খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এইচএসসিতে ক্রীড়াবিদদের উড়ন্ত সাফল্য

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসিতে ক্রীড়াবিদদের উড়ন্ত সাফল্য

এইচএসসিতে ক্রীড়াবিদদের উড়ন্ত সাফল্য

শিক্ষা ডেস্ক: খেলার মাঠে দেশের হয়ে লড়াই করার পাশাপাশি পড়াশোনার জগতেও নিজেদের মেধার অনন্য স্বাক্ষর রেখেছেন বাংলাদেশের তরুণ ক্রীড়াবিদরা। সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট তথা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে সার্বিক পাসের হার কিছুটা কমে এলেও জাতীয় পর্যায়ের একঝাঁক অ্যাথলেটের সাফল্য গোটা দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আনন্দ ও উদ্দীপনার জোয়ার এনে দিয়েছে। কঠোর অনুশীলন এবং প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্টের ব্যস্ততা সত্ত্বেও এই উদীয়মান তারকারা প্রমাণ করেছেন যে ইচ্ছা থাকলে দুটি ভিন্ন ক্ষেত্রে একসঙ্গে সমানভাবে সফল হওয়া সম্ভব।

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা বিকেএসপির শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখে দারুণ আলো ছড়িয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নেওয়া জাতীয় নারী হকি দলের দুই পরিচিত মুখ ও যমজ বোন হিমাদ্রী বড়ুয়া এবং নিলাদ্রী বড়ুয়া অত্যন্ত চমৎকার ফলাফল অর্জন করেছেন। নিয়মিত ক্যাম্পের কঠোর ব্যস্ততা সামলে পড়াশোনা চালিয়ে গিয়ে হিমাদ্রী কাঙ্ক্ষিত জিপিএ ৫ অর্জন করেছেন এবং তাঁর বোন নিলাদ্রী পেয়েছেন ৪ দশমিক ৮৩। এছাড়া বিকেএসপির অন্য হকি তারকারাও পরীক্ষায় সাফল্যের ধারা বজায় রেখেছেন।

টেবিল টেনিসের পরিচিত মুখ এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনে অন্যতম সেরা খেলোয়াড় খই খই সাই মারমা বড় টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেও বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৪ দশমিক ৬৭ জিপিএ অর্জন করেছেন। ফুটবল অঙ্গন থেকেও এসেছে বেশ কিছু চমকপ্রদ সাফল্যের খবর, যেখানে বসুন্ধরা কিংসের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ ৪ দশমিক ৭১ এবং অনূর্ধ্ব-২০ দলের গোলরক্ষক মাহিন ৪ দশমিক ২৫ জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। নারী ফুটবলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ জিপিএ ৪ অর্জন করেছেন স্বর্ণা রানি মণ্ডল, পাশাপাশি নবিরন, ঐশী, বন্যা ও স্বপ্নার মতো উদীয়মান ফুটবলাররাও ভালো ফলাফল করেছেন।

ক্রিকেট মাঠের পেস বোলারদের বলের গতি সামলানোর মতো পড়াশোনার কঠিন বাধা ডিঙিয়ে সাফল্য পেয়েছেন জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের তারকা মারুফা আক্তার, যিনি অর্জন করেছেন ৩ দশমিক ১৭ জিপিএ। দেশের তরুণ প্রজন্মের এই অ্যাথলেটদের এমন কৃতিত্ব প্রমাণ করে যে দৃঢ় মনোবল এবং সঠিক পরিশ্রমের মাধ্যমে একই সঙ্গে খেলার মাঠ এবং শিক্ষার আঙিনা উভয় ক্ষেত্রেই বিজয়ী হওয়া যায়। তাদের এই সফলতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্রীড়াবিদদের জন্য এক নতুন অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

advertisement
advertisement

এইচএসসির ফল: ইংরেজি-আইসিটিতেই বিপর্যয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসির ফল: ইংরেজি-আইসিটিতেই বিপর্যয়

এইচএসসির ফল: ইংরেজি-আইসিটিতেই বিপর্যয়

শিক্ষা ডেস্ক: উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বিগত দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধস নেমেছে। গত ২২ বছরের মধ্যে এবারই সর্বনিম্ন পাসের হার রেকর্ড করা হয়েছে এবং প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছেন। শিক্ষা বোর্ডগুলোর গড় পাসের হার এবং সর্বোচ্চ ফল অর্জনকারীর সংখ্যা উভয়ই উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। একই সঙ্গে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে যাওয়ার পাশাপাশি কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে সার্বিক এই পতনের পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছে কয়েকটি নির্দিষ্ট বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আশানুরূপ ফল করতে না পারা।

ফলাফল বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে যে মূলত ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ের খারাপ ফলাফলই সামগ্রিক বিপর্যয় ডেকে এনেছে। এই দুই বিষয়ে রেকর্ডসংখ্যক শিক্ষার্থী ফেল করেছেন, যা মোট অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর বড় একটি অংশ। শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, গ্রামাঞ্চলে দক্ষ শিক্ষকের তীব্র সংকট এবং শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশের দীর্ঘদিনের ইংরেজিভীতি এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ে পাঠদানের জন্য উপযুক্ত ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাব থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় শিখনদক্ষতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছেন, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পরীক্ষার ফলাফলে।

শিক্ষাবিদ ও শিক্ষা বোর্ডের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের মতে, এবারের এই ফলাফল কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং দীর্ঘদিনের সংকটের বহিঃপ্রকাশ। প্রকৃত শিক্ষা ও মূল্যায়নের ঘাটতির কারণে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত যোগ্যতা অর্জন করতে পারছেন না। এর পাশাপাশি মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের ফলাফলের করুণ দশা সামগ্রিক চিত্রকে আরও ম্লান করে দিয়েছে। অন্যান্য বিভাগের তুলনায় মানবিক বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে কম রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের হিসাববিজ্ঞান বিষয়েও অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় নম্বর তুলতে পারেননি, যা ফল বিপর্যয়কে আরও ত্বরান্বিত করেছে।

এবারের ফলাফলের পেছনে নানামুখী প্রতিকূল পরিস্থিতিও বড় ধরনের প্রভাব রেখেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়েছিল কয়েকটি অঞ্চল এবং পরীক্ষা কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষার্থী আন্দোলন পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক শিখনঘাটতি তৈরি হয়েছিল। এর ওপর পরীক্ষার হলে কড়াকড়ি এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নে কঠোর নীতি অনুসরণ করায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ এর সূচক একসঙ্গে নিম্নমুখী হয়েছে।

বরিশাল শিক্ষা বোর্ড: তিন কারণে ফল বিপর্যয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বরিশাল শিক্ষা বোর্ড: তিন কারণে ফল বিপর্যয়

বরিশাল শিক্ষা বোর্ড: তিন কারণে ফল বিপর্যয়

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী এই বোর্ডে পাসের হার মাত্র চুয়াল্লিশ দশমিক আট চার শতাংশ যা সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত বছরের তুলনায় এই অঞ্চলে পাসের হার কমেছে প্রায় আঠারো শতাংশ এবং সেই সঙ্গে উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা। বিগত বছরগুলোতে তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকা এই শিক্ষাবোর্ডটির এমন ধস নামায় শিক্ষক ও অভিভাবক মহলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

বোর্ডের শোচনীয় এই ফলাফলের প্রধান কারণ হিসেবে ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের চরম ব্যর্থতাকে দায়ী করেছে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। বোর্ডের তথ্যমতে ইংরেজি বিষয়ে পাসের হার মাত্র তেপান্ন শতাংশের কাছাকাছি অবস্থান করায় তার সামগ্রিক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পুরো ফলাফল ব্যবস্থার ওপর। বোর্ড কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে এ বছরের খাতা মূল্যায়ন ও ফলাফল প্রকাশ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সম্পন্ন হয়েছে এবং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

অন্যদিকে শিক্ষাবিদ ও কলেজ অধ্যক্ষদের মতে এই বিপর্যয়ের পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ জড়িত রয়েছে যার মধ্যে অন্যতম হলো ছাত্র আন্দোলনের পর শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা থেকে দীর্ঘসময় দূরে থাকা। তাঁরা জানান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিত ছিল এবং অভিভাবকেরাও তাদের সন্তানদের পড়াশোনার বিষয়টি যথাযথভাবে তদারকি করেননি। এর ফলে ইংরেজি উচ্চতর গণিত এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মতো কঠিন বিষয়গুলোতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রস্তুত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

