খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

অনুমতি পেলেও ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারছেন না পর্যটকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অনুমতি পেলেও ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারছেন না পর্যটকেরা

অনুমতি পেলেও ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারছেন না পর্যটকেরা

জাতীয় ডেস্ক: সরকারি পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য সেন্ট মার্টিন দ্বীপ উন্মুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা পেছাচ্ছে। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে নির্ধারিত সময়ে দ্বীপটিতে ভ্রমণ করতে যেতে পারছেন না সাধারণ পর্যটকেরা। পরিবেশ সংরক্ষণের নানা দিক বিবেচনা করেই এই সময়সীমা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, সেন্ট মার্টিন দ্বীপে অতিরিক্ত পর্যটক সমাগমের কারণে সেখানকার সামুদ্রিক পরিবেশ এবং প্রবাল প্রাচীর মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে। গত কয়েক বছর ধরে পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত চলাফেরা এবং প্লাস্টিক দূষণের ফলে দ্বীপের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের পক্ষ থেকে পর্যটন মৌসুম শুরুর সময় কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে কিছুটা আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তবে পরিবেশবাদীরা সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, দ্বীপটির ভঙ্গুর পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং ভ্রমণের নিয়মকানুন কঠোর করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছিল।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সেন্ট মার্টিনে যাতায়াত এবং সেখানে অবস্থানের ক্ষেত্রে নতুন কিছু নিয়ম ও শর্ত আরোপ করা হতে পারে। কবে নাগাদ পর্যটকেরা সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে খুব শীঘ্রই নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে। দ্বীপটির জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজও চলমান থাকবে।

advertisement
advertisement

নাহিদ: দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ চাই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নাহিদ: দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ চাই

নাহিদ: দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ চাই

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে সরকারের দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম। সম্প্রতি দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন এবং সরকারের ভেতরে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন। তার এই বক্তব্য প্রকাশের পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন যে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে তারা ব্যর্থ হয়েছেন দাবি করে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে তাদের পদে বহাল থাকার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। তাই আন্দোলনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে তাদের অপসারণের জোরালো দাবি জানানো হচ্ছে।

ছাত্র আন্দোলনের এই শীর্ষ নেতা আরও উল্লেখ করেন যে, রাষ্ট্র মেরামতের যে লক্ষ্য নিয়ে অভ্যুত্থান ঘটেছিল, তা বাস্তবায়ন করতে হলে প্রশাসনের ভেতর থেকে অদক্ষ ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের সরাতে হবে। মন্ত্রিপরিষদে পরিবর্তন না আনলে সংস্কার কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। জনগণের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন নিশ্চিত করতে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনার তাগিদ দেন তিনি।

এদিকে নাহিদ ইসলামের এই দাবির বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, ছাত্র নেতৃত্বের এই ধরনের কঠোর অবস্থান আগামী দিনে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

শচীন দেবের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শচীন দেবের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

শচীন দেবের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

বিনোদন ডেস্ক: কুমিল্লায় উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতজ্ঞ ও সুরস্রষ্টা শচীন দেব বর্মণের বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে শুরু হয়েছে শচীন মেলা। এই আয়োজনের উদ্বোধনী দিনে নগরীর ইউসুফ হাইস্কুল প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এই আনন্দ শোভাযাত্রাটি ঐতিহ্যবাহী শচীন দেব বর্মণের পৈতৃক বাড়িতে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে কিংবদন্তির স্মৃতিবিজড়িত প্রাঙ্গণে একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু এবং দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও মেলার আহ্বায়ক আলী রাজীব মাহমুদ মিঠুন স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবং পুরো অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মিজ্ রোজী আকতার।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি এম মনিরুজ্জামান, লেখক ও গবেষক অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক এবং ঐতিহ্য কুমিল্লার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল। অনুষ্ঠানে শিশু বক্তা হিসেবে কুমিল্লা জিলা স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইত্তিহাদ আহমেদ নন্দিত বক্তব্য দিয়ে উপস্থিত সকলের বিশেষ নজর কাড়ে। বক্তারা শচীন দেব বর্মণের অতুলনীয় সংগীত প্রতিভা এবং তাঁর সৃষ্টিশীলতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, শচীন দেব বর্মণ বাংলা ও হিন্দি সংগীত জগতের এক কালজয়ী ব্যক্তিত্ব যিনি তাঁর সুরের জাদুতে উপমহাদেশে স্বতন্ত্র স্থান করে নিয়েছেন। কুমিল্লার কৃতি সন্তান এই শিল্পীর স্মৃতি সংরক্ষণ এবং তাঁর সংগীত সাধনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এই ধরনের নিয়মিত আয়োজনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ১৯০৬ সালের পহেলা অক্টোবর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করা এই কিংবদন্তির অবদান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান আয়োজকরা।

