খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

খুবির ৩৭ দফা দাবির দুই বছর, বাস্তবায়ন হয়নি অধিকাংশই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খুবির ৩৭ দফা দাবির দুই বছর, বাস্তবায়ন হয়নি অধিকাংশই

খুবির ৩৭ দফা দাবির দুই বছর, বাস্তবায়ন হয়নি অধিকাংশই

শিক্ষা ডেস্ক: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কার ও শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিতের উদ্দেশ্যে উত্থাপিত ৩৭ দফা দাবির বেশিরভাগই দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, প্রধান ফটকের নামকরণ এবং পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কিছু পরিবর্তন আসলেও আবাসন সংকট, জমি অধিগ্রহণ, লাইব্রেরি ও চিকিৎসাসেবার মতো মৌলিক দাবিগুলো ঝুলে রয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের এই দাবিগুলো নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো সুনির্দিষ্ট রূপরেখা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাসের সামগ্রিক পরিবেশ উন্নত করতে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে এসব দাবি পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বেশ কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ৩৭ দফা দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে প্রধান ফটকের নাম পরিবর্তন করে শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ রাখা এবং পরীক্ষার খাতায় কোডিং পদ্ধতি চালুর দাবি আংশিকভাবে রক্ষা করা হলেও বাকিগুলো উপেক্ষিত থেকে যায়। এর মধ্যে শহীদদের স্মরণে কোনো স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়নি এবং ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের জন্য নতুন জমি অধিগ্রহণের কাজও স্থবির হয়ে আছে। এছাড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও সেই অনুপাতে আবাসিক হলের আসনসংখ্যা না বাড়ায় শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করার বিষয়টি এখনো অধরা রয়ে গেছে। চারুকলা স্কুলের জন্য স্বতন্ত্র ভবন নির্মাণ এবং কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সংস্কারের দাবিগুলোও দীর্ঘ সময় ধরে ফাইলবন্দি হয়ে আছে।

প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যকার দূরত্ব কমাতে এবং পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে অন্যান্য দাবিগুলোর অবস্থাও বেশ হতাশাজনক। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিটি চব্বিশ ঘণ্টা খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হয়নি এবং হলভিত্তিক সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে কোনো ফোরাম গঠিত হয়নি। এমনকি চিকিৎসাসেবার আধুনিকায়ন, বিনাসুদে শিক্ষাঋণ প্রদান, ক্যারিয়ার প্লেসমেন্ট সেন্টার এবং একটি স্বতন্ত্র অভিযোগ সেল গঠনের দাবিগুলো এখনো আলোর মুখ দেখেনি। পরীক্ষার নম্বর বিন্যাসে শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবিত রূপরেখা পুরোপুরি না মেনে আংশিক পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এসব কারণে শিক্ষার্থীরা মনে করছেন প্রশাসন তাদের মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানে যথেষ্ট আন্তরিকতার পরিচয় দিচ্ছে না।

শিক্ষার্থীদের বড় অভিযোগ হলো, প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি বাস্তবায়নের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমাভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হচ্ছে না। কোন কোন দাবি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, কোনগুলো প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে এবং নীতিগত বা আর্থিক কী ধরনের জটিলতার কারণে বাকিগুলো আটকে আছে—তা স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তারা। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম জানিয়েছেন যে শিক্ষার্থীদের প্রতিটি যৌক্তিক দাবি প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গেই বিবেচনা করছে। যেসব বিষয় দ্রুত সমাধানযোগ্য ছিল তা ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং অবকাঠামোগত ও অর্থায়নসংশ্লিষ্ট জটিল দাবিগুলো ধাপে ধাপে সমাধানের প্রক্রিয়া চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

advertisement
advertisement

প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

জাতীয় ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে দেশের সার্বিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে দেশের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটির সদস্যরা দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় প্রতিরক্ষা খাতের আধুনিকায়নের বিকল্প নেই বলে মত প্রকাশ করেন।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী সংসদ সদস্যরা দেশের বর্তমান প্রতিরক্ষা খাতের নানা দিক পর্যালোচনা করেন এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আরও যুগোপযোগী করার সুপারিশ প্রদান করেন। বিশেষ করে আকাশসীমা রক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা এবং সীমান্তবর্তী এলাকার নজরদারি বাড়ানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। তারা মনে করেন, বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের সামরিক বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা জরুরি।

