খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

কলেজে শিক্ষক ৮ জন, পরীক্ষার্থী একজন—তিনিও ফেল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কলেজে শিক্ষক ৮ জন, পরীক্ষার্থী একজন—তিনিও ফেল

কলেজে শিক্ষক ৮ জন, পরীক্ষার্থী একজন—তিনিও ফেল

শিক্ষা ডেস্ক: পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চরম বিপর্যয়কর ফলাফল সামনে এসেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, ওই প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া একমাত্র শিক্ষার্থীও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। অথচ তাকে পড়ানোর জন্য প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত ছিলেন মোট আটজন শিক্ষক। কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় এই প্রতিষ্ঠানটির এবারের পাসের হার সম্পূর্ণ শূন্যে নেমে গেছে। উপজেলার মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের সুলতানাবাদ গ্রামে অবস্থিত এমপিওবিহীন মজিদবাড়িয়া কলেজে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। রাজু আহমেদ নামের ওই পরীক্ষার্থী এক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে কলেজটির গৌরবের কিছু অবশিষ্ট থাকেনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুই দশকেরও বেশি সময় আগে অর্থাৎ ২০০২ সালে এই কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ চব্বিশ বছর পেরিয়ে গেলেও প্রতিষ্ঠানটি আজও এমপিওভুক্ত হতে পারেনি। সরকারি কোনো অনুদান বা আর্থিক সহায়তা না থাকায় কলেজটির পরিচালনা এবং শিক্ষকদের জীবনযাত্রা অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আটজন শিক্ষক সম্পূর্ণ বিনা বেতনে পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন। দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি স্বীকৃতি না পাওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে যেমন হতাশা কাজ করছে, তেমনি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রমেও এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির বর্তমান অবকাঠামোগত অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় বলে জানা গেছে। কলেজটির কোনো নিজস্ব পাকা ভবন বা স্থায়ী অবকাঠামো নেই। বর্তমানে একটি জীর্ণদশাগ্রস্ত টিনশেড ঘরের মধ্যে কোনো রকমে পঠনপাঠন ও দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় শ্রেণিকক্ষ, ব্লাকবোর্ড, বসার বেঞ্চ এবং অন্যান্য শিক্ষা উপকরণের চরম অভাব রয়েছে। মৌলিক সুযোগ-সুবিধার এই তীব্র সংকটের কারণে এলাকার শিক্ষার্থীরা এই কলেজে ভর্তি হতে কোনো আগ্রহ দেখায় না। অভিভাবকেরাও তাদের সন্তানদের এমন ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে ভরসা পান না।

কলেজের অধ্যক্ষ মো নূরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, প্রতিষ্ঠার শুরুর দিকে কলেজটিতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বেশ সন্তোষজনক ছিল। কিন্তু দীর্ঘ চব্বিশ বছরেও কলেজটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় এবং অবকাঠামোগত তীব্র সংকটের কারণে শিক্ষার্থী সংখ্যা দিন দিন কমতে থাকে। ভালো মানের শিক্ষার্থীরা এখন আর এখানে ভর্তি হতে চায় না বললেই চলে। বাধ্য হয়ে তারা কম মেধার বা ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের ওপর ভরসা করে পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন, যা ফল বিপর্যয়ের অন্যতম প্রধান কারণ।

এ বিষয়ে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মজিদবাড়িয়া কলেজ থেকে কেবল একজন শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। প্রকাশিত ফলাফলের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাজু আহমেদ নামের সেই একমাত্র পরীক্ষার্থী এক বিষয়ে ফেল করায় কলেজটির শতভাগ শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে। এই ঘটনাটি স্থানীয় শিক্ষা মহলে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

advertisement
advertisement

ইসরায়েলের রাস্তায় হাজারো মানুষ, ইহুদি-আরব সরকার গঠনের দাবি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইসরায়েলের রাস্তায় হাজারো মানুষ, ইহুদি-আরব সরকার গঠনের দাবি

