খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা ঘোষণা, চলতে পারবে না যেসব সড়কে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা ঘোষণা, চলতে পারবে না যেসব সড়কে

অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা ঘোষণা, চলতে পারবে না যেসব সড়কে

জাতীয় ডেস্ক: সিটি করপোরেশন এলাকায় পরিবেশবান্ধব এবং স্বল্পগতির তিন চাকার ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল সুশৃঙ্খল করতে একটি নতুন বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। সম্প্রতি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই যুগান্তকারী নীতিমালার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন আইন, ২০০৯-এর ১২০ ধারার ক্ষমতাবলে এই নীতিমালা কার্যকর করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে শহরের অগোছালো যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই মূলত এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, এখন থেকে নিবন্ধন বা নবায়ন ছাড়া কোনো ই-রিকশা শহরের সড়কে চলাচল করতে পারবে না। দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার যানের জন্য এককালীন নিবন্ধন ফি আট হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি চার হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। অন্যদিকে চার যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যানের ক্ষেত্রে নিবন্ধন ফি দশ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি যানের ফিটনেস সনদের জন্য এক হাজার টাকা ফি দিতে হবে এবং একজন ব্যক্তি জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে সর্বোচ্চ পাঁচটি যানের নিবন্ধন নিতে পারবেন।

যাত্রীদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি নিবন্ধিত যানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। দৃশ্যমান স্থানে কিউআর কোডযুক্ত স্বতন্ত্র নম্বরপ্লেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং প্রতিটি যানের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল নির্ধারণ করা হয়েছে বারো বছর। নিরাপত্তার স্বার্থে এসব যানের সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় পঁচিশ কিলোমিটার বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসালয়, প্রার্থনালয় এবং জনবহুল এলাকায় গতি কমিয়ে সর্বোচ্চ ঘণ্টায় পনেরো কিলোমিটারে নামিয়ে আনতে হবে।

নতুন নিয়মে নির্দিষ্ট কিছু সড়কে এই যানগুলোর চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, উড়াল সড়ক, প্রধান বাস রুট, ফুটপাত এবং প্রশাসনের নিষিদ্ধ এলাকায় এগুলো চলতে পারবে না। পাশাপাশি এক সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত যান অন্য কোনো সিটি করপোরেশনে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অবৈধ চার্জিং এবং যত্রতত্র চলাচল বন্ধের মাধ্যমে সড়কে স্বস্তি ফিরিয়ে আনাই এই নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

advertisement
advertisement

কোর্ট মার্শালে দোষী সাব্যস্ত, বরখাস্ত হলেন লে. কর্নেল ফারুখ হোসেন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কোর্ট মার্শালে দোষী সাব্যস্ত, বরখাস্ত হলেন লে. কর্নেল ফারুখ হোসেন

কোর্ট মার্শালে দোষী সাব্যস্ত, বরখাস্ত হলেন লে. কর্নেল ফারুখ হোসেন

অপরাধ ডেস্ক: মাদকদ্রব্য ইয়াবার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে। কক্সবাজার বিজিবির ৩৪ ব্যাটালিয়নের সাবেক অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফারুখ হোসেন খানকে বিশেষ বিচারিক আদালত বা কোর্ট মার্শালে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়া শেষে তাকে চাকরি থেকে সম্পূর্ণ বরখাস্ত করা হয়েছে যা সামরিক শৃঙ্খলা রক্ষায় একটি কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সামরিক বাহিনীতে এ ধরনের অভিযোগে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোর্ট মার্শাল বা বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার ঘটনা এটিই প্রথম। এর আগে সংবাদমাধ্যমে এসংক্রান্ত একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তোলপাড় শুরু হয়। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে কর্তৃপক্ষ এবং ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ে এই বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। দীর্ঘ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই মামলার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে এবং সুষ্ঠু বিচারিক প্রক্রিয়া বজায় রাখতে এই মামলায় প্রায় অর্ধশত সাক্ষীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল যাদের সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই এই রায় আসে।

সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই ধরনের কঠোর পদক্ষেপ দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশের সীমানা সুরক্ষা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না, এই রায়ের মাধ্যমে সেই বার্তাই জোরালোভাবে দেওয়া হয়েছে।

বেসরকারি সংস্থা পিসিডিতে চাকরি, পদ ২২০

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বেসরকারি সংস্থা পিসিডিতে চাকরি, পদ ২২০

