খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

১৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩০০ প্রকল্প নিয়ে বিজ্ঞান কার্নিভাল শুরু

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩০০ প্রকল্প নিয়ে বিজ্ঞান কার্নিভাল শুরু

১৫০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩০০ প্রকল্প নিয়ে বিজ্ঞান কার্নিভাল শুরু

শিক্ষা ডেস্ক: রাজধানীর স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজের উদ্যোগে দেশজুড়ে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী বিজ্ঞান উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। বিএনএমপিসি ন্যাশনাল সায়েন্স কার্নিভাল-২০২৬ শিরোনামের এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেড়শটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। এই বিজ্ঞান মেলায় বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রায় তিনশোটি উদ্ভাবনী প্রজেক্ট বা প্রকল্প প্রদর্শনীর জন্য উপস্থাপন করেছে। তরুণ প্রজন্মের মাঝে বিজ্ঞানমনস্কতা তৈরি এবং তাদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের প্রধান লক্ষ্য নিয়ে এই বর্ণাঢ্য উৎসবের সূচনা করা হয়েছে।

গত ২৯ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই বিজ্ঞান উৎসব আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত নানা বৈচিত্র্যময় আয়োজনের মধ্য দিয়ে চলমান থাকবে। তিন দিনব্যাপী এই কার্নিভালে বিজ্ঞানভিত্তিক অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতা, দেওয়াক পত্রিকা প্রকাশনা, প্রজেক্ট উপস্থাপন, উপস্থিত বক্তৃতা পর্ব এবং অ্যানালিটিক্যাল কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা যাচাই করতে গল্প লিখন ও কম্পিউটার গেমিংসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় ইভেন্টের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য বিজ্ঞান চর্চাকে আরও আনন্দদায়ক করতে জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘরের সহযোগিতায় একটি ফোর-ডি মুভি বাস ও একটি বিশেষ মিউজিয়াম বাস দিয়ে ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়েছে।

উৎসবের দ্বিতীয় দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের তৈরি নানা প্রজেক্ট ঘুরে দেখেন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। প্রজেক্টগুলো ঘুরে দেখার পাশাপাশি তিনি তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তির ব্যবহার দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় কার্নিভালের অংশ হিসেবে আয়োজিত একটি বিশেষ আলোচনা সভায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি তার মূল্যবান দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান চর্চায় আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

আলোচনা সভায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন যে, শুধুমাত্র পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য পড়াশোনা না করে বরং সত্যিকারের জ্ঞানার্জনের ব্রত নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। বিজ্ঞানকে ভয়ের বিষয় না ভেবে নতুন কিছু জানার ও আবিষ্কার করার প্রধান মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন। আজকের কৌতূহলী ও মেধাবী শিক্ষার্থীরাই যে আগামী দিনের দেশসেরা বিজ্ঞানী, গবেষক ও উদ্ভাবক হয়ে উঠবে, সে বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তরুণ এই প্রজন্মেরই হাত ধরে বাংলাদেশ একদিন জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

advertisement
advertisement

স্কুলের গণ্ডি না পেরোনো কারখানা শ্রমিকই হলেন চীনের সবচেয়ে ধনী নারী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
স্কুলের গণ্ডি না পেরোনো কারখানা শ্রমিকই হলেন চীনের সবচেয়ে ধনী নারী

স্কুলের গণ্ডি না পেরোনো কারখানা শ্রমিকই হলেন চীনের সবচেয়ে ধনী নারী

অর্থনীতি ডেস্ক: কৈশোরে বিদ্যালয়ের গণ্ডি পার হওয়ার আগেই পড়ালেখায় ইতি টেনেছিলেন এক তরুণী। ঘড়ি তৈরির একটি কারখানায় সামান্য বেতনে দৈনিক মজুরির শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। কারখানার সেই ঝরে পড়া কর্মীটিই আজ পরিশ্রম ও মেধার জোরে চীনের সবচেয়ে ধনী নারীতে পরিণত হয়েছেন। প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান লেন্স টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা ঝৌ ছুনফেইর এই সাফল্যের গল্প এখন বিশ্বজুড়ে আলোচিত। হুরুন রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রকাশিত শীর্ষ ধনী নারীদের তালিকা অনুযায়ী এই সফল উদ্যোক্তা আবার নিজের শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছেন। গত এক বছরে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

