খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

জামায়াত–কওমির বিরোধ কেন, কোথা থেকে এর শুরু

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জামায়াত–কওমির বিরোধ কেন, কোথা থেকে এর শুরু

জামায়াত–কওমির বিরোধ কেন, কোথা থেকে এর শুরু

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের ইসলামি রাজনৈতিক অঙ্গনে জামায়াতে ইসলামী এবং কওমিপন্থী আলেমদের মধ্যকার সম্পর্ক বরাবরই বেশ জটিল ও সংঘাতপূর্ণ হিসেবে পরিচিত। দেশের ধর্মভিত্তিক রাজনীতির গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে এই দুই ধারার মধ্যকার আদর্শগত ও কৌশলগত দূরত্ব সবসময়ই একটি বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় তাদের এই সম্পর্কের টানাপোড়েন বিভিন্ন সময়ে নানা রূপ নিয়েছে এবং তা জাতীয় রাজনীতিকেও প্রভাবিত করেছে।

এই বিরোধের সূচনা হুট করে হয়নি, এর পেছনে রয়েছে সুদূরপ্রসারী ঐতিহাসিক ও মতাদর্শিক প্রেক্ষাপট। স্বাধীনতার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক ময়দানে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার লড়াইয়ে এই দুটি পক্ষ প্রায়শই বিপরীত মেরুতে অবস্থান নিয়েছে। তাদের মধ্যকার এই দূরত্বের মূল কারণ লুকিয়ে আছে ধর্মীয় ব্যাখ্যা, রাজনৈতিক দর্শন এবং ক্ষমতা দখলের কৌশলের মৌলিক পার্থক্যের মধ্যে।

বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতে ইসলামীর আধুনিক সাংগঠনিক কাঠামোর সঙ্গে কওমি মাদরাসাভিত্তিক ঐতিহ্যবাহী ধারার চিন্তাধারার মেলবন্ধন সবসময়ই কঠিন ছিল। কওমি আলেমরা তাদের নিজস্ব ধর্মীয় ব্যাখ্যা ও সমাজ ব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান নেন, যা অনেক সময় জামায়াতের রাজনৈতিক এজেন্ডার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে দাঁড়ায়। ফলে সময়ের পরিক্রমায় এই দুই শক্তির বিরোধ কেবল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং তা আদর্শগত দ্বন্দ্বে রূপ নিয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালাবদলের পালায় এই দুই ধারার মধ্যকার সম্পর্ক নানা চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে গেছে। বিভিন্ন জাতীয় সংকটে তাদের একত্রে দেখা গেলেও মৌলিক ইস্যুতে তাদের অনমনীয় অবস্থান এখনো বজায় রয়েছে। ইসলামি রাজনীতির এই দুই প্রধান শিবিরের পারস্পরিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণ করবে আগামী দিনের সামগ্রিক রাজনৈতিক সমীকরণ।

advertisement
advertisement

সংস্কার লংমার্চে নয়, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সংস্কার লংমার্চে নয়, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংস্কার লংমার্চে নয়, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজনীতি ডেস্ক: রাজনৈতিক সংস্কারের দাবি বাস্তবায়নের জন্য রাজপথে লংমার্চ না করে সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বসার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, নোট অব ডিসেন্ট বা ভিন্নমতগুলো শিথিল করতে হলে আলোচনার মাধ্যমেই তা করতে হবে এবং এর জন্য বিরোধী দলকে নির্দিষ্ট ফোরামে আসতে হবে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সাংবিধানিক সংকট এবং বাকশাল বিষয়ক ওই সেমিনারে দেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে প্রণীত জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি নিয়ে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সনদের সরাসরি কোনো আইনি ভিত্তি না থাকলেও এর পেছনে থাকা রাজনৈতিক সমঝোতা যেকোনো আইনি ভিত্তির চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের শেষ পর্যায়ে যখন এই সনদের আইনি বৈধতা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তখন সব পক্ষের সমঝোতার মাধ্যমেই বিষয়টির একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে তিনি জানান। ভবিষ্যতে দেশে যেন আর কোনো স্বৈরাচারী শাসন বা জুলাই জাদুঘর তৈরির পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানান তিনি।

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সংবাদমাধ্যম, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও তারুণ্যের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে তোলার জন্য তিনি বিরোধী দলসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে সাংবিধানিক সংস্কার করা সম্ভব হলে তা জাতির জন্য কল্যাণকর হবে এবং ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পথ চিরতরে বন্ধ করা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সেমিনারে বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল সাংবিধানিক সংস্কারের বিষয়ে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন। তিনি উচ্চকক্ষ গঠন এবং সংসদীয় কমিটির প্রধান পদ বিরোধী দলকে দেওয়ার সুপারিশ করার পাশাপাশি উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের জন্য দ্রুত নিরপেক্ষ আইন প্রণয়নের আহ্বান জানান। এ ছাড়া বাকশাল ও চতুর্থ সংশোধনীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ওই সময় এক ব্যক্তির হাতে সর্বময় ক্ষমতা অর্পণের মাধ্যমে মূলত সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ধ্বংস করা হয়েছিল, যা পরবর্তী সকল সাংবিধানিক বিপর্যয়ের মূল কারণ ছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক এহসান মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সেমিনারে আরও অনেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার পড়াশোনা, ৫২ বছরে শেফালীর এইচএসসি জয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দীর্ঘ বিরতির পর আবার পড়াশোনা, ৫২ বছরে শেফালীর এইচএসসি জয়

