খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে: পরওয়ার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে: পরওয়ার

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে: পরওয়ার

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। সম্প্রতি রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন। ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে তৃতীয় দফার লংমার্চ কর্মসূচির প্রস্তুতি তুলে ধরার জন্যই মূলত ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতা বলেন, দেশজুড়ে হত্যা, সহিংসতা, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য এবং রাজনৈতিক সংঘাত উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলেছে। সরকারি দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেও বিভিন্ন স্থানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে বলে তিনি দাবি করেন। এ ছাড়া দেশের সর্বত্র দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, অবৈধ নিয়োগ, ডিলারশিপ বাণিজ্য এবং দখলদারিত্বের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও উল্লেখ করেন যে, হাট-বাজার, ঘাট, বালুমহাল, পরিবহন খাত এবং বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি চলছে। চাঁদাবাজির ধরন বা প্রক্রিয়া আগের মতোই রয়ে গেছে, কেবল চাঁদাবাজদের রাজনৈতিক পরিচয় ও দলের নাম পরিবর্তিত হয়েছে মাত্র। সরকার আন্তরিক উদ্যোগ নিলে বিরোধী দলের সহযোগিতায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য এই দীর্ঘ লংমার্চ কর্মসূচি পালন করবে। ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত প্রায় চারশ দশ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথসভায় ১৯টি জেলার নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা অংশ নেবেন বলে জানানো হয়। লংমার্চটি সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের সঙ্গে যথাযথ সমন্বয় ও যোগাযোগ করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

advertisement
advertisement

জাপানের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, বিকল্প অর্থায়নে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জাপানের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, বিকল্প অর্থায়নে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

জাপানের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, বিকল্প অর্থায়নে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের চলমান অবকাঠামোগত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জাপানি সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বাণিজ্যের পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে উভয়ে ঐকমত্যে পৌঁছান।

আলোচনায় দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি বিকল্প অর্থায়ন ব্যবস্থা চালুর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপটে প্রথাগত অর্থায়নের বাইরে গিয়ে নতুন ও বহুমুখী উৎস থেকে তহবিল সংগ্রহের উপায় খুঁজছে বাংলাদেশ। এই বিকল্প অর্থায়ন কৌশল বাস্তবায়িত হলে বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পগুলো আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাপানের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে এই বৈঠকে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এ সময় জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশে আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরির আশ্বাস দেওয়া হয়। দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষর এবং বাণিজ্য বাধা দূর করার বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এই বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করতে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে এবং দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক নতুন মাত্রা লাভ করবে।

এক স্বৈরাচার বিদায় করে নতুন স্বৈরাচারের উত্থান দেখছি: নাহিদ ইসলাম

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এক স্বৈরাচার বিদায় করে নতুন স্বৈরাচারের উত্থান দেখছি: নাহিদ ইসলাম

এক স্বৈরাচার বিদায় করে নতুন স্বৈরাচারের উত্থান দেখছি: নাহিদ ইসলাম

রাজনীতি ডেস্ক: হাজারো মানুষের আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে এক স্বৈরাচারের পতন ঘটলেও বর্তমানে নতুন আরেকটি স্বৈরাচারের উত্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সম্প্রতি রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত এক গণবিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখা যৌথভাবে এই বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধসহ চার দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের কষ্টের কথা তুলে ধরে তিনি সরকারের বিভিন্ন নীতির তীব্র সমালোচনা করেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন যে, একটি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান এবং জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বর্তমান সময়ে নতুন রূপে স্বৈরাচার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তবে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা দেন যে, পতিত স্বৈরাচার এবং নতুন এই দুই অপশক্তিকেই দেশের আপামর জনতা ও রাজনৈতিক কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ শক্তির মাধ্যমে রাজপথেই পরাজিত করা হবে। সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমান প্রশাসনের চরম ব্যর্থতার কারণে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের জীবনযাত্রাও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বিদ্যুতের ঘাটতি, গ্যাস সংকট, জিনিসপত্রের লাগামহীন দাম এবং চারদিকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির কারণে জনজীবন সম্পূর্ণ নাজেহাল হয়ে পড়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

বর্তমান প্রশাসনের এই সার্বিক ব্যর্থতার সম্পূর্ণ দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের ওপর বর্তায় বলে মন্তব্য করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির এই শীর্ষ নেতা। তিনি অভিযোগ করেন যে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের দপ্তরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ না করে উল্টো গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা এবং গণভোটের রায়কে পাশ কাটিয়ে একতরফাভাবে সংবিধান সংশোধনের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। ব্যর্থতার সম্পূর্ণ দায় স্বীকার করে অবিলম্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জ্বালানি মন্ত্রীর পদত্যাগের জোর দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে গঠিত সংবিধান সংশোধন কমিটি বাতিল করে জুলাই সনদ ও গণভোটের পূর্বের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী একটি নতুন সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের জন্য সরকারের প্রতি কঠোর আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তাদের নির্বাচনী ইশতেহার এবং জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতিগুলো একে একে ভঙ্গ করে চলেছে বলে হুঁশিয়ারি দেন নাহিদ ইসলাম। জনগণের দাবিগুলো যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পূরণ করা না হয়, তবে সারা দেশে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে তিনি জানান। প্রয়োজনে বড় ধরনের গণমিছিল নিয়ে সরাসরি সরকারপ্রধানের কার্যালয় ঘেরাও করে দাবি আদায় করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন। এদিকে উক্ত সমাবেশ থেকেই আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।

