খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের কোনো প্রমাণ নেই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের কোনো প্রমাণ নেই

এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের কোনো প্রমাণ নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের আসন্ন সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী আবদুল এল-সাইদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনের অভিযোগ তুলেছেন রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স ও তার সহযোগীরা। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য যাচাই প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই অভিযোগের পক্ষে কোনো সত্যতা বা প্রমাণ নেই। ডেমোক্রেটিক দলের প্রাথমিক নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির থেকে এমন দাবি প্রচার করা হচ্ছে। তবে পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অভিযুক্ত ওই সংগঠনের সঙ্গে এই প্রার্থীর সরাসরি কোনো সম্পর্ক বা সমর্থনের অঙ্গীকারের নজির নেই।

মিসরীয় বংশোদ্ভূত এবং মিশিগানে জন্ম নেওয়া মুসলিম প্রার্থী এল-সাইদকে নিয়ে বিতর্ক তৈরি করার চেষ্টা চলছে বেশ কিছুদিন ধরে। তার পুরো আরবি নাম এবং ধর্মীয় পরিচয় ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চে সমালোচনা করেছেন প্রতিপক্ষরা। রক্ষণশীল গোষ্ঠীগুলো দাবি করছে যে, ইসলামি চরমপন্থার সঙ্গে তার বা তার পরিবারের যোগসূত্র রয়েছে। তবে এসব প্রচারণাকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তার সমর্থক ও বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী।

ইসলামি অধিকার সুরক্ষা সংগঠনগুলোর মতে, এই ধরনের আক্রমণ মূলত বর্ণবাদী ও ইসলামবিদ্বেষী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। মিশিগানে আরব বংশোদ্ভূত মানুষের বড় একটি জনগোষ্ঠীর বসবাস থাকায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই সম্প্রদায়কে বারবার কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে বিতর্কিত গোষ্ঠীর কৃত্রিম সম্পর্ক জুড়ে দিয়ে পুরো সম্প্রদায়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর পুরোনো কৌশল এটি।

অন্যদিকে, মাইক রজার্সের প্রচারশিবিরের দাবি, এল-সাইদের অতীতের কিছু রাজনৈতিক বক্তব্য এবং নিবন্ধ নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ২০১১ সালে মিসরের রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে লেখা একটি নিবন্ধ এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তার বিরুদ্ধে প্রচার চালানো হচ্ছে। তবে রিপাবলিকান পার্টির একাংশ মনে করে, প্রার্থীর প্রীতি বা বংশপরিচয় নয়, বরং ভোটারদের কাছে জনকল্যাণমূলক নীতি ও স্থানীয় সমস্যাগুলোর সমাধানই প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে আবদুল এল-সাইদ জানিয়েছেন, বিরোধীরা মূল সমস্যা থেকে নজর সরাতে বিভাজনের রাজনীতি করছেন। তিনি এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের পক্ষে কথা বলছেন যেখানে সবার অধিকার সংরক্ষিত থাকবে। তার মতে, প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে জনকল্যাণমূলক কোনো সদুত্তর না থাকায় তারা ধর্মের কার্ড ব্যবহার করে সমাজে অনাবশ্যক মেরুকরণ তৈরি করতে চাইছে।

advertisement
advertisement

বাজে ব্যাটিংয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাজে ব্যাটিংয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

বাজে ব্যাটিংয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ

খেলা ডেস্ক: মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতার কারণে দ্রুত উইকেট হারাতে হয়েছে দলকে। ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে বৃষ্টি ও আলো স্বল্পতার কারণে খেলা ব্যাহত হলেও উইন্ডিজদের বিপক্ষে লিড পেলেও বড় সংগ্রহের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৯ ওভার ব্যাট করে ৬ উইকেট হারিয়ে ৭৯ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা। উইকেটে টিকে থেকে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন ১৮ রান করে অপরাজিত থাকা নাঈম হাসান ও জাকের আলী অনিক।

