খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

রাশেদ খানের আচরণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় সরাসরি আঘাত: মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাশেদ খানের আচরণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় সরাসরি আঘাত: মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী

রাশেদ খানের আচরণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় সরাসরি আঘাত: মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী

জাতীয় ডেস্ক: আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলা এবং গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী। সম্প্রতি রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন এবং এটিকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন যে কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রে সংবাদপত্রের মুখ বন্ধ করার এমন অপচেষ্টা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় এবং এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

বিবৃতিতে মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী আরও উল্লেখ করেন যে সংবাদমাধ্যমের মূল দায়িত্ব হলো সমাজের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ চিত্র তুলে ধরা। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে তা কোনো বিশেষ পক্ষের অনুকূলে যেতে পারে আবার অন্য কোনো পক্ষের বিপক্ষেও যেতে পারে, যা সাংবাদিকতার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই ধরনের বিষয়কে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হয়ে কোনো পত্রিকার প্রতি উগ্র আচরণ প্রদর্শন করা একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির নিকট থেকে কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না এবং সচেতন জনগণ এমন গর্হিত আচরণ কখনোই সমর্থন করে না।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন যে এমন উচ্চপদস্থ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তির পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার মতো ঔদ্ধত্যপূর্ণ কাজ সরকারের সামগ্রিক ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে। কোনো সংবাদ কিংবা সম্পাদকীয় নীতি নিয়ে দ্বিমত বা আপত্তি থাকলে তা প্রকাশের জন্য দেশে প্রচলিত আইনি পথ এবং গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ জানানোর সুযোগ সবসময়ই খোলা রয়েছে। কিন্তু সেই পথ ছেড়ে প্রকাশ্যে পত্রিকা ধ্বংস করে আক্রোশ প্রকাশ করা সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক ও অগ্রহণযোগ্য একটি সংস্কৃতি।

পরিশেষে মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী আশা প্রকাশ করেন যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজের এই অনভিপ্রেত আচরণের জন্য প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করবেন এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকারের বিশ্বাসের বিষয়টি স্পষ্ট করবেন। একই সঙ্গে তিনি দেশের প্রতিটি গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য সরকারের কাছে জোরালো দাবি জানান।

advertisement
advertisement

এইচএসসিতে ক্রীড়াবিদদের উড়ন্ত সাফল্য

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসিতে ক্রীড়াবিদদের উড়ন্ত সাফল্য

এইচএসসিতে ক্রীড়াবিদদের উড়ন্ত সাফল্য

শিক্ষা ডেস্ক: খেলার মাঠে দেশের হয়ে লড়াই করার পাশাপাশি পড়াশোনার জগতেও নিজেদের মেধার অনন্য স্বাক্ষর রেখেছেন বাংলাদেশের তরুণ ক্রীড়াবিদরা। সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট তথা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে সার্বিক পাসের হার কিছুটা কমে এলেও জাতীয় পর্যায়ের একঝাঁক অ্যাথলেটের সাফল্য গোটা দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আনন্দ ও উদ্দীপনার জোয়ার এনে দিয়েছে। কঠোর অনুশীলন এবং প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্টের ব্যস্ততা সত্ত্বেও এই উদীয়মান তারকারা প্রমাণ করেছেন যে ইচ্ছা থাকলে দুটি ভিন্ন ক্ষেত্রে একসঙ্গে সমানভাবে সফল হওয়া সম্ভব।

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা বিকেএসপির শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখে দারুণ আলো ছড়িয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নেওয়া জাতীয় নারী হকি দলের দুই পরিচিত মুখ ও যমজ বোন হিমাদ্রী বড়ুয়া এবং নিলাদ্রী বড়ুয়া অত্যন্ত চমৎকার ফলাফল অর্জন করেছেন। নিয়মিত ক্যাম্পের কঠোর ব্যস্ততা সামলে পড়াশোনা চালিয়ে গিয়ে হিমাদ্রী কাঙ্ক্ষিত জিপিএ ৫ অর্জন করেছেন এবং তাঁর বোন নিলাদ্রী পেয়েছেন ৪ দশমিক ৮৩। এছাড়া বিকেএসপির অন্য হকি তারকারাও পরীক্ষায় সাফল্যের ধারা বজায় রেখেছেন।

