খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এলপিজি ব্যবসায়ীদের মাফিয়া বলায় শুনানিতে হট্টগোল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এলপিজি ব্যবসায়ীদের মাফিয়া বলায় শুনানিতে হট্টগোল

এলপিজি ব্যবসায়ীদের মাফিয়া বলায় শুনানিতে হট্টগোল

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি নিয়ে আয়োজিত বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের দিনব্যাপী গণশুনানির শেষ পর্যায়ে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। মূলত ব্যবসায়ীদের একটি পক্ষকে মাফিয়া হিসেবে অভিহিত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই হট্টগোল শুরু হয়। দিনভর বিভিন্ন পক্ষের নানা মতবিনিময়ের পর এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটে, যা অল্প সময়ের জন্য হলেও পুরো মিলনায়তনের পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তোলে।

শুনানিতে অংশ নিয়ে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ বা এফবিসিসিআইয়ের সদস্য শাহ আলম সরকার অভিযোগ করেন যে কমিশন নির্ধারিত দাম ঘোষণা করেই তাদের দায়িত্ব শেষ করে দেয়। তিনি আরও বলেন যে সাধারণ ভোক্তারা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন এবং এই অসাধু ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না। তার এই বক্তব্যে এলপিজি ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ পায়।

বক্তব্যের একপর্যায়ে শাহ আলম সরকার সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মাফিয়া ডন হিসেবে উল্লেখ করলে সঙ্গে সঙ্গে আপত্তি জানান গণশুনানি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি মন্তব্য করেন যে সংবাদমাধ্যম বা অন্য কেউ এই শব্দ ব্যবহার করলেও এই ধরনের ফোরামে কাউকে এভাবে সম্বোধন করা যায় না। এই প্রতিবাদের জবাবে শাহ আলম সরকার বলেন যে সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করে হয়রানির শিকার হচ্ছে এবং সংবাদপত্রেও নিয়মিত এই চিত্র উঠে আসছে, তাই তিনি বাস্তব অবস্থাই তুলে ধরেছেন।

চেয়ারম্যানের এই অবস্থানের প্রতিবাদ জানিয়ে উপস্থিত সাধারণ শ্রোতাদের অনেকেই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন এবং কমিশন ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন। এই পরিস্থিতিতে হলের ভেতর ব্যবসায়ীদের একাংশ এবং ক্যাবসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। তবে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে এবং স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পরিস্থিতি শান্ত করা সম্ভব হয় এবং স্বাভাবিক পরিবেশেই শুনানির বাকি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

advertisement
advertisement

১৫৪ কেন্দ্রের ফলে ১ লাখ ৭ হাজার ভোটে এগিয়ে ধানের শীষ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১৫৪ কেন্দ্রের ফলে ১ লাখ ৭ হাজার ভোটে এগিয়ে ধানের শীষ

১৫৪ কেন্দ্রের ফলে ১ লাখ ৭ হাজার ভোটে এগিয়ে ধানের শীষ

রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এই আসনের মোট ১৫৪টি কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তুলনায় বেশ শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। স্থানীয় ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে এই উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন মোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫২৭ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৮০ হাজার ৩১ ভোট। ফলে দুই প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ৪৯৬ ভোটে। বিশাল এই ব্যবধানের কারণে বিএনপি প্রার্থীর জয়ের পথ সুগম হয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।

স্থানীয় শিল্পকলা একাডেমিতে স্থাপিত অফিসিয়াল ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশনকেন্দ্র থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর ফলাফল ঘোষণার সময় বিভিন্ন দলের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচনী প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল।

ঘোষিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, প্রধান দুই প্রার্থীর বাইরে ময়দানে থাকা অন্য প্রার্থীরা খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী খাদেমুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৬৯৬ ভোট। এছাড়া বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক ডাব প্রতীকে ৩ হাজার ১১৯ ভোট এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আবদুল আলীম নিজামী বটগাছ প্রতীকে ৬৭৩ ভোট পেয়েছেন। সার্বিক ফলাফলে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে বিপুল জনসমর্থনের প্রতিফলন ঘটেছে।

রূপপুরে ‘পাওয়ার স্টার্টআপ’, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে নভেম্বরে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রূপপুরে ‘পাওয়ার স্টার্টআপ’, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে নভেম্বরে

রূপপুরে ‘পাওয়ার স্টার্টআপ’, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে নভেম্বরে

