খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

পোশাকশ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পোশাকশ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন

পোশাকশ্রমিকদের নতুন বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকাশক্তি পোশাক খাতের শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট খাতের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে শ্রমিকদের জীবনমান উন্নত করা এবং তাদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই গুরুত্বপূর্ণ বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশের প্রচলিত শ্রম আইনের ১৩৯ ধারার বিধান অনুযায়ী এই নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। আইনের এই ধারা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কোনো শিল্প খাতের মালিকপক্ষ কিংবা শ্রমিকপক্ষ অথবা উভয়পক্ষ যৌথভাবে আবেদন করলে সরকার সেখানে ন্যূনতম মজুরির হার নতুন করে নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে পোশাক খাতের শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মজুরি বাড়ানোর দাবি জোরালো হচ্ছিল। মূলত শ্রমিক ও মালিকপক্ষের এই পারস্পরিক চাহিদা এবং সার্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতার আলোকেই সরকার আইনানুগভাবে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

নতুন গঠিত এই মজুরি বোর্ড অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পোশাক শ্রমিকদের বর্তমান বাজারদর ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিশ্লেষণ করবে। পরবর্তীতে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে একটি বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য ন্যূনতম মজুরি কাঠামো প্রস্তাব করবে এই বোর্ড। সরকারের এই উদ্যোগে পোশাক খাতের শ্রমবাজারে দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব আসবে বলে আশা করছেন খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের ক্ষেত্রে এই বোর্ড একটি কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মজুরি বোর্ডের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকেই শ্রমিক সংগঠনগুলোর মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা গেছে। শ্রমিক নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, বর্তমান মূল্যস্ফীতির বাজারে এই উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমিকরা একটি সম্মানজনক ও জীবনমুখী মজুরি পাবে। অন্যদিকে মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরাও আশা করছেন যে, আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ মজুরি নির্ধারিত হবে যা শিল্পের প্রতিযোগিতাপূর্ণ অবস্থান অক্ষুণ্ণ রাখতে সাহায্য করবে। আগামীতে বোর্ডের নিয়মিত সভার মাধ্যমে খুব শীঘ্রই শ্রমিকদের নতুন বেতন কাঠামোর রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

advertisement
advertisement

অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা ঘোষণা, চলতে পারবে না যেসব সড়কে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা ঘোষণা, চলতে পারবে না যেসব সড়কে

অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা ঘোষণা, চলতে পারবে না যেসব সড়কে

জাতীয় ডেস্ক: সিটি করপোরেশন এলাকায় পরিবেশবান্ধব এবং স্বল্পগতির তিন চাকার ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল সুশৃঙ্খল করতে একটি নতুন বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। সম্প্রতি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই যুগান্তকারী নীতিমালার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন আইন, ২০০৯-এর ১২০ ধারার ক্ষমতাবলে এই নীতিমালা কার্যকর করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে শহরের অগোছালো যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই মূলত এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, এখন থেকে নিবন্ধন বা নবায়ন ছাড়া কোনো ই-রিকশা শহরের সড়কে চলাচল করতে পারবে না। দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার যানের জন্য এককালীন নিবন্ধন ফি আট হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি চার হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। অন্যদিকে চার যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যানের ক্ষেত্রে নিবন্ধন ফি দশ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি যানের ফিটনেস সনদের জন্য এক হাজার টাকা ফি দিতে হবে এবং একজন ব্যক্তি জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে সর্বোচ্চ পাঁচটি যানের নিবন্ধন নিতে পারবেন।

যাত্রীদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি নিবন্ধিত যানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। দৃশ্যমান স্থানে কিউআর কোডযুক্ত স্বতন্ত্র নম্বরপ্লেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং প্রতিটি যানের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল নির্ধারণ করা হয়েছে বারো বছর। নিরাপত্তার স্বার্থে এসব যানের সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় পঁচিশ কিলোমিটার বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসালয়, প্রার্থনালয় এবং জনবহুল এলাকায় গতি কমিয়ে সর্বোচ্চ ঘণ্টায় পনেরো কিলোমিটারে নামিয়ে আনতে হবে।

নতুন নিয়মে নির্দিষ্ট কিছু সড়কে এই যানগুলোর চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, উড়াল সড়ক, প্রধান বাস রুট, ফুটপাত এবং প্রশাসনের নিষিদ্ধ এলাকায় এগুলো চলতে পারবে না। পাশাপাশি এক সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত যান অন্য কোনো সিটি করপোরেশনে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অবৈধ চার্জিং এবং যত্রতত্র চলাচল বন্ধের মাধ্যমে সড়কে স্বস্তি ফিরিয়ে আনাই এই নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

