খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এআই–এর কারণে কমছে গুগল সার্চ, এক দিনে অ্যালফাবেটের ৫০০ বিলিয়ন ডলার উধাও

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:১২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এআই–এর কারণে কমছে গুগল সার্চ, এক দিনে অ্যালফাবেটের ৫০০ বিলিয়ন ডলার উধাও

এআই–এর কারণে কমছে গুগল সার্চ, এক দিনে অ্যালফাবেটের ৫০০ বিলিয়ন ডলার উধাও

প্রযুক্তি ডেস্ক: প্রযুক্তির দুনিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রথযাত্রার সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে বড় ধরনের আর্থিক ঝাঁকুনির মুখে পড়েছে বহুজাতিক প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল। চ্যাটজিপিটি এবং ক্লদসহ আধুনিক প্রজন্মের চ্যাটবটগুলো যখন প্রচলিত সার্চ ইঞ্জিনের শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে, তখন নিজেদের বাজার দখল ধরে রাখতে গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটও তড়িঘড়ি করে এআইভিত্তিক সার্চব্যবস্থা চালু করেছে। তবে এই পরিবর্তন টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে তাদের সবচেয়ে বড় আয়ের উৎস অর্থাৎ সার্চ বিজ্ঞাপনের বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নিজস্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির তৈরি সার্চ সারাংশ বা সামারি ব্যবহারের ফলে বিজ্ঞাপন থেকে আসা আয়ে বড় ধরনের ধস নেমেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশের পর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয় এবং এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে কোম্পানির শেয়ারবাজারে। গত সপ্তাহে একদিনের ব্যবধানে অ্যালফাবেট তাদের বাজারমূল্য থেকে পাঁচশ বিলিয়ন ডলারের বেশি হারিয়েছে, যা প্রযুক্তি খাতের বিনিয়োগকারীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ব্যবসায়িক কর্মকর্তা ফিলিপ শিন্ডলার জানিয়েছেন, গুগলের নতুন এআই মোড বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সার্চব্যবস্থা ব্যবহারকারীদের সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকে। কিন্তু প্রচলিত সার্চ ফলাফলের পাশে এই নতুন ব্যবস্থা যুক্ত হওয়ায় ঐতিহ্যগত বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে যে রাজস্ব আসত, তাতে কিছুটা ভাটা পড়েছে। তবে এই প্রাথমিক ধাক্কা সত্ত্বেও এআইভিত্তিক সার্চ ইঞ্জিনের ভবিষ্যৎ সাফল্য ও অগ্রগতির বিষয়ে গুগলের শীর্ষ কর্তারা অত্যন্ত আশাবাদী মনোভাব প্রকাশ করেছেন। ফিলিপ শিন্ডলার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া মন্তব্যে উল্লেখ করেছেন যে তাদের প্রযুক্তির অগ্রগতির এই সামগ্রিক ধারা নিয়ে তাঁরা অত্যন্ত সন্তুষ্ট। এআইয়ের এই অতি দ্রুত উত্থানের ফলে তথ্য অনুসন্ধানের বাজারে গুগলের দীর্ঘদিনের একক আধিপত্য এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। লাখ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এখন সনাতন সার্চ ইঞ্জিনের পরিবর্তে সরাসরি চ্যাটজিপিটি কিংবা ক্লদের মতো উন্নত এআই প্রোগ্রামগুলোর শরণাপন্ন হচ্ছেন।

গুগলের বিজ্ঞাপন ব্যবসার সাবেক প্রধান কিম স্কট বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই পরিস্থিতিকে বিশ্লেষণ করে জানিয়েছেন যে অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিতে দেওয়ার চেয়ে গুগল নিজেই এই ব্যবসায়িক ক্ষতি মেনে নিতে প্রস্তুত। তাঁর মতে, দীর্ঘমেয়াদি প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত বিনিয়োগের ওপর ভিত্তি করেই গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানের গোড়াপত্তন হয়েছিল। স্বল্প মেয়াদে এই রূপান্তর ও বিনিয়োগ কিছুটা ক্ষতিকর বা বেদনাদায়ক মনে হলেও, সুদূরপ্রসারী সুবিধার কথা বিবেচনা করেই গুগল এমন সাহসী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে। এদিকে প্রকাশিত সাম্প্রতিক আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যালফাবেটের সামগ্রিক আয় বেড়েছে এবং গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত তিন মাসে তাদের মোট আয় প্রায় পঁচিশ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১২৭ দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।

আয় বাড়ার এই পরিসংখ্যান সত্ত্বেও কোম্পানিটি বাজার বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা পুরোপুরি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, বিশেষ করে বিজ্ঞাপন খাত থেকে কাঙ্ক্ষিত মুনাফা না আসায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আর্থিক প্রতিবেদন জনসমক্ষে আসার পরপরই বিশ্ববাজারে অ্যালফাবেটের শেয়ারের দাম বারো শতাংশের বেশি কমে গিয়ে গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে আসে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে লেনদেন শেষ হওয়ার পর দেখা যায়, অ্যালফাবেটের মোট বাজারমূল্য আগের দিনের প্রায় চার ট্রিলিয়ন ডলার থেকে কমে তিন দশমিক ছিয়াচল্লিশ ট্রিলিয়ন ডলারে এসে ঠেকেছে। প্রখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফরেস্টারের প্রধান বিশ্লেষক ট্রেসি উ মন্তব্য করেছেন যে অ্যালফাবেটের সার্চ ব্যবসার এই অপেক্ষাকৃত দুর্বল ফলাফল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের পাশাপাশি তাদের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসাগুলোর শক্ত অবস্থান টিকিয়ে রাখার কঠিন লড়াইকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।

advertisement
advertisement

ঢাকায় আট অঞ্চলে চলবে আট রঙের ই-রিকশা, চালকদের লাইসেন্স আপাতত নয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢাকায় আট অঞ্চলে চলবে আট রঙের ই-রিকশা, চালকদের লাইসেন্স আপাতত নয়

ঢাকায় আট অঞ্চলে চলবে আট রঙের ই-রিকশা, চালকদের লাইসেন্স আপাতত নয়

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল সুশৃঙ্খল করতে এবং যানজট নিরসনে একটি নতুন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পুরো ঢাকাকে মোট আটটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে ভাগ করা হবে। প্রতিটি অঞ্চলের জন্য আলাদা রঙের রিকশা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে, যাতে এক অঞ্চলের যান অন্য অঞ্চলে অবাধে চলাচল করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বিশেষ ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো অটোরিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। বিভিন্ন রঙের মাধ্যমে সহজেই চিহ্নিত করা যাবে কোন রিকশাটি কোন নির্দিষ্ট এলাকায় চলাচলের অনুমতি পেয়েছে। এর ফলে যত্রতত্র ব্যাটারিচালিত যানের উপদ্রব কমবে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কাজও অনেক সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে চালকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে আপাতত ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। এই খাতের সঙ্গে জড়িত চালকদের পেশাগত জীবনকে হঠাৎ করে জটিল না করে তাদের একটি নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসতেই এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বিবেচনা করে চালকদের নিবন্ধনের আওতায় আনার বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা পরিকল্পনা করতে পারেন।

নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়ন নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ইতিবাচক আলোচনা চলছে এবং খুব শীঘ্রই মাঠপর্যায়ে এর কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির মুখে এই ধরনের উদ্যোগ রাজধানীর যাতায়াত ব্যবস্থাকে আরও কিছুটা স্বস্তিদায়ক করে তুলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আসছে শীত, প্লেটে থাকুক সব রঙের সবজি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আসছে শীত, প্লেটে থাকুক সব রঙের সবজি

আসছে শীত, প্লেটে থাকুক সব রঙের সবজি

স্বাস্থ্য ডেস্ক: প্রকৃতিতে এখন শীতের আমেজ শুরু হয়েছে এবং কিছুদিনের মধ্যেই বাজারের থলে ভরে উঠবে হরেক রকমের রঙিন শাকসবজি ও ফলে। শীতকালীন এই খাবারগুলো শুধু খাবারের টেবিলের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, বরং শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদাও সফলভাবে পূরণ করে। আমাদের দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা মেটাতে কোনো একক খাবারের ওপর নির্ভর না করে বিভিন্ন ধরনের খাবার খাওয়া প্রয়োজন। কারণ প্রতিটি রঙের শাকসবজি এবং ফলে ভিন্ন ভিন্ন পুষ্টিগুণ ও প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন রঙের খাবার রাখা সুস্থ জীবনের জন্য অত্যন্ত কার্যকর একটি উপায়।

খাবারের পাতে লাল এবং কমলা বা হলুদ রঙের শাকসবজি রাখা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ সাহায্য করে। লাল রঙের খাবারে থাকা লাইকোপেন নামক উপাদান হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে এবং শরীরের প্রদাহ কমাতে বিশেষভাবে কাজ করে, যার ভালো উৎস হতে পারে টমেটো ও লাল ক্যাপসিকাম। অন্যদিকে, গাজর ও মিষ্টি আলুর মতো কমলা বা হলুদ রঙের খাবারে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন থাকে যা শরীরে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়। এই উপাদানটি চোখের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে, ত্বক উজ্জ্বল রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

সবুজ, নীল ও বেগুনি রঙের শাকসবজি শরীরের কোষ সুরক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। পালং শাক ও ব্রকলির মতো সবুজ সবজিতে থাকা ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং গ্লুকোসিনোলেটস কোষের সুরক্ষায় কাজ করে। পাশাপাশি, বেগুনি বাঁধাকপি ও বেগুনের মতো নীল বা বেগুনি রঙের খাবারে থাকা অ্যান্থোসায়ানিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এমনকি সাদা রঙের রসুন ও পেঁয়াজে থাকা সালফারযুক্ত উপাদান ক্ষতিকর জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

প্রতিদিন সব রঙের খাবার খাওয়া সম্ভব না হলেও প্রতিটি বেলার খাবারে অন্তত তিনটি ভিন্ন রঙের সবজি বা ফল রাখার চেষ্টা করা উচিত। পুষ্টি উপাদান ও ফাইবার বেশি পাওয়ার জন্য আপেল বা শসার মতো ফল ও সবজি খোসাসহ খাওয়া বেশি উপকারী। এছাড়া, কিছু ভিটামিন কাঁচা অবস্থায় এবং কিছু পুষ্টি উপাদান হালকা সেদ্ধ করলে সহজে শোষিত হয়, তাই কাঁচা ও সেদ্ধ উভয় উপায়েই খাবার গ্রহণ করা শ্রেয়। তাজা খাবার পাওয়া না গেলে হিমায়িত সবজি বা ফলও বেছে নেওয়া যেতে পারে, কারণ এগুলোতেও তাজা খাবারের সমান পুষ্টিগুণ বজায় থাকে।

রাজধানীতে ৭ কোম্পানির অধীনে চালু হলো ৮৬১ বাস, চলবে সাত রুটে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজধানীতে ৭ কোম্পানির অধীনে চালু হলো ৮৬১ বাস, চলবে সাত রুটে

রাজধানীতে ৭ কোম্পানির অধীনে চালু হলো ৮৬১ বাস, চলবে সাত রুটে

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে বাস রুট র‍্যাশনালাইজেশন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নতুন করে সাতটি রুটে কোম্পানিভিত্তিক বাস চলাচল শুরু হয়েছে। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে সাতটি পরিবহন কোম্পানির অধীনে মোট আটশ একষট্টিটি বাস পরিচালনার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রায় দুইশ কিলোমিটার দীর্ঘ এসব রুটে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও সাধারণ উভয় ধরনের বাস চলাচল করবে, যা নগরবাসীর যাতায়াতকে আরও সহজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং পরিবহন খাতের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এই সাতটি রুটের মধ্যে গাজীপুরের শিববাড়ী থেকে আজিমপুর, টঙ্গী থেকে আজিমপুর এবং মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া রুট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া মোহাম্মদপুরের ঘাটারচর থেকে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, ঘাটারচর থেকে চিটাগাং রোড-কাঁচপুর, ঘাটারচর থেকে আব্দুল্লাহপুরের ধউর এবং মিরপুর-১ থেকে কাকলী-বনানী সার্কুলার রুটেও বাসগুলো চলাচল করবে। বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানির অধীনে যেমন ভিআইপি সিটি পরিবহন, ঢাকা সিটি পরিবহন, চিড়িয়াখানা সিটি পরিবহন এবং রমজান আলী সিটি পরিবহনসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এই বহরে বাস পরিচালনা করবে। প্রতিটি রুটের জন্য সুনির্দিষ্ট সংখ্যক বাস বরাদ্দ করা হয়েছে যাতে যাত্রীদের চাহিদা সঠিকভাবে পূরণ করা সম্ভব হয়।

নতুন এই নিয়মের আওতায় বাস পরিচালনার জন্য ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বেশ কিছু কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বাস সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং গাড়ির সামনে ও পেছনে ডিজিটাল বোর্ডে রুট নম্বর, গন্তব্য ও ক্রমিক নম্বর প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাসের ভেতরে যাত্রাপথের স্টপেজের তালিকা টাঙিয়ে রাখতে হবে এবং চালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মীদের পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট স্টপেজ ছাড়া কোথাও যাত্রী ওঠানামা করানো যাবে না এবং অতিরিক্ত সময়ের জন্য কোথাও দাঁড়িয়ে থাকা যাবে না। এছাড়া রাস্তায় যত্রতত্র ওভারটেকিং ও অন্য গাড়ির চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা পরিবহন খাতের অব্যবস্থাপনা দূর করতে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন। অতীতে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের কারণে এই খাতের সংস্কার কাজ বাধাগ্রস্ত হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তা দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে বলে মন্তব্য করা হয়। পর্যায়ক্রমে ঢাকার বত্রিশটি রুটে এই শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা বিস্তার লাভ করবে এবং প্রতিটি রুটের বাসগুলোর জন্য আলাদা রঙের মাধ্যমে পৃথকীকরণ নিশ্চিত করা হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।