ইসরায়েলের রাস্তায় হাজারো মানুষ, ইহুদি-আরব সরকার গঠনের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের বিভিন্ন সড়কে হাজার হাজার মানুষ সমবেত হয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিতে জোরালো আন্দোলন শুরু করেছেন। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশটির সাধারণ নাগরিকরা ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে বসবাসের পক্ষে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করছেন। বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা বিভিন্ন ফেস্টুনে সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের বার্তা ফুটে ওঠে, যা পুরো অঞ্চলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আন্দোলনকারীরা এই সময় বেশ কিছু প্রগতিশীল ও শান্তির সপক্ষে স্লোগান দেন। তাদের মুখে বারবার উচ্চারিত হয় যে ইহুদি ও আরব জনগোষ্ঠী কখনোই একে অপরের শত্রু হতে পারে না। বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে একটি সমন্বিত ও বহুত্ববাদী সমাজ গঠনের ওপর তারা বিশেষভাবে জোর দেন।

বিক্ষোভের মূল দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের বাইরে এসে ইহুদি ও আরব রাজনৈতিক দলগুলোর যৌথ অংশগ্রহণে একটি নতুন সরকার গঠন করা। অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, একমাত্র পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই দেশের চলমান বিভাজন দূর করা সম্ভব। তাদের এই শান্তিপূর্ণ কিন্তু দৃঢ় আন্দোলন সরকারের নীতিনির্ধারকদের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে।

ইসরায়েলের বৈচিত্র্যময় সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নিজেদের সংহতি প্রকাশ করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতির মধ্যেও বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শৃঙ্খলিতভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যান। এই আন্দোলন দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

এইচএসসিতে ক্রীড়াবিদদের উড়ন্ত সাফল্য

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসিতে ক্রীড়াবিদদের উড়ন্ত সাফল্য

এইচএসসিতে ক্রীড়াবিদদের উড়ন্ত সাফল্য

শিক্ষা ডেস্ক: খেলার মাঠে দেশের হয়ে লড়াই করার পাশাপাশি পড়াশোনার জগতেও নিজেদের মেধার অনন্য স্বাক্ষর রেখেছেন বাংলাদেশের তরুণ ক্রীড়াবিদরা। সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট তথা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে সার্বিক পাসের হার কিছুটা কমে এলেও জাতীয় পর্যায়ের একঝাঁক অ্যাথলেটের সাফল্য গোটা দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আনন্দ ও উদ্দীপনার জোয়ার এনে দিয়েছে। কঠোর অনুশীলন এবং প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্টের ব্যস্ততা সত্ত্বেও এই উদীয়মান তারকারা প্রমাণ করেছেন যে ইচ্ছা থাকলে দুটি ভিন্ন ক্ষেত্রে একসঙ্গে সমানভাবে সফল হওয়া সম্ভব।

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা বিকেএসপির শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখে দারুণ আলো ছড়িয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নেওয়া জাতীয় নারী হকি দলের দুই পরিচিত মুখ ও যমজ বোন হিমাদ্রী বড়ুয়া এবং নিলাদ্রী বড়ুয়া অত্যন্ত চমৎকার ফলাফল অর্জন করেছেন। নিয়মিত ক্যাম্পের কঠোর ব্যস্ততা সামলে পড়াশোনা চালিয়ে গিয়ে হিমাদ্রী কাঙ্ক্ষিত জিপিএ ৫ অর্জন করেছেন এবং তাঁর বোন নিলাদ্রী পেয়েছেন ৪ দশমিক ৮৩। এছাড়া বিকেএসপির অন্য হকি তারকারাও পরীক্ষায় সাফল্যের ধারা বজায় রেখেছেন।

টেবিল টেনিসের পরিচিত মুখ এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনে অন্যতম সেরা খেলোয়াড় খই খই সাই মারমা বড় টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেও বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৪ দশমিক ৬৭ জিপিএ অর্জন করেছেন। ফুটবল অঙ্গন থেকেও এসেছে বেশ কিছু চমকপ্রদ সাফল্যের খবর, যেখানে বসুন্ধরা কিংসের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ ৪ দশমিক ৭১ এবং অনূর্ধ্ব-২০ দলের গোলরক্ষক মাহিন ৪ দশমিক ২৫ জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। নারী ফুটবলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ জিপিএ ৪ অর্জন করেছেন স্বর্ণা রানি মণ্ডল, পাশাপাশি নবিরন, ঐশী, বন্যা ও স্বপ্নার মতো উদীয়মান ফুটবলাররাও ভালো ফলাফল করেছেন।

