খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

চট্টগ্রামে ৬৬ হাজার মামলা, বিচারক মাত্র আটজন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চট্টগ্রামে ৬৬ হাজার মামলা, বিচারক মাত্র আটজন

চট্টগ্রামে ৬৬ হাজার মামলা, বিচারক মাত্র আটজন

আইন-আদালত ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৬৬ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। অথচ দীর্ঘসময় ধরে ১৬টি থানার এই বিশাল এলাকার বিচারকাজ পরিচালনার জন্য মাত্র আটজন বিচারক দায়িত্ব পালন করছেন। আদালতের সংখ্যা অপ্রতুল হওয়ায় এবং জনবল সংকটের কারণে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে বিচারকদের ওপরও অতিরিক্ত কাজের চাপ তৈরি হয়েছে যা তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করছে। সীমিত অবকাঠামো নিয়ে এত বিপুল পরিমাণ মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে গিয়ে আদালতগুলো চরম হিমশিম খাচ্ছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে শেষবারের মতো চট্টগ্রাম মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সংখ্যা বাড়িয়ে আটটিতে উন্নীত করা হয়েছিল। সে সময় বিচারাধীন মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য কম থাকলেও পরবর্তী ১৮ বছরে চট্টগ্রাম মহানগরের জনসংখ্যা ও অপরাধের মাত্রা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সেই অনুপাতে নতুন কোনো চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা অতিরিক্ত আদালত গঠন করা হয়নি। ফলে বর্তমানে প্রতিজন ম্যাজিস্ট্রেটের কাঁধে গড়ে আট হাজার তিনশটিরও বেশি মামলার আইনি দায়িত্ব রয়েছে যা বিচারিক দীর্ঘসূত্রতাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে নতুন মামলার সঙ্গে মামলার নিষ্পত্তিও অব্যাহত রয়েছে। তবে প্রতিদিন গড়ে দুই শতাধিক নতুন মামলা যুক্ত হওয়ায় পুরোনো মামলার জট কমানো সম্ভব হচ্ছে না। বিচারকদের এক দিকে পুরোনো মামলার বিচার সম্পন্ন করতে হচ্ছে, অন্য দিকে নতুন মামলার চাপও সামলাতে হচ্ছে। তথ্য বলছে, ২০১৩ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নতুন আদালত প্রতিষ্ঠার জন্য একাধিকবার আবেদন করা হয়েছে। এমনকি চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেও নতুন তিনটি অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও বিশটি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রতিষ্ঠার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

তবে দীর্ঘ সময় ধরে মন্ত্রণালয়ে আবেদনপত্র জমা থাকলেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। ১৯৭৯ সালে স্বল্পসংখ্যক বিচারক নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরে ম্যাজিস্ট্রেসির কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। তখন থানার সংখ্যা কম থাকায় বিদ্যমান আদালত দিয়ে বিচারকাজ চালানো সম্ভব হলেও বর্তমানে ১৬টি থানার বিপরীতে আদালতের সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকায় সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। বর্তমান পরিস্থিতির বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মফিজুল হক ভূঁইয়া জানিয়েছেন যে বিচারক ও আদালত বাড়ানোর বিষয়ে সরকারি সদিচ্ছা রয়েছে এবং অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে। তবে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত নতুন আদালত প্রতিষ্ঠা ও পর্যাপ্ত বিচারক নিয়োগ করা না হলে বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ আরও মারাত্মক রূপ ধারণ করবে।

advertisement
advertisement

তেভেজের বিদায়ী ম্যাচে এক মাঠে খেলবেন মেসি ও রোনালদো!

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তেভেজের বিদায়ী ম্যাচে এক মাঠে খেলবেন মেসি ও রোনালদো!

তেভেজের বিদায়ী ম্যাচে এক মাঠে খেলবেন মেসি ও রোনালদো!

খেলা ডেস্ক: সবুজ মাঠকে বিদায় জানানোর দীর্ঘ কয়েক বছর পর অবশেষে ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলার ঘোষণা দিয়েছেন আর্জেন্টাইন ফুটবলের জনপ্রিয় ফরোয়ার্ড কার্লোস তেভেজ। আগামী ২০ ডিসেম্বর আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে তার এই বহুলপ্রতীক্ষিত বিদায়ী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। গুডবাই আপাচে ফ্রম বল বয় টু লিজেন্ড শিরোনামে আয়োজিত হতে যাওয়া এই রাজকীয় ম্যাচটিকে নিছক একটি প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে রাখতে নারাজ এই তারকা। বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকাদের এক মহামিলনমেলায় পরিণত করতে বেশ বড়সড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন তিনি এবং তার এই আয়োজনে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে বিশ্বজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসির।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক সতীর্থ রিও ফার্দিনান্দের সঙ্গে আলাপকালে কার্লোস তেভেজ নিশ্চিত করেছেন যে তার বিশেষ এই দিনে মাঠে থাকবেন লিওনেল মেসি এবং বোকা জুনিয়র্সের বর্তমান সভাপতি হুয়ান রোমান রিকেলমে। তবে এখানেই থেমে না থেকে ফুটবল দুনিয়ার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই বরপুত্র লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে একই মাঠে নামানোর রোমাঞ্চকর এক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চান তিনি। নিজেই পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে এই ম্যাচে আমন্ত্রণ জানানোর উদ্যোগ নিয়েছেন এই ফরোয়ার্ড, যা সফল হলে বিশ্ববাসী বুয়েনস আইরেসের সবুজ গালিচায় এক অবিস্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী হবে।

এই বিশেষ প্রীতি ম্যাচে ইউরোপ ও লাতিন আমেরিকার সোনালি প্রজন্মের সাবেক সতীর্থদের মাঠে দেখা যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। সম্ভাব্য অতিথি তালিকায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, জুভেন্টাস এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের একসময়ের তারকা সতীর্থদের মধ্যে সার্জিও আগুয়েরো, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, পল স্কোলস, রায়ান গিগস, ওয়েইন রুনি এবং আন্দ্রেয়া পিরলোর নাম আলোচিত হচ্ছে। বর্ণিল এই ক্যারিয়ারের ইতি টানতে বিশ্বের বাঘা বাঘা ফুটবলারদের উপস্থিতি এই আয়োজনকে এক ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বোকা জুনিয়র্সের জার্সিতে পেশাদার ফুটবল অঙ্গনে পথচলা শুরু করা কার্লোস তেভেজ ক্লাবটির হয়ে ২৭৯ ম্যাচে ৯৪ গোল করে নিজেদের ইতিহাসের অংশ হয়ে আছেন। ২০০৩ সালের কোপা লিবার্তাদোরেস ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ জয়ে তিনি রেখেছিলেন অবিস্মরণীয় অবদান যা তাকে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার স্বীকৃতি এনে দেয়। মাঠের লড়াই ছাড়ার পর কোচিং পেশায় কিছুকাল কাটালেও বর্তমানে ব্যবসায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি, তবে সব ব্যস্ততা দূরে ঠেলে শেকড়ের টানে সেই চিরচেনা লা বোম্বোনেরার গ্যালারির সামনে শেষবারের মতো বুট জোড়া পায়ে নামবেন এই কিংবদন্তি।

নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে জাল ফেলতেই আবহাওয়ার চোখরাঙানি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে জাল ফেলতেই আবহাওয়ার চোখরাঙানি

নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে জাল ফেলতেই আবহাওয়ার চোখরাঙানি

জাতীয় ডেস্ক: দীর্ঘ ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে সাগরে মাছ শিকারে নেমে চরম বৈরী আবহাওয়ার মুখোমুখি হয়েছেন বরগুনার পাথরঘাটার জেলেরা। দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকার পর জালে প্রচুর ইলিশ পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে তাঁরা সমুদ্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু মৌসুমের শুরুতেই আবহাওয়ার মতিগতি বদলে যাওয়ায় জেলেদের মাঝে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি পাথরঘাটা অঞ্চলের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার পাশাপাশি দফায় দফায় বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়া বয়ে যেতে দেখা গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সামুদ্রিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও এর সংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে যা আরও ঘনীভূত হতে পারে। এছাড়া বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন অংশে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় সমুদ্রগামী মানুষ আরও বেশি সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

নিষেধাজ্ঞার দীর্ঘ সময়ে কোনো আয় না থাকায় অনেক জেলেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে কোনোমতে সংসার চালাতে হয়েছে। এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে তারা সাগরে ছুটে গিয়েছিলেন, কিন্তু আবহাওয়ার এই চোখরাঙানি তাদের সব পরিকল্পনাকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। ফলে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ মাছ শিকার করা নিয়ে বড় ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, গত মৌসুমেও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে জেলেরা চরম দুর্ভোগ পোহাতে বাধ্য হয়েছেন এবং অনেক জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। এবারের নিষেধাজ্ঞা শেষে নতুন আশায় বুক বেঁধে জেলেরা সাগরে গেলেও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে একদিকে যেমন মাছ পাওয়ার আশা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে জীবনের ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে গেছে।

এদিকে সাগরে অবস্থানরত জেলেদের পাশাপাশি উপকূলের পরিবারগুলোর সদস্যরাও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। গত বছরের নিখোঁজ হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনাগুলো তাদের স্মৃতিতে ভেসে আসায় প্রিয়জনদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিয়ে স্বজনেরা প্রতিমুহূর্তে উৎকণ্ঠায় দিন পার করছেন। আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই শঙ্কা কাটবে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

নো ইয়াবা, নো হেরোইন বাস্তবায়নের আহ্বান বিএনপি এমপির

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নো ইয়াবা, নো হেরোইন বাস্তবায়নের আহ্বান বিএনপি এমপির

নো ইয়াবা, নো হেরোইন বাস্তবায়নের আহ্বান বিএনপি এমপির

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফ অঞ্চলে ইয়াবা এবং হেরোইনের মতো মারাত্মক সব মাদকের বিস্তার রোধে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সম্প্রতি উখিয়া উপজেলার কোটবাজার এলাকায় আয়োজিত এক যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী এই আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, যুবসমাজকে সামনে রেখেই মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে শক্ত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মাদক কেবল একটি ব্যক্তি বা পরিবারকেই নয়, বরং পুরো সমাজ ও দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সমাবেশে শাহজাহান চৌধুরী উখিয়া ও টেকনাফ এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে নো ইয়াবা ও নো হেরোইন স্লোগান বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। তিনি উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার তাগিদ দিয়ে বলেন, এই অন্ধকার জগতের সঙ্গে জড়িতদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে। পাশাপাশি মাদক নির্মূলের এই কার্যক্রমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় যুবদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে সংসদ সদস্য জানান যে, জনগণের সার্বিক কল্যাণ ও উন্নয়নে সকলকে অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সরকার থেকে প্রাপ্ত উন্নয়ন বরাদ্দের একটি বড় অংশ যুবদলের নেতাকর্মীদের মাধ্যমেই জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। প্রতিটি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বরাদ্দের প্রকৃত সুফল যেন সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে পৌঁছায়, সে বিষয়ে নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম সাইফুর রহিম সিকদার ও সদস্যসচিব খাইরুল আমিনের উদ্যোগে আয়োজিত এই যুব সমাবেশে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষ অংশ নেন। যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‍্যালি শেষে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ আহমদ উজ্জ্বল। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ চৌধুরী এবং জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জিসান উদ্দিন জিসানসহ দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।