১৯৭০ সালে চীনের হুনান প্রদেশে জন্ম নেওয়া ঝৌ শৈশবেই জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন। তরুণ বয়সে পড়াশোনা ছেড়ে তিনি শেনজেন শহরে পাড়ি জমান এবং একটি কাচ তৈরির কারখানায় চাকরি নেন। সেখানে কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি তিনি কাচ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আধুনিক নকশা তৈরির নানা কৌশল নিপুণভাবে আয়ত্ত করেন। মাত্র তেইশ বছর বয়সে তিনি নিজের একটি ছোট কাচ প্রক্রিয়াজাতকরণ কর্মশালা চালু করেন। পরবর্তীতে এই ছোট উদ্যোগটিই লেন্স টেকনোলজিতে রূপ নেয়, যা স্মার্টফোনের পর্দার জন্য উন্নত মানের কাচের কভার উৎপাদনে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করে।

২০০৭ সালে প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের প্রথম আইফোনের জন্য কাচের কভার সরবরাহের সুযোগ পাওয়ার পর ঝৌয়ের ব্যবসা সম্প্রসারণে নতুন গতি আসে। পরবর্তী সময়ে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ধাক্কা ও বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি হলেও তিনি থেমে থাকেননি। স্মার্টফোনের বাইরে বৈদ্যুতিক গাড়ি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশ এবং রোবোটিকস খাতের মতো উদীয়মান ক্ষেত্রগুলোতে লেন্স টেকনোলজির ব্যবসা সফলভাবে ছড়িয়ে দেন এই উদ্যোক্তা। হংকংয়ের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তাদের মূলধন আরও শক্তিশালী করে।

বেইজিংয়ে আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে আমন্ত্রিত হয়ে ঝৌ নিজের প্রভাবশালী অবস্থানের প্রমাণ দেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে কেবল কম্পিউটিং সক্ষমতা নয়, বরং সামগ্রিক প্রযুক্তিব্যবস্থায় ধারাবাহিক উদ্ভাবনের ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন। হুরুনের তথ্য অনুযায়ী চীনের শীর্ষ ধনী নারীদের একটি বড় অংশই সম্পূর্ণ নিজেদের প্রচেষ্টায় এই অবস্থানে পৌঁছেছেন, যা নারী উদ্যোক্তাদের ক্রমবর্ধমান শক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।

অনুমতির প্রয়োজন নেই, জুতাসহ প্রবেশ করুন: ইউএনও কার্যালয়ের ব্যতিক্রমী বার্তা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অনুমতির প্রয়োজন নেই, জুতাসহ প্রবেশ করুন: ইউএনও কার্যালয়ের ব্যতিক্রমী বার্তা

অনুমতির প্রয়োজন নেই, জুতাসহ প্রবেশ করুন: ইউএনও কার্যালয়ের ব্যতিক্রমী বার্তা

জাতীয় ডেস্ক: সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি দপ্তরের দরজা আরও উন্মুক্ত করার এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ দেখা গেছে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে। প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে সেখানকার প্রবেশদ্বারে টাঙানো হয়েছে একটি বিশেষ বার্তা, যেখানে বলা হয়েছে অফিসে ঢুকতে কোনো পূর্বানুমতি লাগবে না এবং জুতা খুলেও প্রবেশ করতে হবে না। এই অভিনব পদক্ষেপটি সাধারণ সেবাপ্রত্যাশীদের মধ্যে বেশ কৌতূহল ও ইতিবাচক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। উপজেলা প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে আনার লক্ষ্যেই মূলত এই ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এর মাধ্যমে মূলত সেবাপ্রত্যাশীদের জুতা বাইরে রেখে যাওয়ার প্রচলিত বাধ্যবাধকতা এবং কর্মকর্তার কক্ষে প্রবেশের আগে আলাদাভাবে অনুমতি নেওয়ার বিড়ম্বনা পুরোপুরি দূর করা হয়েছে। সাধারণত সরকারি কার্যালয়গুলোতে সাধারণ মানুষ একধরনের মানসিক দ্বিধা ও সংকোচ নিয়ে প্রবেশ করেন, যা কাটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে এই বার্তাটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। ছোট্ট এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় যে সরকারি দপ্তরগুলো মূলত জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্যই পরিচালিত হয়ে থাকে।

স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এমন জনবান্ধব সিদ্ধান্তের ভূয়সী প্রশংসা করে জানিয়েছেন যে, এর ফলে সাধারণ মানুষ এখন থেকে কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর সাহায্য ছাড়াই সরাসরি নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরতে পারবেন। অনেক সময় সঠিক তথ্যের অভাবে বা ভয়ের কারণে মানুষ সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হন, যা এই ধরনের উন্মুক্ত পরিবেশের কারণে অনেকটাই কমে আসবে। সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, এই উদ্যোগের ফলে প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও মানবিক হয়ে উঠবে।

এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান রনি জানিয়েছেন যে, সরকারি দপ্তরগুলো জনগণের জন্যই তৈরি এবং এখানকার প্রতিটি কর্মকর্তা জনগণের সেবক মাত্র। সাধারণ মানুষ যেন কোনো রকম ভয়ভীতি বা দ্বিধা ছাড়াই তাঁদের প্রয়োজনীয় চাহিদা ও অভিযোগের কথা খোলামেলাভাবে ব্যক্ত করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই বার্তাটি দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই যেন নাগরিকরা সহজে প্রশাসনিক সেবা গ্রহণ করতে পারেন, সেটাই তাঁর প্রধান প্রত্যাশা বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মাত্র ২ বছর ১০ মাসেই তবলার ১২ তাল বাজিয়ে রেকর্ড

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাত্র ২ বছর ১০ মাসেই তবলার ১২ তাল বাজিয়ে রেকর্ড

মাত্র ২ বছর ১০ মাসেই তবলার ১২ তাল বাজিয়ে রেকর্ড

ডেস্ক রিপোর্ট: মাত্র দুই বছর দশ মাস বয়সে অনন্য এক কৃতিত্ব অর্জন করে তাক লাগিয়েছে কর্ণাটকের খুদে শিশু স্বরশ্রী হেগড়ে। এই বয়সেই সে তবলার বারোটি ভিন্ন তাল নির্ভুলভাবে আবৃত্তি ও বাজিয়ে দেখিয়েছে। তার এই অসাধারণ প্রতিভা ও পারদর্শিতা ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট সকলের নজর কেড়েছে।

ভারতের বিখ্যাত রেকর্ড সংরক্ষণ সংস্থা ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এত কম বয়সে তবলার মতো একটি জটিল বাদ্যযন্ত্রের ওপর এমন মুন্সিয়ানা দেখানোর ঘটনা সত্যিই বিরল। তার এই সাফল্যের খবর প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই দেশজুড়ে প্রশংসার জোয়ার বইছে।

ছোট্ট স্বরশ্রীর এই প্রতিভার পেছনে তার পরিবার এবং গুরুজনদের নিরলস উৎসাহ ও পরিচর্যা রয়েছে বলে জানা গেছে। খুব অল্প বয়স থেকেই সে তবলার আওয়াজ ও ছন্দের প্রতি তীব্র আকর্ষণ অনুভব করত। তার এই অভাবনীয় অর্জনে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তার অভিভাবক ও স্থানীয় শুভানুধ্যায়ীরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বয়সে তবলার মতো তাল বাদ্যের জটিলতা আয়ত্ত করা অত্যন্ত কঠিন ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে স্বরশ্রী তার সহজাত মেধা দিয়ে এই অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছে। ভবিষ্যতে এই খুদে সংগীতশিল্পী দেশের জন্য আরও বড় সুনাম বয়ে আনবে বলে সবাই আশা প্রকাশ করছেন।