যেভাবে শুরু হয়েছিল হ্যালোউইনের জাদুকরি পোশাকের রেওয়াজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যেভাবে শুরু হয়েছিল হ্যালোউইনের জাদুকরি পোশাকের রেওয়াজ

যেভাবে শুরু হয়েছিল হ্যালোউইনের জাদুকরি পোশাকের রেওয়াজ

ফিচার ডেস্ক: পশ্চিমা বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী উৎসব হ্যালোউইন এখন বিশ্বায়নের প্রভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রতিবছর অক্টোবর মাসের শেষ দিনে ছোট থেকে বড় সবাই এই উৎসবে মেতে ওঠে এবং ভূত, পেত্নী কিংবা নিজেদের প্রিয় কোনো সুপারহিরোর পোশাক পরে ঘুরে বেড়ায়। নিছক আনন্দের ছলে এই দিনে নানা ধরনের কস্টিউম পরার চল থাকলেও এর পেছনে লুকিয়ে রয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী পুরোনো এক ভৌতিক ইতিহাস। মূলত বিভিন্ন প্রাচীন সংস্কৃতির মিশ্রণেই আজকের এই জাদুকরি পোশাক পরিধানের প্রথা গড়ে উঠেছে যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রাচীন সেল্টিকদের বিভিন্ন বিশ্বাস।

এই কস্টিউম পরার প্রথার মূল উৎস খুঁজে পাওয়া যায় প্রায় দুই হাজার বছর আগে স্কটল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডে বসবাসকারী সেল্টিকদের প্রাচীন সামহেইন উৎসবে। শরৎ ও শীতের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে আয়োজিত এই উৎসবটিকে মূলত অন্ধকার মৌসুমের সূচনা হিসেবে ধরা হতো। সেল্টিকরা বিশ্বাস করতেন যে এই বিশেষ সময়ে জীবন্ত ও মৃত জগতের মধ্যকার অদৃশ্য ব্যবধান অত্যন্ত পাতলা হয়ে যায়, যার ফলে মৃত আত্মারা সহজে পৃথিবীতে ফিরে আসতে পারে। অশুভ আত্মা বা দেবতারা যেন মানুষের ক্ষতি করতে না পারে, সেজন্য তারা ভুতুড়ে ও ভীতিকর পোশাক বা মুখোশ পরে নিজেদের ছদ্মবেশ ধারণ করতেন। তাদের ধারণা ছিল, এই ধরনের ছদ্মবেশের মাধ্যমে অশুভ আত্মাদের ভয় দেখিয়ে বা নিজেদের একজন ভেবে তাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।

পরবর্তী সময়ে ইউরোপে মামিং ও গাইজিং নামে আরেকটি প্রথা বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে যেখানে সাধারণ মানুষ খড়ের তৈরি বিশেষ পোশাক পরে প্রতিবেশীদের বাড়ি গিয়ে গান ও নাটক পরিবেশন করতেন। পরবর্তীকালে স্কটিশ ও আইরিশ অভিবাসীরা এই ঐতিহ্যটি উত্তর আমেরিকায় নিয়ে যান এবং সেখান থেকেই আধুনিক ট্রিক-অর-ট্রিট প্রথার সূচনা হয়। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে উত্তর আমেরিকায় হ্যালোউইনের রাতে বিশৃঙ্খলা রোধ করতে এবং শিশুদের আনন্দ দেওয়ার জন্য স্কুল ও কমিউনিটি পর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রিক-অর-ট্রিট প্রথার প্রচলন করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর চিনির রেশনিং শেষ হলে এই প্রথা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং বর্তমান যুগে এটি শিশুদের মিষ্টি সংগ্রহের একটি আনন্দময় খেলায় পরিণত হয়েছে।

উনিশ ও বিংশ শতাব্দী পর্যন্ত হ্যালোউইনের পোশাকের রূপ একরকম থাকলেও এর সত্যিকারের রমরমা যুগ শুরু হয় বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে। সে সময় নিউইয়র্কের উদ্যোক্তা বেন ও নাট কুপার ভাইয়েরা কম খরচে জনপ্রিয় পপ-সংস্কৃতির চরিত্রভিত্তিক কস্টিউম তৈরি করে এই ক্ষেত্রে এক বিশাল বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। বেন কুপার ডট ইন নামের তাদের কোম্পানি কমিক বুক ও টেলিভিশনের জনপ্রিয় চরিত্রগুলোকে শিশুদের কাছে সহজলভ্য করে তোলে এবং হ্যালোউইনের কস্টিউমকে উৎসবের একটি অপরিহার্য অংশে পরিণত করে। বর্তমানে হ্যালোউইনে কস্টিউম পরার উদ্দেশ্য আনন্দ উপভোগ করা এবং নিজস্ব সৃজনশীলতার প্রকাশ ঘটানো হলেও এটি মূলত প্রাচীন সেল্টিকদের টিকে থাকার লড়াই, ইউরোপীয় লোকসংস্কৃতি ও আধুনিক পপ-কালচারের এক দারুণ মেলবন্ধন হিসেবে কাজ করছে।