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব জোরদার হয়েছে: হুমায়ুন কবির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব জোরদার হয়েছে: হুমায়ুন কবির

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ অংশীদারত্ব জোরদার হয়েছে: হুমায়ুন কবির

রাজনীতি ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক জাপান সফর দুই দেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতাকে একটি কার্যকর ও পারস্পরিক কল্যাণকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে। গত ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চার দিনের এই সরকারি সফরে বাংলাদেশকে উন্নয়ন সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ ও মানবসম্পদ উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করার জোরালো অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে টোকিও। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সফরের বিস্তারিত ফলাফল তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান যে, এই উদ্যোগ সরকারের সবার আগে বাংলাদেশ পররাষ্ট্রনীতিরই বাস্তব প্রতিফলন। প্রচলিত সহজ শর্তের ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কর্মসংস্থানের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

সফরের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর মধ্যে রয়েছে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে প্রায় এক লাখ কোটি ইয়েন বা প্রায় ছয় শ ৩০ কোটি ডলারের জাপানি বেসরকারি বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হওয়া, যা প্রায় দুই লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মধ্যকার বৈঠকে এই বিশাল বিনিয়োগের প্রস্তাবকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে এটি কোনো সরকারি ঋণ বা আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি নয়, বরং জাপানি বেসরকারি খাতের বহুল প্রত্যাশিত বিনিয়োগের সম্ভাব্যতা। উভয় পক্ষের পারস্পরিক পরামর্শ ও মন্ত্রী পর্যায়ের যৌথ আলোচনার পর শিগগিরই জাপানের একটি উচ্চপর্যায়ের অর্থনৈতিক প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে ঐতিহ্যবাহী অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে দুই দেশ বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট বা বিআইজি বি উদ্যোগকে আরও উন্নীত করে অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতায় রূপান্তর করতে একমত হয়েছে। এর আওতায় জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর, আধুনিক শিল্পস্থাপনা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সমন্বিত উন্নয়ন সাধিত হবে। এ ছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর প্রস্তুতি, ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় জাপানি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাপানের দেওয়া পাঁচ হাজার কোটি ইয়েনের জরুরি সহায়তা ঋণের জন্য দেশটির সরকারের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

সফরকালে মানবসম্পদ উন্নয়ন, কারিগরি সহযোগিতা এবং শিল্প খাতের আধুনিকায়ন বিশেষ অগ্রাধিকার লাভ করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকটি কর্পোরেশন ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক করে তৈরি পোশাক, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, উন্নত উৎপাদনশিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। ফুৎসুতে জেরা এর এলএনজি টার্মিনাল এবং নাগোয়ায় টয়োটার উৎপাদন কারখানা পরিদর্শনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জ্বালানি ও লজিস্টিকস খাতের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে। পাশাপাশি দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করতে শুল্ক ছাড়করণ, করব্যবস্থা এবং লাইসেন্স প্রদানে স্বচ্ছতা আনার বিষয়ে সরকারের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরা হয়।

সফরের শেষ পর্যায়ে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, উপকূলীয় নিরাপত্তা, জলবায়ু সহযোগিতা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। টেকসই নগরায়ণ, স্বাস্থ্যসেবা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানে জাপানের রাজনৈতিক ও মানবিক সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা। বৈশ্বিক শান্তি রক্ষা, নৌ চলাচলের স্বাধীনতা এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়েও দুই দেশের শীর্ষ নেতারা ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।