খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

অনুমতির প্রয়োজন নেই, জুতাসহ প্রবেশ করুন: ইউএনও কার্যালয়ের ব্যতিক্রমী বার্তা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অনুমতির প্রয়োজন নেই, জুতাসহ প্রবেশ করুন: ইউএনও কার্যালয়ের ব্যতিক্রমী বার্তা

অনুমতির প্রয়োজন নেই, জুতাসহ প্রবেশ করুন: ইউএনও কার্যালয়ের ব্যতিক্রমী বার্তা

জাতীয় ডেস্ক: সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি দপ্তরের দরজা আরও উন্মুক্ত করার এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ দেখা গেছে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে। প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে সেখানকার প্রবেশদ্বারে টাঙানো হয়েছে একটি বিশেষ বার্তা, যেখানে বলা হয়েছে অফিসে ঢুকতে কোনো পূর্বানুমতি লাগবে না এবং জুতা খুলেও প্রবেশ করতে হবে না। এই অভিনব পদক্ষেপটি সাধারণ সেবাপ্রত্যাশীদের মধ্যে বেশ কৌতূহল ও ইতিবাচক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। উপজেলা প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে আনার লক্ষ্যেই মূলত এই ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এর মাধ্যমে মূলত সেবাপ্রত্যাশীদের জুতা বাইরে রেখে যাওয়ার প্রচলিত বাধ্যবাধকতা এবং কর্মকর্তার কক্ষে প্রবেশের আগে আলাদাভাবে অনুমতি নেওয়ার বিড়ম্বনা পুরোপুরি দূর করা হয়েছে। সাধারণত সরকারি কার্যালয়গুলোতে সাধারণ মানুষ একধরনের মানসিক দ্বিধা ও সংকোচ নিয়ে প্রবেশ করেন, যা কাটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে এই বার্তাটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। ছোট্ট এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় যে সরকারি দপ্তরগুলো মূলত জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্যই পরিচালিত হয়ে থাকে।

স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এমন জনবান্ধব সিদ্ধান্তের ভূয়সী প্রশংসা করে জানিয়েছেন যে, এর ফলে সাধারণ মানুষ এখন থেকে কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর সাহায্য ছাড়াই সরাসরি নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরতে পারবেন। অনেক সময় সঠিক তথ্যের অভাবে বা ভয়ের কারণে মানুষ সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হন, যা এই ধরনের উন্মুক্ত পরিবেশের কারণে অনেকটাই কমে আসবে। সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, এই উদ্যোগের ফলে প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও মানবিক হয়ে উঠবে।

এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান রনি জানিয়েছেন যে, সরকারি দপ্তরগুলো জনগণের জন্যই তৈরি এবং এখানকার প্রতিটি কর্মকর্তা জনগণের সেবক মাত্র। সাধারণ মানুষ যেন কোনো রকম ভয়ভীতি বা দ্বিধা ছাড়াই তাঁদের প্রয়োজনীয় চাহিদা ও অভিযোগের কথা খোলামেলাভাবে ব্যক্ত করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই বার্তাটি দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই যেন নাগরিকরা সহজে প্রশাসনিক সেবা গ্রহণ করতে পারেন, সেটাই তাঁর প্রধান প্রত্যাশা বলে তিনি উল্লেখ করেন।

advertisement
advertisement

সৌদিতে ফ্লাইট চলাচলে সীমাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে ২২ হাজারের বেশি যাত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সৌদিতে ফ্লাইট চলাচলে সীমাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে ২২ হাজারের বেশি যাত্রী

সৌদিতে ফ্লাইট চলাচলে সীমাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে ২২ হাজারের বেশি যাত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনায় আকস্মিক সীমাবদ্ধতা দেখা দেওয়ায় বড় ধরনের যাত্রীবান্ধব ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই জটিলতার কারণে এখন পর্যন্ত প্রায় তেইশ হাজার বিমানযাত্রী নানা ধরনের দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবগামী এবং সেদেশ থেকে প্রত্যাবর্তনী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীরা এই পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন। হঠাৎ করে ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন প্রবাসীরা।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, এই সংকটের জেরে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে চলাচলকারী বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মোট একশর বেশি ফ্লাইট সরাসরি প্রভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি চলাচলকারী ফ্লাইট রয়েছে বিরাশিটি এবং বিভিন্ন দেশের ওপর দিয়ে ঘুরে যাওয়া ট্রানজিট ফ্লাইট রয়েছে সাতাত্তরটি। সব মিলিয়ে প্রায় দেড়শতাধিক ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ে চলাচল করতে না পারায় শিপর শিডিউল বা সময়সূচিতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে এসেছে।

পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায়, সরাসরি ফ্লাইটগুলোর একটি বড় অংশে বিঘ্ন ঘটেছে বাংলাদেশ ও সৌদির প্রধান কয়েকটি বিমান সংস্থার। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাঁইত্রিশটি, সৌদি এয়ারলাইনসের বিশটি, রিয়াদ এয়ারের পনেরোটি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের দশটি ফ্লাইট এই জটিলতার আওতাভুক্ত হয়েছে। অপরদিকে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোতেও সমানভাবে প্রভাব পড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ট্রানজিট ফ্লাইটের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিগোর ত্রিশটি, এমিরেটসের চোদ্দোটি, কাতার এয়ারওয়েজের নয়টি, ফ্লাই দুবাইয়ের আটটি এবং এয়ার ইন্ডিয়ার আটটি ফ্লাইট। এছাড়া সালাম এয়ারের সাতটি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইটও এই জটিলতার বাইরে নয়। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে সৌদি কর্তৃপক্ষের পরিচালনাগত সীমাবদ্ধতার জন্যই এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো যাত্রীদের এই ভোগান্তি লাঘবে এবং বিকল্প ব্যবস্থা করতে কাজ করে যাচ্ছে।

ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১০ বাংলাদেশি নারী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১০ বাংলাদেশি নারী

ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ১০ বাংলাদেশি নারী

জাতীয় ডেস্ক: উন্নত জীবনের আশায় অবৈধ উপায়ে ভারতে গিয়ে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ভোগ করার পর অবশেষে দেশে ফিরেছেন ১০ জন বাংলাদেশি নারী। সম্প্রতি দুই দেশের সরকারের পারস্পরিক কূটনৈতিক সহযোগিতা এবং বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে শূন্যরেখায় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব নারীকে হস্তান্তর করে।

ফিরে আসা এই নারীদের মধ্যে রয়েছেন সুমি খাতুন, সাবিনা বেগম, নুরবানু, টুম্পা বেগম, হালিমা খাতুন, তন্বী আক্তার, মুন্নি আক্তার, জান্নাতি খাতুন, সামিয়া আক্তার এবং শিরিনা খাতুন। তাদের বাড়ি দেশের বিভিন্ন জেলা যেমন যশোর, খুলনা, নড়াইল, ফরিদপুর ও চাঁদপুরে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট মানবাধিকার সংস্থার তত্ত্বাবধানে তাদের নিজ নিজ এলাকায় পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে দালালচক্রের প্রলোভনে পড়ে এবং ভালো কর্মসংস্থানের আশ্বাসে তারা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে পুনে শহরের বিভিন্ন বাসাবাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করার সময় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তারা আটক হন। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করে এবং সাজা ভোগ শেষে তাদের পুনের কেন্দ্রীয় কারাগারে আটকে রাখা হয়।

কারাগার থেকে মুক্তির পর ভারতের একটি স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা তাদের দায়িত্ব নিয়ে নিজেদের শেল্টার হোমে আশ্রয় দেয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ও ভারতীয় দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে এবং বিশেষ ট্রাভেল পারমিট ইস্যুর মাধ্যমে তাদের দেশে ফেরার পথ সুগম হয়। বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করার পর তাদের জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামক একটি মানবাধিকার সংস্থার যশোরে অবস্থিত শেল্টার হোমে রাখা হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থাটির যশোরের ডেপুটি ম্যানেজার মুহিত হোসেন জানান, শেল্টার হোমে তাদের প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা, কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। এই প্রক্রিয়াগুলো সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে নিরাপদে হস্তান্তর করা হবে। অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের ঝুঁকিপূর্ণ দিক এবং দালালের প্রতারণা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুমতি পেলেও ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারছেন না পর্যটকেরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অনুমতি পেলেও ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারছেন না পর্যটকেরা

অনুমতি পেলেও ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিনে যেতে পারছেন না পর্যটকেরা

জাতীয় ডেস্ক: সরকারি পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য সেন্ট মার্টিন দ্বীপ উন্মুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা পেছাচ্ছে। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে নির্ধারিত সময়ে দ্বীপটিতে ভ্রমণ করতে যেতে পারছেন না সাধারণ পর্যটকেরা। পরিবেশ সংরক্ষণের নানা দিক বিবেচনা করেই এই সময়সীমা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, সেন্ট মার্টিন দ্বীপে অতিরিক্ত পর্যটক সমাগমের কারণে সেখানকার সামুদ্রিক পরিবেশ এবং প্রবাল প্রাচীর মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে। গত কয়েক বছর ধরে পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত চলাফেরা এবং প্লাস্টিক দূষণের ফলে দ্বীপের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের পক্ষ থেকে পর্যটন মৌসুম শুরুর সময় কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে কিছুটা আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তবে পরিবেশবাদীরা সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, দ্বীপটির ভঙ্গুর পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং ভ্রমণের নিয়মকানুন কঠোর করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছিল।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, সেন্ট মার্টিনে যাতায়াত এবং সেখানে অবস্থানের ক্ষেত্রে নতুন কিছু নিয়ম ও শর্ত আরোপ করা হতে পারে। কবে নাগাদ পর্যটকেরা সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে খুব শীঘ্রই নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে। দ্বীপটির জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজও চলমান থাকবে।