খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ব্যবসা সহজ করতে নিয়ন্ত্রণ কমানো হচ্ছে ১০৭ ক্ষেত্রে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্যবসা সহজ করতে নিয়ন্ত্রণ কমানো হচ্ছে ১০৭ ক্ষেত্রে

ব্যবসা সহজ করতে নিয়ন্ত্রণ কমানো হচ্ছে ১০৭ ক্ষেত্রে

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য আরও সহজ ও গতিশীল করার লক্ষ্যে ১০৭টি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে আনার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের অধীনে থাকা ১২টি খাতের এই প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘদিনের এসব ব্যবসায়িক জটিলতা এবং লালফিতার দৌরাত্ম্য দূর করতে ইতোমধ্যে ২২ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। সরকারের শীর্ষপর্যায়ের নির্দেশনায় গঠিত এই কমিটি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে দ্রুত বিনিয়ন্ত্রণ কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সবচেয়ে বেশি ৩৭টি সমস্যা রয়েছে আয়কর, শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত। এছাড়া বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন সংক্রান্ত ২১টি, ইনভেস্ট বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক সংক্রান্ত ১৯টি করে, পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও বেপজার তিনটি করে, এসএমই ফাউন্ডেশনের দুটি এবং যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মের পরিদপ্তরের সঙ্গে একটি জটিলতা চিহ্নিত করা হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত টাস্কফোর্সের প্রথম বৈঠকে এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যবসা সহজীকরণের বিভিন্ন সফল মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশও এই সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। ভিয়েতনাম, ভারত, জর্জিয়া ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে প্রশাসনিক সংস্কার ও অপ্রয়োজনীয় শর্ত বাতিলের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়েছে। আমাদের দেশেও ব্যবসা শুরুর সময় কমানো এবং ডিজিটাল সেবা চালুর মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির কাজ চলছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ব্যবসা শুরুর সময় ৩৫৫ দিন থেকে কমিয়ে মাত্র ১৪ দিনে নামিয়ে আনার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে কাজ করছে।

সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চলতি বছরেই অনলাইনে করপোরেট রিটার্ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পরিধি বৃদ্ধি, বন্ড অডিট শিথিল করা এবং কন্টিনিউয়াস বন্ড সুবিধা দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ঋণপত্রের বাধ্যতামূলক ব্যবহার শিথিলের বিষয়টিও বাংলাদেশ ব্যাংক বিবেচনা করছে। পরিবেশ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য সংস্থাও ছাড়পত্র প্রদান প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক ও সহজতর করার উদ্যোগ নিয়েছে।

বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছেন। তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি এবং নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা শুল্কায়ন জটিলতা, পরিদর্শনের নামে হয়রানি এবং বন্ড লাইসেন্সসংক্রান্ত সমস্যাগুলো দ্রুত দূর করার দাবি জানিয়েছেন। সরকারের নীতিনির্ধারকরাও ব্যবসায়ীদের এসব যৌক্তিক দাবি আমলে নিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

advertisement
advertisement

সোনার দামে বড় লাফ, ভরি এখন কত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সোনার দামে বড় লাফ, ভরি এখন কত

সোনার দামে বড় লাফ, ভরি এখন কত

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বাজারে মূল্যবান ধাতু সোনার দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। এর আগে গত কিছুদিন দাম কিছুটা কমানো হলেও সম্প্রতি বড় ব্যবধানে তা আবার বাড়ল। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী দেশের বাজারে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ বিশ হাজার আটশ আটান্ন টাকা। ক্রেতাদের এই নির্ধারিত মূল্যেই সোনা কিনতে হবে এবং নতুন এই হার সকাল থেকেই কার্যকর করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

শুধু ২২ ক্যারেট নয় বরং অন্যান্য মানের সোনায়ও দামের পরিবর্তন আনা হয়েছে। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা দুই লাখ দশ হাজার নয়শ তিপ্পান্ন টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এক লাখ একাশি হাজার দুইশ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ আটচল্লিশ হাজার ষোলো টাকা।

স্বর্ণালংকার বিক্রির ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভ্যাট ও মজুরি সংক্রান্ত নীতিমালা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। গ্রাহকদের অলংকার কেনার সময় ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে এবং বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে তা যুক্ত থাকায় আলাদা করে কোনো অর্থ নেওয়া যাবে না। তবে সোনার দাম বাড়লেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং আগের নির্ধারিত মূল্যেই রুপা বিক্রি হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে শুরু হচ্ছে এআই বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্স

