খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

কম বয়সে চুল পাকা ও চুল পড়ার সমস্যা কেবল জিনগত নয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কম বয়সে চুল পাকা ও চুল পড়ার সমস্যা কেবল জিনগত নয়

কম বয়সে চুল পাকা ও চুল পড়ার সমস্যা কেবল জিনগত নয়

স্বাস্থ্য ডেস্ক: মাত্র কুড়ি বা ত্রিশ বছর বয়সে মাথার চুল পেকে যাওয়া কিংবা চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। বন্ধুদের ঘন ও কালো চুলের বিপরীতে নিজের মাথায় রূপালি চুল দেখলে স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তা তৈরি হয়। রূপচর্চার বাজারে নানা ধরনের প্রসাধনী ও ঘরোয়া উপায়ের ছড়াছড়ি থাকলেও সঠিক কারণ না জেনে সমাধান খোঁজা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, অল্প বয়সে চুল পাকার পেছনে কেবল বংশগত বা জিনগত কারণই নয়, বরং জীবনযাত্রা এবং নানা জৈবিক বিষয়ও সমানভাবে জড়িত থাকে।

চুল সাদা হওয়া মূলত একটি স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া হলেও বয়সের আগেই তা ঘটার পেছনে জিনগত বৈশিষ্ট্যের বড় ভূমিকা রয়েছে। গবেষকদের মতে, অসময়ে চুল পাকার জন্য প্রায় ছয়টি বিশেষ জিন দায়ী, যা শরীরের হরমোন নিয়ন্ত্রণ, কোষ পুনর্গঠন এবং ভিটামিনের ব্যবহারকে প্রভাবিত করে। উদাহরণস্বরূপ, এআর এবং এসআরডি৫এ২ জিনগুলো হরমোনের সংবেদনশীলতা বাড়িয়ে চুল দ্রুত পাকা ও পড়ার প্রবণতা তৈরি করে। একইভাবে ইএসআর১, এমটিএইচএফআর, ভিডিআর এবং এইচআফই জিনগুলো চুলের বৃদ্ধিতে, পুষ্টি জোগাতে এবং শরীরের বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তবে পরিবারে কারও কম বয়সে চুল পাকার ইতিহাস থাকলেই যে সবার ক্ষেত্রে অবিকল একই ঘটনা ঘটবে, এমন কোনো নিশ্চিত নিয়ম নেই। জিন ছাড়াও আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং খাদ্যাভ্যাস চুলের স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। শরীরে ভিটামিন বি বারো, ভিটামিন ডি, আয়রন কিংবা জিঙ্কের মতো জরুরি পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি দেখা দিলে চুল তার স্বাভাবিক রং হারাতে শুরু করে। এছাড়া থাইরয়েডজনিত সমস্যা কিংবা অটোইমিউন রোগের কারণেও চুল পড়ার হার মারাত্মকভাবে বেড়ে যেতে পারে।

অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং ধূমপানের মতো বদভ্যাস চুলের গোড়ায় অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বাড়িয়ে দেয় এবং রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। বংশগত কারণে চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার এই সমস্যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেসিয়া বলা হয়ে থাকে। অনেকেই এই সমস্যা সমাধানে যত্রতত্র বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট সেবন শুরু করেন, যা জিনের সংবেদনশীলতার ওপর সবসময় কার্যকর হয় না। তাই নিজে নিজে চিকিৎসা না করে একজন বিশেষজ্ঞ চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত, যাতে সঠিক লাইফস্টাইল ও চিকিৎসা পরিকল্পনার মাধ্যমে চুলের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখা যায়।

advertisement
advertisement

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে: পরওয়ার

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে: পরওয়ার

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে: পরওয়ার

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। সম্প্রতি রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন। ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে তৃতীয় দফার লংমার্চ কর্মসূচির প্রস্তুতি তুলে ধরার জন্যই মূলত ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত নেতা বলেন, দেশজুড়ে হত্যা, সহিংসতা, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য এবং রাজনৈতিক সংঘাত উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলেছে। সরকারি দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেও বিভিন্ন স্থানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে বলে তিনি দাবি করেন। এ ছাড়া দেশের সর্বত্র দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, অবৈধ নিয়োগ, ডিলারশিপ বাণিজ্য এবং দখলদারিত্বের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও উল্লেখ করেন যে, হাট-বাজার, ঘাট, বালুমহাল, পরিবহন খাত এবং বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি চলছে। চাঁদাবাজির ধরন বা প্রক্রিয়া আগের মতোই রয়ে গেছে, কেবল চাঁদাবাজদের রাজনৈতিক পরিচয় ও দলের নাম পরিবর্তিত হয়েছে মাত্র। সরকার আন্তরিক উদ্যোগ নিলে বিরোধী দলের সহযোগিতায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য এই দীর্ঘ লংমার্চ কর্মসূচি পালন করবে। ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত প্রায় চারশ দশ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথসভায় ১৯টি জেলার নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা অংশ নেবেন বলে জানানো হয়। লংমার্চটি সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের সঙ্গে যথাযথ সমন্বয় ও যোগাযোগ করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

