খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময় বাড়ল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময় বাড়ল

মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময় বাড়ল

জাতীয় ডেস্ক: দেশের সব মোটরসাইকেলের সামনের অংশে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময়সীমা আরও দেড় মাস বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি এক ফেসবুক বার্তার মাধ্যমে এই নতুন সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে দেশের সড়ক পরিবহণ খাতের এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সরকারি এই নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকরা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাদের দুই চাকার যানে এই নম্বরপ্লেট যুক্ত করার সুযোগ পাবেন। এর ফলে মালিকরা কিছুটা বাড়তি সময় পেলেন এবং নিজ দায়িত্বে এই কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন।

এর আগে সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে মোটরসাইকেলগুলোর পেছনের নম্বরপ্লেটের পাশাপাশি সামনের অংশেও নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করেছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এই উদ্দেশ্যে দেশের সব মোটরসাইকেল মালিককে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত সঠিক মাপ ও নকশা মেনে সামনের অংশে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট বসানোর কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। প্রথম দফায় এই কাজ সম্পন্ন করার জন্য ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। গত ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত একটি জরুরি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল।

সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধান অনুযায়ী মোটরসাইকেলের পেছনের অংশে সরকারের অনুমোদিত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন বা আরএফআইডিসহ উন্নত মানের রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ ধাতব নম্বরপ্লেট ব্যবহার করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বর্তমান নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুধু পেছনেই নয়, বরং সামনের অংশেও একইভাবে স্পষ্ট করে নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শন করতে হবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা শৃঙ্খলাপূর্ণ করা এবং অপরাধ রোধে এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

নতুন এই নির্দেশনায় সামনের ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেটের সুনির্দিষ্ট আকার বা মাপও নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ। স্কুটার জাতীয় যানের ক্ষেত্রে নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য হবে দুইশ মিলিমিটার এবং প্রস্থ একশ মিলিমিটার, যেখানে অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে বিশ মিলিমিটার রাখতে হবে। অন্যদিকে সাধারণ মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য দুইশ পঁচাশি মিলিমিটার এবং প্রস্থ পঞ্চাশ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এগুলোতেও অক্ষরের উচ্চতা বিশ মিলিমিটার থাকতে হবে। বিআরটিএর এই নিয়ম মেনে একটি নির্দিষ্ট আনুভূমিক রেখায় নিবন্ধন নম্বরটি পরিষ্কারভাবে লিখতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

advertisement
advertisement

মানুষ কি মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, নাকি নিরামিষেই সুস্থ থাকা সম্ভব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মানুষ কি মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, নাকি নিরামিষেই সুস্থ থাকা সম্ভব

মানুষ কি মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, নাকি নিরামিষেই সুস্থ থাকা সম্ভব

স্বাস্থ্য ডেস্ক: মানুষের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে সমাজে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের বিতর্ক দীর্ঘকাল ধরে চলে আসছে। কেউ কেউ মনে করেন মানুষ প্রকৃতিগতভাবে মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, আবার অনেকের মতে নিরামিষ খাবারই মানব শরীরের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। পুষ্টিবিদ ও গবেষকরা এই বিষয়টির গভীরে গিয়ে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খোঁজার চেষ্টা করেছেন। আমাদের দাঁতের গঠন, পরিপাকতন্ত্র এবং শরীরের অন্যান্য জৈবিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা এই প্রশ্নের উত্তর খোঁড়ার চেষ্টা করছেন।

বিজ্ঞানীদের মতে, শারীরবৃত্তীয় গঠনের দিক থেকে মানুষ সর্বভুক বা অম্নিভোরস প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ আমাদের শরীর উদ্ভিদ এবং প্রাণী—উভয় উৎস থেকেই পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করতে সক্ষম। মানুষের চোয়াল এবং দাঁতের গঠনে তীক্ষ্ণ মাংস কাটার দাঁতের পাশাপাশি শস্য বা শাকসবজি চিবানোর মতো চ্যাপ্টা দাঁতও রয়েছে। এছাড়া আমাদের পরিপাকতন্ত্র এমনভাবে বিবর্তিত হয়েছে যা আমিষ এবং নিরামিষ উভয় ধরনের খাবারই সহজে হজম করতে পারে।

স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন নিশ্চিত করতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখা সবচেয়ে বেশি জরুরি। মাংস বা উদ্ভিজ্জ খাবার যাই খাওয়া হোক না কেন, শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল এবং ফাইবার সরবরাহ হচ্ছে কি না সেটাই মূল বিষয়। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত লাল মাংস খাওয়ার ফলে বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। অন্যদিকে সুষম ও পরিকল্পিত নিরামিষ ডায়েট অনুসরণ করেও শরীরের সমস্ত পুষ্টির চাহিদা মেটানো সম্ভব।

সব মিলিয়ে কোনো একটি বিশেষ খাদ্যপদ্ধতিকেই একমাত্র সঠিক বলে দাবি করা বৈজ্ঞানিকভাবে ঠিক নয়। ব্যক্তির শারীরিক চাহিদা, বয়স, স্বাস্থ্যগত অবস্থা এবং জীবনযাত্রার ওপর ভিত্তি করে খাদ্যাভ্যাস নির্ধারণ করা উচিত। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার মাধ্যমেই কেবল দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ ও সবল থাকা সম্ভব।

হোগলাবুনিয়া থেকে উত্তর আমেরিকার তাসভির...