টেবিল টেনিসের পরিচিত মুখ এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনে অন্যতম সেরা খেলোয়াড় খই খই সাই মারমা বড় টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেও বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৪ দশমিক ৬৭ জিপিএ অর্জন করেছেন। ফুটবল অঙ্গন থেকেও এসেছে বেশ কিছু চমকপ্রদ সাফল্যের খবর, যেখানে বসুন্ধরা কিংসের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ ৪ দশমিক ৭১ এবং অনূর্ধ্ব-২০ দলের গোলরক্ষক মাহিন ৪ দশমিক ২৫ জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। নারী ফুটবলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ জিপিএ ৪ অর্জন করেছেন স্বর্ণা রানি মণ্ডল, পাশাপাশি নবিরন, ঐশী, বন্যা ও স্বপ্নার মতো উদীয়মান ফুটবলাররাও ভালো ফলাফল করেছেন।

ক্রিকেট মাঠের পেস বোলারদের বলের গতি সামলানোর মতো পড়াশোনার কঠিন বাধা ডিঙিয়ে সাফল্য পেয়েছেন জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের তারকা মারুফা আক্তার, যিনি অর্জন করেছেন ৩ দশমিক ১৭ জিপিএ। দেশের তরুণ প্রজন্মের এই অ্যাথলেটদের এমন কৃতিত্ব প্রমাণ করে যে দৃঢ় মনোবল এবং সঠিক পরিশ্রমের মাধ্যমে একই সঙ্গে খেলার মাঠ এবং শিক্ষার আঙিনা উভয় ক্ষেত্রেই বিজয়ী হওয়া যায়। তাদের এই সফলতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্রীড়াবিদদের জন্য এক নতুন অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

ফখরের সেঞ্চুরিতে শিরোপা পাকিস্তানের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফখরের সেঞ্চুরিতে শিরোপা পাকিস্তানের

ফখরের সেঞ্চুরিতে শিরোপা পাকিস্তানের

খেলা ডেস্ক: লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিক পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কার দেওয়া বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ ব্যাটিং প্রদর্শন করে দলটি। ওপেনার ফখর জামানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এবং শেষ দিকে ব্যাটারদের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের সুবাদে শিরোপা নিজেদের করে নেয় পাকিস্তান। ক্রিকেটপ্রেমীদের রোমাঞ্চ উপহার দেওয়া এই ফাইনালে নির্ধারিত ওভার শেষ হওয়ার আগেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা।

এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে আট উইকেটে তিনশ পঁচিশ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ গড়েছিল শ্রীলঙ্কা দল। দলের পক্ষে দারুণ ব্যাটিং করে ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি তুলে নেন কামিন্দু মেন্ডিস। তাঁর ১২৮ বলে খেলা ১৩১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসটিতে ছিল বারোটি চার ও দুটি ছক্কার মার। এছাড়া পাভন রত্নায়েকে করেন মূল্যবান ৭৭ রান। এই দুই ব্যাটারের অনবদ্য জুটি শ্রীলঙ্কাকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দিলেও শেষদিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় রান তোলার সুযোগ হাতছাড়া করে তারা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল পাকিস্তান। মাত্র চৌদ্দ রান তুলতেই সাজঘরে ফিরে যান দুই ব্যাটার মাজ সাদাকাত ও তারকা ক্রিকেটার বাবর আজম। তবে সেই প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে শক্ত অবস্থানে ফিরিয়ে আনেন ফখর জামান ও সাদ বেগ। এই জুটির দৃঢ়তায় খেলায় ফেরে স্বাগতিকরা। মাত্র নিরানব্বই বল মোকাবিলা করে ১২৭ রানের এক ঝলমলে ইনিংস খেলেন ফখর জামান, যার সুবাদে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে চার হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। এছাড়া সাদ বেগ দলের প্রয়োজনে ৭৪ রানের দায়িত্বশীল একটি ইনিংস উপহার দেন।