এছাড়াও, প্রতিরক্ষা খাতের বাজেট বরাদ্দ এবং এর যথাযথ ব্যবহারের বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত পর্যালোচনা চালানো হয়। বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার তাগিদ দিয়ে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, আধুনিক সরঞ্জামের মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত থেকে কমিটির বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন।

বৈঠক শেষে কমিটির পক্ষ থেকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর মনোবল অটুট রাখার পাশাপাশি তাদের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়। দেশের প্রতিরক্ষা শক্তিকে আরও সুসংহত করতে সংসদীয় কমিটির এই সুপারিশগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

দেশে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেশে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী

দেশে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন: আইনমন্ত্রী

আইন-আদালত ডেস্ক: দেশের আদালতগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা মামলার জট দিন দিন উদ্বেগজনক আকার ধারণ করছে। সম্প্রতি আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন যে বর্তমানে সারা দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ছিয়ানব্বই লাখের বেশি। বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের দীর্ঘ দুর্ভোগ লাঘব করতে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই বিশাল পরিমাণ মামলার জট একটি বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিচার বিভাগের এই পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ইতিমধ্যে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিচার ব্যবস্থার এই স্থবিরতা কাটাতে বিচারকদের কাজের প্রতি আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী। তিনি স্পষ্টভাষায় উল্লেখ করেছেন যে বিচারকাজে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নেই। যারা দায়িত্ব পালনে অনীহা প্রকাশ করেন এবং অলস সময় কাটাতে চান, তাঁদের কঠোর বার্তা দিয়েছেন তিনি। বিচার বিভাগের গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

দায়িত্বে অবহেলাকারী বিচারকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন যে কোনো বিচারক যদি স্বাচ্ছন্দে অলস সময় কাটাতে চান, তবে তাঁদের তেমন অঞ্চলেই পদায়ন করা হবে যেখানে কাজ কম থাকে। তাঁর এই মন্তব্য বিচার বিভাগের ভেতরের কার্যপদ্ধতি ও প্রশাসনিক বদলি নীতির কঠোর বাস্তবায়নের ইঙ্গিত বহন করে। বিচারালয়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং কাজের গতি বাড়াতে প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থান অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

দেশের বিচার ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। মামলার জট কমানোর জন্য বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি এবং আদালতের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। বিচারকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। বিচার বিভাগের সামগ্রিক সংস্কার সম্পন্ন হলে এই মামলার পাহাড় অচিরেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় তিন বছর পেছাল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় তিন বছর পেছাল

বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় তিন বছর পেছাল

অর্থনীতি ডেস্ক: স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের চূড়ান্ত উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পেছানো হয়েছে। এর ফলে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ২০২৬ সালের নভেম্বরের পরিবর্তে বাংলাদেশ এখন ২০২৯ সালের নভেম্বর মাসে এই বিশেষ মর্যাদা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নীত হবে। সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া বিভিন্ন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং অর্থনৈতিক প্রস্তুতির কথা বিবেচনা করে এই সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই অতিরিক্ত তিন বছর সময় পাওয়ার ফলে দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের ওপর সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা করার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিভিন্ন ধরনের শুল্কমুক্ত সুবিধা এবং আর্থিক প্রণোদনাগুলো ২০২৯ সাল পর্যন্ত বহাল থাকবে। এর ফলে দেশের রপ্তানি খাত এবং সামগ্রিক শিল্পায়ন এই বাড়তি সময়ের সুবিধা গ্রহণ করে নিজেদের আরও প্রতিযোগিতাপূর্ণ করে তুলতে পারবে।

স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উন্নত দেশের বাজারে যেসব বাণিজ্য সুবিধা পেয়ে আসছে, উত্তরণের পর তা ক্রমান্বয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। এই তিন বছরের বর্ধিত সময় দেশের নীতি নির্ধারক এবং ব্যবসায়ীদের জন্য একটি বিরাট সুযোগ হিসেবে কাজ করবে, যাতে তারা বিশ্ববাজারের নতুন প্রতিযোগিতার সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারেন। বিশেষ করে ওষুধ শিল্প, তৈরি পোশাক খাত এবং কৃষিপণ্য রপ্তানিতে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় এই সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উত্তরণের এই সময়সীমা পরিবর্তনের ফলে অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রেও সরকারের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই বর্ধিত সময়ের সদ্ব্যবহার করে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের প্রক্রিয়াগুলো আরও জোরদার করা সম্ভব হবে। সার্বিকভাবে, দেশের অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষে এই সময় বৃদ্ধি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।