জাতীয় ডেস্ক: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের প্রক্রিয়ায় একটি বড় মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। প্রয়োজনীয় ফিজিক্যাল স্টার্টআপ পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর এবার স্টেজ-সি বা পাওয়ার স্টার্টআপ কার্যক্রম শুরু করার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। এই অনুমোদনের ফলে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা ধাপে ধাপে বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে তা যুক্ত করার প্রস্তুতি আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার ইতিবাচক সবুজ সংকেত পাওয়ার পর থেকেই প্রকল্পের কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীরা পরবর্তী ধাপের কাজের জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাসান গণমাধ্যমকে এই অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান যে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এম মাহমুদুল হাসান প্রথম ইউনিটে পাওয়ার স্টার্টআপ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় এই ট্রায়াল অপারেশনাল অনুমোদন প্রদান করেছেন। এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রক সংস্থার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হলো এবং নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগোলে আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন এই পাওয়ার স্টার্টআপ পর্যায়ে রিঅ্যাক্টর, প্রাথমিক ও দ্বিতীয় পর্যায়ের কুল্যান্ট ব্যবস্থা, টারবাইন-জেনারেটর এবং সামগ্রিক বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কার্যকারিতা ধারাবাহিকভাবে পরীক্ষা করা হবে। এছাড়া কেন্দ্রের সুরক্ষা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং বিভিন্ন যন্ত্রাংশের পারস্পরিক সমন্বয় যথাযথভাবে কাজ করছে কি না, তাও নিবিড়ভাবে যাচাই করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা কম রেখে পরীক্ষা শুরু করা হবে এবং পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে তা পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে। রিঅ্যাক্টরের তাপীয় ক্ষমতা নির্দিষ্ট মাত্রায় উন্নীত হলেই কেবল জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা যাবে বলে প্রকল্প সূত্র জানিয়েছে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা প্রকাশ করেছেন যে সব পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হলে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রথম ইউনিট থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। তবে এই পুরো সময়সীমাটি নির্ভর করবে কারিগরি পরীক্ষার ফলাফল, কমিশনিং কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার সব শর্ত যথাযথভাবে পূরণের ওপর। উল্লেখ্য, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে মোট দুটি ইউনিট রয়েছে এবং প্রতিটির উৎপাদনক্ষমতা এক হাজার দুইশ মেগাওয়াট। দুটি ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার হবে এবং বাংলাদেশ বিশ্বের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় যুক্ত হবে।

প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা আর অনুশোচনা—‘দার–এ–নিজাত’ নিয়ে এত আলোচনা কেন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা আর অনুশোচনা—‘দার–এ–নিজাত’ নিয়ে এত আলোচনা কেন

প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা আর অনুশোচনা—‘দার–এ–নিজাত’ নিয়ে এত আলোচনা কেন

বিনোদন ডেস্ক: ভালোবাসার বৈচিত্র্যময় রূপ এবং সম্পর্কের জটিল সমীকরণ নিয়ে নির্মিত পাকিস্তানি টেলিভিশন ধারাবাহিক 'দার–এ–নিজাত' বর্তমানে দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে মিল থাকা এই নাটকের গল্পবিন্যাস খুব সহজেই সাধারণ দর্শকদের আবেগ নাড়া দিতে সক্ষম হয়েছে। নাটকের প্রতিটি চরিত্রের ভেতরের দ্বন্দ্ব এবং মানসিক টানাপোড়েন নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলার কারণে এটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা।

ধারাবাহিকটির মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে মানবজীবনের চিরন্তন কিছু অনুভূতি যেমন প্রেম, বিশ্বাসভঙ্গ এবং পরবর্তীতে অনুশোচনার মতো বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে। জীবনের পথ চলতে গিয়ে মানুষ কীভাবে নিজেদের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে প্রিয়জনদের হারাতে বসে এবং পরবর্তীতে সেই অপরাধবোধে দগ্ধ হয়, তা অত্যন্ত সুনিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে এতে। সম্পর্কের এই মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলো ফুটিয়ে তোলার মাধ্যমেই নির্মাতা মূলত দর্শকদের পর্দার সামনে ধরে রাখতে পেরেছেন।

নাটকটির জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে এর শক্তিশালী চিত্রনাট্য এবং শিল্পীদের অনবদ্য অভিনয় প্রতিভা। প্রতিটি চরিত্র এমনভাবে রূপায়ন করা হয়েছে যা দর্শকদের বাস্তব জীবনের নানা ঘটনার কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়, যার ফলে দর্শকের সঙ্গে নাটকের এক ধরনের আত্মিক সংযোগ তৈরি হয়। বিশেষ করে প্রধান চরিত্রগুলোর মধ্যকার সংঘাত এবং আবেগী মুহূর্তগুলো দর্শকদের মনে গভীর দাগ কাটতে পেরেছে।

বর্তমান সময়ে বিভিন্ন দেশের নাটকের ভিড়ে এই পাকিস্তানি ধারাবাহিকটি তার ব্যতিক্রমী বিষয়বস্তু এবং উপস্থাপনার মুন্সিয়ানার সুবাদে একটি বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছে। বিনোদনপ্রেমীরা কেবল এর গল্প উপভোগই করছেন না, বরং নাটকের বিভিন্ন মোড় ও চরিত্রগুলোর পরিণতি নিয়ে নিজেদের মতামত ও বিশ্লেষণও তুলে ধরছেন বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে। সবমিলিয়ে, সম্পর্কের গভীর অনুভূতিগুলোকে পর্দায় জীবন্ত করে তোলার ফলেই ধারাবাহিকটি আজ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।