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হোগলাবুনিয়া থেকে উত্তর আমেরিকার তাসভির...

হোগলাবুনিয়া থেকে উত্তর আমেরিকার তাসভির...

বিনোদন ডেস্ক: দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক দারুণ সাফল্যের দেখা পেলেন উদীয়মান অভিনেতা চিরনজিৎ বিশ্বাস। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র 'দেলুপি'তে অনবদ্য অভিনয়ের সুবাদে তিনি এই স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। তার এই অভাবনীয় অর্জনে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে বইছে আনন্দের জোয়ার এবং অনেকেই তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উত্তর আমেরিকার মর্যাদাপূর্ণ তাসভির চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয় ছবিটি। সেখানে বিভিন্ন দেশের প্রথিতযশা শিল্পীদের পেছনে ফেলে সেরা অভিনেতার পুরস্কার নিজের করে নেন এই তরুণ প্রতিভাবান। তার সাবলীল অভিনয় এবং চরিত্রের গভীরতা ফুটিয়ে তোলার ক্ষমতা বিচারক ও দর্শকদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করেছে।

পরিচালক ও ঘনিষ্টজনদের মতে, চিরনজিতের এই বিজয় দেশের চলচ্চিত্রের জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। প্রথম কোনো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেই এমন আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করা যেকোনো শিল্পীর জন্যই এক বিরাট মাইলফলক। এই পুরস্কার তার অভিনয় জীবনের পরিধিকে আরও অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু কাজ করার অনুপ্রেরণা হিসেবে এই অর্জনকে দেখছেন চিরনজিৎ বিশ্বাস নিজেই। তিনি তার প্রথম ছবির পুরো টিম এবং দর্শবিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন, যারা সবসময় তার পাশে ছিলেন। এই সাফল্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বাজারে বাংলা ছবির গ্রহণযোগ্যতা আরও এক ধাপ বৃদ্ধি পেল।

ঝুঁকিতে বনের পরিবেশ: প্লাস্টিকের চাপে সুন্দরবন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঝুঁকিতে বনের পরিবেশ: প্লাস্টিকের চাপে সুন্দরবন

ঝুঁকিতে বনের পরিবেশ: প্লাস্টিকের চাপে সুন্দরবন

জাতীয় ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন বর্তমানে মারাত্মক প্লাস্টিক দূষণের কবলে পড়েছে। বনের ভেতরে কটকা, কচিখালী, জামতলা ও ডিমের চরসহ বিভিন্ন এলাকায় যত্রতত্র ছড়িয়ে রয়েছে পলিথিন, নাইলন জাল, প্লাস্টিকের বোতল এবং কর্কশিটের মতো ক্ষতিকর বর্জ্য। জোয়ারের পানির সঙ্গে ভেসে আসা এসব বর্জ্য উদ্ভিদের বীজের সঙ্গে আটকে গিয়ে বনের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করছে। স্থানীয় বনজীবীরা জানিয়েছেন যে বনের যেসব স্থানে প্লাস্টিকের আধিক্য বেশি, সেখানে কাঁকড়া ও শামুকের মতো তলদেশবাসী প্রাণীর উপস্থিতি আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিত্যক্ত জাল এবং প্লাস্টিকের দড়ি নতুন চারার সঙ্গে জড়িয়ে যাওয়ায় গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক স্থানে গাছের শ্বাসমূল পলিথিনে ঢাকা পড়ে যাওয়ার কারণে প্রাকৃতিকভাবে নতুন চারা জন্মানোর হারও হ্রাস পাচ্ছে। দৃশ্যমান এই দূষণের পাশাপাশি সুন্দরবনের পরিবেশের জন্য আরও বড় বিপদ হিসেবে দেখা দিয়েছে মাইক্রোপ্লাস্টিক। বড় প্লাস্টিক বর্জ্য ভেঙে ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়ে মাটি ও পানির সঙ্গে মিশে যাওয়ায় বনের জলজ বাস্তুতন্ত্র এক গভীর সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।

বিভিন্ন গবেষণায় সুন্দরবনের জলজ খাদ্যশৃঙ্খলের বিভিন্ন স্তরের প্রাণীর দেহে মাইক্রোপ্লাস্টিকের ভয়াবহ উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। ২০২২ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে সুন্দরবনের খাদ্যজালের বিভিন্ন স্তরের প্রাণীর পেটে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা প্রবেশ করেছে। এছাড়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় সুন্দরবনের নদী ও খালের পানি, মাটি এবং বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পরিপাকতন্ত্রে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। গবেষকদের আশঙ্কা, এর ফলে জলজ প্রাণীর স্বাভাবিক কার্যক্রম ও প্রজননক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

পরিবেশবিদ ও গবেষকরা এই পরিস্থিতি উত্তরণে দৃশ্যমান প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি বৈজ্ঞানিক গবেষণার ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁরা মনে করেন, সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সুন্দরবনের প্রাণ-প্রকৃতি অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়বে। তবে পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানিয়েছেন যে জনবলসংকটের মধ্যেও তাঁরা নিয়মিত বর্জ্য পরিষ্কার ও পর্যটকদের সচেতন করার চেষ্টা করছেন। মূলত সাগর ও নদীপথ দিয়ে বাইরে থেকে ভেসে আসা বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্যই বনের সুরক্ষার ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।