খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

মা-বাবাকে সালাতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করার মার্জিত ও কার্যকর কৌশল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মা-বাবাকে সালাতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করার মার্জিত ও কার্যকর কৌশল

ব্যক্তিগতভাবে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি নিজ পরিবারের সদস্যদেরও ইবাদতের পথে ডাকার বিষয়ে পবিত্র কোরআনে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। আল্লাহ তাআলা সুরা ত্বহার ১৩২ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করেন, ‘আর তুমি তোমার পরিবারকে নামাজের নির্দেশ দাও এবং তার ওপর অবিচল থাকো।’ তবে ছোট ভাইবোন কিংবা সন্তানদের খুব সহজে নামাজের তাগিদ দেওয়া গেলেও জন্মদাতা পিতা-মাতাকে এই বিষয়ে বলা অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি বিষয়। ইসলামে পিতামাতার মর্যাদা সবার ওপরে রাখা হয়েছে। এ কারণে তাঁদের কোনো ভুল শুধরে দেওয়া কিংবা ভালো কাজের পরামর্শ দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদব ও প্রজ্ঞার পরিচয় দেওয়া প্রতিটি সন্তানের দায়িত্ব। মা-বাবাকে নামাজের প্রতি আহ্বান করার কিছু সুন্দর ও ফলপ্রসূ পদ্ধতি রয়েছে।

পিতা-মাতাকে নামাজের কথা বলার ক্ষেত্রে সন্তানের বাচনভঙ্গি ও আচরণ হতে হবে অত্যন্ত বিনম্র। তাঁদের ওপর কোনো অবস্থাতেই অভিভাবকত্ব বা শিক্ষকের ভাব প্রদর্শন করা যাবে না। সুরা বনি ইসরাইলের ২৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন, ‘আর তাদের সঙ্গে সম্মানসূচক কথা বলো।’ নবী ইব্রাহিম (আ.) যখন তাঁর পিতা আজরকে ইমান ও সালাতের দাওয়াত দিয়েছিলেন, তখন তিনি অত্যন্ত মিষ্টভাষায় বারবার ‘হে আমার প্রিয় পিতা’ বলে সম্বোধন করতেন, যা সুরা মারইয়ামের ৪২ থেকে ৪৫ নম্বর আয়াতে বর্ণিত হয়েছে। ইমাম কুরতুবি তাঁর ‘আল-জামি লি–আহকামিল কুরআন’ (১১ত/৯৫, দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ, কায়রো, ১৯৬৪) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, মা-বাবাকে কোনো সৎকাজের নির্দেশ কিংবা অসৎকাজ থেকে বারণের ক্ষেত্রে সন্তানের ভাষা হতে হবে অত্যন্ত বিনম্র; তাঁদের প্রতি কোনো রূঢ় আচরণ বা তিরস্কার করা চলবে না। তাঁরা যদি আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেন বা ক্ষোভ প্রকাশ করেন, তবুও সন্তানকে চুপ থেকে পূর্ণ সম্মান বজায় রাখতে হবে।

মানুষ মুখের উপদেশের চেয়ে বাস্তব কাজের মাধ্যমেই বেশি উদ্বুদ্ধ হয়। সন্তান নিয়মিত সালাত আদায়ের ফলে যদি নিজের মধ্যে ইতিবাচক রূপান্তর আনে এবং বাবা-মায়ের খেদমতে আরও আন্তরিক হয়, তবে তাঁরা উপলব্ধি করবেন যে নামাজই তাঁদের সন্তানকে এমন মানবিক করে তুলেছে। মুসনাদে আহমদের ৮৯৫২ নম্বর হাদিসে মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘নিশ্চয়ই উত্তম চরিত্রই হলো শ্রেষ্ঠ নেক আমল।’ সদাচরণ হলো সবচেয়ে বড় নীরব আহ্বান। পাশাপাশি ঘরে একটি চমৎকার দ্বীনি পরিবেশ গড়ে তোলা যায়। সরাসরি বললে কখনো কখনো তাঁদের আত্মমর্যাদায় লাগতে পারে, তাই আজান শুনে উচ্চকণ্ঠে আজানের উত্তর দেওয়া কিংবা কোরআন তিলাওয়াত করার মতো কৌশল বেছে নেওয়া যেতে পারে। জায়নামাজে বসে সন্তানের অশ্রুসিক্ত মোনাজাত প্রত্যক্ষ করলেও বাবা-মায়ের হৃদয় নরম হতে পারে। এছাড়া কৌশল হিসেবে বলা যায়, ‘মা, ফজরের সময় আমাকে একটু ডেকে দিয়ো।’ এতে তাঁদের নিজেদের মাঝেও ওয়াক্তের ব্যাপারে একধরনের তাগিদ তৈরি হয়।

কারও হৃদয়ে হেদায়েত দান করা কেবলই আল্লাহর এখতিয়ার। প্রিয় চাচা আবু তালিবের ক্ষেত্রেও স্বয়ং রাসুলুল্লাহ (সা.) হেদায়েত দেওয়ার সুযোগ পাননি। তাই মা-বাবার জন্য শেষরাতে রবের দরবারে কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করা জরুরি। সুরা ইব্রাহিমের ৪০ নম্বর আয়াতে একটি অনন্য দোয়া শেখানো হয়েছে, ‘হে আমার প্রতিপালক, আমাকে নামাজ কায়েমকারী বানান এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও।’ এ প্রসঙ্গে ইবনুল কাইয়িম আল-জাওজিয়া তাঁর ‘মাদারিজুস সালিকিন’ (১/২৩৫, দারুল কিতাব আল-আরাবি, বৈরুত, ১৯৯৬) গ্রন্থে লিখেছেন, মানুষের হৃদয়সমূহ আল্লাহর আঙুলগুলোর মাঝে অবস্থান করে; ফলে প্রকাশ্য প্রচেষ্টার চেয়ে রজনীর শেষভাগে আল্লাহর কাছে করা প্রার্থনা অন্তরে সবচেয়ে দ্রুত এবং অলৌকিক পরিবর্তন এনে দেয়।

মা-বাবাকে একবার কিংবা দুবার বলেই আশা ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। কোনো কারণে তাঁরা বিরক্তি প্রকাশ করলে বা বকা দিলে কোনো অবস্থাতেই বিতর্কে জড়ানো যাবে না। কুফর বা শিরকের আদেশ ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে তাঁদের অনুগত থাকার তাগিদ রয়েছে এবং কোনো অবস্থাতেই দুর্ব্যবহারের সুযোগ নেই। সুরা লুকমানের ১৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘আর যদি তারা তোমাকে আমার সঙ্গে এমন কিছু শরিক করতে পীড়াপীড়ি করে, যার কোনো জ্ঞান তোমার নেই, তবে তুমি তাদের কথা মেনো না; কিন্তু দুনিয়াতে তাদের সঙ্গে সদ্ভাবে বসবাস করো।’ মূলত মা-বাবাকে নামাজের পথে আনার চেষ্টা একটি ধৈর্যশীল ও ভালোবাসাপূর্ণ অভিযাত্রা। কোনো ধরনের জোরজবরদস্তি না করে অকৃত্রিম মমতা, একনিষ্ঠ সেবা এবং অবিরাম দোয়ার মাধ্যমেই তাঁদের মনকে নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করা সম্ভব।

advertisement
advertisement

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, সুন্দর ভোট হচ্ছে: সিইসি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, সুন্দর ভোট হচ্ছে: সিইসি

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না, সুন্দর ভোট হচ্ছে: সিইসি

জাতীয় ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে কোনোভাবেই লঘু করে দেখছে না নির্বাচন কমিশন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই এই ভোটকে সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, নির্বাচন কমিশন সবসময় স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করে এবং প্রতিটি ভোটকে সমান মর্যাদা দেয়।

রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে স্থাপন করা কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল সরাসরি পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। ২৯ অক্টোবর বেলা ১১টার পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, ঠাকুরগাঁওয়ের এই উপনির্বাচন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এগিয়ে চলেছে এবং সম্পূর্ণ নির্বাচনী কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ ও জোট থেকে আসা অভিযোগগুলোকে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়েছে বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। বিশেষ করে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে যেসব বিষয়ে আপত্তি তোলা হয়েছিল, তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলোর যথাযথ সমাধান করা হয়েছে। অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং বিজিবিসহ সব আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে মাঠে নামানো হয়েছে।

সংঘাতময় রাজনৈতিক পরিবেশ থেকে বেরিয়ে এসে দেশে একটি উৎসবমুখর নির্বাচনী সংস্কৃতি গড়ে তোলাই কমিশনের মূল লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় একটি স্বচ্ছ, অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট উপহার দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি জানান, আচরণবিধি লঙ্ঘন সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ অত্যন্ত কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে।

ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত হলো

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত হলো

ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরি যত হলো

অর্থনীতি ডেস্ক: স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে মূল্যবান এই ধাতুর মূল্য পুনরায় সমন্বয় করা হয়েছে। দেশের বাজারে জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা বাজুস সোনার দাম বাড়ানোর এই নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সোনা ও রুপার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়, যা দেশের সকল বাজারে সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ ক্রেতাদের জুয়েলারি সামগ্রী ক্রয়ের জন্য আগের তুলনায় কিছুটা বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

নতুন নির্ধারিত মূল্যতালিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম বাড়িয়ে দুই লাখ চব্বিশ হাজার ছয়শত বত্রিশ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ঠিক করা হয়েছে দুই লাখ চৌদ্দ হাজার ছয়শত সাতাত্তর টাকা। অন্যদিকে, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনা কিনতে ক্রেতাদের এক লাখ চুরাশি হাজার চারশত একাত্তর টাকা খরচ করতে হবে এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ পঞ্চাশ হাজার পাঁচশত ষোল টাকা।

সোনার পাশাপাশি রুপার বাজারেও দামের পরিবর্তন এনেছে বাজুস কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরির রুপার নতুন দর ঘোষণা করা হয়েছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম তিন হাজার আটশত ঊনচল্লিশ টাকা এবং ২১ ক্যারেটের রুপার ভরি তিন হাজার ছয়শত চুয়াত্তর টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা তিন হাজার একশত উনপঞ্চাশ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা দুই হাজার তিনশত একানব্বই টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গহনার নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ভ্যাট এবং অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি যুক্ত থাকবে। পরবর্তী কোনো নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত দেশের সকল স্বর্ণের দোকানে এই নির্ধারিত মূল্য তালিকা বলবৎ থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কমিটি জানিয়েছে।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে চলছে ভোট গ্রহণ: কর্মকর্তাদের কার্ডে ছবি না থাকায় উদ্বিগ্ন দেলাওয়ার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে চলছে ভোট গ্রহণ: কর্মকর্তাদের কার্ডে ছবি না থাকায় উদ্বিগ্ন দেলাওয়ার

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে চলছে ভোট গ্রহণ: কর্মকর্তাদের কার্ডে ছবি না থাকায় উদ্বিগ্ন দেলাওয়ার

রাজনীতি ডেস্ক: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সকাল আটটা থেকে ১৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বিরতিহীনভাবে চলা এই ভোটগ্রহণ বিকেল চারটা পর্যন্ত চলবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন এবং মোট ৯৮৯টি বুথে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন তারা। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে মাঠে পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটকেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষায় ২১ প্লাটুন বিজিবি, দুই হাজার ২৭২ জন পুলিশ সদস্য এবং দুই হাজার ৪০৫ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া যেকোনো অনিয়ম রোধ ও নির্বাচনী আচরণবিধি তদারকি করতে বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। পাশাপাশি চারজন বিদেশি পর্যবেক্ষকসহ মোট ১৭৭ জন পর্যবেক্ষক পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করছেন।

ভোটগ্রহণের শুরুতে নিজ নিজ কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন এবং নিজের জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অন্যদিকে, ১১-দলীয় ঐক্য-সমর্থিত জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন হাজীপাড়া আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা নিয়ে কিছু সুনির্দিষ্ট শঙ্কা প্রকাশ করেন।

ভোট প্রদান শেষে জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন অভিযোগ করেন যে, কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের পরিচয়পত্রে কোনো ছবি নেই। ছবিবিহীন পরিচয়পত্র থাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি আসল নাকি অন্য কেউ প্রক্সি দিচ্ছেন তা যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়া কিছু কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়ার কথাও জানান তিনি এবং দ্রুত এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।