বেসরকারি সংস্থা পিসিডিতে চাকরি, পদ ২২০

চাকরি ডেস্ক: দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি উন্নয়নমূলক সংস্থা প্রোগ্রাম ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্টে (পিসিডি) বড় পরিসরে জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সংস্থাটির বিভিন্ন প্রকল্পে একাধিক ক্যাটাগরিতে সর্বমোট দুই শতাধিক প্রার্থীকে চাকরি দেওয়া হবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংস্থাটির চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে এবং শূন্যপদগুলো পূরণের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, আগ্রহী প্রার্থীরা সব মিলিয়ে মোট নয়টি ভিন্ন ক্যাটাগরির পদে আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন। পদগুলোর ধরন অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য শর্ত আলাদা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষিত ও কর্মমুখী তরুণদের জন্য এটি একটি চমৎকার কর্মসংস্থানের সুযোগ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য, প্রার্থীর প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, বেতন-ভাতা এবং আবেদন করার নিয়মাবলী সংস্থাটির অফিসিয়াল মাধ্যম বা নির্দিষ্ট বিজ্ঞপ্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। সাধারণত এ ধরনের উন্নয়ন সংস্থায় কাজের জন্য মাঠপর্যায়ে কাজের মানসিকতা এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে পূর্বঅভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়ে থাকে। পদভেদে নির্ধারিত অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতার মাপকাঠি ভিন্ন হতে পারে।

আগ্রহী এবং যোগ্য প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নিয়ম মেনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে প্রাথমিক বাছাইয়ের পর যোগ্য প্রার্থীদের পরীক্ষা বা ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হবে। প্রতিষ্ঠানটির নীতিমালা অনুযায়ী চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থীরা আকর্ষণীয় বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

এবার নিকি মিনাজকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি করায় আগ্রহ ট্রাম্পের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এবার নিকি মিনাজকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি করায় আগ্রহ ট্রাম্পের

এবার নিকি মিনাজকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি করায় আগ্রহ ট্রাম্পের

ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্প্রতি এক অভিনব আলোচনার জন্ম দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জনপ্রিয় র‍্যাপার নিকি মিনাজকে হোয়াইট হাউসের পরবর্তী প্রেস সেক্রেটারি পদে নিয়োগ দেওয়ার একটি ধারণার কথা শুনে নিজের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। মার্কিন বিনোদন বিষয়ক সংবাদমাধ্যম টিএমজেডের একটি প্রতিবেদনের সুবাদে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। তবে এ বিষয়ে তিনি এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলেই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।

একটি জনপ্রিয় পডকাস্ট অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় উপস্থাপক বেনি জনসন নিকি মিনাজের প্রেস সেক্রেটারি হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে কথা তোলেন। এই প্রস্তাব শুনে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান যে এটি একটি ভালো ধারণা হতে পারে এবং বিষয়টি নিয়ে তাঁর ভেবে দেখা উচিত। একই আলাপচারিতায় উপস্থাপক বেনি জনসন নিজেও এই পদের জন্য একজন উপযুক্ত প্রার্থী হতে পারেন বলে মন্তব্য করেন মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট।

এর আগে মার্কিন প্রশাসনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে বিশেষ বিমানে করে একটি নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন এই তারকা র‍্যাপার। সেই ভ্রমণের পরই কর্মকর্তারা তাঁকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন বলে জানা যায়। এরপর হোয়াইট হাউসের যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক স্টিভেন চেউং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন যে তাঁরা হয়তো প্রশাসন পরিচালনার জন্য নতুন প্রেস সেক্রেটারি খুঁজে পেয়েছেন। ট্রাম্পের আরেক উপদেষ্টা অ্যালেক্স ব্রুসেউইৎজও সামাজিক মাধ্যমে নিকি মিনাজের ভক্তদের উদ্দেশ্যে এই বিষয়ে তাদের মতামত জানতে চান।

নিকি মিনাজকে নিয়ে এই আলোচনার সূত্রপাত হওয়ার আগে তাঁর শারীরিক সৌন্দর্য নিয়েও জনসমক্ষে প্রশংসা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মিশিগানের একটি নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য রাখার সময় তিনি র‍্যাপারের সৌন্দর্যের কথা উল্লেখ করে নিজের মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামী দিনে মার্কিন প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে এমন অপ্রচলিত ব্যক্তিত্বদের যুক্ত করার বিষয়টি পুরোপুরি নাকচ করে দেওয়া যায় না। ফলে এই আলোচনা ভবিষ্যতে বাস্তব রূপ নেয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।