আরো ১ লাখ এতিম-দুস্থ শিশুকে সহায়তা দেবে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আরো ১ লাখ এতিম-দুস্থ শিশুকে সহায়তা দেবে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

আরো ১ লাখ এতিম-দুস্থ শিশুকে সহায়তা দেবে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক: সমাজের অবহেলিত এতিম ও দুস্থ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, সমাজের এই সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দায়িত্ব পুরোপুরি রাষ্ট্রের এবং সেই দায়িত্ব পালনে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও সচেষ্ট ভূমিকা পালন করে আসছে। এতিম ও দুস্থদের কল্যাণে ইতিমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্নমুখী ও বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে সম্প্রতি নতুন করে আরও এক লাখ এতিম ও দুস্থ শিশুকে সরকারি সহায়তার আওতায় আনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অনাথ ও এতিম শিশুদের কল্যাণে পরিচালিত সরকারি কার্যক্রমের পরিধি ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি করা হবে। তবে কেবল সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে দেশের বিত্তবান ও ধনী ব্যক্তিদেরও এসব দুস্থ মানুষের কল্যাণে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার আল জামেয়াতুল আরাবিয়াতুল ইসলামিয়া জিরি মাদ্রাসার উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলন ও দস্তারবন্দী অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কওমি মাদ্রাসাশিক্ষার ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, এই ধারায় শিক্ষা শেষ করে শিক্ষার্থীরা দেশের ধর্মীয় অঙ্গনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক অবদান রেখে চলেছেন। সমাজে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রসারে মাদ্রাসাশিক্ষার ভূমিকা অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও অপরিসীম।

মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক মাওলানা মো. খোবাইবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মাওলানা মহিবুল্লাহ বাবুনগরীসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। দুই দিনব্যাপী এই মহাসম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার সাবেক শিক্ষার্থী ও ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন। জুমার নামাজের পর দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি এবং সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

তৃণমূল পর্যায়ে নারী স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তৃণমূল পর্যায়ে নারী স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

তৃণমূল পর্যায়ে নারী স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ডেস্ক: জটিল নারী স্বাস্থ্যসমস্যা মোকাবিলায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছেন নীতিনির্ধারকরা। বর্তমান প্রশাসন নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী স্বাস্থ্য খাতের কাঠামোগত উন্নয়ন, রোগ প্রতিরোধ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত এক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দেশের লাখ লাখ নারী এন্ডোমেট্রিওসিসের মতো দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল রোগে ভুগে থাকেন, যা প্রায়শই অগোচরে থেকে যায়।

সামাজিক বাধা ও জনসচেতনতার অভাবের কারণে এই ধরনের রোগের শিকার নারীরা সময়মতো সঠিক চিকিৎসা পান না। এই সংকট উত্তরণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে, যার একটি বড় অংশে থাকবেন নারী কর্মীরা। মাঠপর্যায়ে নারীদের সঙ্গে এসব কর্মীর সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হলে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়েই রোগ নির্ণয় সহজ হবে। এছাড়া দক্ষ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে একটি সুনির্দিষ্ট রেফারেল ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

রাজধানীর বড় হাসপাতালগুলোতে অতিরিক্ত রোগীর চাপ এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি বহুদিনের পুরোনো সমস্যা। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের চিকিৎসালয়গুলোকে পর্যাপ্ত জনবল, প্রশিক্ষিত চিকিৎসক এবং আধুনিক যন্ত্রপাতিতে সমৃদ্ধ করতে পারলে একটি কার্যকর নেটওয়ার্ক তৈরি সম্ভব। এর ফলে সিংহভাগ মানুষ নিজ এলাকাতেই কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবেন এবং বড় শহরমুখী হওয়ার প্রবণতা কমবে। মূলত স্থানীয় হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াতেই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

চিকিৎসক সমাজের দক্ষতার কথা তুলে ধরে গবেষণার ক্ষেত্রে আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। কাজের অতিরিক্ত চাপ এবং সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় আন্তর্জাতিক মানের প্রকাশনায় পিছিয়ে পড়তে হয় তরুণ চিকিৎসকদের। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে মানসম্মত গবেষণা প্রস্তাবে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জরায়ুমুখের ক্যানসারের মতো মারাত্মক রোগের বিস্তার রোধে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।