীনে চালু হলো ৮৬১ বাস, চলবে সাত রুটে

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে বাস রুট র‍্যাশনালাইজেশন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নতুন করে সাতটি রুটে কোম্পানিভিত্তিক বাস চলাচল শুরু হয়েছে। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে সাতটি পরিবহন কোম্পানির অধীনে মোট আটশ একষট্টিটি বাস পরিচালনার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রায় দুইশ কিলোমিটার দীর্ঘ এসব রুটে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও সাধারণ উভয় ধরনের বাস চলাচল করবে, যা নগরবাসীর যাতায়াতকে আরও সহজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং পরিবহন খাতের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এই সাতটি রুটের মধ্যে গাজীপুরের শিববাড়ী থেকে আজিমপুর, টঙ্গী থেকে আজিমপুর এবং মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া রুট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া মোহাম্মদপুরের ঘাটারচর থেকে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, ঘাটারচর থেকে চিটাগাং রোড-কাঁচপুর, ঘাটারচর থেকে আব্দুল্লাহপুরের ধউর এবং মিরপুর-১ থেকে কাকলী-বনানী সার্কুলার রুটেও বাসগুলো চলাচল করবে। বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানির অধীনে যেমন ভিআইপি সিটি পরিবহন, ঢাকা সিটি পরিবহন, চিড়িয়াখানা সিটি পরিবহন এবং রমজান আলী সিটি পরিবহনসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এই বহরে বাস পরিচালনা করবে। প্রতিটি রুটের জন্য সুনির্দিষ্ট সংখ্যক বাস বরাদ্দ করা হয়েছে যাতে যাত্রীদের চাহিদা সঠিকভাবে পূরণ করা সম্ভব হয়।

নতুন এই নিয়মের আওতায় বাস পরিচালনার জন্য ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বেশ কিছু কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বাস সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং গাড়ির সামনে ও পেছনে ডিজিটাল বোর্ডে রুট নম্বর, গন্তব্য ও ক্রমিক নম্বর প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাসের ভেতরে যাত্রাপথের স্টপেজের তালিকা টাঙিয়ে রাখতে হবে এবং চালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মীদের পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট স্টপেজ ছাড়া কোথাও যাত্রী ওঠানামা করানো যাবে না এবং অতিরিক্ত সময়ের জন্য কোথাও দাঁড়িয়ে থাকা যাবে না। এছাড়া রাস্তায় যত্রতত্র ওভারটেকিং ও অন্য গাড়ির চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা পরিবহন খাতের অব্যবস্থাপনা দূর করতে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন। অতীতে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের কারণে এই খাতের সংস্কার কাজ বাধাগ্রস্ত হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তা দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে বলে মন্তব্য করা হয়। পর্যায়ক্রমে ঢাকার বত্রিশটি রুটে এই শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা বিস্তার লাভ করবে এবং প্রতিটি রুটের বাসগুলোর জন্য আলাদা রঙের মাধ্যমে পৃথকীকরণ নিশ্চিত করা হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।