ম্যাচের এই পর্যায়ে এসে শেরেবাংলার উইকেট ক্রমশ স্পিনবান্ধব হয়ে উঠছে এবং বল নিচু হয়ে যাওয়ায় ব্যাটারদের জন্য কাজটা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত এই টেস্টে পতন হওয়া ২৬ উইকেটের মধ্যে কুড়িটিই দখল করেছেন দুই দলের স্পিনাররা, যা উইকেটের চরিত্র স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে। এর আগে দিন শুরু করে ক্যারিবীয় ব্যাটাররা প্রথম ইনিংসে ২৪৫ রান পর্যন্ত সংগ্রহ করে, ফলে বাংলাদেশ মাত্র ২৭ রানের স্বল্প লিড পায়। বল হাতে বাংলাদেশের পক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে নাঈম হাসান গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারীদের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে দিতে বড় ভূমিকা পালন করেন।

স্বল্প লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ দল। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই কোনো রান না করে জেইডেন সিলসের বলে আউট হন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। এর কিছু সময় পর সাদমান ইসলাম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও থিতু হতে পারেননি। দলীয় স্কোরে রান যোগ করার আগেই একে একে সাজঘরে ফেরেন সাদমান ও তৌহিদ হৃদয়। ফিল্ডিংয়ের সময় চোট পেয়ে মুমিনুল হক ছিটকে যাওয়ায় কনকাশন সাব হিসেবে নামা জাকের আলী এবং নাজমুল হোসেন শান্তর ওপর দলের ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব পড়ে।

মাত্র ৩৩ রানে চার উইকেট হারিয়ে দল যখন চরম বিপদে, তখন বৃষ্টি ও আলো স্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই চা পানের বিরতি দেওয়া হয়। বিরতির পর খেলা শুরু হলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো অব্যাহত থাকে বাংলাদেশের। বিশেষ করে স্পিন আক্রমণের সামনে বাংলাদেশি ব্যাটারদের টেকনিক্যাল দুর্বলতা আরও একবার প্রকট হয়ে উঠেছে। উইকেটের ফায়দা নিয়ে ক্যারিবীয় বোলাররা চাপ বজায় রাখায় স্বাগতিক দলের লিড বড় করা বেশ দুরূহ হয়ে পড়েছে। শেষ পর্যন্ত নাঈম ও জাকরের ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে কোনোমতে একশ রানের কোটা পার করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ দল।

ম্যাচের বর্তমান পরিস্থিতিতে চতুর্থ দিনে বাংলাদেশ দল কেমন প্রতিরোধ গড়তে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। উইকেটের যে আচরণ তাতে বড় লক্ষ্য দেওয়া সম্ভব না হলেও দুই শ রানের কাছাকাছি বা তার বেশি সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারলে ম্যাচের ফল নিজেদের পক্ষে আনা সম্ভব হতে পারে। তবে লো স্কোরিং এই টেস্টে জয়ের জন্য ক্যারিবীয় বোলারদের মোকাবিলা করতে ব্যাটারদের অত্যন্ত বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে। শেরেবাংলার ঐতিহাসিক উইকেটে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং করা সব সময়ই কঠিন চ্যালেঞ্জ, আর তাই এই টেস্টের ভাগ্য নির্ধারণে শেষ দুই দিনের খেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাতের কথা কেন বলে বিএনপি, জানালেন রিজভী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাতের কথা কেন বলে বিএনপি, জানালেন রিজভী

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাতের কথা কেন বলে বিএনপি, জানালেন রিজভী

রাজনীতি ডেস্ক: কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও ক্ষমতাচ্যুত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কথিত রাজনৈতিক আঁতাত নিয়ে কেন বিএনপি বারবার প্রশ্ন তুলছে, সম্প্রতি তার নেপথ্য কারণ ও যুক্তি ব্যাখ্যা করেছেন বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা। দলের এই অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জানানো হয় যে গণতান্ত্রিক ও জাতীয়তাবাদী শক্তিকে বিভাজিত করার যেকোনো অপচেষ্টা শেষ পর্যন্ত পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তিকেই পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ করে দেবে। মূলত রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান নানা সমীকরণ এবং সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যের পর এই ব্যাখ্যা সামনে আসে।

গণমাধ্যমকে দেওয়া বিশেষ এক সাক্ষাৎকারে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয় যে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরপরই জামায়াত শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে সাবেক শাসক দলকে ক্ষমা করে দেওয়ার মতো সুর শোনা গিয়েছিল। এই ধরনের নমনীয় মনোভাব এবং তাদের পরবর্তী রাজনৈতিক অবস্থান দেশের সাধারণ মানুষের মনে বড় ধরনের সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা রাজনৈতিক নিপীড়ন ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ, তখন এমন অবস্থান গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

বিএনপির নীতিনির্ধারক মহলের মতে, একটি রাজনৈতিক দল যখন ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান না নিয়ে উল্টো বিভাজনের রাজনীতি করে, তখন তা প্রকারান্তরে পলাতক শক্তিকে পুনর্বাসিত হওয়ার পথ সুগম করে। দেশের পুরো জাতি যখন দীর্ঘ দুঃশাসনের শিকার হয়েছিল, তখন সেই শক্তির বিষয়ে যেকোনো ধরনের আপসকামী মনোভাব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এই রাজনৈতিক মতপার্থক্যের জেরে সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে কথার লড়াই ও পাল্টাপাল্টি মন্তব্য লক্ষ্য করা গেছে।

গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে বিএনপি নেতা আরও জানান যে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির পাঁয়তারা চালাচ্ছে পলাতক চক্র। এমন একটি জটিল পরিস্থিতিতে কোনো রাজনৈতিক দল যদি মূল ধারা থেকে সরে গিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ওঠা অত্যন্ত স্বাভাবিক। সাম্প্রতিক এক জনসভায় দলের শীর্ষ পর্যায় থেকেও এই বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাড়িতে ফুল নিয়ে গেলেন মির্জা ফয়সল, দেলাওয়ার বললেন, ‘বেস্ট অব লাক’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাড়িতে ফুল নিয়ে গেলেন মির্জা ফয়সল, দেলাওয়ার বললেন, ‘বেস্ট অব লাক’

পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাড়িতে ফুল নিয়ে গেলেন মির্জা ফয়সল, দেলাওয়ার বললেন, ‘বেস্ট অব লাক’

রাজনীতি ডেস্ক: নির্বাচনী লড়াই শেষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বাড়ি ফুল হাতে হাজির হয়ে এক অনন্য রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও সৌজন্যের পরিচয় দিলেন বিএনপি মনোনীত বিজয়ী প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। ভোটের ময়দানের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও বাকবিতণ্ডা পেছনে ফেলে এই সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসার জন্ম দিয়েছে। জয়লাভের পরপরই বিজয়ী এই নেতা সোজা চলে যান তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীর বাসভবনে।

নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত পরাজিত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনের সঙ্গে দেখা করতে তাঁর নিজ বাড়িতে যান মির্জা ফয়সল। এ সময় বিজয়ী প্রার্থীকে হাসিমুখে বরণ করে নেন দেলাওয়ার হোসেন এবং দুই নেতার মধ্যে অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ফুলের তোড়া বিনিময়ের মাধ্যমে তারা একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে পরাজিত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বিজয়ী প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জা ফয়সলকে উদ্দেশ করে শুভকামনা জানান এবং 'বেস্ট অব লাক' বলে তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার সফলতা কামনা করেন। দুই নেতার এই আন্তরিক কথোপকথন এবং কোলাকুলি উপস্থিত লোকজনকে মুগ্ধ করে। নির্বাচনী রাজনীতির উত্তাপের মাঝে এমন সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্মানবোধের দৃশ্য বিরল বলেই মন্তব্য করেন স্থানীয় সুধীজন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে বিরোধীদের এই ধরনের ইতিবাচক বোঝাপড়া ও সৌজন্যমূলক আচরণ ভবিষ্যতে হানাহানি ও দূরত্ব কমিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মির্জা ফয়সলের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে ভোটের মাঠে প্রতিযোগিতা থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে সৌহার্দ্য বজায় রাখা সম্ভব। এই ঘটনা পুরো দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি সুন্দর ও সুস্থধারার বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে।