খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা আর অনুশোচনা—‘দার–এ–নিজাত’ নিয়ে এত আলোচনা কেন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা আর অনুশোচনা—‘দার–এ–নিজাত’ নিয়ে এত আলোচনা কেন

প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা আর অনুশোচনা—‘দার–এ–নিজাত’ নিয়ে এত আলোচনা কেন

বিনোদন ডেস্ক: ভালোবাসার বৈচিত্র্যময় রূপ এবং সম্পর্কের জটিল সমীকরণ নিয়ে নির্মিত পাকিস্তানি টেলিভিশন ধারাবাহিক 'দার–এ–নিজাত' বর্তমানে দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে মিল থাকা এই নাটকের গল্পবিন্যাস খুব সহজেই সাধারণ দর্শকদের আবেগ নাড়া দিতে সক্ষম হয়েছে। নাটকের প্রতিটি চরিত্রের ভেতরের দ্বন্দ্ব এবং মানসিক টানাপোড়েন নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলার কারণে এটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা।

ধারাবাহিকটির মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে মানবজীবনের চিরন্তন কিছু অনুভূতি যেমন প্রেম, বিশ্বাসভঙ্গ এবং পরবর্তীতে অনুশোচনার মতো বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে। জীবনের পথ চলতে গিয়ে মানুষ কীভাবে নিজেদের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে প্রিয়জনদের হারাতে বসে এবং পরবর্তীতে সেই অপরাধবোধে দগ্ধ হয়, তা অত্যন্ত সুনিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে এতে। সম্পর্কের এই মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলো ফুটিয়ে তোলার মাধ্যমেই নির্মাতা মূলত দর্শকদের পর্দার সামনে ধরে রাখতে পেরেছেন।

নাটকটির জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে এর শক্তিশালী চিত্রনাট্য এবং শিল্পীদের অনবদ্য অভিনয় প্রতিভা। প্রতিটি চরিত্র এমনভাবে রূপায়ন করা হয়েছে যা দর্শকদের বাস্তব জীবনের নানা ঘটনার কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়, যার ফলে দর্শকের সঙ্গে নাটকের এক ধরনের আত্মিক সংযোগ তৈরি হয়। বিশেষ করে প্রধান চরিত্রগুলোর মধ্যকার সংঘাত এবং আবেগী মুহূর্তগুলো দর্শকদের মনে গভীর দাগ কাটতে পেরেছে।

বর্তমান সময়ে বিভিন্ন দেশের নাটকের ভিড়ে এই পাকিস্তানি ধারাবাহিকটি তার ব্যতিক্রমী বিষয়বস্তু এবং উপস্থাপনার মুন্সিয়ানার সুবাদে একটি বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছে। বিনোদনপ্রেমীরা কেবল এর গল্প উপভোগই করছেন না, বরং নাটকের বিভিন্ন মোড় ও চরিত্রগুলোর পরিণতি নিয়ে নিজেদের মতামত ও বিশ্লেষণও তুলে ধরছেন বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে। সবমিলিয়ে, সম্পর্কের গভীর অনুভূতিগুলোকে পর্দায় জীবন্ত করে তোলার ফলেই ধারাবাহিকটি আজ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

advertisement
advertisement

ইউনিয়ন পর্যায়ে স্ক্রিনিং ও জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করবে সরকার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইউনিয়ন পর্যায়ে স্ক্রিনিং ও জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করবে সরকার

ইউনিয়ন পর্যায়ে স্ক্রিনিং ও জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করবে সরকার

