খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

যে কারণে ১৫ বছরের মধ্যে চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার সর্বনিম্ন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যে কারণে ১৫ বছরের মধ্যে চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার সর্বনিম্ন

যে কারণে ১৫ বছরের মধ্যে চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার সর্বনিম্ন

শিক্ষা ডেস্ক: চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গত পাসের হারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বিগত পাসের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দীর্ঘ ১৫ বছরের মধ্যে এবারই এই বোর্ডে পাসের হার সবচেয়ে কম। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এবার চট্টগ্রাম বোর্ডে সামগ্রিক পাসের হার নেমে এসেছে ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশে। গত বছরের তুলনায় এই পাসের হার শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ কম হওয়ায় শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

পাসের হারের পাশাপাশি এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। চলতি বছর এই বোর্ড থেকে মাত্র দুই হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে, যা গত বছরের তুলনায় তিন হাজার ১৬৮ জন কম। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন একশ চৌদ্দটি কেন্দ্রের মাধ্যমে দুইশ আশিটি কলেজের প্রায় ছিয়ানব্বই হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে ছেলেদের পাসের হার ছিল সাতচল্লিশ দশমিক ছয় দুই শতাংশ এবং মেয়েদের পাসের হার ছিল তিপ্পান্ন দশমিক আট নয় শতাংশ।

ফলাফল বিপর্যয়ের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষার্থীদের দুর্বল ফলাফল। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইংরেজিতে পাসের হার মাত্র পঁয়ষট্টি দশমিক সাত সাত শতাংশে সীমাবদ্ধ ছিল, যা অন্য যেকোনো বিষয়ের তুলনায় সবচেয়ে কম। এছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেবল একটি বিষয়ে ফেল করেছে বাইশ হাজারেরও বেশি পরীক্ষার্থী। বিষয়ভিত্তিক এই বড় হোঁচট সামগ্রিক ফলাফলকে মারাত্মকভাবে পেছনের দিকে টেনে দিয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগরীর ফলাফল তুলনামূলক ভালো হলেও পার্বত্য জেলাগুলোর করুণ দশা পুরো বোর্ডের গড় ফলাফলকে ডুবিয়েছে। চট্টগ্রাম শহরে পাসের হার ছেষট্টি দশমিক দুই শূন্য শতাংশ থাকলেও কক্সবাজার ও পার্বত্য তিন জেলার চিত্র ছিল হতাশাজনক। কক্সবাজারে তেতাল্লিশ দশমিক তিন চার শতাংশ, রাঙামাটিতে তেত্রিশ দশমিক দুই চার শতাংশ, বান্দরবানে একচল্লিশ দশমিক চার দুই শতাংশ এবং খাগড়াছড়িতে মাত্র ঊনত্রিশ দশমিক আট পাঁচ শতাংশ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে।

এই সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ফলাফলের এই নিম্নগতির পেছনে একাধিক জটিল কারণ ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে পাহাড়ি জেলাগুলোতে শিক্ষাগত পিছিয়ে পড়া অবস্থা এবং ইংরেজি বিষয়ের মতো জনবহুল বিষয়ে কম পাসের হারই চট্টগ্রাম বোর্ডের সামগ্রিক ফলাফলকে তলানিতে নিয়ে গেছে বলে মনে করছেন এই শিক্ষা কর্মকর্তা।

advertisement
advertisement

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই হাত হারানো সীতাকুণ্ডের রাব্বি এবারও পেলেন জিপিএ-৫

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই হাত হারানো সীতাকুণ্ডের রাব্বি এবারও পেলেন জিপিএ-৫

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই হাত হারানো সীতাকুণ্ডের রাব্বি এবারও পেলেন জিপিএ-৫

শিক্ষা ডেস্ক: অদম্য মনোবল ও কঠোর পরিশ্রমের জোরে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রফিকুল ইসলাম রাব্বি। তিনি চট্টগ্রাম সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এই অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছেন। এর আগে একই শিক্ষার্থী পা দিয়ে লিখে মাধ্যমিক পরীক্ষায়ও সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জন করেছিলেন। তার এই ধারাবাহিক সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাব্বির এই জয়যাত্রা এখন অনেকের জন্যই এক বিরাট অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।

রাব্বির এই জীবন সংগ্রাম শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে, যখন তিনি পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ভাটিয়ারী ফুটওভার ব্রিজের ওপর একটি ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে এসে মারাত্মকভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় তার শরীরের দুই হাত মারাত্মকভাবে পুড়ে যায় এবং চিকিৎসকরা তার জীবন বাঁচাতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দুটি হাতই কেটে ফেলতে বাধ্য হন। এত বড় একটি ট্র্যাজেডির পর দরিদ্র পরিবারের এই কিশোরের জীবন ও ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। কিন্তু রাব্বি কোনো অবস্থাতেই হার না মেনে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নেন।

