খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

কালকের মধ্যেই সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে না সরালে বরাদ্দ বাতিল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কালকের মধ্যেই সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে না সরালে বরাদ্দ বাতিল

কালকের মধ্যেই সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে না সরালে বরাদ্দ বাতিল

জাতীয় ডেস্ক: সরকারি আবাসন ব্যবস্থার নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে যেসব বরাদ্দপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিজেদের বাসা বা ফ্ল্যাট অন্যের কাছে ভাড়া দিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। সম্প্রতি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর এ বিষয়ে একটি জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। পরিদপ্তরের পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ ভাড়াটেদের সরিয়ে ফেলতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সম্প্রতি পরিদর্শনের সময় কিছু বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তির বাসায় সাবলেট বা অবৈধ ভাড়াটে রাখার বিষয়টি ধরা পড়ে। বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২ অনুযায়ী সরকারি ফ্ল্যাট বা এর কোনো অংশ অন্য কারো কাছে ভাড়া দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু কিছু অসাধু বরাদ্দপ্রাপক এই নিয়ম অমান্য করে অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধার জন্য বাসাগুলো অন্যদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। এর ফলে সরকারি আবাসন বরাদ্দের মূল উদ্দেশ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রকৃত চাহিদাবান ব্যক্তিরা সরকারি সুবিধা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

জারি করা নির্দেশনায় আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সরকারি বাসস্থান থেকে সমস্ত অবৈধ ভাড়াটে বা সাবলেট বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট এই তারিখের পর যদি কোনো সরকারি ফ্ল্যাটে ভাড়াটে পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট বরাদ্দপ্রাপকের আবাসন বরাদ্দ তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করা হবে। শুধু বরাদ্দ বাতিল করেই ক্ষান্ত হওয়া হবে না, বরং বিধিমোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এমনকি অভিযুক্ত কর্মচারীর অফিসপ্রধান ও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে বিভাগীয় শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হবে।

এই নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদেরও ইতিমধ্যেই বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। গণবিজ্ঞপ্তির অনুলিপি প্রধান প্রকৌশলী, সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামের উপপরিচালকদের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। আবাসন পরিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারি সম্পদের অপব্যবহার রোধ এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই ধরনের তদারকি ও অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

advertisement
advertisement

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাতের কথা কেন বলে বিএনপি, জানালেন রিজভী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাতের কথা কেন বলে বিএনপি, জানালেন রিজভী

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁতাতের কথা কেন বলে বিএনপি, জানালেন রিজভী

রাজনীতি ডেস্ক: কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও ক্ষমতাচ্যুত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কথিত রাজনৈতিক আঁতাত নিয়ে কেন বিএনপি বারবার প্রশ্ন তুলছে, সম্প্রতি তার নেপথ্য কারণ ও যুক্তি ব্যাখ্যা করেছেন বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা। দলের এই অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জানানো হয় যে গণতান্ত্রিক ও জাতীয়তাবাদী শক্তিকে বিভাজিত করার যেকোনো অপচেষ্টা শেষ পর্যন্ত পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তিকেই পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ করে দেবে। মূলত রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান নানা সমীকরণ এবং সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যের পর এই ব্যাখ্যা সামনে আসে।

গণমাধ্যমকে দেওয়া বিশেষ এক সাক্ষাৎকারে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয় যে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরপরই জামায়াত শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে সাবেক শাসক দলকে ক্ষমা করে দেওয়ার মতো সুর শোনা গিয়েছিল। এই ধরনের নমনীয় মনোভাব এবং তাদের পরবর্তী রাজনৈতিক অবস্থান দেশের সাধারণ মানুষের মনে বড় ধরনের সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা রাজনৈতিক নিপীড়ন ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ, তখন এমন অবস্থান গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

বিএনপির নীতিনির্ধারক মহলের মতে, একটি রাজনৈতিক দল যখন ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান না নিয়ে উল্টো বিভাজনের রাজনীতি করে, তখন তা প্রকারান্তরে পলাতক শক্তিকে পুনর্বাসিত হওয়ার পথ সুগম করে। দেশের পুরো জাতি যখন দীর্ঘ দুঃশাসনের শিকার হয়েছিল, তখন সেই শক্তির বিষয়ে যেকোনো ধরনের আপসকামী মনোভাব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এই রাজনৈতিক মতপার্থক্যের জেরে সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে কথার লড়াই ও পাল্টাপাল্টি মন্তব্য লক্ষ্য করা গেছে।

গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে বিএনপি নেতা আরও জানান যে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির পাঁয়তারা চালাচ্ছে পলাতক চক্র। এমন একটি জটিল পরিস্থিতিতে কোনো রাজনৈতিক দল যদি মূল ধারা থেকে সরে গিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ওঠা অত্যন্ত স্বাভাবিক। সাম্প্রতিক এক জনসভায় দলের শীর্ষ পর্যায় থেকেও এই বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাড়িতে ফুল নিয়ে গেলেন মির্জা ফয়সল, দেলাওয়ার বললেন, ‘বেস্ট অব লাক’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাড়িতে ফুল নিয়ে গেলেন মির্জা ফয়সল, দেলাওয়ার বললেন, ‘বেস্ট অব লাক’

