খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

২ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
২ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ

২ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পুনর্বীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিক্ষা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিন থেকে ৩১ তারিখের মধ্যে এই পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন হবে। শুধু পরীক্ষাই নয়, বরং একই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ওই শিক্ষার্থীদের ফলাফলও প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর মাধ্যমে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা দ্রুত তাদের শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করার সুযোগ পাবে।

এর আগে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার মূল ফলাফল প্রকাশিত হয়। ওই প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী সারা দেশে সামগ্রিক পাসের হার ছিল বাহান্ন দশমিক ১২ শতাংশ। এছাড়া এই পরীক্ষায় মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। অন্যদিকে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল একষট্টি দশমিক শূন্য সাত শতাংশ এবং সেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ঊনপঞ্চচল্লিশ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮৮৬ জন।

তবে এবারের প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায় যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে কৃতকার্য হতে পারেনি। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন শিক্ষার্থী একটি বিষয়ে এবং ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থী দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে। ফল প্রকাশের দিনই শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এই বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য বিশেষ পুনর্বীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। মূলত তাদের সেই ঘোষণার আলোকেই এখন সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে চলতি বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া মোট ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থীর এই বিশেষ পুনর্বীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন যে এই উদ্যোগের ফলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে বড় ধরনের কোনো দীর্ঘসূত্রিতা তৈরি হবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করে ফলাফল প্রকাশ করা হলে শিক্ষার্থীরা দ্রুত উচ্চ শিক্ষায় প্রবেশ বা পরবর্তী প্রস্তুতি নেওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগ পাবে।

advertisement
advertisement

সিনেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ৭ অঙ্গরাজ্যের সব কটিতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা: নিউইয়র্ক টাইমসের জরিপ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিনেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ৭ অঙ্গরাজ্যের সব কটিতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা: নিউইয়র্ক টাইমসের জরিপ

সিনেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ৭ অঙ্গরাজ্যের সব কটিতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা: নিউইয়র্ক টাইমসের জরিপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন সিনেট নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস পাওয়া গেছে। দেশের অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সাতটি অঙ্গরাজ্যের প্রতিটিতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা রিপাবলিকানদের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের সাম্প্রতিক এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে, যা রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রিপাবলিকান পার্টির দুর্গ বলে পরিচিত টেক্সাস এবং কানসাস অঙ্গরাজ্যেও এবার ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। রাজনৈতিক ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ঐতিহাসিক দিক থেকে এসব অঞ্চলের আসনগুলোতে ডেমোক্র্যাটদের জয় পাওয়া বেশ বিরল ঘটনা। দীর্ঘ রাজনৈতিক খরা কাটিয়ে এই রাজ্যগুলোতে এবার নাটকীয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।

তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ১৯৮৮ সালের পর থেকে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে কোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হতে পারেননি। একই ভাবে কানসাস অঙ্গরাজ্যের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও অনেক দীর্ঘস্থায়ী, যেখানে ১৯৩২ সালের পর থেকে কোনো ডেমোক্র্যাট দলের নেতা সিনেট আসনে জয়লাভ করতে সক্ষম হননি। ফলে এবারের জরিপ ফলাফলকে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি বড় ধরনের চমক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভোটারদের মনোভাবের এই পরিবর্তন মার্কিন রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। যদি জরিপের এই ধারা নির্বাচনের দিন পর্যন্ত বজায় থাকে, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন কংগ্রেসের ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। ডেমোক্র্যাট শিবিরের জন্য এটি অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক হলেও চূড়ান্ত ফল পেতে নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের

আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের

অর্থনীতি ডেস্ক: আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ সংকট সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সৌরবিদ্যুৎ থেকে তিন থেকে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই লক্ষ্য অর্জনে ভবনগুলোর ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন তথা রুফটপ সোলার ব্যবস্থাকে অন্যতম সহজ ও কার্যকর সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনবিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় এই পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত গ্রীষ্মে সাধারণ মানুষকে বিদ্যুৎ নিয়ে যে তীব্র ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয়েছিল, আগামী দিনে তার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে সরকার এখন থেকেই আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার দ্রুত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মাত্র দুই মাসের মধ্যে একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে এটি প্রয়োজনে সংশোধনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্রয়োজন, আর্থিক সক্ষমতা ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং এই কার্যক্রমে সরকার ও ইউজিসি সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে।

সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে কেবল বিদ্যুৎ সাশ্রয়ই নয়, বরং কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্বন ক্রেডিট অর্জনের সম্ভাবনার দিকটিও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এই বিশেষ ক্রেডিট অর্জনে সার্বিক সহযোগিতা দেবে বিদ্যুৎ বিভাগ এবং এই ক্রেডিট পরবর্তীতে বিক্রির সুযোগও রয়েছে। এই উদ্যোগের প্রচার ও প্রসারের অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বর মাসে ঢাকায় বাংলাদেশ সোলার এক্সপো আয়োজন করা হতে যাচ্ছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের রূপরেখা ও কার্যকারিতা নিয়ে উপাচার্যদের অংশগ্রহণে খুব শীঘ্রই একটি বিশেষ বিশেষজ্ঞ সভারও আয়োজন করা হবে বলে তিনি জানান।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন নিয়ে বিদ্যমান নানা বিভ্রান্তি দূর করতেই এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরিচালন ব্যয়ের একটি বড় অংশই বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল পরিশোধে ব্যয় হয়, তাই ব্যয় কমাতে ওপেক্স মডেলে সৌরবিদ্যুৎ চালুর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। ইতিমধ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই মডেলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও একই ধরনের ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। অনুষ্ঠানে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ডিন অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম ও বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব তাহমিলুর রহমান সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন বিষয়ে পৃথক দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা আলোচনায় অংশ নেন।

ঋণের নামে ১২২১ কোটি টাকা লোপাট, সালমানসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঋণের নামে ১২২১ কোটি টাকা লোপাট, সালমানসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ঋণের নামে ১২২১ কোটি টাকা লোপাট, সালমানসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

অপরাধ ডেস্ক: ঋণ সুবিধার অপব্যবহার করে ভুয়া রপ্তানি বিল তৈরি, অর্থ আত্মসাৎ এবং বিদেশে পাচারের গুরুতর অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ মোট ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়। মূলত তিনটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করার সত্যতা পাওয়ার পর এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত তিনটি মামলার প্রথমটিতে ২২ জন, দ্বিতীয়টিতে ২২ জন এবং তৃতীয়টিতে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। স্প্রিংফুল অ্যাপারেলস, আরবান ফ্যাশনস ও মিডওয়েস্ট গার্মেন্টস নামের তিনটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধা গ্রহণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে কোনো ধরনের প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা না করে ভুয়া আমদানি ও রপ্তানির লেনদেন দেখিয়ে এই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়, যা পরবর্তীতে অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

আসামিদের তালিকায় সালমান এফ রহমানের পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্য এবং বেক্সিমকো গ্রুপের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও পরিচালক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালক এবং রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ব্যাংকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের এই জালিয়াতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাওয়া গেছে। কোনো রকম পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কীভাবে এই বিশাল অঙ্কের ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছিল, তা নিয়ে তদন্তে নানা অনিয়ম উঠে এসেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই তিনটি ঘটনায় মোট ১ হাজার ১২১ কোটি টাকারও বেশি আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ঘটনায় স্প্রিংফুল অ্যাপারেলস লিমিটেডের অনুকূলে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলসহ বিভিন্ন ঋণের নামে প্রায় ১৪১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এছাড়া দ্বিতীয় মামলায় আরবান ফ্যাশনস লিমিটেডের নামে প্রায় ৪১৭ কোটি টাকা এবং তৃতীয় মামলায় মিডওয়েস্ট গার্মেন্টস লিমিটেডের নামে প্রায় ৫৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।

ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা, জালিয়াতি এবং পরস্পরের যোগসাজশে ব্যাংকিং খাতের অর্থ তছরুপ ও বিদেশে পাচারের অপরাধে সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। দণ্ডবিধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় এই মামলাগুলো পরিচালিত হবে। ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে দুর্নীতি দমন কমিশনের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।