ক্রিকেট মাঠের পেস বোলারদের বলের গতি সামলানোর মতো পড়াশোনার কঠিন বাধা ডিঙিয়ে সাফল্য পেয়েছেন জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের তারকা মারুফা আক্তার, যিনি অর্জন করেছেন ৩ দশমিক ১৭ জিপিএ। দেশের তরুণ প্রজন্মের এই অ্যাথলেটদের এমন কৃতিত্ব প্রমাণ করে যে দৃঢ় মনোবল এবং সঠিক পরিশ্রমের মাধ্যমে একই সঙ্গে খেলার মাঠ এবং শিক্ষার আঙিনা উভয় ক্ষেত্রেই বিজয়ী হওয়া যায়। তাদের এই সফলতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্রীড়াবিদদের জন্য এক নতুন অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

ফখরের সেঞ্চুরিতে শিরোপা পাকিস্তানের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফখরের সেঞ্চুরিতে শিরোপা পাকিস্তানের

ফখরের সেঞ্চুরিতে শিরোপা পাকিস্তানের

খেলা ডেস্ক: লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিক পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কার দেওয়া বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ ব্যাটিং প্রদর্শন করে দলটি। ওপেনার ফখর জামানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এবং শেষ দিকে ব্যাটারদের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের সুবাদে শিরোপা নিজেদের করে নেয় পাকিস্তান। ক্রিকেটপ্রেমীদের রোমাঞ্চ উপহার দেওয়া এই ফাইনালে নির্ধারিত ওভার শেষ হওয়ার আগেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা।

এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে আট উইকেটে তিনশ পঁচিশ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ গড়েছিল শ্রীলঙ্কা দল। দলের পক্ষে দারুণ ব্যাটিং করে ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি তুলে নেন কামিন্দু মেন্ডিস। তাঁর ১২৮ বলে খেলা ১৩১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসটিতে ছিল বারোটি চার ও দুটি ছক্কার মার। এছাড়া পাভন রত্নায়েকে করেন মূল্যবান ৭৭ রান। এই দুই ব্যাটারের অনবদ্য জুটি শ্রীলঙ্কাকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দিলেও শেষদিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় রান তোলার সুযোগ হাতছাড়া করে তারা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল পাকিস্তান। মাত্র চৌদ্দ রান তুলতেই সাজঘরে ফিরে যান দুই ব্যাটার মাজ সাদাকাত ও তারকা ক্রিকেটার বাবর আজম। তবে সেই প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে শক্ত অবস্থানে ফিরিয়ে আনেন ফখর জামান ও সাদ বেগ। এই জুটির দৃঢ়তায় খেলায় ফেরে স্বাগতিকরা। মাত্র নিরানব্বই বল মোকাবিলা করে ১২৭ রানের এক ঝলমলে ইনিংস খেলেন ফখর জামান, যার সুবাদে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে চার হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। এছাড়া সাদ বেগ দলের প্রয়োজনে ৭৪ রানের দায়িত্বশীল একটি ইনিংস উপহার দেন।

দলের জয়ের পথ সহজ করতে ফখর জামানের বিদায়ের পরেও আক্রমণাত্মক খেলা চালিয়ে যান নিচের সারির ব্যাটাররা। আরাফাত মিনহাস মাত্র একত্রিশ বলে একান্ন রানের একটি বিধ্বংসী ও ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করার পথে বড় ভূমিকা রাখেন। এছাড়া হাসান নওয়াজ অপরাজিত থেকে ৩৭ রানের কার্যকর অবদান রাখেন। শেষ পর্যন্ত শাহিন শাহ আফ্রিদির একটি ছক্কার মাধ্যমে জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান দল। অসাধারণ সেঞ্চুরি ও দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ম্যাচসেরার পুরস্কার অর্জন করেন ফখর জামান।