দলের জয়ের পথ সহজ করতে ফখর জামানের বিদায়ের পরেও আক্রমণাত্মক খেলা চালিয়ে যান নিচের সারির ব্যাটাররা। আরাফাত মিনহাস মাত্র একত্রিশ বলে একান্ন রানের একটি বিধ্বংসী ও ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করার পথে বড় ভূমিকা রাখেন। এছাড়া হাসান নওয়াজ অপরাজিত থেকে ৩৭ রানের কার্যকর অবদান রাখেন। শেষ পর্যন্ত শাহিন শাহ আফ্রিদির একটি ছক্কার মাধ্যমে জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান দল। অসাধারণ সেঞ্চুরি ও দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ম্যাচসেরার পুরস্কার অর্জন করেন ফখর জামান।

শুধু জিপিএ নয়, নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষ হওয়াই শিক্ষার সার্থকতা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শুধু জিপিএ নয়, নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষ হওয়াই শিক্ষার সার্থকতা

শুধু জিপিএ নয়, নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষ হওয়াই শিক্ষার সার্থকতা

শিক্ষা ডেস্ক: কেবল ভালো ফল কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক সনদ অর্জনই শিক্ষার একমাত্র উদ্দেশ্য হতে পারে না। প্রকৃত সুনাগরিক, নৈতিকতাসম্পন্ন এবং দেশপ্রেমিক মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে ওঠেই শিক্ষার আসল সার্থকতা। ভোলার চরফ্যাশনে অবস্থিত বেগম রহিমা ইসলাম কলেজে একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বক্তারা এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। শশীভূষণ থানা এলাকার কলেজ প্রাঙ্গণে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই নবীনবরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানটির শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয় এবং কলেজ প্রাঙ্গণে উপস্থিত নতুন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও বরণ করে নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ ম্যানেজিং কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক রেজাউল করিম খন্দকার। আলোচনা সভার প্রথম পর্বে কলেজটির শিক্ষক ও অতিথিরা নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তাদের মূল্যবান দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য তুলে ধরেন।

নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম উল্লেখ করেন যে, স্কুলজীবন পেরিয়ে শিক্ষার্থীরা আজ উচ্চমাধ্যমিকের এক নতুন ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। তিনি শিক্ষার্থীদের কলেজ জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত ইতিবাচক ও সৃজনশীল কাজে ব্যয় করার পরামর্শ দেন। একইসঙ্গে নিয়মানুবর্তিতা বজায় রাখা এবং মাদকসহ সব ধরনের খারাপ সঙ্গ থেকে নিজেদের দূরে রাখার কঠোর তাগিদ দেন তিনি। মেধা ও যোগ্যতার পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটিয়ে আগামী দিনের দক্ষ নেতৃত্ব হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করার আহ্বান জানান এই শিক্ষাবিদ।

এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের স্থানীয় নেতারা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কাজী অনিক, বিএনপি নেতা ছালাম জমাদার, শশীভূষণ থানা যুবদল নেতা রাছেল ফরাজী ও কামরুজ্জামান শাহিন বক্তব্য দেন। এছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারাও অনুষ্ঠানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ও আকর্ষণীয় পর্বে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই পরিবেশনায় কলেজের নিজেদের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ঢাকা ও বরিশাল থেকে আমন্ত্রিত শিল্পীরাও অংশ নেন। তাদের পরিবেশিত গান ও নৃত্য উপস্থিত সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অতিথিদের দারুণভাবে আনন্দিত করে এবং পুরো অনুষ্ঠানটিকে একটি উৎসবমুখর পরিবেশে রূপ দেয়।