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে শুরু হচ্ছে এআই বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্স

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে শুরু হচ্ছে এআই বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্স

শিক্ষা ডেস্ক: আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে করপোরেট পেশাজীবীদের দক্ষতা বাড়াতে একটি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। পরিবর্তিত ব্যবসায়িক পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে করপোরেট নির্বাহীদের জন্য ছয় সপ্তাহ মেয়াদি একটি বিশেষ সার্টিফিকেট কোর্স চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রোগ্রামটি মূলত ডিজিটাল যুগে ব্যবস্থাপকদের প্রযুক্তিগত সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাস্তবমুখী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কৌশলে দক্ষ করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সাজানো হয়েছে। বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে টিকে থাকতে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পেশাজীবীদের কর্মক্ষেত্রে আরও বেশি উদ্ভাবনী ও আধুনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ছয় সপ্তাহের এই নিবিড় প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে আধুনিক ব্যবসা ব্যবস্থাপনায় জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তবমুখী ব্যবহার, প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং স্বয়ংক্রিয় কর্মপদ্ধতি পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। অংশগ্রহণকারীরা ব্যবসায়িক চিঠিপত্র তৈরি, উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলের সঠিক প্রয়োগ সম্পর্কে বিস্তারিত শিখবেন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত ও করপোরেট প্রম্পট লাইব্রেরি তৈরি, দৈনন্দিন কাজ স্বয়ংক্রিয় করা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক দল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা।

এই কোর্সে অংশ নিতে হলে প্রার্থীদের যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি অন্তত পাঁচ বছরের পেশাগত কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, তবে ব্যতিক্রমী যোগ্যতার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা শিথিলযোগ্য। কোর্সটিতে ভর্তির জন্য আগ্রহীদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে এবং প্রাথমিক বাছাইয়ের পর নির্বাচিতদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। চূড়ান্তভাবে মনোনীত প্রার্থীদের জন্য কোর্স ফি নির্ধারণ করা হয়েছে চল্লিশ হাজার টাকা এবং প্রতিটি ক্লাসে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের নিজ দায়িত্বে ল্যাপটপ সঙ্গে আনতে হবে।

আইবিএ ভবন সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সেকশন অনুযায়ী ক্লাসগুলোতে প্রতি সপ্তাহের ছুটির দিনগুলোতে তিন ঘণ্টা করে মোট বারোটি ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। কোর্স সম্পর্কিত যেকোনো ধরনের বিস্তারিত তথ্য ও সহায়তার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ ভবনের চতুর্থ তলার নির্দিষ্ট কার্যালয়ে বা প্রদত্ত যোগাযোগ নম্বরে সরাসরি যোগাযোগ করা যাবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগের ফলে দেশের করপোরেট খাতের ব্যবস্থাপকরা বিশ্বমানের প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন এবং দেশের সার্বিক ব্যবসায়িক ব্যবস্থাপনায় এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলে চাকরির সুযোগ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলে চাকরির সুযোগ

রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলে চাকরির সুযোগ

চাকরি ডেস্ক: রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলের কার্যালয়ে জনবল নিয়োগের জন্য নতুন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। সরকারি এই প্রতিষ্ঠানে ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের বিভিন্ন পদে মোট এগারো জনকে চাকরি দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। দেশের চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বিভিন্ন পদে যোগ্য প্রার্থী নিয়োগ করা হবে। পদের তালিকায় রয়েছে ব্যক্তিগত সহকারী, উচ্চমান সহকারী, সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এবং অফিস সহায়ক পদ। পদভেদে বেতন স্কেল নির্ধারিত হয়েছে এবং ভিন্ন ভিন্ন গ্রেডে এই বেতন প্রদান করা হবে।

আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ২৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে ফরম পূরণের মাধ্যমে প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন এবং পদের ধরন অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণে আবেদন ফি জমা দিতে হবে।

এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাজশাহী কর আপিল অঞ্চলে শূন্য পদগুলো পূরণ করা হবে। যারা সরকারি চাকরির প্রত্যাশায় আছেন, তারা সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। বিস্তারিত তথ্য এবং নির্দেশনার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা প্রকাশিত মূল বিজ্ঞপ্তি দেখে নেওয়া যেতে পারে।