খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

দাঁড়িয়ে নাকি বসে প্রস্রাব—পুরুষদের জন্য কোনটি ভালো? গবেষণায় মিলল উত্তর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দাঁড়িয়ে নাকি বসে প্রস্রাব—পুরুষদের জন্য কোনটি ভালো? গবেষণায় মিলল উত্তর

দাঁড়িয়ে নাকি বসে প্রস্রাব—পুরুষদের জন্য কোনটি ভালো? গবেষণায় মিলল উত্তর

স্বাস্থ্য ডেস্ক: প্রস্রাব করার সময় পুরুষদের দাঁড়িয়ে থাকা ভালো নাকি বসে থাকা উচিত, এই বিষয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কের অবসান ঘটাতে নতুন একটি গবেষণা পরিচালিত হয়েছে। সম্প্রতি নিউরোইউরোলজি অ্যান্ড ইউরোডাইনামিকস সাময়িকীতে প্রকাশিত এই গবেষণায় জানানো হয়েছে যে, সুস্থ পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রস্রাব করার এই দুই ভিন্ন অবস্থানের মধ্যে কার্যকারিতার দিক থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো তফাত নেই। কলম্বিয়ান ইউরোলজি রিসার্চ গ্রুপের বিজ্ঞানীদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণায় ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সী ৫২ জন সুস্থ পুরুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন। গবেষকেরা অংশগ্রহণকারীদের উভয় অবস্থানেই প্রস্রাব করতে বলেন এবং তাদের শারীরিক প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও পরিমাপ করেন।

গবেষণার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারীদের একাংশকে প্রথমে বসে এবং পরে দাঁড়িয়ে, আর অন্য অংশকে এর বিপরীত নিয়মে প্রস্রাব করতে বলা হয়। প্রতিটি পরীক্ষার মধ্যে অন্তত চব্বিশ ঘণ্টার একটি নির্দিষ্ট বিরতি রাখা হয়েছিল, যা বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় ওয়াশআউট পিরিয়ড নামে পরিচিত। প্রতিবার প্রস্রাবের সময় সর্বোচ্চ প্রবাহের হার এবং মোট নির্গত প্রস্রাবের পরিমাণ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা হয়। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায় যে, শরীরের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে প্রস্রাবের এই সূচকগুলোতে কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন আসে না। তবে গবেষকেরা লক্ষ করেছেন যে, দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার সময় সর্বোচ্চ প্রবাহের গতিতে পৌঁছাতে সামান্য একটু বেশি সময় লাগতে পারে। পরিসংখ্যানগতভাবে এই তফাত সামান্য হলেও চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এর বিশেষ কোনো গুরুত্ব নেই বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এর আগে বিভিন্ন গবেষণায় দাবি করা হয়েছিল যে, প্রোস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে যাওয়া বা নিম্ন মূত্রনালির সমস্যায় ভোগা পুরুষদের জন্য বসে প্রস্রাব করা অধিক সুবিধাজনক। চিকিৎসকদের মতে, বসে প্রস্রাব করলে শ্রোণীদেশীয় পেশি শিথিল হয় এবং মূত্রথলি তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে খালি হতে পারে। তবে সুস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই দুই পদ্ধতির কার্যকারিতায় বড় কোনো তফাত না পাওয়ায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে কোনো জটিলতা না থাকলে পুরুষেরা নিজেদের পছন্দমতো যেকোনো মাধ্যম বেছে নিতে পারেন। তাছাড়া বিভিন্ন সংস্কৃতির সঙ্গে এই অভ্যাসের সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিষয়গুলোও জড়িত থাকে, যা অঞ্চলভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে সামগ্রিক পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি মাথায় রেখে যার যার সুবিধা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই সবচেয়ে শ্রেয় বলে মনে করেন গবেষকেরা।

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুরুষদের শরীরে কিছু শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন আসে যা প্রস্রাবের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। পঞ্চাশ বছর বয়স পার হওয়ার পর অনেক পুরুষের প্রোস্টেট গ্রন্থি আকারে বড় হয়ে যায়, যার ফলে মূত্রনালি সংকুচিত হতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা কঠিন হতে পারে এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে বসে প্রস্রাব করা ভালো বিকল্প হতে পারে। তবে সাম্প্রতিক গবেষণার লেখকেরা জোর দিয়ে বলেছেন যে, আগেকার অনেক গবেষণায় ছোট নমুনার ওপর ভিত্তি করে অতিরঞ্জিত সিদ্ধান্ত টানা হয়েছিল। নতুন এই গবেষণায় সেই সীমাবদ্ধতাগুলো কাটিয়ে নিশ্চিত করা হয়েছে যে সুস্থ পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রস্রাবের অবস্থানে খুব একটা ফারাক পড়ে না। তাই কোনো শারীরিক সমস্যা না থাকলে নিজের স্বাচ্ছন্দ্য অনুযায়ী যেকোনো উপায় বেছে নেওয়ায় কোনো বাধা নেই।

advertisement
advertisement

বাংলাদেশে আসছেন মুফতি তাকি উসমানি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশে আসছেন মুফতি তাকি উসমানি

বাংলাদেশে আসছেন মুফতি তাকি উসমানি

ধর্ম ডেস্ক: মুসলিম বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় আলেম ও পাকিস্তানের বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার সভাপতি মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি খুব শীঘ্রই বাংলাদেশ সফরে আসছেন। আগামী ২২ নভেম্বর তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে এবং সফর শেষে আগামী ২৮ নভেম্বর তার নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে। রাজধানীর শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক ও শাইখুল হাদিস মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসলামি অর্থনীতি, ফিকহ ও হাদিস শাস্ত্রের গবেষক হিসেবে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে এবং তিনি পাকিস্তানের দারুল উলুম করাচির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের শরিয়াহ আপিল বেঞ্চের সাবেক বিচারপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।

তার এই সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকার বিভিন্ন মহলে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের উদ্যোগে আয়োজিত ১৫ সালা দস্তারবন্দী মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন এই বিশিষ্ট আলেম। আগামী ২২ নভেম্বর বাদ জোহর রাজধানীর কাওলা নামাপাড়ায় এই মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই বড় ধর্মীয় আয়োজন ছাড়াও তার ঢাকা সফরকালে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামে কেরাম ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থাকবেন।

এই মহাসম্মেলনে মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি ছাড়াও পাকিস্তানের আরও একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তিনি হলেন পাকিস্তানের বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার মহাসচিব এবং মুলতানের খাইরুল মাদারিসের মুহতামিম মাওলানা হানিফ জালন্ধরী। বিদেশি এসব খ্যাতনামা আলেমের উপস্থিতি এই মহাসম্মেলনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ এই সম্মেলনে অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানির মতো একজন বিশ্বমানের ইসলামি গবেষক ও বিচারপতির আগমন বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মাঝে দারুণ উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। তার এই সফর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের আলেম সমাজের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। সফরকালীন কর্মসূচিগুলো সফল ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সিরিজ হেরে ওয়ার্নারের কাঠগড়ায় অস্ট্রেলিয়া

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরিজ হেরে ওয়ার্নারের কাঠগড়ায় অস্ট্রেলিয়া

সিরিজ হেরে ওয়ার্নারের কাঠগড়ায় অস্ট্রেলিয়া

খেলা ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট সিরিজ হারের পর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া দল। কেপটাউনে অনুষ্ঠিত সিরিজের শেষ ম্যাচে প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত লিড পাওয়ার পরও জয় তুলে নিতে ব্যর্থ হয় সফরকারী দল। স্বাগতিকদের বিপক্ষে এই শোচনীয় পরাজয়ের পর থেকেই ক্রিকেট মহলে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। বিশেষ করে অজি ব্যাটারদের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন পারফরম্যান্স মেনে নিতে পারছেন না দেশের সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। প্যাট কামিন্সের দলের এই হতাশাজনক ফলাফলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক সফল ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারও।

ম্যাচটিতে জয়ের জন্য ২৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ানরা। এর ফলে ১৭৬ রানের বড় জয় নিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-১ ব্যবধানে নিজেদের করে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডেভিড ওয়ার্নার দলের এমন ব্যাটিং বিপর্যয়ের কঠোর সমালোচনা করেন। তাঁর মতে, ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে জয় ছিনিয়ে আনার মতো ন্যূনতম লড়াইয়ের মানসিকতাও দেখাতে পারেনি অজি ব্যাটাররা। দলের এমন আত্মসমর্পণমূলক হারকে তিনি লজ্জাজনক ও অস্ট্রেলীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন।

ওয়ার্নার আরও উল্লেখ করেন যে, পুরো সিরিজ জুড়েই ব্যাটাররা তাদের বাজে পারফরম্যান্স দিয়ে বোলারদের চরম হতাশ করেছেন। প্রথম টেস্টে ম্যাট রেনশ কিছুটা লড়াইয়ের মানসিকতা প্রদর্শন করলেও সামগ্রিক ব্যাটিং ছিল হতাশাজনক। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে কাগিসো রাবাদার বলে রেনশের দায়িত্বজ্ঞানহীন শট নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এই সাবেক ওপেনার। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের সামনে অজিদের এই আত্মসমর্পণের পেছনে কৌশলগত ঘাটতিও দায়ী বলে মনে করেন তিনি। স্বাগতিকদের পক্ষে সাইমন হারমার ও কাগিসো রাবাদার দুর্দান্ত বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি সফরকারীরা।

ম্যাচের এক পর্যায়ে ক্যামেরন গ্রিন ও নাথান লায়ন কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তা জয় এনে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল না। গ্রিনের ভুল কলের কারণে জশ ইংলিস রানআউট হয়ে ফিরে গেলে দলের পরাজয় ত্বরান্বিত হয়। গ্রিনের ওই ভুল সিদ্ধান্তটির কড়া সমালোচনা করেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথও। এই জয়ের সুবাদে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থান দখল করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, আর অস্ট্রেলিয়া নেমে গেছে তিন নম্বরে। সিরিজ হারের এই ক্ষত কাটিয়ে উঠতে অজিদের কৌশলগত জায়গায় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ঢাকায় আট অঞ্চলে চলবে আট রঙের ই-রিকশা, চালকদের লাইসেন্স আপাতত নয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকায় আট অঞ্চলে চলবে আট রঙের ই-রিকশা, চালকদের লাইসেন্স আপাতত নয়

ঢাকায় আট অঞ্চলে চলবে আট রঙের ই-রিকশা, চালকদের লাইসেন্স আপাতত নয়

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল সুশৃঙ্খল করতে এবং যানজট নিরসনে একটি নতুন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পুরো ঢাকাকে মোট আটটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে ভাগ করা হবে। প্রতিটি অঞ্চলের জন্য আলাদা রঙের রিকশা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে, যাতে এক অঞ্চলের যান অন্য অঞ্চলে অবাধে চলাচল করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বিশেষ ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো অটোরিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। বিভিন্ন রঙের মাধ্যমে সহজেই চিহ্নিত করা যাবে কোন রিকশাটি কোন নির্দিষ্ট এলাকায় চলাচলের অনুমতি পেয়েছে। এর ফলে যত্রতত্র ব্যাটারিচালিত যানের উপদ্রব কমবে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কাজও অনেক সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে চালকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে আপাতত ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। এই খাতের সঙ্গে জড়িত চালকদের পেশাগত জীবনকে হঠাৎ করে জটিল না করে তাদের একটি নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসতেই এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বিবেচনা করে চালকদের নিবন্ধনের আওতায় আনার বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা পরিকল্পনা করতে পারেন।

নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়ন নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ইতিবাচক আলোচনা চলছে এবং খুব শীঘ্রই মাঠপর্যায়ে এর কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির মুখে এই ধরনের উদ্যোগ রাজধানীর যাতায়াত ব্যবস্থাকে আরও কিছুটা স্বস্তিদায়ক করে তুলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।