সুনামগঞ্জে মাদক সেবন করে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে কৃষক দলের দুই নেতা আটক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সুনামগঞ্জে মাদক সেবন করে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে কৃষক দলের দুই নেতা আটক

সুনামগঞ্জে মাদক সেবন করে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে কৃষক দলের দুই নেতা আটক

রাজনীতি ডেস্ক: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় মাদক সেবন করে মাতলামি ও জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে স্থানীয় কৃষক দলের দুই নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। সম্প্রতি রাতে উপজেলার ব্যস্ততম তাহিরপুর বাজারের নৌকাঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন তাহিরপুর উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজাহান কবির এবং একই কমিটির নেতা আকবর আলী। জনসমক্ষে তাদের এই অপকর্মের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় ওই দুই রাজনৈতিক নেতা অতিরিক্ত মদ্যপ অবস্থায় তাহিরপুর বাজারে অবস্থান করে অসংলগ্ন আচরণ করতে থাকেন। তাদের হট্টগোল ও মাতলামির ফলে বাজারে যাতায়াতকারী সাধারণ ক্রেতা ও সাধারণ মানুষ চরম বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হন। বাজারের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক পরিবেশ এবং জনজীবন এর ফলে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। স্থানীয় সাধারণ মানুষ তাদের এই কুরুচিপূর্ণ ও উশৃঙ্খল আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে শেষ পর্যন্ত পুলিশকে খবর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

স্থানীয় লোকজনের আরও অভিযোগ রয়েছে যে, অভিযুক্ত এই দুই নেতা এর আগেও বহুবার নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাজারে এসে এ ধরনের বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন। তাদের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ জনতা এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন বিশৃঙ্খলা করার সাহস না পায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান যে, মাদক সেবন করে জনসমক্ষে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রাথমিক অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমন করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের ‘দ্বিমুখী’ আচরণের বিরুদ্ধে সরব এনসিপি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের ‘দ্বিমুখী’ আচরণের বিরুদ্ধে সরব এনসিপি

ঠাকুরগাঁওয়ের উপনির্বাচন নিয়ে জামায়াতের ‘দ্বিমুখী’ আচরণের বিরুদ্ধে সরব এনসিপি

রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁওয়ের একটি উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের সামগ্রিক প্রক্রিয়া ও এর ফলাফল প্রকাশের আগেই জামায়াতের পক্ষ থেকে নানা অনিয়মের জোরালো অভিযোগ তোলা হয়। দলটির তরফ থেকে দাবি করা হয় যে, ভোটগ্রহণের সময় ব্যাপক জালভোট দেওয়া হয়েছে এবং তাদের নির্ধারিত পোলিং এজেন্টদের শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে জোরপূর্বক কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগগুলোর ভিত্তিতেই নির্বাচনের দিনেই একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল জামায়াত।

তবে নির্বাচনের মাঠের এই পরিস্থিতির বিপরীত চিত্র তুলে ধরে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি জামায়াতের বিরুদ্ধে দ্বিমুখী আচরণের গুরুতর অভিযোগ এনেছে। এনসিপির নেতৃবৃন্দের মতে, নির্বাচন চলাকালে ও ফলাফল আসার আগে জামায়াত যে ধরনের কঠোর ভাষায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে মাঠে নেমেছিল, পরবর্তীতে তাদের সামগ্রিক কার্যক্রমে তার কোনো ধারাবাহিকতা দেখা যায়নি। এই ধরনের অবস্থান পরিবর্তনকে রাজনৈতিক অসততা এবং জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির একটি চতুর কৌশল হিসেবে দেখছে এই রাজনৈতিক দল।

এনসিপির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে যে, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে জামায়াত শুরু থেকেই জনমনে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের এই আন্দোলনের কোনো দৃশ্যমান ও সুনির্দিষ্ট পরিণতি দেখা যায়নি। ভোটের মাঠে নিজেদের সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি করতে জামায়াত ইচ্ছাকৃতভাবে অসত্য তথ্য ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন দলটির নেতারা। নির্বাচনের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এমন দায়িত্বহীন ও সুবিধাবাদী রাজনৈতিক আচরণ কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না বলে তারা মন্তব্য করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় এই উপনির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এই পরস্পরবিরোধী অবস্থান নির্বাচনী মাঠের পরিবেশকে আরও জটিল করে তুলেছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এর ফলে এক ধরনের অনাস্থা ও বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। দলগুলোর এমন পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় নির্বাচনগুলোর প্রকৃত চিত্র এবং দলীয় সংস্কৃতির আসল রূপ আবারও জনসমক্ষে উন্মোচিত হয়েছে।