স্বাস্থ্য ডেস্ক: স্ট্রোকের ঝুঁকি দ্রুত শনাক্ত করতে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে স্ক্রিনিং কার্যক্রম এবং জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনার কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ও ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট নিউরোলজিস্ট, নিউরোসার্জন ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন যে, কেবল নতুন হাসপাতাল নির্মাণ করে রোগীর ক্রমবর্ধমান চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব নয়, বরং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করতে হবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র এবং বিশেষ হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং ওয়ার্কার নিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। নিয়োজিত এই স্বাস্থ্যকর্মীরা নিয়মিতভাবে প্রতিটি পরিবারে গিয়ে প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা করবেন, যা স্ট্রোকের প্রধান দুটি ঝুঁকি প্রাথমিক পর্যায়ে মোকাবিলা করতে সাহায্য করবে।

স্ট্রোকের চিকিৎসায় সময়ের গুরুত্ব তুলে ধরে ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান যে, অনেক সময় রোগীর স্বজনেরা সঠিক হাসপাতাল খুঁজে পেতে বিপাকে পড়েন এবং মূল্যবান সময় নষ্ট হয়। এই জটিলতা দূর করতে জেলা পর্যায়ে আধুনিক কল সেন্টার এবং কেন্দ্রীয় অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সগুলোতে প্রশিক্ষিত প্যারামেডিকরা উপস্থিত থাকবেন, যারা রোগীর শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন করে তাকে দ্রুততম সময়ে উপযুক্ত ও বিশেষায়িত হাসপাতালে পৌঁছে দিতে সহায়তা করবেন।

সেমিনারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান যে, স্ট্রোক সারা বিশ্বে মৃত্যু এবং দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতার অন্যতম প্রধান একটি কারণ হিসেবে চিহ্নিত। অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান, স্থূলতা এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা মূলত এই মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া হঠাৎ মুখ বেঁকে যাওয়া, শরীরের কোনো একপাশ অবশ বা দুর্বল হওয়া কিংবা কথা বলতে সমস্যা হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে কোনো সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা গ্রহণের পরামর্শ দেন তারা।

বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ও ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হাসপাতালের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ডা. একে আজাদ খান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনসের সচিব অধ্যাপক ডা. ফিরোজ কাদের এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনসহ দেশের খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা।

জেলে-কন্যা লিকার হাতে জাতীয় ব্যাডমিন্টনের শিরোপা, কাঁদলেন মা-মেয়ে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জেলে-কন্যা লিকার হাতে জাতীয় ব্যাডমিন্টনের শিরোপা, কাঁদলেন মা-মেয়ে

জেলে-কন্যা লিকার হাতে জাতীয় ব্যাডমিন্টনের শিরোপা, কাঁদলেন মা-মেয়ে

খেলা ডেস্ক: জাতীয় ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের নারী এককের ফাইনালে এক দুর্দান্ত ও রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন লিকা পোদ্দার। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তিনি পরাজিত করেন প্রতিযোগিতার সাবেক চ্যাম্পিয়ন উর্মি আক্তারকে। শুরু থেকেই ম্যাচটিতে দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে পয়েন্ট অর্জনের জন্য কঠোর লড়াই চলতে থাকে, যা দর্শকদের দীর্ঘক্ষণ উৎকণ্ঠায় রাখে। শেষ পর্যন্ত নিজের স্নায়ুচাপ ধরে রেখে এবং অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করে জয় ছিনিয়ে নেন লিকা।

এই অভাবনীয় জয়ের পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নতুন চ্যাম্পিয়ন লিকা পোদ্দার এবং তার পরিবার। জয়ের মুহূর্তেই আনন্দে কেঁদে ফেলেন তার মা এবং লিকা নিজেও। একজন সাধারণ জেলের কন্যা হিসেবে তার এই সুদীর্ঘ ও সংগ্রামমুখর ক্রীড়াজীবন এতটা সহজ ছিল না। নানান প্রতিকূলতা, আর্থিক সংকট এবং সরঞ্জামের ঘাটতি মোকাবিলা করে তাকে খেলায় টিকে থাকতে হয়েছে। আজকের এই জয়ের মাধ্যমে তার সেই দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং না বলা কষ্টের এক সার্থক রূপায়ণ ঘটেছে।

ম্যাচটি শেষে বিজয়ী ট্রফি হাতে পাওয়ার পর লিকার কণ্ঠে ফুটে ওঠে কৃতজ্ঞতা ও আত্মবিশ্বাসের সুর। তিনি তার এই সাফল্যের পুরো কৃতিত্ব দেন নিজের পরিবার ও কোচকে, যারা চরম বিপদের দিনেও তার পাশে থেকেছেন এবং তাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন। অন্যদিকে সাবেক চ্যাম্পিয়ন উর্মি আক্তারও লিকাকে তার এই জয়ের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই ফাইনাল ম্যাচটি দেশের ব্যাডমিন্টনঙ্গনে নতুন এক রোমাঞ্চকর অধ্যায়ের সূচনা করল এবং তরুণ প্রজন্মের খেলোয়াড়দের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।

দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এই অভাবনীয় সাফল্য নতুন এক ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে জাতীয় পর্যায়ে এমন গৌরব অর্জন প্রমাণ করে যে, ইচ্ছা শক্তি ও প্রতিভা থাকলে যেকোনো প্রতিকূলতা পেরিয়ে চূড়ায় পৌঁছানো সম্ভব। লিকা পোদ্দারের এই ঐতিহাসিক বিজয় দেশের উদীয়মান তরুণ অ্যাথলেটদের জন্য বিশেষ করে নারী ক্রীড়াবিদদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন প্রেরণা জোগাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ইস্ট ওয়েস্টে সেমিনার: সিনিয়রদের মিডিয়া লিটারেসিতে সহায়তার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইস্ট ওয়েস্টে সেমিনার: সিনিয়রদের মিডিয়া লিটারেসিতে সহায়তার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার

ইস্ট ওয়েস্টে সেমিনার: সিনিয়রদের মিডিয়া লিটারেসিতে সহায়তার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার

জাতীয় ডেস্ক: ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে সম্প্রতি এক বিশেষ সেমিনার ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। বিশ্ব মিডিয়া ও তথ্য সচেতনতা সপ্তাহের দেশব্যাপী উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে একবিংশ শতাব্দীর তরুণদের জন্য মিডিয়া ও ইনফরমেশন লিটারেসি স্কিলস বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ইউনেসকো ঢাকা অফিস, মিডিয়া অ্যান্ড ইনফরমেশন লিটারেসি নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ এবং জাতিসংঘের নির্বাচনী প্রকল্প ব্যালটের যৌথ সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুর এলাহী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন যে বিশ্বজুড়ের পাশাপাশি বাংলাদেশেও বর্তমান সময়ে ভুয়া তথ্য প্রচারের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সরকার কোনো ধরনের কঠোর নিয়ন্ত্রণের পথ বেছে না নিয়ে সাধারণ মানুষকে আরও বেশি শিক্ষিত ও সচেতন করে তোলার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে তরুণ প্রজন্মের তুলনায় বয়স্ক বা প্রবীণ ব্যক্তিরাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুল তথ্যের কারণে বেশি প্রভাবিত হচ্ছেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বয়স্ক মানুষদের সঠিক তথ্য বাছাই করতে সহায়তা করার জন্য তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান তিনি।

ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আশিক মোসাদ্দিক, ইউনেসকোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. সুসান ভাইজ এবং জাতিসংঘের নির্বাচনী প্রকল্প ব্যালট বাংলাদেশের প্রতিনিধি আন্দ্রেস দেল কাস্তিলো সানচেজ। বক্তারা বর্তমান ডিজিটাল যুগে সঠিক তথ্য যাচাইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং গণমাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহারের ওপর জোর দেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. দিলারা বেগম। প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মোস্তাক গাউসুল হক। সেমিনারের শেষ পর্যায়ে সপ্তাহব্যাপী আয়োজিত বিভিন্ন মিডিয়া লিটারেসি কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।