প্রাথমিকভাবে লেখার জন্য মুখ ব্যবহার করলেও পড়াশোনার গতি বাড়াতে তিনি পা দিয়ে লেখার কৌশল রপ্ত করেন। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত মুখ দিয়ে লেখার পর পরবর্তী সময়ে পা দিয়েই সব পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সফল হতে থাকেন তিনি। তার এই দীর্ঘ পথচলায় পরিবারের পাশাপাশি শিক্ষক এবং বিভিন্ন দাতা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাশে দাঁড়িয়েছে। গবেষক ও চিকিৎসক ফেরদৌসী কাদরী রাব্বির পড়াশোনার আর্থিক খরচ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ওসমান নামের এক শিক্ষক তাকে বিনামূল্যে কোচিং করিয়েছেন। বাবা-মায়ের দিনমজুরির সামান্য আয়ের সংসার আর নানা প্রতিকূলতা পেরিয়েও রাব্বি তার পড়াশোনা সফলভাবে চালিয়ে গেছেন।

ভবিষ্যতে একজন বিজ্ঞানী হওয়ার সুদূরপ্রসারী স্বপ্ন রয়েছে রাব্বির এবং তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তার এই অভাবনীয় সাফল্যে স্থানীয় বিশিষ্টজনেরাও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, মনের জোর থাকলে যে কোনো বাধা পেরিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব। রাব্বির এই সংগ্রাম ও সাফল্য কেবল তার নিজের পরিবারকেই নয়, বরং পুরো সমাজকে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শেখাচ্ছে। সমাজের প্রতিটি স্তরে তার এই সাহসিকতা ও অধ্যবসায় এক অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে।

আমার দেশ ছেঁড়া সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আমার দেশ ছেঁড়া সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ

আমার দেশ ছেঁড়া সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ

জাতীয় ডেস্ক: একটি জাতীয় দৈনিকের কপি জনসমক্ষে ছিঁড়ে ফেলার তীব্র সমালোচনা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সম্প্রতি একটি লাইভ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর একজন রাজনৈতিক সহকারী বহুল প্রচারিত আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলেন। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত এবং এর মাধ্যমে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাক ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে।

<ু

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন, একটি প্রভাবশালী দৈনিকের সংখ্যা জনসমক্ষে অবমূল্যায়ন করা কেবল ওই পত্রিকার প্রতি অসম্মান নয়, বরং এটি সমগ্র গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে প্রতীয়মান হয়। এই ধরনের আচরণ দেশের মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, এমন দায়িত্বশীল পদে থেকে কেউ যদি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন, তবে তা সংবাদকর্মীদের মধ্যে চরম ভীতি ও শঙ্কার সৃষ্টি করবে। অতীতে যেভাবে সরকারি হস্তক্ষেপে গণমাধ্যম বন্ধের সংস্কৃতি চালু ছিল, এই ঘটনার মধ্য দিয়ে সেই পুরনো শঙ্কা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। মিডিয়াকে তালাবদ্ধ করার এটি একটি পূর্বনির্ধারিত আলামত হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পাশাপাশি ওই রাজনৈতিক সহায়কের বক্তব্যে দলের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে থেকে এমন ফ্যাসিবাদী ও অগণতান্ত্রিক আচরণ করার পেছনে কোনো উচ্চপর্যায়ের ইন্ধন রয়েছে কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। জনগণের সেই সংশয় দূর করতে এবং স্বাধীন গণমাধ্যমের সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট মহলের স্পষ্ট অবস্থান দাবি করেছে দলটি।

এইচএসসিতে প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল কী কারণে?

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসিতে প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল কী কারণে?

এইচএসসিতে প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল কী কারণে?

শিক্ষা ডেস্ক: বাংলাদেশে সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক বা এইচএসসি এবং সমমান পরীক্ষার ফলাফলে একটি বড় বিপর্যয় দেখা গেছে। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এবার পরীক্ষায় মাত্র বাহান্ন দশমিক বারো শতাংশ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পেরেছে। এর অর্থ হলো, অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেকই এবার কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। দেশজুড়ে এমন ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষাবিদদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

পরীক্ষায় এমন বিপর্যয়ের পেছনে বিভিন্ন কারণ চিহ্নিত করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত পাঠদান ও ক্লাসে উপস্থিতির হার কমে যাওয়া এর অন্যতম প্রধান কারণ। এছাড়া করোনা পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অভ্যাস ও মনোনিবেশে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী কলেজমুখী না হয়ে ঘরোয়া কোচিং বা নোট গাইডের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল, যা তাদের প্রকৃত জ্ঞানার্জনে বাধা সৃষ্টি করেছে।

শিক্ষাবিদদের একাংশের মতে, পরীক্ষার মূল্যায়ন প্রক্রিয়া ও খাতা দেখার পদ্ধতিতে কিছু কড়াকড়ি বা পরিবর্তনের কারণেও পাসের হার হঠাৎ করে কমে যেতে পারে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের পরীক্ষা বা বিগত কয়েক বছরের বিশেষ ছাড়ের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসার ফলে শিক্ষার্থীরা মানসম্মত প্রস্তুতি নিতে পারেনি। বিশেষ করে ইংরেজি ও গণিতের মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের ভীতি এবং দুর্বলতা বরাবরের মতোই এবারও বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

এই করুণ ফলাফলের পর দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। শিক্ষক এবং অভিভাবকদের পাশাপাশি নীতিনির্ধারকদেরও এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে যাতে আগামী দিনে এমন হতাশাজনক পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রোধ করা যায়। নিয়মিত তদারকি, ক্লাসে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং পাঠদানের মান বৃদ্ধির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন আরও সুরক্ষিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।