শিক্ষকদের এমন মন্তব্যের সঙ্গে অবশ্য পুরোপুরি একমত পোষণ করেননি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা বরং তাঁরা এর জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক দায়িত্বহীনতা ও পাঠদানের ঘাটতিকেও সমানভাবে দায়ী করেছেন। অভিভাবক মহলের মতে শিক্ষার্থীদের একচেটিয়াভাবে দোষ না দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোরও নিজেদের দুর্বলতা খতিয়ে দেখা উচিত। সব মিলিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা গ্রহণ এবং নিয়মিত ক্লাসের অনুপস্থিতির মতো নানা জটিলতার কারণে বরিশাল বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার এই বিপর্যয় দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষাব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

পুঁজিবাজারে করনীতি: মূলধনি মুনাফায় ২০৩০ সাল পর্যন্ত করছাড় চায় ডিবিএ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পুঁজিবাজারে করনীতি: মূলধনি মুনাফায় ২০৩০ সাল পর্যন্ত করছাড় চায় ডিবিএ

পুঁজিবাজারে করনীতি: মূলধনি মুনাফায় ২০৩০ সাল পর্যন্ত করছাড় চায় ডিবিএ

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের পুঁজিবাজারকে আরও গতিশীল এবং বিনিয়োগবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে নতুন নীতিগত সহায়তার প্রস্তাব করেছে স্টক ব্রোকারদের প্রধান সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ব্যক্তি এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ থেকে অর্জিত মূলধনি মুনাফার ওপর আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত সম্পূর্ণ কর অব্যাহতি দেওয়ার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী বিনিয়োগকারীদের নির্দিষ্ট সীমার বেশি মুনাফার ওপর কর প্রদান করতে হয়, যা অনেক সময় বাজারের স্বাভাবিক লেনদেন ও তারল্য প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি ডিবিএ-এর পক্ষ থেকে সরকারের নীতিনির্ধারক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের কাছে এই সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। এর মধ্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার গনি, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান মাসুদ খান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের সঙ্গে বৈঠক করে এই রূপরেখা তুলে ধরা হয়। প্রস্তাবিত বিধান অনুযায়ী, স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সম্পন্ন এবং নির্ধারিত কেন্দ্রীয় ডিপোজিটরি ব্যবস্থায় নিষ্পত্তি হওয়া লেনদেনগুলোকে এই কর অব্যাহতির আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।

এই বিশেষ করছাড়ের সুবিধা মূলত সাধারণ ব্যক্তি বিনিয়োগকারী এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রযোজ্য করার সুপারিশ করা হয়েছে, তবে কোম্পানির স্পনসর, পরিচালক এবং স্থানীয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বর্তমান করব্যবস্থার আওতাতেই রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে সংগঠনটি। ডিবিএ মনে করে, সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি অব বাংলাদেশ লিমিটেড বা সিসিবিএল পুরোপুরি কার্যক্রম শুরু না করা পর্যন্ত কর হিসাবের প্রক্রিয়া জটিল থাকতে পারে। তাই এই আধুনিক ব্যবস্থাটি সম্পূর্ণরূপে চালুর পূর্ববর্তী সময় পর্যন্ত অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বিনিয়োগকারীদের কর অব্যাহতি প্রদান করা যুক্তিযুক্ত হবে।

সংগঠনটির নেতারা বিশ্বাস করেন যে, এই ধরনের কর সুবিধা বাস্তবায়িত হলে বাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সংস্কৃতি গড়ে উঠবে। মুনাফার অর্থ পুনরায় বাজারে বিনিয়োগ করার সুযোগ তৈরি হলে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মূলধন সংগ্রহের পথও আরও প্রসারের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই কর অব্যাহতি কার্যকর করা হলে সরকারের রাজস্ব আয়ে সাময়িক কোনো প্রভাব পড়বে কি না এবং এর দীর্ঘমেয়াদি সুফল কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা ধরনের আলোচনা চলছে।