দীর্ঘ বিরতির পর আবার পড়াশোনা, ৫২ বছরে শেফালীর এইচএসসি জয়

শিক্ষা ডেস্ক: জীবনের পঞ্চান্ন বছর পেরিয়ে এসে শিক্ষার আলোয় নতুন এক ইতিহাস গড়লেন নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার কালিগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা শেফালী বেগম। দীর্ঘ শিক্ষাবিরতি, পারিবারিক নানা প্রতিবন্ধকতা এবং জীবনের শত ব্যস্ততাকে পেছনে ফেলে তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ চার দশমিক একুশ অর্জন করেছেন। তাঁর এই অভাবনীয় সাফল্য কেবল নিজের পরিবার নয়, বরং পুরো সমাজকে নতুন করে স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছে। এই বয়সে এসেও এমন সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, ইচ্ছা থাকলে প্রতিকূল পরিস্থিতি জয় করা সম্ভব।

শেফালী বেগমের শিক্ষাজীবনের এই পথচলা ছিল বেশ দীর্ঘ ও সংগ্রামমুখর। মাত্র দেড় বছর বয়সে ফুফাতো ভাই মোকছেদুল আলমের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল এবং ১৯৮৫ সালে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় তাঁকে স্বামীর বাড়িতে চলে যেতে হয়। এরপর থেকেই পড়াশোনার দীর্ঘ বিরতি শুরু হয় এবং তিনি সংসার ও সন্তানদের লালন-পালনে পুরোপুরি মনোনিবেশ করেন। তবে পারিবারিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবেও সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ২০১১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এলাকায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।

পরিবারের পূর্ণ সমর্থন ও নিজের প্রবল ইচ্ছাশ জোরে ২০২০ সালে তিনি দীর্ঘদিনের সুপ্ত বাসনাকে বাস্তবে রূপ দিতে আবারও পড়াশোনা শুরু করেন। স্বামী ও সন্তানের উৎসাহে তিনি ডোমার উপজেলার গোমনাতি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজে ভর্তি হন এবং ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ চার দশমিক ঊনত্রিশ অর্জন করেন। কোনো ধরনের গৃহশিক্ষক ছাড়াই নিজের চেষ্টায় প্রতিদিন রাতের বেলা পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন তিনি, এমনকি অনেক সময় গভীর রাত পর্যন্ত জেগে পড়ালেখা করেছেন। তাঁর এই নিরলস পরিশ্রম ও ধৈর্যই তাঁকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে।

শেফালী বেগমের এই সাফল্যে তাঁর পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তাঁর স্বামী মোকছেদুল আলম জানিয়েছেন যে তারা সবসময় তাঁর পড়াশোনার পথে পাশে থেকেছেন এবং সংসারের কাজে সহযোগিতা করেছেন যাতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন। অন্যদিকে তাঁর বড় ছেলে আব্দুর রাজ্জাক মায়ের এই অর্জনে নিজের আনন্দ প্রকাশ করে নিজেকে একজন সৌভাগ্যবান সন্তান হিসেবে অভিহিত করেছেন। শেফালী বেগম এখানেই থেমে থাকতে চান না, বরং তিনি এবার উচ্চশিক্ষার জন্য অনার্সে ভর্তি হয়ে সামনে আরও এগিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না: বিএনপিকে ডা. শফিকুর রহমান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না: বিএনপিকে ডা. শফিকুর রহমান

জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না: বিএনপিকে ডা. শফিকুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক: জনগণের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনে রক্ত ও জীবন দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কোনো অবস্থাতেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ করা হবে না। সম্প্রতি যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কঠোর অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জনগণের প্রকৃত রায় ও গণভোটের ফলাফলের প্রতি পূর্ণ সম্মান প্রদর্শন করলেই কেবল সরকার যথাযথ সম্মান অর্জন করতে সক্ষম হবে।

বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত লংমার্চের অংশ হিসেবে এই পথসভার আয়োজন করা হয়। গণভোটের রায় যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা এবং জ্বালানি ও সারের চলমান সংকট দূর করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দেশে সব ধরনের দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি কঠোরভাবে বন্ধ করার জোরালো দাবিও উত্থাপন করা হয় এই কর্মসূচি থেকে।

বর্তমান সরকারকে ফ্যাসিবাদের পুরোনো পথ পরিহার করে জনকল্যাণমুখী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ১১ দলীয় জোটের উপস্থাপিত দাবিগুলো অত্যন্ত স্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত। সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেই তারা রাজপথে নেমেছেন এবং জনগণের এই দাবি পুরোপুরি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাবেন না। সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই।

সংক্ষিপ্ত এই পথসভা শেষ হওয়ার পর জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোটের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে লংমার্চের মূল বহরটি যশোরের অভয়নগর থেকে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। ওই পথসভায় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আতিকুর রহমান, ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেনসহ স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ।