খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সরকারি চাকরিজীবীরা সরকারি বাসা নিয়ে কেন ভাড়া দেন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সরকারি চাকরিজীবীরা সরকারি বাসা নিয়ে কেন ভাড়া দেন

সরকারি চাকরিজীবীরা সরকারি বাসা নিয়ে কেন ভাড়া দেন

জাতীয় ডেস্ক: সরকারি কোয়ার্টার বরাদ্দ নিয়ে নিজেরা না থেকে তা অন্যমুল্যে ভাড়া বা সাবলেট দেওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছে প্রশাসন। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি আবাসন সুবিধা নিয়ে এই অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, যা রোধ করতে সম্প্রতি সরকারি আবাসন পরিদপ্তর থেকে একটি বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, বরাদ্দ পাওয়া কর্মচারীদের বাইরে অন্য কোনো ব্যক্তিকে সরকারি বাসায় রাখা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় ১৯ হাজার সরকারি বাসা রয়েছে, যেগুলোতে বসবাসের জন্য কর্মচারীদের নির্দিষ্ট হারে বাসাভাড়া ভাতা কেটে নেওয়া হয়। কোয়ার্টারগুলোতে খোলামেলা পরিবেশ, খেলার মাঠ এবং উন্নত নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকায় এগুলোর প্রতি চাকরিজীবীদের চাহিদা সবসময়ই অনেক বেশি। তবে অনেকেই এই সুযোগের অপব্যবহার করে পুরো বাসা অথবা বাসার নির্দিষ্ট কিছু কক্ষ অন্যদের কাছে চড়া মূল্যে ভাড়া দিয়ে নিজেরা অন্যত্র বসবাস করছেন কিংবা অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মূলত কয়েকটি সুনির্দিষ্ট কারণে সরকারি বাসাগুলো ভাড়া দেওয়া হয় যার মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত আয় করা, সচ্ছলতার সুবাদে পুরোনো বাসায় না থেকে সেটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা এবং নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সংসার খরচ মেলাতে বাধ্য হয়ে কক্ষ সাবলেট দেওয়া। আজিমপুরসহ বিভিন্ন সরকারি কলোনিতে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়। তবে বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা অনুযায়ী সরকারি বাসায় বরাদ্দ গ্রহীতার পরিবর্তে অন্য কাউকে রাখা বা ভাড়া দেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নতুন এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাসা থেকে অবৈধ ভাড়াটে বা সাবলেট সরাতে হবে, অন্যথায় কোনো ধরনের কারণ দর্শানো নোটিশ ছাড়াই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বরাদ্দ বাতিল করা হবে। শুধু বরাদ্দ বাতিলই নয়, বিধিমালা অনুযায়ী অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধানের মাধ্যমে কঠোর বিভাগীয় বা শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিদপ্তরের এই আকস্মিক ও কঠোর পদক্ষেপে অনেক চাকরিজীবী বিপাকে পড়েছেন এবং অল্প সময়ের নোটিশ নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সরকারি আবাসন অবৈধভাবে ভাড়া দেওয়ার অপসংস্কৃতি বন্ধে প্রশাসনের এই কড়াকড়ি সময়োপযোগী হলেও নোটিশের সময়সীমা আরও কিছুটা বাড়ানো উচিত ছিল। সাধারণ কর্মচারীদের একাংশ মনে করেন দীর্ঘদিনের এই অনিয়ম দূর করার পাশাপাশি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে আরও সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন, যাতে কোনো ধরনের জটিলতা তৈরি না হয়। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখন অবৈধ দখলদার ও ভাড়াটেদের উৎখাতে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করছে।

advertisement
advertisement

তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে রোববার: শ্রমমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে রোববার: শ্রমমন্ত্রী

তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হবে রোববার: শ্রমমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: তৈরি পোশাকশিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে শিগগিরই নতুন নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করা হচ্ছে। শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সম্প্রতি শ্রমিক ফেডারেশনের বিভিন্ন জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। রাজধানীর মিন্টো রোডে মন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে দীর্ঘ সময় ধরে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পোশাক খাতের সার্বিক পরিস্থিতি এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিদের নাম চূড়ান্ত করে আগামী রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এ সময় শ্রমমন্ত্রী শ্রমিকপক্ষের উপযুক্ত প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য উপস্থিত নেতাদের কাছে নাম আহ্বান করেন। শ্রমিক জোটগুলোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে একাধিক অভিজ্ঞ নেতার নাম প্রস্তাব করা হয়। সরকার ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সম্মিলিত আলোচনার মাধ্যমেই এই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

তৈরি পোশাকশিল্পের চলমান বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় বৈঠকে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয়। এর পাশাপাশি শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-ভাতা দ্রুত পরিশোধের জন্য কারখানা মালিক এবং শ্রমিকনেতাদের যৌথভাবে কাজ করার তাগিদ দেন মন্ত্রী। শ্রমিক ছাঁটাইয়ের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে তিনি জানান, কোনো কারখানা বন্ধ বা শ্রমিক ছাঁটাই করতে হলে অবশ্যই সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগে থেকে জানাতে হবে।

উক্ত বৈঠকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পোশাকশিল্প শ্রমিকদের প্রতিনিধিত্বকারী প্রথিতযশা নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে বাবুল আখতার, তৌহিদুর রহমান, সুলতানা আক্তার, মন্টু ঘোষ, মোশরেফা মিশু, নাজমা আক্তার এবং তসলিমা আখতারসহ অনেকে অংশ নেন। শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা এবং শিল্পে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকারের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।

প্রোটিয়া ও অজিদের স্নায়ুক্ষয়ী লড়াই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রোটিয়া ও অজিদের স্নায়ুক্ষয়ী লড়াই

প্রোটিয়া ও অজিদের স্নায়ুক্ষয়ী লড়াই

খেলা ডেস্ক: কেপটাউনের নিউল্যান্ডস স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টেস্ট ম্যাচটি ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা উপহার দিয়েছে। টেবিল মাউন্টেনের ছায়াঘেরা ২২ গজে এই লড়াই কেবল একটি সাধারণ খেলা নয়, বরং দুই দলের খেলোয়াড়দের ধৈর্য, প্রতি আক্রমণ এবং স্নায়ুশক্তির এক চরম পরীক্ষা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ম্যাচের প্রথম থেকেই দুই দলই নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিয়ে টেস্ট ক্রিকেটের ঐতিহ্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

ম্যাচের শুরুতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী পেস আক্রমণের বিরুদ্ধে দারুণ দৃঢ়তা দেখান। মার্ক্কেস অ্যাকারম্যান মাত্র পাঁচ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করলেও তার নান্দনিক ৯৫ রানের ইনিংসটি দলকে শক্ত ভিত্তি দেয়। এছাড়া ডেভিড বেডিংহামের অর্ধশতক প্রোটিয়াদের একটি নিরাপদ স্কোরের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ের মুখে পড়ে তাদের প্রথম ইনিংস ৩২৯ রানে থেমে যায়। অজি পেসার স্টার্ক ৭২ রান খরচ করে ছয়টি উইকেট শিকার করে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইনআপের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন।

এরপর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়া তাদের চ্যাম্পিয়ন মানসিকতার দারুণ পরিচয় দেয় এবং ৪২৯ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে ম্যাচে চালকের আসনে বসে যায়। দলের এই সাফল্যের মূল কারিগর ছিলেন জস ইংলিশ, যার চমৎকার শতকটি দলের ইনিংসকে দারুণ গতি দেয়। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন অভিজ্ঞ উইকেটকিপার অ্যালেক্স ক্যারি এবং অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন, যাদের দায়িত্বশীল ইনিংসগুলো অজিদের লিডকে অনেকদূর এগিয়ে নেয়। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলার সাইমন হারমার এবং মার্কো ইয়ানসেন যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং দুর্গ ভাঙতে তাদের যথেষ্ট ঘাম ঝরাতে হয়েছে।

প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় ইনিংসে এক অবিশ্বাস্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে। উইয়ান মুল্ডার ও রিয়ান রিকেলটনের দুটি দুর্দান্ত শতক ম্যাচের সম্পূর্ণ চিত্রপট পাল্টে দেয়, যেখানে মুল্ডারের ১১৫ এবং রিকেলটনের ১০১ রানের ইনিংস দুটি ছিল বেশ লড়াকু। এছাড়া অ্যাকারম্যানের আরও একটি দায়িত্বশীল অর্ধশতক প্রোটিয়াদের লিডকে এক রোমাঞ্চকর উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সব মিলিয়ে কেপটাউনের এই মহাকাব্যিক টেস্ট ম্যাচটি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা ক্রিকেট ইতিহাসে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

নাহিদ: দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ চাই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নাহিদ: দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ চাই

নাহিদ: দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ চাই

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে সরকারের দুই মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম। সম্প্রতি দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন এবং সরকারের ভেতরে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন। তার এই বক্তব্য প্রকাশের পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন যে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে তারা ব্যর্থ হয়েছেন দাবি করে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে তাদের পদে বহাল থাকার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। তাই আন্দোলনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে তাদের অপসারণের জোরালো দাবি জানানো হচ্ছে।

ছাত্র আন্দোলনের এই শীর্ষ নেতা আরও উল্লেখ করেন যে, রাষ্ট্র মেরামতের যে লক্ষ্য নিয়ে অভ্যুত্থান ঘটেছিল, তা বাস্তবায়ন করতে হলে প্রশাসনের ভেতর থেকে অদক্ষ ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের সরাতে হবে। মন্ত্রিপরিষদে পরিবর্তন না আনলে সংস্কার কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। জনগণের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন নিশ্চিত করতে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনার তাগিদ দেন তিনি।

এদিকে নাহিদ ইসলামের এই দাবির বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, ছাত্র নেতৃত্বের এই ধরনের কঠোর অবস্থান আগামী দিনে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।