খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

পেট্রাপোলে পণ্যবাহী ট্রাকের জট, বেনাপোলে প্রবেশে বিলম্বের অভিযোগ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পেট্রাপোলে পণ্যবাহী ট্রাকের জট, বেনাপোলে প্রবেশে বিলম্বের অভিযোগ

পেট্রাপোলে পণ্যবাহী ট্রাকের জট, বেনাপোলে প্রবেশে বিলম্বের অভিযোগ

অর্থনীতি ডেস্ক: ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দরে শিল্পকারখানার কাঁচামাল এবং বিভিন্ন পণ্যবোঝাই শত শত ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকে রয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বিভিন্ন ধরনের জটিলতার কারণে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে বেনাপোল স্থলবন্দরে পৌঁছাতে তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত সময় লেগে যাচ্ছে। এর ফলে আমদানিকারকদের অতিরিক্ত মাশুল গুনতে হচ্ছে এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

সম্প্রতি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ছয় দিনের ছুটি শেষে দুই দেশের এই স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়। কিন্তু সাইবার হামলার ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সার্ভার দুই দিন বন্ধ রাখা হয়। এর ওপর আবার বেনাপোল বন্দরের ওয়েট স্কেলে পণ্যের ওজন মাপার সার্ভারও অকার্যকর হয়ে পড়ায় ট্রাকের জট আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে।

ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, পূজার ছুটির ওই সময়ে পেট্রাপোল বন্দরে বাংলাদেশমুখী প্রায় এক হাজার চারশ পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছিল। পরবর্তী সময়ে বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কিছু পচনশীল পণ্য খালাস করা হলেও এখনো উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ট্রাক ওপারে আটকা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাণিজ্য সচল রাখতে বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট গেট খুলে দেওয়া এবং উভয় দেশের সংশ্লিষ্টদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির তাগিদ দিয়েছেন তারা।

এদিকে ব্যবসায়ীদের করা এই অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন মত পোষণ করেছে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, পূজার ছুটির কারণে সৃষ্ট জট ইতোমধ্যে অনেকটাই কমে এসেছে এবং বর্তমানে সেখানে তিন শ থেকে সাড়ে তিন শ ট্রাক আটকে আছে। জট দ্রুত নিরসনের জন্য কাস্টমস কর্মকর্তারা নির্ধারিত সময়ের চেয়েও বেশি সময় ধরে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে।

advertisement
advertisement

প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

জাতীয় ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে দেশের সার্বিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে দেশের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটির সদস্যরা দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় প্রতিরক্ষা খাতের আধুনিকায়নের বিকল্প নেই বলে মত প্রকাশ করেন।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী সংসদ সদস্যরা দেশের বর্তমান প্রতিরক্ষা খাতের নানা দিক পর্যালোচনা করেন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আরও যুগোপযোগী করার সুপারিশ প্রদান করেন। বিশেষ করে আকাশসীমা রক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা এবং সীমান্তবর্তী এলাকার নজরদারি বাড়ানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। তারা মনে করেন, বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের সামরিক বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা জরুরি।

এছাড়াও, প্রতিরক্ষা খাতের বাজেট বরাদ্দ এবং এর যথাযথ ব্যবহারের বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত পর্যালোচনা চালানো হয়। বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার তাগিদ দিয়ে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, আধুনিক সরঞ্জামের মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত থেকে কমিটির বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন।

বৈঠক শেষে কমিটির পক্ষ থেকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর মনোবল অটুট রাখার পাশাপাশি তাদের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়। দেশের প্রতিরক্ষা শক্তিকে আরও সুসংহত করতে সংসদীয় কমিটির এই সুপারিশগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

দেশে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেশে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী

দেশে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী

আইন-আদালত ডেস্ক: দেশের আদালতগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা মামলার জট দিন দিন উদ্বেগজনক আকার ধারণ করছে। সম্প্রতি আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন যে বর্তমানে সারা দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিয়ানব্বই লাখের বেশি। বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের দীর্ঘ দুর্ভোগ লাঘব করতে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই বিশাল পরিমাণ মামলার জট একটি বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিচার বিভাগের এই পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ইতিমধ্যে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিচার ব্যবস্থার এই স্থবিরতা কাটাতে বিচারকদের কাজের প্রতি আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী। তিনি স্পষ্টভাষায় উল্লেখ করেছেন যে বিচারকাজে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। যারা দায়িত্ব পালনে অনীহা প্রকাশ করেন এবং অলস সময় কাটাতে চান, তাঁদের কঠোর বার্তা দিয়েছেন তিনি। বিচার বিভাগের গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

দায়িত্বে অবহেলাকারী বিচারকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন যে কোনো বিচারক যদি স্বাচ্ছন্দে অলস সময় কাটাতে চান, তবে তাঁদের তেমন অঞ্চলেই পদায়ন করা হবে যেখানে কাজ কম থাকে। তাঁর এই মন্তব্য বিচার বিভাগের ভেতরের কার্যপদ্ধতি ও প্রশাসনিক বদলি নীতির কঠোর বাস্তবায়নের ইঙ্গিত বহন করে। বিচারালয়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং কাজের গতি বাড়াতে প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থান অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

দেশের বিচার ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। মামলার জট কমানোর জন্য বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি এবং আদালতের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। বিচারকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। বিচার বিভাগের সামগ্রিক সংস্কার সম্পন্ন হলে এই মামলার পাহাড় অচিরেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় তিন বছর পেছাল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় তিন বছর পেছাল

বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় তিন বছর পেছাল

অর্থনীতি ডেস্ক: স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের চূড়ান্ত উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পেছানো হয়েছে। এর ফলে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ২০২৬ সালের নভেম্বরের পরিবর্তে বাংলাদেশ এখন ২০২৯ সালের নভেম্বর মাসে এই বিশেষ মর্যাদা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নীত হবে। সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া বিভিন্ন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং অর্থনৈতিক প্রস্তুতির কথা বিবেচনা করে এই সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই অতিরিক্ত তিন বছর সময় পাওয়ার ফলে দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের ওপর সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা করার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিভিন্ন ধরনের শুল্কমুক্ত সুবিধা এবং আর্থিক প্রণোদনাগুলো ২০২৯ সাল পর্যন্ত বহাল থাকবে। এর ফলে দেশের রপ্তানি খাত এবং সামগ্রিক শিল্পায়ন এই বাড়তি সময়ের সুবিধা গ্রহণ করে নিজেদের আরও প্রতিযোগিতাপূর্ণ করে তুলতে পারবে।

স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উন্নত দেশের বাজারে যেসব বাণিজ্য সুবিধা পেয়ে আসছে, উত্তরণের পর তা ক্রমান্বয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। এই তিন বছরের বর্ধিত সময় দেশের নীতি নির্ধারক এবং ব্যবসায়ীদের জন্য একটি বিরাট সুযোগ হিসেবে কাজ করবে, যাতে তারা বিশ্ববাজারের নতুন প্রতিযোগিতার সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারেন। বিশেষ করে ওষুধ শিল্প, তৈরি পোশাক খাত এবং কৃষিপণ্য রপ্তানিতে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় এই সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উত্তরণের এই সময়সীমা পরিবর্তনের ফলে অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রেও সরকারের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই বর্ধিত সময়ের সদ্ব্যবহার করে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রক্রিয়াগুলো আরও জোরদার করা সম্ভব হবে। সার্বিকভাবে, দেশের অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষে এই সময় বৃদ্ধি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।