পরাজিত জামায়াত প্রার্থীর বাড়িতে ফুল নিয়ে গেলেন মির্জা ফয়সল, দেলাওয়ার বললেন, ‘বেস্ট অব লাক’

রাজনীতি ডেস্ক: নির্বাচনী লড়াই শেষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বাড়ি ফুল হাতে হাজির হয়ে এক অনন্য রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও সৌজন্যের পরিচয় দিলেন বিএনপি মনোনীত বিজয়ী প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। ভোটের ময়দানের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও বাকবিতণ্ডা পেছনে ফেলে এই সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসার জন্ম দিয়েছে। জয়লাভের পরপরই বিজয়ী এই নেতা সোজা চলে যান তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থীর বাসভবনে।

নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত পরাজিত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনের সঙ্গে দেখা করতে তাঁর নিজ বাড়িতে যান মির্জা ফয়সল। এ সময় বিজয়ী প্রার্থীকে হাসিমুখে বরণ করে নেন দেলাওয়ার হোসেন এবং দুই নেতার মধ্যে অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ফুলের তোড়া বিনিময়ের মাধ্যমে তারা একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে পরাজিত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বিজয়ী প্রতিদ্বন্দ্বী মির্জা ফয়সলকে উদ্দেশ করে শুভকামনা জানান এবং 'বেস্ট অব লাক' বলে তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার সফলতা কামনা করেন। দুই নেতার এই আন্তরিক কথোপকথন এবং কোলাকুলি উপস্থিত লোকজনকে মুগ্ধ করে। নির্বাচনী রাজনীতির উত্তাপের মাঝে এমন সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্মানবোধের দৃশ্য বিরল বলেই মন্তব্য করেন স্থানীয় সুধীজন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে বিরোধীদের এই ধরনের ইতিবাচক বোঝাপড়া ও সৌজন্যমূলক আচরণ ভবিষ্যতে হানাহানি ও দূরত্ব কমিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মির্জা ফয়সলের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে ভোটের মাঠে প্রতিযোগিতা থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে সৌহার্দ্য বজায় রাখা সম্ভব। এই ঘটনা পুরো দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি সুন্দর ও সুস্থধারার বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে।

‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ জামায়াতের ৫ নেতাকে ফাঁসি দিয়েছে, বিএনপির অফিস তো বন্ধ করেনি’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ জামায়াতের ৫ নেতাকে ফাঁসি দিয়েছে, বিএনপির অফিস তো বন্ধ করেনি’

‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ জামায়াতের ৫ নেতাকে ফাঁসি দিয়েছে, বিএনপির অফিস তো বন্ধ করেনি’

রাজনীতি ডেস্ক: ক্ষমতাচ্যুত দলের সঙ্গে সমঝোতা বা আঁতাতের অভিযোগ সম্পূর্ণ অবান্তর এবং রাজনৈতিক অসততা হিসেবে অভিহিত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ এই কঠোর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। মূলত গত দেড় দশকে রাজনৈতিক ময়দানে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপট টেনে তিনি এই বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট জানান যে, যে দলটির চরম দমনপীড়নের শিকার হয়েছে জামায়াত, তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের গোপন সমঝোতার প্রশ্নই ওঠে না।

হামিদুর রহমান আযাদ তাঁর বক্তব্যে বিগত সরকারের আমলের দলীয় ক্ষতির চিত্র তুলে ধরে জানান যে, তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় পাঁচ নেতাকে ফাঁসি দিয়েছে। পাশাপাশি দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা ও গুম করা হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সিলগালা করে রাখা হয়েছিল। এই চরম বৈরী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন রাখেন যে, এতকিছুর পরও কীভাবে একটি সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ জামায়াতের সঙ্গে ওই দলের আঁতাতের কল্পকাহিনি বিশ্বাস করতে পারে।

অন্যদিকে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে এই জামায়াত নেতা পাল্টা অভিযোগ করেন যে, বিগত সময়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি তুলনামূলক সুগম পরিবেশে রাজনীতি করেছে। তিনি দাবি করেন যে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় কখনো স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হয়নি এবং তারা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে সভা-সমাবেশ পরিচালনা করতে পেরেছে। উল্টো গত পনেরো বছর ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে তারা নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি দেশের একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে আসা কিছু মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এই আলোচনা নতুন করে সামনে এসেছে। রাজশাহীর একটি জনসভায় এবং পরবর্তী সময়ে দলীয় জ্যেষ্ঠ নেতাদের বক্তব্যে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে কিছু প্রশ্ন তোলা হয়। এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর হিসেবে আখ্যায়িত করে জামায়াত নেতারা বলছেন, মূলত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গণভোট এবং সাংবিধানিক সংস্কারের মতো জরুরি ও মৌলিক জাতীয় দাবিগুলো থেকে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে সরাতেই এই অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে।