খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ কর্মসংস্থান খাতে মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ কর্মসংস্থান খাতে মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

বাণিজ্য, বিনিয়োগসহ কর্মসংস্থান খাতে মালদ্বীপের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশের সঙ্গে মালদ্বীপের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনীন রশীদ এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় দুই দেশের মধ্যকার পারস্পরিক আস্থা, সৌহার্দ্য এবং অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

সাক্ষাৎকালের একপর্যায়ে হাইকমিশনার মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কাছে শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন এবং এর জবাবে রাষ্ট্রপতিও মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করেন। ঢাকায় একটি বিশেষ বিজনেস সামিট আয়োজনের পরিকল্পনার বিষয়ে হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করলে তিনি এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। রাষ্ট্রপতির মতে, এই ধরনের উদ্যোগ উভয় দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যকার যোগাযোগ বৃদ্ধি করবে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।

মালদ্বীপের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালনকারী লক্ষাধিক প্রবাসী বাংলাদেশির অবদানের কথা স্মরণ করে দেশটির সরকারকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থরক্ষার জন্য জনশক্তি রপ্তানি, পর্যটন শিল্পের বিকাশ, মৎস্য ও মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসাবিদ্যার মতো সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোতে অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করার প্রস্তাব করা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশে মালদ্বীপের শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাশাস্ত্রে অধ্যয়নের সুযোগ আগামী দিনেও অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়।

আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়, যাতে এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও কার্যকর হয়। এই লক্ষ্য অর্জনে মালদ্বীপের ইতিবাচক ভূমিকা ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করা হয়। আলোচনা শেষে উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করে যে, আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব আরও বেশি সুদৃঢ় ও বিস্তৃত হবে।

advertisement
advertisement

সারা দেশের বাস্তুচ্যুত মানুষের দায়িত্ব ডিএসসিসি নিতে পারবে না: আবদুস সালাম

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সারা দেশের বাস্তুচ্যুত মানুষের দায়িত্ব ডিএসসিসি নিতে পারবে না: আবদুস সালাম

সারা দেশের বাস্তুচ্যুত মানুষের দায়িত্ব ডিএসসিসি নিতে পারবে না: আবদুস সালাম

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে জোরালো অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সম্প্রতি এই উচ্ছেদ কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা ট্রেড সেন্টার পর্যন্ত টানা দ্বিতীয় দিনের মতো এই অভিযান চালানো হয় এবং এ সময় প্রচুর অবৈধ দোকানপাট ও মালামাল জব্দ করা হয়।

অভিযান চলাকালে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে আলাপকালে ডিএসসিসি প্রশাসক স্পষ্ট ভাষায় জানান যে ফুটপাত ও সড়ক দখলকারীদের বিরুদ্ধে তাদের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন যে হকারদের উচ্ছেদ করার আগে বারবার আলোচনা, অনুরোধ এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এরপরও যদি কেউ নির্দেশ অমান্য করে অবৈধভাবে বসার চেষ্টা করে, তবে মালামাল জব্দের পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে গ্রেপ্তার করা হবে।

হকারদের পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ করা নিয়ে ওঠা বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মো. আবদুস সালাম বলেন যে ঢাকাবাসীর দাবি এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার কথা বিবেচনা করেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে সারা দেশ থেকে আসা বাস্তুচ্যুত মানুষের সম্পূর্ণ দায়িত্ব ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কোনোভাবেই একা বহন করতে পারে না।

নগরীর শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে হকারদের বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট সীমার কথা উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন যে পথচারীদের চলাচলে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি না করে নির্দিষ্ট কিছু স্থানে সীমিতসংখ্যক হকারকে ব্যবসার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। তবে বাকি সবাইকে নিজ নিজ এলাকায় বা জেলায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পরিশেষে তিনি মন্তব্য করেন যে যেকোনো মূল্যে ঢাকাকে রক্ষা করতে হবে এবং এর বাইরে কোনো বিকল্প খোলা নেই।

ঢাকা উত্তর–দক্ষিণসহ ছয় সিটিতে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকা উত্তর–দক্ষিণসহ ছয় সিটিতে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ

ঢাকা উত্তর–দক্ষিণসহ ছয় সিটিতে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ

আইন-আদালত ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একটি রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন উচ্চ আদালত। এর ফলে আইনি কোনো বাধা না থাকায় ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সিটি করপোরেশনের প্রশাসকেরা তাঁদের দাপ্তরিক কার্যক্রম নিয়মমাফিক চালিয়ে যেতে পারবেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

সম্প্রতি এই রিট মামলাটির ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এবং উভয় পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তি তর্ক শুনে আদালত চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা আদালতে জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করে জানান যে, বর্তমান প্রশাসকেরা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই নিজ নিজ দায়িত্বে বহাল রয়েছেন এবং তাঁদের কার্যক্রম সম্পূর্ণ আইনসম্মত।

আদালতের এই রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার স্বাভাবিক গতিশীলতা বজায় রাখতে প্রশাসকদের এই কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি ছিল। আদালত রিট আবেদনটি খারিজ করায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা আপাতত থাকছে না।

উল্লেখ্য, এর আগে সিটি করপোরেশনগুলোতে প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করে একটি পক্ষ উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করেছিল। বর্তমান রায়ের মাধ্যমে সেই আইনি বিরোধের অবসান ঘটল এবং প্রশাসকদের দায়িত্ব পালনের পথ আরও সুগম হলো।

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: জামায়াত এমপি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: জামায়াত এমপি

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: জামায়াত এমপি

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি রোধে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে না পারলে এই প্রশাসনের অবিলম্বে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া উচিত। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের প্রাথমিক দায়িত্ব হলেও তারা সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছে, যার ফলে পরবর্তী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল জনগণের হাতেই ন্যস্ত থাকবে। সম্প্রতি খুলনা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

আসন্ন ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে এই প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতারা অভিযোগ করেন, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাধারণ মানুষ মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। আকস্মিক বোমা বিস্ফোরণ, গুলিবর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনায় জনমনে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে, যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও ব্যবসা-বাণিজ্যকে চরমভাবে ব্যাহত করছে। তারা আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান প্রশাসনের ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা, দলীয়করণ এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে চরম অসচেতনতার কারণে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটছে। সরকার গঠনের মাত্র কয়েকমাসের মাথায় এ ধরনের কঠোর কর্মসূচি হাতে নিতে বাধ্য হওয়াটাই প্রশাসনের চরম ব্যর্থতার বড় প্রমাণ বলে তারা দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়, যার মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় পুরোপুরি বাস্তবায়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান অগ্রগতি, নিত্যপণ্যের বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং জনদুর্ভোগের অবসান। এছাড়া চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য কঠোরভাবে দমনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। নেতারা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে জানান যে, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও অপরাধীরা গ্রেফতারের পরপরই সহজেই জামিন পেয়ে মুক্ত হয়ে যাচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মামলার যথাযথ প্রস্তুতি এবং পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আলামতের অভাবে আসামিরা আইনি ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। এই ত্রুটি দূর করতে অবিলম্বে কঠোর আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

খুলনা সদর আসনের সংসদ সদস্য শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল সংবাদ সম্মেলনে বলেন যে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের মূল দায়িত্ব বর্তায় সরকারের ওপর এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে তারা স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছেন। অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এর সম্পূর্ণ দায়ভার প্রশাসনকেই বহন করতে হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া এই লংমার্চ বিভিন্ন পথসভা পেরিয়ে কুষ্টিয়ার দিকে অগ্রসর হবে। খুলনার শিববাড়ী মোড় ও ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত দুটি বিশাল পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমিরের। কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সফল করতে ইতিমধ্যে ১৭টি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে এবং কয়েক সহস্রাধিক প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।